Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
20 বার প্রদর্শিত
করেছেন (32 পয়েন্ট)   27 জানুয়ারি "গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

গল্প: "রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

(পর্ব ১: বিক্রিয়ার শুরু)


নাম তার আয়ন—ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নের ছাত্র। তবে সে রসায়নের চেয়েও বেশি আগ্রহী জীবনের ‘অনির্ধারিত বিক্রিয়ায়’—ভালোবাসা, মায়া, স্মৃতি আর আকাঙ্ক্ষার সেই রহস্যময় অনুসমূহে, যার কোনো নির্দিষ্ট রিএজেন্ট নেই।


আর রাইসা—ফার্মাকোলজির ছাত্রী। চোখে সবসময় গাঢ় টিনটেড চশমা, যেন আলোকে বিশ্লেষণ না করে হজম করে ফেলে। ক্লাসে সবসময় নিজের নোটে মুখ গুঁজে থাকত, কিন্তু তার চারপাশ যেন একটি মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্র তৈরি করত—সবাই টান অনুভব করত, কেউ সাহস করত না এগিয়ে যেতে।


একদিন ল্যাব ক্লাসে আয়ন আর রাইসা একই প্রজেক্টে পড়ে। যৌথ প্র্যাকটিকালে তাদের কাজ ছিল একটা সহজ বিক্রিয়া—অ্যাসিড ও বেস মিশিয়ে নিরপেক্ষ দ্রবণ তৈরি করা। কিন্তু, সে বিক্রিয়া তো তখনই ঘটে, যখন অনুঘটক থাকে…!


অয়ন ধীরে ধীরে লক্ষ করল, রাইসার উপস্থিতিতে তার শরীরের ভিতরে শুরু হয় কিছু নিউরোকেমিক্যাল বিক্রিয়া—হৃদস্পন্দন বাড়ে, তাল হারায়, হাত কাঁপে, চোখ আটকে যায়।


রাইসা প্রথমে বিরক্ত হলেও, ধীরে ধীরে অনুভব করে—এই ছেলেটা অদ্ভুতভাবে ভিন্ন। সে প্রেমের কথা বলে না, কিন্তু তার চোখে প্রতিটি দৃষ্টি যেন ফ্লুরোসেন্ট ট্যাগিং—বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, আর নিঃশব্দ অনুরাগে আলোকিত।


একদিন, ল্যাব শেষ হওয়ার পর আয়ন হঠাৎ বলে ফেলে—

“তুমি জানো? তুমি আমার জীবনে সেই অনুঘটক, যার ছোঁয়ায় সবকিছু বিক্রিয়ায় পরিণত হয়। আগে আমি কেবল সূত্র মুখস্থ করতাম, এখন আমি প্রতিটি অনুভূতির ভেতর সূত্র খুঁজে পাই... তোমাকে কেন্দ্র করে।”


রাইসা চমকে তাকায়। সে কোনো উত্তর দেয় না, কিন্তু তার চোখের কৃষ্ণবিবর যেন আজ আলো ফিরিয়ে দেয়। তার ঠোঁটে আসে এক সরল হাসি—একটা ফোটন ছুটে এসে অয়নের জীবনের অন্ধকার ভেদ করে দেয়।


সে রাতে, অয়ন নিজের ডায়েরিতে লেখে—

“আজ প্রথমবার, আমার জীবনের সমীকরণে 'তুমি' বসিয়েছি। এবং অবাক হয়ে দেখেছি, ফলাফল এসেছে—পূর্ণতা।”


"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

(পর্ব ২: বিভ্রান্তির বিক্রিয়া)


তাদের গল্প শুরু হয়েছিল নিরীহ এক ল্যাব থেকে, কিন্তু দিন দিন এক অদ্ভুত নির্ভরতাপূর্ণ সমীকরণে রূপ নিচ্ছিল। আয়নের প্রতিটি দিন শুরু হত রাইসার ‘গুড মর্নিং’ টেক্সট দিয়ে, আর শেষ হত ভিডিও কলে তার মুখ দেখে।


তাদের কথাবার্তায় প্রেমের প্রচলিত সংজ্ঞা ছিল না, ছিল শুধু উদ্ভট বৈজ্ঞানিক তুলনা—

“তুমি ছাড়া আমার হৃদয় যেন ওপেন সার্কিট, ফ্লোই করে না,”

“তোমার একটুখানি হাসি আমার উপর ইনডাকশন ঘটায়…”


রাইসা হাসত, বলত,

—“তুমি একদিন আমাকে পুরোটাই মলিকিউলে পরিণত করে ফেলবে, মানুষ থাকতে দেবে না।”. কিন্তু… সব গল্পে একটা উচ্চতাপমাত্রার রিঅ্যাকশন থাকে, যেখানে কিছু বন্ধন ভেঙে যায়, কিছু গঠন হয়।


হঠাৎ করেই রাইসা একটু বদলে গেল। মেসেজের উত্তর দিত দেরি করে, কথা বলত কম, হাসত কম। অয়ন প্রথমে বুঝতে চায়নি। সে ভেবেছিল, —“এটা নিশ্চয়ই এক ধরনের সাময়িক ‘ইলেকট্রন শিফট’। ফিরে আসবে পুরোনো অবস্থায়।” কিন্তু ধীরে ধীরে রাইসা যেন দূরে সরে যেতে লাগল।


এক সন্ধ্যায়, যখন চারদিকের আলো অস্ত যাচ্ছিল, অয়ন তার প্রিয় ক্যাম্পাস বেঞ্চে বসে ছিল একা। হঠাৎ রাইসা এসে দাঁড়াল সামনে, চোখে অস্বস্তি। 

সে বলল,

—“আয়ন, আমরা যা ভাবছি, তা হয়তো একরকম ভুল বিক্রিয়া। কখনো কখনো দুইটা উপাদান মিললে এক্সোথার্মিক রিঅ্যাকশন হয়, তাপ তো হয়... কিন্তু বেশিক্ষণ টেকে না।”

অয়ন চুপচাপ তাকিয়ে ছিল। তার মাথার ভেতরে তখন চলছিল একটা অন্তর্মুখী বিক্রিয়া। রাইসার বলা প্রতিটি শব্দ যেন গ্লুকোজ ভেঙে পিষে দিচ্ছিল তার হৃদয়।


সে বলল না কিছুই। শুধু মৃদু হাসল— “তবে থাক, যদি তোমার ক্যালসিয়াম আয়ন আমার হৃদয়ের সঙ্গে রিঅ্যাক্ট করতে না চায়, আমি আর জোর করব না। বিজ্ঞান বলে, জোর করে কিছুই হয় না... ভালোবাসাও না।” রাইসা চোখ সরিয়ে নিল। তারা আলাদা হয়ে গেল সেদিন। তবে আয়নের মনে একটাই প্রশ্ন বারবার ঘুরপাক খেত— “এত নিখুঁত সূত্রটার ফলাফল কীভাবে ভেঙে পড়ল?”


"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

(পর্ব ৩: আয়নের পরিবর্তন)


রাইসার চলে যাওয়ার পর, আয়নের পৃথিবীটা আর আগের মতো ছিল না।সূত্রগুলো মিলে যেত, কিন্তু জীবনের হিসাবগুলো গোলমেলে হয়ে পড়েছিল।


প্রথম ক'দিন সে কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি। নিত্যকার অভ্যেস ছিল যে মেসেজ, যে কণ্ঠস্বর, যে মুখ— তা আর ছিল না। সেই অভ্যাস ভাঙতে ভাঙতে, সে নিজের মধ্যেই হারিয়ে গিয়েছিল।


তবে একদিন…

সকালের ক্লাসে "Thermodynamics of irreversible changes" পড়াতে গিয়ে শিক্ষক বললেন:

“Not all reactions are meant to reverse. Some are simply unidirectional… and necessary for transformation.” সেই বাক্যটা যেন আয়নের হৃদয়ের নিউরনে গিয়ে ধাক্কা দিল।সেদিন থেকেই শুরু তার রূপান্তর...


সে ধীরে ধীরে বুঝতে লাগল, রাইসা ছিল তার বিক্রিয়ার একটা ধাপ মাত্র—একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ,কিন্তু সে নিজে একটি পূর্ণ উপাদান, যার বিকাশ রাইসা ছাড়াও সম্ভব।


সে নিজের দিকে ফিরল। ল্যাবের কাজ, গবেষণা, পেপার লেখা—সবকিছুয় সে মন দিল ভয়ানক নিবিষ্টতায়। শুধু বিজ্ঞান নয়, নিজের ভেতরের মানুষটাকেও সে জানতে লাগল নতুন করে। সে লিখতে শুরু করল, কবিতা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রেমের ছড়া, তার লেখা একদিন বিষয়ভিত্তিক ম্যাগাজিন-এ ছাপা হয়, শিরোনাম—"Love and the Laws of Entropy"।


বন্ধুরা অবাক। পুরনো আয়নের সেই এলোমেলো, ঘোলাটে চোখের জায়গায় এখন চৌকষ এক দৃষ্টি। সে আর আগের মত প্রেমে ভেঙে পড়া ছেলেটা নয়— সে এখন জানে, যে সম্পর্ক নিজের বন্ধনে টিকে না, সেটার বিক্রিয়াজনিত মান শূন্য।


কিন্তু…

একদিন, তার লেখা কবিতা নিয়ে একটা পাবলিক রিসার্চ প্রেজেন্টেশনে। হঠাৎ এক পরিচিত চশমার পেছনে লুকানো চোখ তাকে দেখল নিরবে। রাইসা। সে দূর থেকে দেখল আয়নকে। যে ছেলেটা একসময় প্রেমে আত্মহারা ছিল, সে এখন নিজেই একটি সম্পূর্ণ সূত্র, রাইসা ছাড়া সম্পূর্ণ।


তাদের চোখে চোখ পড়ল… এইবার আয়ন চোখ সরিয়ে নিল। হয়তো এটাও একধরনের বিক্রিয়ার সমাপ্তি।


"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

(পর্ব ৪: সত্য উন্মোচন)


বৃষ্টিভেজা একটা সন্ধ্যা।

প্রেজেন্টেশন শেষে আয়ন বই হাতে ক্যাম্পাসের পুরনো বেঞ্চে এসে বসল। হঠাৎ পেছন থেকে একটা ভেজা কণ্ঠ ভেসে এল— “এই জায়গাটা এখনো তুমি দখল করে রেখেছ…?”


সে ঘুরে তাকাল— রাইসা। তাকে দেখে কিছু বলার আগেই মেয়েটা বসে পড়ল। চোখে ছিল সেই পুরনো টিনটেড চশমা, কিন্তু গলার স্বরে আজ এক অচেনা ক্লান্তি।


“আয়ন, তোমার ধারণা আমি হঠাৎ করে চলে গিয়েছিলাম, তাই না? ভুল সূত্র ধরে রেখেছিলে তুমি। আজ সত্যটা বলি...” সত্য!

রাইসা জানাল— সেই সময়টাতে তার মায়ের ক্যানসার ধরা পড়ে। তিন মাসের মধ্যে তাকে শেষ স্টেজে নিয়ে যায় অসুখটা।


রাইসা চায়নি আয়নের মতো কেউ, যে নিজের জীবন নিয়ে এত স্বপ্ন দেখে, সে এমন কষ্টের ভার টেনে চলুক। তাই সে আয়নকে এক ধরনের ইচ্ছাকৃত দূরত্বের বিক্রিয়াতে ঠেলে দিয়েছিল। না বলেই সরে গিয়েছিল, যেন একটা অসমাপ্ত সমীকরণ রেখে।


“আমি ভেবেছিলাম, তুমি হয়তো ক্ষেপে যাবে, ভুলে যাবে, আরেকজনকে খুঁজে নেবে। কিন্তু তুমি... নিজেকে খুঁজে পেয়েছো। আর আমি... তোমার চোখে এখন নিজের প্রতিচ্ছবিও খুঁজে পাই না।”


রাইসার চোখ ছলছল করছিল, কিন্তু সে জোর করে হাসল। “তুমি এখন এমন এক বিজ্ঞানী, যার অনুভূতি আর জ্ঞান দুটোই জ্বলজ্বলে— আমার সেই ভার-বোঝা তোমার কাঁধে তুলে দিলে হয়তো তুমি আজকের তুমি হতে না।” আয়ন কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।


তারপর বলল— “তুমি তো বলেছিলে, কিছু বিক্রিয়া ‘unidirectional’। হয়তো আমাদেরটা তেমনই। তুমি চলে গিয়েছিলে, আমিও এগিয়ে গেছি… তবে সত্য জানার পর আজ, আমার মনে হচ্ছে… তোমার সাথে কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত ছিল একটা প্রাকৃতিক বিক্রিয়া, যার ফলাফল আমি সারা জীবন ধরে বহন করব— একজন মানুষ হিসেবে পরিবর্তিত আমি।”


রাইসা কিছু বলল না। শুধু মাথা নিচু করে কাঁপা কাঁপা হাতে একটা কাগজ এগিয়ে দিল একটি পুরনো চিঠি—যেটা সে লিখেছিল, কিন্তু কখনো দেয়নি।


চিঠিতে লেখা ছিল—  “যদি একদিন সত্য জানতে চাও, আমি থেকে যাবো, এই বেঞ্চেই।” তারা চুপচাপ বসে থাকল। বৃষ্টির শব্দে ঢাকা পড়ে গেল অসমাপ্ত কথারা।


এই সন্ধ্যায়, কোনো কণাও আলাদা হলো না, কোনো বিক্রিয়াও ঘটল না -তবে একটা সত্যের উদ্ঘাটন হলো, আর একটি অসম্পূর্ণ সূত্রে টান পড়ল... শেষ সমীকরণের দিকে।


"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র"

(পর্ব ৫: একা এক রাস্তা)


রাইসা চলে গেল সেদিন। পুরনো সেই বেঞ্চে শুধু রয়ে গেল একটা চিঠি... আর এক গভীর, নীরব দীর্ঘশ্বাস। আয়ন এবার জানত— প্রেম ছিল, সত্য ছিল, ক্ষতও ছিল...কিন্তু সবকিছুর পরে, সে নিজেই নিজের চূড়ান্ত বিক্রিয়া। আর সে বিক্রিয়ার ফলাফল, তার নিজের তৈরি এক নতুন জীবন।


নতুন আয়ন। সে নিজের ভেতরে আরও একধাপ গভীরে প্রবেশ করল। রাইসার ভালোবাসা তাকে ভেঙে দিয়েছিল, আর তার হারিয়ে যাওয়া তাকে গড়ে তুলল।


এবার সে শুরু করল এক নতুন গবেষণা— মানুষের আবেগ ও নিউরোকেমিস্ট্রির সম্পর্ক নিয়ে। সে চেয়েছিল প্রমাণ করতে— ভালোবাসা কোনো দুর্বলতা নয়, এটি একটি জৈবিক শক্তি, যা চাইলে মানুষকে পূর্ণতর রূপে রূপান্তরিত করতে পারে।


কনফারেন্সে সে যখন এই প্রজেক্ট উপস্থাপন করল, হাজারো মানুষের করতালি কানে এলেও তার ভেতরে তখন নীরব, স্থির এক অনুভূতি— “আমি এখন নিজের প্রেমের অণুতে পূর্ণ, আর কাউকে খুঁজতে হবে না।”


একাকীত্ব নয়, পূর্ণতা সে একা হাঁটে। কিন্তু তার পদচিহ্নে থাকে দৃঢ়তা। সে একা বাস করে, কিন্তু তার প্রতিটি নিঃশ্বাসে থাকে অভিজ্ঞতা, শিক্ষা, শান্তি। কখনো কখনো সে সেই পুরনো বেঞ্চে বসে— কোনো চিঠি ছাড়াই, কারো অপেক্ষা ছাড়াই। শুধু নিজের সঙ্গে, নিজের শান্তিতে। তার ডায়েরিতে লেখা থাকে— “সবাই ভাবে প্রেম হারিয়ে গেলে মানুষ ভেঙে পড়ে, আমি দেখেছি, প্রেম হারিয়ে গিয়েই আমি মানুষ হয়েছি।"


শেষ নয়, শুরু। রাসায়নিক সূত্রের মতো, জীবনও আবর্তিত। কিছু বিক্রিয়া শেষ হয় না, তারা রূপ নেয় অন্য কোনো অবস্থায়। আয়ন এখন জানে— ভালোবাসা তার মধ্যে রয়ে গেছে,

কিন্তু তাকে আর কোনো নাম বা চেহারা দিতে হবে না।


📘

"রাসায়নিক প্রেমের সূত্র" — সমাপ্তি নয়, একান্ত এক শুরু মাত্র........


_✍🏿 শাহাদাত সোহেল নীল.


সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3220
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
মেন্টালি স্ট্রং হওয়ার গোপন সূত্র মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন  বিশ্লেষণধর্মী। ডিসেম্বর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
437 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

এই রাত বাড়ুক, ‎সাথে বাড়ুক পিরিত, ‎নিশাচর গেয়ে যাক, ‎নিঃশব্দ প্রেমের গীত, ‎ ‎আঁ÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

হে রাসূলে আরাবি, ‎বহুকাল হতে বহুকবি, ‎মনের ডায়েরিতে, ‎ধ্যানের নৈঋতে, ‎এঁকেছিল তোমার [...] বিস্তারিত পড়ুন...
6 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

রিকশা পুঞ্জি—৯ মধ্যদুপুর। কাঠফাটা রোদ্দুরে নিস্তেজ খণ্ড খণ্ড ছায়াহীন শহর। আর &[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শুরু সবে থরোথরো প্রেমের প্রথা, হৃদয়ে কত কাশফুল, বুনোফুল, গুল্মলতা। তবু হিয়া শূন্য—জম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
315 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    143 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    22 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...