Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পাহারাদার

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
50 বার প্রদর্শিত
করেছেন (76 পয়েন্ট)   31 জানুয়ারি "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

শান্তি নগরে একসময় রাত নামলেই দরজা-জানালা বন্ধ হয়ে যেত। কুকুরের ডাক, মোটরসাইকেলের শব্দ আর মানুষের বুক ধড়ফড়- এই ছিলো নিয়ম। চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি যেন এলাকাটার নিজস্ব সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
শেষমেশ মানুষ সিদ্ধান্ত নিলো, আর না। নিজেরাই কিছু করবে। সভা বসলো। বক্তৃতা হলো। চা-বিস্কুট খাওয়া হলো। তারপর জন্ম নিলো এক ঐতিহাসিক সংগঠন- ছিনতাই দমন কমিটি, সংক্ষেপে ছিদক। নামটা এমন ভারী যে শুনলেই মনে হয় ছিনতাইকারীরা নিজে নিজেই এলাকা ছেড়ে পালাবে। টহল টিম বানানো হলো।
সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হলো, পাহারা দলের লিডার হবে গালকাটা আজগর। লোকটা সাহসী, এলাকার সব অলিগলি চেনে, আবার কথা বললে মানুষের বুক গরম হয়ে যায়।
আজগর শুধু কমিটির প্রধান না। সে-ই পাহারা দলের কমান্ডার। কার কখন ডিউটি, কোথায় চৌকি, কোন স্পটে কোন অস্ত্র—সব সিদ্ধান্ত তার। তার কথাই শেষ কথা।
শুরুটা ছিলো রূপকথার মতো। টহল বসলো, দেশীয় অস্ত্র ঝনঝন করলো, টর্চের আলোয় ছিনতাইকারীদের ছায়া পালালো। মানুষ বললো, “আজগর থাকলে ভয় নাই।”
কয়েকদিন পর আজগর জরুরি মিটিং ডাকলো। মিটিংয়ে আবেগে  তার গলা ধরে এলো।
“তোমরাই এলাকার অতন্দ্র প্রহরী। তোমাদের জন্যই আজ মানুষ ঘুমায়।”
হাততালি পড়লো। বুক ফুললো।
তারপর আজগর সবাইকে বের করে দিয়ে শুধু পাহারা দলের লিডারদের নিয়ে বসলো। দরজা বন্ধ। এবার আবেগ নাই, শুধু হিসাব।
কাটা গালে হাত বুলিয়ে সে বললো,
“রাত জাইগা পাহারা দাও, দিনে কাম করো। এইভাবে কতদিন চলবে? তোমাদেরও তো সংসার আছে।”
সবাই মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো- জ্বি ভাই।
এবার আজগর শান্ত গলায় তার বক্তব্য পরিস্কার করলো “এলাকায় কারা ছিনতাই করে, আমি জানি। ওদের কাছ থেইকাই মাসোয়ারা নিতে হবে।  এই টাকায় তোমাদের টহল ভাতা চলবো।”
সিদ্ধান্ত ফাইনাল হলো। সবাই খুশি।

কয়েকদিন পর আজগর নিজেই গেলো ছিনতাই সিন্ডিকেটের সর্দার চা পাতি হান্নানের কাছে। কোনো ঘুরপথ না। একদম সোজা কথা।

“শোনো হান্নান, শান্তি নগর এখন আমার জিম্মায়। এখানে কী ছিনতাই হবে, কখন হবে- সব আমি জানবো। মাসে এক লাখ টাকা দিবা।”
হান্নান চমকে উঠলো।
“আমাগো কাম বন্ধ কইরা আবার আমাগো কাছ থেইকা ট্যাকা চান? এইটা কেমুন হিসাব?”
আজগর হেসে ফেললো। ঠান্ডা হাসি।
“তোমরা টাকা দিবা, আমরা মামলা দিমু না। বাড়িতে হামলা হইবো না। এলাকা ছাড়তে হইবো না। আর যখন যেখানে ছিনতাই করবা, খবর রাখবো।”
হান্নান বুঝে গেলো- এটা প্রস্তাব না, নির্দেশ। রাজি হলো।
এরপর শান্তি নগরে আবার ছিনতাই শুরু হলো। তবে এলোমেলো না। নিয়ম মেনে।
মানুষ অভিযোগ করলো। আজগরের কন্ঠে আশ্বাস ঝরে পড়লো-
“পাহারা আরো জোরদার করা হইবো।”
পকেট জোরদার হলো। পাহারা না।
একদিন মানুষ দল বেঁধে আজগরের কাছে গেলো। এবার আর মিনতি না, ক্ষোভ।
আজগর ক্ষেপে গেলো-
“এসব মিথ্যা অভিযোগ। শান্তি বিরোধী একটি চক্র আমাদের বদনাম করতে চায়।”
মানুষ বললো, “চুরি হচ্ছে, ছিনতাই হচ্ছে!”
আজগর গলা চড়িয়ে শেষ কথা বললো,
“দেখেন, আমরা তো প্রতিদিন খোলা আকাশের নিচে পাহারা দেই। কই, আমাদের তো কোনো চুরি হয় না। কোনো ছিনতাই হয় না। তাহলে সমস্যা কোথায়?
সমস্যা আপনাদের মাথায়।"
আজগরের লোকজন সমস্বরে চেঁচিয়ে উঠলো- ঠিক..ঠিক... ।

এলাকাবাসী চুপ মেরে গেলো।পাহারাদারদের কিছু হয় না-এটাই প্রমাণ। এলাকা নিরাপদ।

শান্তি নগরের মানুষ বুঝে গেলো,
এলাকায় ছিনতাই বন্ধ হয়নি।
ছিনতাই শুধু ক্ষমতা পেয়ে গেছে।
আর সবচেয়ে নিরাপদ মানুষ হলো- পাহারাদার।

(বরাবরের মতই এটি একটি রম্য রচনা। গল্পের চরিত্র,ঘটনা,বিষয়বস্তু সবই কাল্পনিক। কারো সাথে মিলে গেলে সেটি কাকতালীয়।)

#পাহারাদার
লেখক-
মাইদুল ইসলাম মুকুল
শিক্ষক,সাংবাদিক ও গল্পকার
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬
image

সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3286
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

এতো সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।<3

লেখার ফন্ট আরেকটু ছোট হলে পড়তে ভালো লাগবে।সম্পাদনা করে স্বাভাবিক করে দিয়েছি, পরবর্তীতে খেয়াল করার অনুরোধ রইলো।:)

করেছেন (1,161 পয়েন্ট)   31 জানুয়ারি প্রতিক্রিয়া প্রদান
0 0
অশেষ ধন্যবাদ। সতর্ক থাকবো।
করেছেন (76 পয়েন্ট)   01 ফেব্রুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
আবারও বৈশাখ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন     ছোটগল্প । এপ্রিল ১২,২০২৬ চৈত্রের দাহ পেরিয়ে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
10 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা সিজন-১ পর্ব-১০ : চূড়ান্ত মুখোমুখি রাত গভীর, গলির অন্ধক[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা সিজন-১  পর্ব–৯ : আক্রমণের ছায়া মেহেদী আর সারা কম্পিউটù[...] বিস্তারিত পড়ুন...
23 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা সিজন-১  পর্ব-৮ : গোপন আশ্রয় রাত তখন গভীর। শহরের ব্যস্ত রা[...] বিস্তারিত পড়ুন...
22 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
থ্রিলার সিরিজ: ছায়ার নকশা সিজন-১  পর্ব-৭ : বিশ্বাসঘাতকতার ছায়া ঘরের ভেতর বারুদের গ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
31 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1459 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    72 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    203 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. আল-মামুন রেজা

    105 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

...