Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ক্যাশ টেবিল

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
166 বার প্রদর্শিত
করেছেন (138 পয়েন্ট)   30 জানুয়ারি "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

জয়নাল মিয়ার ছেলের মুসলমানী। বাড়ির সামনে এমন একখান বিশাল গেট বানানো হয়েছে, দেখলে মনে হয় কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের প্রবেশদ্বার।
গেটের মাঝখানে ঝুলছে জয়নাল মিয়ার ছেলে শাফিনের বিশাল ছবি।
ছবির নিচে রঙিন ব্যানারে লেখা,
“শাফিনের ১ম সুন্নতে খৎনা।”
একবার খৎনা হলে আবার খৎনা হবে কিভাবে!
সেই গভীর তত্ত্ব আমার গোবর মাথায় ঢুকল না।
তবে আয়োজন দেখে বুঝলাম, এখানে যুক্তি খোঁজার দরকার নাই, দেখাই আসল।
পুরো বাড়ি আলোকসজ্জায় ঝলমল।
সামনে ফাঁকা ধান ক্ষেতে বিশাল প্যান্ডেল।
ভেতরে ঢুকেই চোখ কপালে।
এক পাশে রাজকীয় স্টেজ, তার ওপর সিংহাসনের মতো চেয়ার।
সেই চেয়ারে লুঙ্গি তুলে, কাটা পুংযন্ত্র গর্বের সাথে প্রদর্শন করে বসে আছে জয়নালের ছেলে শাফিন।
মনে হচ্ছে- কোনো জাতীয় সম্পদের উদ্বোধন হচ্ছে।
সাউন্ড বক্সে ধুমধাড়াক্কা হিন্দি গান।
“মুন্নি বদনাম হুয়ি, ডার্লিং তেরে লিয়ে…”
দাওয়াতি লোকজন ভাত খেয়ে একবার করে কর্তিত পুংদণ্ড দর্শন করছে,
তারপর পাশের ক্যাশ টেবিলে গিয়ে নজরানা রেখে আসছে।
দেখে মনে হয় এটা নজরানা না, রীতিমতো শিশ্ন দর্শনের টিকিট।
মাইক্রোফোন হাতে এলাকার দাদন ব্যবসায়ী নগদ নাসির দরাজ গলায় ঘোষণা দিচ্ছে,
“প্রিয় দাওয়াতি ভাই ও বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম।
জয়নাল ভাই বড় শখ কইরা আয়োজন করছে।
নজরানা একটু বেশি কইরা দিয়েন।
গরিব মানুষ।”
এই ‘গরিব মানুষ’ কথাটা বলার সময় তার গলায় এমন দরদ,
যেনো সে নিজেই সদ্য সর্বস্ব হারিয়েছে।
জয়নাল মিয়া লোক হিসেবে খুব হিসেবি।
বেছে বেছে এলাকার পয়সাওয়ালা, গন্যমান্য লোকদেরই দাওয়াত দিয়েছে।
সৌভাগ্যক্রমে আমি সেই তালিকার একজন।
খাওয়া শেষে স্টেজের দিকে এগোলাম।
শাফিন তখনো নির্বিকার ভঙ্গিতে তার কাঁটাছেড়া প্রজনন দণ্ড দেখিয়ে মুসলমানিত্বের প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে।
আমি তার শিক্ষক।
আমাকে দেখে সে লজ্জা পেয়ে লুঙ্গি নামিয়ে ইজ্জত ঢাকার চেষ্টা করল।
ঠিক তখনই অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ছ্যাচড়া বাবুল চেঁচিয়ে উঠল,
“ওই, বার বার ঢাকোস ক্যা?
না দেইখা মাইনসে দোয়া করবো ক্যামনে?”
শিক্ষকসুলভ দায়িত্ববোধে শাফিনের মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম।
তারপর নিরুপায় হয়ে ক্যাশ টেবিলের দিকে হাঁটা ধরলাম।
ক্যাশ টেবিলে বসে আছে জয়নাল মিয়ার শালা কেউটা কাদের।
পান খাওয়া খয়েরি কালারের বত্রিশটা দাঁত একসাথে বের করে হাসতে হাসতে বলল,
“স্যার, আপনের ছাত্রের মুসলমানি।
দুই হাজারের কম দিলে কিন্তু কেউই খুশি হইবো না।”
আমি দুই পয়সার মাস্টার।
গত তিন দিনে দুইটা বিয়ে আর এক জন্মদিনে খেয়ে ফতুর।
আজ আবার এক হাজার টাকা ধার করে দাওয়াত খেতে এসেছি।
কিছু না বলে মাথা নিচু করে বেরিয়ে এলাম।
প্যান্ডেলের ভেতর থেকে ফিসফাস কানে এলো,
“মাস্টার মাইনসের মন ছুডো।
ছুডো লোক গরে দাওয়াত দেওয়াই ঠিক না।
আইজকাল অটোয়ালাও পনেরশো টেহা দেয়।”
আরেকজন আফসোস করে বলল,
“কি আয়োজন করলাম ভাই।
মানুষ টেহাই দিবার চায় না।
মনে হয় আসলই উডবো না।”
অপমান গিলে পাশের গলিতে ঢুকলাম।
গলির ডানপাশে জয়নাল মিয়ার চাচাত বোন কোহিনুরের বাড়ি।
আমাকে দেখে কোহিনুর সালাম দিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
দাওয়াতে যাও নাই?
প্রশ্ন শুনে কহিনুরের মুখ মুহূর্তেই ফ্যাকাসে হয়ে গেল।
মাথা নিচু করে বলল,
গরীব মাইনসেক কেডা দাওয়াত দেয় স্যার?
আমরা তো কিছু দিবার পামু না।
শেষ কথাটায় তার গলা ভারী হয়ে উঠল।
আমি উত্তর খুঁজে পেলাম না।
হাঁটতে হাঁটতে কইমারী বাজারে পৌঁছালাম।
গিন্নি গরম মসলা আনতে বলেছে।
মসলার দোকানদার জব্বার চাচা হাত উঁচিয়ে সালাম দিলেন।
আমি জিজ্ঞেস করলাম, এখন তো সিজন, ব্যবসা কেমন?
চাচা বিরক্ত মুখে বললেন,
আমাগো বাকীর ব্যবসা বাবা।
আমাগো চাইতে দালালগো ব্যবসা ভালা।
জব্বার চাচার কথা আমার মাথার উপর দিয়ে গেলো।
বললাম, আপনার কথা ঠিক বুঝলাম না চাচা।
জব্বার চাচা মসলা মাপতে মাপতে আশপাশে কেউ শুনছে কি না দেখে নিয়ে গলা নামিয়ে বললেন,
স্যার, এইসব আয়জন এমনে এমনে হয় না।
এর পিছে আছে পুরা একখান সিন্ডিকেট।
আমি থমকে গেলাম।
সিন্ডিকেট শব্দটা শুনলেই আমার মাথায় সোনা পাচার, ইয়াবা, কয়লা এইসব আসে।
মুসলমানির সাথেও যে সিন্ডিকেট জড়িত, সেটা আমার জানা ছিল না।
চাচা বলতে লাগলেন,
নগদ নাসির হইলো এইটার চেয়ারম্যান।
ছেঁচড়া বাবুল সেক্রেটারি।
কেউটা কাদের ক্যাশিয়ার।
আর পেটকা মফিজ মাঠ পর্যায়ের কর্মী।
চাচা আরও স্পষ্ট করে বোঝাতে লাগলেন।
এদের কাজ খুব সিস্টেমেটিক।
আগে খোঁজ নেয় কোন বাড়িতে বিয়ে ঠিক হয়েছে,
কার ঘরে মুসলমানিযোগ্য পোলা আছে,
কার সন্তানের জন্মদিন সামনে।
বিশেষ করে গরিব আর মধ্যবিত্ত পরিবারই এদের টার্গেট।
খোঁজ পেলে শুরু হয় গোপন বৈঠক।
মালিক পক্ষকে বুঝানো হয়,
“আপনের এক টেহাও খরচ হইবো না।
সব আমরা করমু।
গেট, প্যান্ডেল, মাইক, গান, দাওয়াত কার্ড, মাংস, মসলা, চাল ডাল সব।
আপনি শুধু অনুমতিডা দেন।”
মালিক পক্ষ প্রথমে আমতা আমতা করে।
তখন সিন্ডিকেট শেষ চালটা দেয়,
“ক্যাশ টেবিলে যা উঠবো, তার তিন ভাগের এক ভাগ আপনি পাইবেন।”
এতে নব্বই ভাগ মানুষই রাজি হয়ে যায়।
এরপর সব আয়োজন করা হয় বাকিতে।
দোকানদারদের বলা হয় অনুষ্ঠান শেষে টাকা মিটাইয়া দিমু।
বেছে বেছে টাকাওয়ালা, গন্য-মান্য লোকদের দাওয়াত দেওয়া হয়।
প্যান্ডেল ওঠে, গান বাজে, লোক খায়।
ক্যাশ টেবিলে বসে কেউটা কাদের।
নজরানা আদায় হয় ধর্মীয় আবেগ আর সামাজিক লজ্জার মিশ্রণে।
অনুষ্ঠান শেষে টাকাগুলো ভাগ হয়।
এক ভাগ মালিক পক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
বাকি দুই ভাগ সিন্ডিকেটের পকেটে।
পরের দিন দোকানদারদের বাকি টাকা শোধ করা হয়।
যা বাঁচে, সেটাই খাঁটি লাভ।
বিনা পুঁজিতে ব্যবসা।
বাকি নাই, ঝুঁকি নাই, লাইসেন্স লাগে না, ট্যাক্স নাই, পুলিশ নাই।
জব্বার চাচা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
“এই জন্যই স্যার, এখন দাওয়াত মানে দাওয়াত না।
এইটা একখান প্রজেক্ট।
এতে অবশ্য আমাগো ব্যবসা ভালা হয়।
আপনি আবার কাউরে কইয়েন না স্যার।
বিশ্বাস কইরা কইলাম।”
আমি ভাবনার বোঝা মাথায় নিয়ে বাড়ির পথে হাঁটতে হাঁটতে বারবার কহিনূরের মুখটা মনে পড়ছিল।
দাওয়াতের আলো, গান, প্যান্ডেল আর ক্যাশ টেবিলের ঝনঝনানির বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা মুখ।
যাদের দেওয়ার কিছু নেই বলেই ডাক পড়ে না।
আগে মানুষ মানুষকে এক বেলা খাওয়ানোর জন্য দাওয়াত দিত।
আর এখন আয়োজন হয় মানুষ থেকে টাকা খাওয়ার জন্য।
আয়োজনে সুন্নতটা থাকে।
তবে ফরজটা আদায় হয় ক্যাশ টেবিলে।
আর কোহিনূরদের মতো মানুষগুলো থাকে আয়োজনের বাইরে, আলোর বাইরে, তালিকার বাইরে।
ভাবলাম, আহা!
যদি প্রতিটা দাওয়াত কার্ডে লেখা থাকত,
“কোন ক্যাশ টেবিল থাকবে না।
দয়া করে কেউ কোনো উপহার আনবেন না।
শুধু দোয়া করবেন।”
তাহলে মানুষের প্রতি মানুষের দোয়া এবং ভালোবাসাগুলো ক্যাশটেবিলের ড্রয়ারে বন্দি হতো না।
(বি:দ্র: বরাবরের মতোই এটি একটি স্যাটারিক রম্য রচনা। গল্পের ঘটনা, স্থান, কাল, চরিত্র সবই কাল্পনিক। যদি বাস্তবতার সাথে মিলে যায় তবে সেটি অতি অচিন্তনীয় কাকতাল মাত্র।)
লেখক : মাইদুল ইসলাম মুকুল
শিক্ষক, সাংবাদিক, গল্পকার ও কলামিস্টimage


প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 3253
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হাসতে হাসতে পড়া শুরু হলেও, শেষ করতে গিয়ে বুকের ভেতর ভারী একটা চাপ পড়ে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান কীভাবে ধীরে ধীরে মানবিকতা থেকে সরে গিয়ে প্রজেক্টে, আর সম্পর্ক থেকে সরে গিয়ে ক্যাশ টেবিলে এসে ঠেকেছে—লেখাটা সেটাই নির্মম কিন্তু দক্ষভাবে দেখিয়েছে।লেখককে ধন্যবাদ জানাই এতো সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।এভাবেই লিখে যাবেন, এই প্রত্যাশ্যা থাকবে।😊:)

করেছেন (1,335 পয়েন্ট)   30 জানুয়ারি প্রতিক্রিয়া প্রদান
0 0
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। এই প্লাটফর্মে আমি আনাড়ি। সাথে রাখবেন দয়া করে।
করেছেন (138 পয়েন্ট)   31 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে
0 0
জ্বী, অবশ্যই।আপনার লেখালেখির যাত্রা শুভ হোক, এই কামনা রইলো।
করেছেন (1,335 পয়েন্ট)   31 জানুয়ারি মন্তব্য করা হয়েছে

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
প্রভাতের মৃদু আলোয় ব্যালকনিতে বসে আমি টেবিলের উপর খাতা খুলে কিছু পুরোনো স্মৃতি লিখ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
154 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

টেবিলেতে স্বপ্ন বুনি,খাতায় আঁকি আশা, কলম ধরে লিখি আমি আগামী দিনের ভাষা। নীরব কোণেই জ্বেলে উঠে জ্ঞানের আলো দ্বীপ, এই টেবিলেই গড়ে উঠে ভবিষ্যতের রূপ।  বিস্তারিত পড়ুন...
166 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. মাইদুল ইসলাম মুকুল

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

...