Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

মহাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা রহস্যময় এক্সোপ্ল্যানেট এর অস্তিত্ব!

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
275 বার প্রদর্শিত
করেছেন (310 পয়েন্ট)   14 অক্টোবর 2024 "বিজ্ঞান" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

মহাকাশimage বিজ্ঞানীরা বিগত এক শতাব্দী ব্যাপী গবেষণা করে দেখেন যে, এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হওয়া হাজারের অধিক এক্সোপ্ল্যানেট এ নিজস্ব বায়ুমণ্ডল ও পানি রয়েছে এবং সেখানে হয়ত নিয়মিত বৃষ্টিপাত হয়। আবার সেখানে হয়ত লুকিয়ে রয়েছে আজান কোন এলিয়েন লাইফ। তবে তারা মনে করেন যে, কোন গ্রহে বৃষ্টিপাত হলেই যে, কেবল পানি বর্ষণ হবে বিষয়টি কিন্তু তা মোটেও নয়। 

আমাদের পৃথিবীতে বৃষ্টি হলে অঝর ধারায় পানি নেমে আসে আকাশ থেকে। এটাই হচ্ছে আমাদের গ্রহের জন্য একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে অন্য গ্রহের ক্ষেত্রে বিষয়টি কিন্তু মোটেও এ রকম নয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, আমাদের সোলার সিস্টেমে থাকা শুক্র গ্রহের সারফেসে আকাশ থেকে সালফিউরিক অ্যাসিডের বৃষ্টি হয় এবং সূর্য থেকে প্রায় ৩০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরত্বে থাকা নেপচুন গ্রহে নাকি হীরার বৃষ্টি হয়।

তাছাড়া তাঁরা এইচডি ১৮৯৭৩৩বি নামক এমন একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন যেখানে পানির পরিবর্তে নাকি কাচের বৃষ্টি হয়। তাছাড়া ওজিএলই-টিআর-৫৬বি গ্রহের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা এতটাই বেশি যে সেখানে অবিশ্বাস্যভাবে গলিত লোহার বৃষ্টি হয়। আবার বিজ্ঞানীরা সাম্প্রতিক সময়ে পৃথিবী থেকে ৭০ আলোকবর্ষ দূরে একটি এক্সোপ্ল্যানেট বা সুপার আর্থ ২.০ রকি প্ল্যানেট খুঁজে পেয়েছেন। সেই গ্রহের সারফেস পুরোটাই আমাদের পৃথিবীর মতো সাগর বা মহাসাগর দ্বারা আবৃত রয়েছে। 

বিজ্ঞানীরা প্রায় শত আলোকবর্ষ দূরে এমন এক ভয়ংকর গ্রহ খুঁজে পেয়েছেন যা হাজার হাজার সক্রিয় আগ্নেয়গিরিতে ঠাসা। সেখানে নাকি প্রতিনিয়ত আগ্নেয়গিরির গলিত লাভা বর্ষণ হয়। তার এর নাম দিয়েছেন এলপি ৭৯১-১৮ ডি। এটি প্রায় ৯০ আলোকবর্ষ দূরে ক্রেটার নক্ষত্রপুঞ্জে এই গ্রহটি অবস্থান করছে। আসলে তাঁরা উচ্চ প্রযুক্তির হাবল, ইউক্লিড কিংবা শক্তিশালী জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের সাহায্যে এখনো পর্যন্ত ৫ হাজারের অধিক এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজে পেয়েছেন। তবে এর ৯৫% কোন এলিয়েন লাইফ বা প্রাণের টিকে থাকার জন্য উপযুক্ত নয়।

আসলে এই সুবিশাল মহাবিশ্ব যেন এক অপার বিস্ময় এবং অজানা রহস্যে ভরা এক স্থান। যার মধ্যে শতাধিক এক্সোপ্ল্যানেট বা সুপার আর্থ রকি প্ল্যানেটে হয়ত এলিয়েন লাইফ, নিজস্ব বায়ুমণ্ডল, পানি এবং পৃথিবীর মতো সুন্দর পরিবেশ থাকতে পারে বলে দাবি করেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। তবে এটা ঠিক যে, বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত যতগুলো সুপার আর্থ এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার করেছেন তার প্রায় ৯৯% এ পৃথিবীর মতো জটিল প্রাণের অস্তিত্ব থাকার চিহ্ন খুঁজে পাননি। 

তারা মূলত শক্তিশালী টেলিস্কোপ দ্বারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে প্রেডিকশন করেন যে, সে সকল গ্রহে হয়ত এলিয়েন লাইফ টিকে থাকার মতো অনুকূল পরিবেশ থাকতে পারে। বিশেষ করে তাদের আবিষ্কৃত প্রায় সকল এক্সোপ্ল্যানেটেরই প্রাণের অস্তিও টিকে থাকার কিছু না কিছু ঘাটতি থেকে যায়। কোনোটার নক্ষত্রের সাথে দূরত্বের হেরফের থাকায় অস্বাভাবিক উচ্চ বা চরম মাত্রায় নিম্ন তাপমাত্রা দেখা যায়। আবার কিছু গ্রহে অক্সিজেন বা পানির অস্তিত্ব শনাক্ত করা গেলেও তার পরিমাণ খুবই কম। কোনোটায় আবার কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন ও অন্যান্য বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ খুবই বেশি। 

তারপরেও বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, অত্যন্ত দূরে অবস্থান করায় এ সকল এক্সোপ্ল্যানেট এ ক্ষুদ্র আকারের ব্যাক্টেরিয়া জাতীয় প্রাণী টিকে থাকতে পারে বা বেচে থাকার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ আমাদের পৃথিবীতে এমন কিছু ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে যা কিনা চরম প্রতিকূল পরিবেশে এবং অত্যধিক কিংবা নিম্ন তাপমাত্রায় বেঁচে থাকার রেকর্ড রয়েছে। এমনকি আমাদের পৃথিবীতে কিছু হাইপারথার্মোফ্লিক ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে যা কিনা অবিশ্বাস্যভাবে প্রায় ফুটন্ত পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে। 

তবে মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রাণী বেচে থাকার মতো জটিল ইকো সিস্টেমের কোন গ্রহ এখনো পর্যন্ত খুঁজে পাননি বিজ্ঞানীরা। তবে অদূর ভবিষ্যতে উচ্চ প্রযুক্তির কল্যাণে এই সুবিশাল মহাবিশ্বে বিশেষ করে আমাদের এই এক লক্ষ আলোকবর্ষ ব্যাপী বিস্তৃত আকাশগঙ্গা ছায়াপথে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ট্রিলিয়ন পরিমাণ গ্রহ কিংবা উপগ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব টিকে রয়েছে বলে বিশ্বাস করেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। যদিও এ সকল এক্সোপ্ল্যানেট পৃথিবী থেকে এতটাই দূরে রয়েছে যে সেখানে বর্তমানে মানবজাতির হাতে থাকা প্রচলিত প্রযুক্তির স্পেসক্রাফট দিয়ে সেখানে যাওয়া কিংবা স্পেস মিশন পরিচালনা করা এক কথায় অসম্ভব বলা চলে।

-

সিরাজুর রহমান, (Sherazur Rahman),

শিক্ষক ও লেখক, সিংড়া, নাটোর, বাংলাদেশ।


সংযুক্ত তথ্য
উইকীপিডিয়া, নাসা, স্পেস।
Enolej ID(eID): 896
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
মহাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন গ্রহের মধ্যে কোন কোথাও জটিল প্রাণের অস্তিত্ব ট[...] বিস্তারিত পড়ুন...
202 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমাদের চিরচেনা আকাশগঙ্গা ছায়াপথের এক অতি সুন্দর এবং রহস্যময় স্থান হচ্ছে বার্নাড ৩৩ বা হর্স-হেড নেবুলা। ঘোড়ার মাথার আকৃতি সাদৃশ্য এই অন্ধকারাচ্ছন্ন নীহারিকাটি পৃথিবী থেকে আনুমানিক ১,৩৭৫ �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
301 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পঞ্চমবারের মতো আকাশে উড়ল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপ। এবং এই উড্ডয়নের মাধ্যমেই এই নভোযান একটি রেকর্ড স্থাপন করে ফেলল। মানব ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রকেট নিরাপদে লঞ্চপ্যাডে &q[...] বিস্তারিত পড়ুন...
308 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমরা কি স্রষ্টার অস্তিত্ব এর পক্ষে প্রমাণ দিতে বাধ্য?   যদি আপনার কাছে কেও এসে বলে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
167 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কেস ৩: অভিশপ্ত বৃত্ত পর্ব ১৮: যে স্কুলের অস্তিত্ব ছিল না রাত প্রায় এগারোটা। মেহেদী, সৌরভ, শাহীনুর আর মিতু কলেজের পুরোনো রেকর্ড রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। মারুফও সঙ্গে এসেছেন। কারণ এখন বিষ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
20 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    829 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    41 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

...