Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

একুশের গল্প

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
25 বার প্রদর্শিত
করেছেন (56 পয়েন্ট)   02 ফেব্রুয়ারি "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

একুশের গল্প

শাকেরা বেগম শিমু

-----

তড়িৎ হাতে শরবতের গ্লাসটা আলম খানের দিকে এগিয়ে দিলেন মারিয়া বানু। শত ব্যস্ততার মধ্যেও স্বামীর প্রতি দেখভাল এ তার বিন্দুমাত্র ত্রুটি হয়না। সাথে দুই ছেলেরও বাড়তি দেখাশুনা করেন। কেননা তারা দু'জন এখন বাবার কাছে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। পাকিস্তানি হানাদারদের কাছ থেকে মাতৃভূমি ও মাতৃভাষা রক্ষার জন্য তারা দু'জনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে যাবার জন্য তৈরি। তাই এসময় তাদের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখা ও যত্ন নেয়াতে মারিয়া বানু কোন কার্পণ্য করেন না। একে তো নিজের স্বামী ও দুই নয়নের মণি দুই ছেলে। সাথে ওরা তিনজনই দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা। ওদের ঠিকমতো যত্ন না নিলে চলে? তাই মারিয়া প্রতি সকালে পাকাপোক্তভাবে জলযোগের পরও প্রতি ঘণ্টায় তাদের হালকা নাস্তাসহ ঠান্ডা শরবত দেন। কখনো বা হালকা নাস্তার সাথে চা ও। এখন আলম খান হাত বাড়িয়ে শরবত নিতে নিতে জিজ্ঞেস করলেন-


:আমার দুই পোয়ায় শরবত খাইছইন নি তে?


:অয় তারা খাইছইন। খাইয়া তারা এখন আরাম কররা। তুমিও খাও, খাইয়া থুরা ঠান্ডা বাতাসো বইয়া আরাম করো। গরমে তো একোবারে ঘামিগেছো উ।


:আচ্ছা, তারারে কইও একটু পরে আমার লইয়া আনা প্লাস্টিকর তলোয়ার দু'খান লইয়া 'অ-নো' আইতা। তারারে আইজ কু যুদ্ধ করার নয়া একটা প্রশিক্ষণ হিকাইমো।


:আচ্ছা, কইমু তারারে। এখন যাই আমি। পাকঘরও তরকারী নষ্ট অইযাইবো।


:আচ্ছা যাও। মাহিন আর তুহিনরে কইও জলদি আইতা।


ইতিমধ্যে মাহিন ও তুহিনের পরিচয় জেনে নিই। ওরা দু'জন আপন দুই ভাই। এবং দু'জনেই সবল ও শক্তপোক্ত শরীরের অধিকারী দুই সাহসী তরুণ। মাহিনের বয়স বাইশ ও তুহিনের বয়স বিশ বছর। ওদের বাবা আলম খান একজন  দেশপ্রেমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা। ওরা দু'ভাইও ঠিক সেইরকমই। অনেকটা বলা যায়- 'যোদ্ধাবাবার যোগ্য ছেলে দু'জন মাহিন/তুহিন।

মনের ভেতর যুদ্ধের বীজ, সাহস বনও গহীন।'


দু'জনে এখন বাবার সাথে বাড়ির পেছনের ফাঁকা দালানটাতে যুদ্ধের  ট্রেনিং নিচ্ছে। কেননা এখন চলছে ভাষা আন্দোলনের সময়। কখন জানি হানাদারেরা তাদের বাড়িই না আক্রমণ করে বসে! তাই আগেভাগেই ছেলে দুটোকে প্রশিক্ষণ দিয়ে রাখছেন আলম খান। তিনি নিজেও একজন দক্ষ ও চৌকস কুস্তিগীর। ছোটবেলায় শখ করে শিখলেও এখন তা যথার্থই কাজে আসছে। এখন ছেলে দুটোকে তৈরি করে নিতে পারলেই হলো।


আলম: মাহিন তুহিন, দোয়োজন এ এখন তলোয়ার দিয়া কুস্তি আরম্ভ করো। যেলা দেখাইছি ঠিক ওলা। 


মাহিন ও তুহিন: আচ্ছা আব্বা, এখনো আরম্ভ করিয়ার।


দু'ভাইয়ে তখন বেশ যুদ্ধ জমে গেলো। দেখতে মনে হচ্ছিলো "আলিফ লায়লা"র দুই রাজপুত্র কোন রাজ্যের শাহজাদীকে পাওয়ার জন্য প্রাণপনে লড়ে যাচ্ছে। কিন্তু কেউ কাউকে কাবু করতে নাহি পারে। সমানে সমান। 

প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চললো দু রাজপুত্রের আপ্রাণ লড়াই। ইতিমধ্যে মারিয়া বানু আবার চা-নাস্তা নিয়ে হাজির।

------

আজ আলম খান তার দুই বেটা নিয়ে যুদ্ধের পথ ধরেছেন। তাদের গাঁয়ের আরো  দশ-বারোটা পরিবারের পুরূষরাও আজ যুদ্ধার বেশে বেরিয়ে পড়েছেন। ওরা সকলেই একসঙ্গে যুদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে অনেক দূরের এক গ্রামে তাবু গাড়লেন। পরদিনই তারা যুদ্ধের জন্য তৈরি করে আনা সবুজ রঙের ও গাছপালার কারুকার্য করা পোষাকগুলো   পরে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। আলম, তার দুই ছেলে ও আরো চারজন সিলেটের পাহাড়ি অরণ্যের মধ্যে লুকিয়ে  হানাদার বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে লাগলেন। প্রথমদিনেই তাদের আক্রমণে  আঠারো জন হানাদারকে তারা জাহান্নামের অতল গহ্বরে পাঠিয়ে দিলেন। পরের দিন আরো সাঁতাশজন। এর পরেরদিন আরো ছত্রিশজন। এভাবে কেটে গেলো পাঁচ পাঁচটি মাস। প্রতিবারই তারা সফলতার সাথে যুদ্ধ করে অনেক শত্রুকে মৃত্যুনিদ্রায় শুঁইয়ে দিয়ে এসেছেন। আলম তাদের চারজন সঙ্গি অর্থাৎ মারুফ মিয়া, বিলাল হোসেন ও তাদের দু'জনের ছেলে আনোয়ার ও মনিরুলকে ডেকে পাঠালো। ওরা এলে আলম বললেন- 


:দেখো সাথীহখল, আমরা ওউ কয়েকমাসে আল্লাহর রহমতে প্রায় ষোল'শো বারো জনরে জাহান্নামো পাঠাই দিছি। ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতে সামনে দি আরো যাইবা। এখন আমরা একটু জায়গা বদলাইলে কিলা অয়?


মারুফ: তা ভালাউ অয়। কিন্তু আমি কইয়ার বনো থাকি যুদ্ধ করা বহুত সহজ ভাই। জঙ্গলো কেউ দেখেওনা সহজে। আমরা সোজা ভাবেউ সবটিরে মারতে ফারি। তাই বনো থাকি যুদ্ধ করাটাউ আমার কাছে ভালা লাগের। 


একথায় তাদের তিনজনের চার ছেলেই  একসঙ্গে বলে উঠলো-

:ঠিক, ঠিক কথাও কইছইন আপনে। আপনারা তিনজন নায় জঙ্গলোও থাকক্কা আমরা চারজন এ এখন ময়দানো গিয়া যুদ্ধ করমো। 


:না মাহিন, ইকটা অয়না, ছোটবেলা থাকি আমার শখ দুশমন রে সামনা সামনি ঘায়েল করার। এখন একটা সুন্দর সময়ও। এইসময় আমি পারতাম নায় চোরোর লাখান জঙ্গলোর বিথরে লুকাইয়া যুদ্ধ করতাম। কাইলকো আমরা সবে একলগে গিয়া ময়দানো যুদ্ধোত লামমু। একলগে সামনা সামনি শত্রুর মোকাবেলা করা লাগবো।

সবে মাথা নেড়ে এতে সায় দিলো।

আজ ১৪ই ডিসেম্বর। আলম খান ও তার টিম একসাথে শত্রুর মুখোমুখি লড়াই করছে।  একটি পাঞ্জাবী বিলাল হোসেন কে ধরাশায়ী করে ফেলেছিলো। তার দিকে বন্দুক তাক করতেই আলমের বন্দুক থেকে বেরুনো গুলিতে পাঞ্জাবীটার বুক ঝাঁঝড়া হয়ে গেলো। এবং সে যাত্রায় বিলাল প্রাণে বেঁচে গেলো। কিন্তু পরক্ষণেই পাঞ্জাবীদের মারা একটি বুলেট এসে আলম খানের বুকে লাগে। তিনি ঢলে পড়েন মাটিতে। ইতিমধ্যে মাহিন ও তুহিনের ছোড়া একরাশ গুলিতে শত্রুদ্বয়ের সবকটা জানোয়ার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো। বাকি তিনজন তখন অন্যদিকে যুদ্ধে ব্যস্ত। 

মাহিন চিৎকার দিয়ে উঠলো-


:আব্বা আ  আ আ.......!


তুহিন মাটিতে লুটিয়ে পড়ে কান্না শুরু করলো। 


আলম খানের হাতের ইশারায় দু ভাই দৌঁড়ে বাবার কাছে গেলো। বাবা বললেন-


:সোনা মানিক আমার! কান্দো কেনে? ই মউত শাহাদাতোর মউত। যার লাগি আমি সারাজীবন অপেক্ষা করছি। তোমরা লড়াই করিয়া যাও। আর তোমরার মা'র দিকে খেয়াল রাখিও বাপ।

এই বলে তিনি কিছুটা কেঁপে উঠলেন। তারপর "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ " পাঠ করে তলিয়ে গেলেন অতল ঘুমে, যে ঘুম ভাঙবে না কিয়ামত পর্যন্ত।

------

আজ ১৬ ডিসেম্বর বিকালবেলা। সবাই বিজয়ের আনন্দে উল্লাশ করছে। শুধু মাহিন ও তুহিনের বুকের কোণে একটা চিনচিনে ব্যাথা। তাদের একদিকে বিজয়ের আনন্দ, অপরদিকে আপনজন হারানোর বেদনা। তারা তাদের মা'কে নিয়ে আলম খানের কবর জিয়ারত করে আসলো। সবার মতো শহীদ মিনারে না গিয়ে তারা বাড়ি এসে প্রত্যেকে এক পারা করে কোরআন তিলাওয়াত করে আলম খানের রূহের উপর বখশে দিলো। কেননা তারা বাবার কাছ থেকেই জেনেছে যে 'এসব দুনিয়াবী সম্মান আখেরাতের কোন কাজে আসবেনা।' সেখানে কাজে লাগবে শুধু ঈমান, নেক আমল ও নেক স্ত্রী ও সন্তানদের করা মাগফেরাত।।।image

সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3323
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
গোলাপের রঙের ভাষায় ভালোবাসার গল্প মোহাম্মাদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
অব্যক্ত কষ্টের গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন |  ছোটগল্প | জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ রিয়া কখনো হা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একটি ‘না’ বলা মেয়ের গল্প মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন ছোটগল্প। জানুয়ারি ১০, ২০২৬ আপনি কি ক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
29 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কবি বে নজির এর বেনজির গল্প  —রফিক আতা— গত শতাব্দীর অন্যুন ষাটের দশকের এক অনন্য অধ্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
রাতের আকাশ টা আজ অদ্ভুত নীরব_যেনো কারো নাম না বলা ব্যথা মিশে গেছে চাঁদের আলোয়।  বাত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
155 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1459 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    72 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. আল-মামুন রেজা

    105 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

...