Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

শ্বাসের ভেতর ফিরে আসা

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (18,102 পয়েন্ট)   4 ঘন্টা পূর্বে "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

 শ্বাসের ভেতর ফিরে আসা

মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

ছোট গল্প। মে ০৮, ২০২৬



অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম—এই অভিজ্ঞতাটা লিখব। ইচ্ছে ছিল, কিন্তু লিখিনি। সময়ের অভাব বললে পুরোটা বলা হয় না; কিছু জিনিস আছে, লিখে ফেললেই যেন আবার সেগুলোর ভেতর দিয়ে হাঁটতে হয়। হয়তো সেই কারণেই দেরি। তবু আজ মনে হলো, না লিখলে বিষয়টা অসম্পূর্ণই থেকে যাবে।


সেদিনের সকালটা আলাদা ছিল—এই কথাটা সহজ, কিন্তু ব্যাখ্যা করা কঠিন। সময় ছিল সকাল ১১টার অপারেশন। তার আগের কয়েক ঘণ্টা যেন একধরনের অপেক্ষা, যেখানে শব্দ কম, ইঙ্গিত বেশি। ঘরের ভেতর মানুষ—আত্মীয়, পরিচিত মুখ। কেউ চুপচাপ, কেউ অকারণে ব্যস্ত। কথাবার্তা হচ্ছিল, কিন্তু স্বাভাবিক ছিল না। মনে হচ্ছিল, সবাই কিছু একটা এড়িয়ে যাচ্ছে—সরাসরি বললে হয়তো ভারী হয়ে যাবে।


সকাল আটটার দিকে একজন এসে শরীরের লোম শেভ করে দিলেন। কাজটা নিয়মিত, তবু তখন অদ্ভুত লাগছিল। নিজের শরীরটাকে নিজের মনে হচ্ছিল না—বরং একটা প্রস্তুত করা জিনিস, যেটাকে একটু পরেই অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া হবে।


নয়টার পর হঠাৎ একটা সীমা টানা হলো। দেখা নয়, কথা নয়। এই অংশটা খুব স্পষ্ট। এখান থেকেই আলাদা হয়ে যাওয়া শুরু—পুরোপুরি না, কিন্তু ধীরে ধীরে।


নার্স এসে অপারেশনের পোশাক দিলেন। দ্রুত গোসল করতে বললেন। পানি গায়ে পড়ছিল, কিন্তু মন অন্য কোথাও। একসাথে দুটো অনুভূতি হচ্ছিল—শান্তি আর ফাঁকা লাগা। এই দুইটা একসাথে থাকলে ঠিক আরামদায়ক লাগে না। গোসল শেষে প্রার্থনার জন্য সময় দিলেন। দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিছু বলেছিলাম নিশ্চয়ই—কিন্তু এখন মনে পড়ে না। মনে থাকার কথাও না।


দশটার দিকে একটা ওষুধ দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মাথা ভারী হয়ে এলো। চিন্তাগুলো ছিল, কিন্তু তাদের ধার কমে যাচ্ছিল—যেন সবকিছু একটু দূর থেকে দেখা।


দশটা ত্রিশে আমাকে ট্রলিতে তোলা হলো।


সামনে নার্সরা, পেছনে আমার পরিবার। স্ত্রী, দুই মেয়ে, আরও কয়েকজন। আমি তাকিয়ে ছিলাম, কিন্তু ভেতরে সাড়া খুব কম। এটা ভয় না—অথবা ভয়টা তখন কাজ করছিল না। হয়তো মাথা নিজেই কিছু অনুভূতি বন্ধ করে দেয়—নিজেকে বাঁচানোর জন্য।


অপারেশন থিয়েটারের সামনে থামানো হলো। বলা হলো, কিছু বলার থাকলে বলুন।


আমি তাকালাম। ছোট মেয়ে মাথায় হাত রাখল। বড় মেয়ের চোখ ভেজা। আমার স্ত্রী—চেষ্টা করছিল নিজেকে সামলাতে, কিন্তু পুরোটা পারছিল না।


আমার বলার মতো তেমন কিছু ছিল না। শুধু বললাম, “ওদের দেখ।”

কথাটা খুব আস্তে বের হয়েছিল—নিজের কাছেই ঠিক শোনা যাচ্ছিল কি না, নিশ্চিত নই।


তারপর দরজা খুলে গেল।


ভেতরে ঢোকার পর প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ল, তা আলো। খুব উজ্জ্বল, স্থির, প্রায় নির্দয়। আমাকে টেবিলে তোলা হলো। চারপাশে মানুষ—কিন্তু এখানে কেউ ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না। সবাই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। এই জায়গায় আপনি মানুষ হিসেবে না, বরং একটি কেস হিসেবে উপস্থিত।


একজন ডাক্তার এগিয়ে এলেন। মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞেস করলেন, “ভয় লাগছে?”


আমি বললাম, “না।”

সত্যি বলেছি, না কি সহজ উত্তর দিয়েছি—এখন আর আলাদা করা কঠিন।


তিনি বললেন, “ভয় নেই, কষ্ট পাবেন না।”


তারপর গলার রগে ক্যানোলা বসাতে শুরু হলো। এখানে ব্যথা টের পেয়েছি—স্পষ্টভাবে। চাপ, টান, তারপর একধরনের জ্বালা। মনে হচ্ছিল, শরীরটা শেষবারের মতো প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে। সেলাই করা হয়েছিল কি না—দেখিনি, তবে সেইরকম একটা টান অনুভব করেছিলাম।


ডান হাতে ইনজেকশন দেওয়া হলো। শরীরের ভেতর দিয়ে উষ্ণ কিছু ছড়িয়ে পড়ল—অস্বস্তিকর, কিন্তু দ্রুতই ছড়িয়ে গেল।


আলোগুলো একটু একটু করে ঝাপসা হয়ে এলো। শব্দগুলো দূরে সরে যাচ্ছিল—পুরোপুরি না, কিন্তু যেন পানির নিচে শোনা যাচ্ছে এমন। তারপর একসময় সবকিছু কেটে গেল।


চেতনা ফেরার সময়টা স্পষ্ট না। প্রথমে যা বুঝলাম, বাম হাতের আঙুলটা একটু নড়ছে। শরীরের বাকি অংশ তখনও যেন অনুপস্থিত।


কেউ বলল, “চোখ খুলুন, আস্তে।”


চোখ খুলে দেখি—আমার স্ত্রী। খুব কাছে দাঁড়িয়ে। দৃশ্যটা বাস্তব, কিন্তু মাথা সেটা বিশ্বাস করতে একটু সময় নিচ্ছিল।


ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, “চিনতে পারছেন?”


বলতে চাইলাম—পারলাম না। মুখের ভেতর একটা বড় নল। শব্দ আটকে গেল। আঙুল নেড়ে ইশারা করলাম।


তখনই বুঝলাম—বেঁচে আছি, কিন্তু পুরোপুরি নিজের ভেতরে ফিরে আসিনি।


গলার ভেতরের নলটা প্রচণ্ড অস্বস্তি দিচ্ছিল। আর পিপাসা—যেটা খুব দ্রুত প্রধান অনুভূতি হয়ে উঠল। শরীর পানি চাইছে, কিন্তু সেটা সম্ভব না।


একজন নার্স বললেন, “আপনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।”

কথাটা কানে গেল, কিন্তু তখনও এর মানে পুরোটা ধরতে পারিনি।


পরে ধীরে ধীরে বুঝেছি—ওই মেশিনটা আমার হয়ে শ্বাস নিচ্ছিল। গলার ভেতরের টিউব দিয়ে অক্সিজেন ঢুকছে, বের হচ্ছে। নিজের ফুসফুস তখন একা কাজ করছিল না—অথবা পুরোটা পারছিল না।


এখানে একটা ভুল ধারণা আছে। অনেকে মনে করে, লাইফ সাপোর্ট মানে মৃত মানুষকে চালিয়ে রাখা। অভিজ্ঞতা থেকে বলি, বিষয়টা বরং শরীরকে সময় দেওয়া—সে নিজে থেকে ফিরতে পারে কি না, সেটা দেখার জন্য।


অপারেশন শেষে আমাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। ভেন্টিলেটরের সাহায্যে ধীরে ধীরে কিছু পরিবর্তন হচ্ছিল—অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ছিল, শরীর সাড়া দিচ্ছিল। এগুলো মনিটরে দেখা যাচ্ছিল, আমি শুধু অনুভব করছিলাম—ধীরে ধীরে ফিরে আসছি।


তিন দিন পর ভেন্টিলেটর সরানো হলো।


তিন দিন—শুনতে কম লাগে। ভেতর থেকে সময়টা একটু দীর্ঘই মনে হয়। আর এই সময়টার পর একটা জিনিস আলাদা করে টের পাওয়া যায়—শ্বাস নেওয়া আসলে কতটা মৌলিক।


এখন মাঝে মাঝে শ্বাস নেওয়ার সময় খেয়াল করি—এটা স্বাভাবিকভাবে হচ্ছে। কোনো শব্দ নেই, কোনো মেশিন নেই।

এই নিঃশ্বাসটা তখনকার মতো ধার করা না—নিজের।

আমি মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 7 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 897 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 18102। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3853
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


অনিশ্চয়তার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা দিনগুলো মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প। মে ০৪, ২০২৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়ান অনেকক্ষণ ধরে শুধু মানুষের চলাচল দেখছিল। কেউ দ্রুত পেরিয়ে যাচ্ছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 বৃষ্টির ভেতর যে গল্প জন্ম নেয় মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোট গল্প । এপ্রিল ৩০, ২০২৬ বৃষ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
16 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নীলের ভেতর থেমে থাকা প্রবন্ধ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  কথোপকথন। মে ০৬,২২৬ অভিকঃ— তোমাকে প্রথম দেখার মুহূর্তটাই ছিল আমার কবিতা। কথা বলার সময়টা—গল্প। আর ভেবেছিলাম সামনে যে পথ—ওটাই হবে উপন্যা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
5 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাহি_ফিরে_নীড়ে #মো_নাছির_উদ্দিন  আবেগের ভেলায় না ভেসে       বিবেক কে জাগ্রত কর।  যে ছেড়ে যেতে চায়      তাকে কেন আঁকড়ে ধর? সবারই তো মন আছে,       আছে শত  মান।  ছেড়ে দাও হাত-যেতে দাও       কেন এত পিছু টা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
30 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পর্ব ৮: শেষ পর্ব–ফিরে আসা আলো  সকাল নেমেছে। রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে আলোর কাছে হার ম&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
34 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    487 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    24 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    106 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. তামান্না আক্তার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...