#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim 2025-12-31
সিরিজ পর্ব-৩১
অভিযোগ -
" গীতায় কৃষ্ণ নিজেকে সূর্য বলেছে... কিন্তু আমরা জানি সূর্য এর চেয়ে বড় নক্ষত্র আছে। আবার উক্ত শ্লোকে নক্ষত্র বলা হয়েছে চন্দ্রকে..
আল - জাওয়াব
প্রথম কথা কৃষ্ণ নিজেকে সূর্য বলেছে, তো এখানে বৈজ্ঞানিক ভুল এর কি আছে? আর কৃষ্ণ কি বলেছে যে " সূর্য সবচেয়ে বড় নক্ষত্র আর আমি সেটাই"? না বলে নায় , তো যেটা সে বলে নি সেটা স্ট্রু ম্যান ফ্যালাসি করে অভিযোগ করার কি দরকার?। দ্বিতীয় কথা
গীতা বেদ এগুলো সংস্কৃত ভাষায় নাযিল হয়েছে। সংস্কৃত ভাষা এর দুটো ধারা
১. বৈদিক সংষ্কৃত
২. লৌকিক সংষ্কৃত
সাধারণ তো যারা অনুবাদ করে তারা লৌকিক সংষ্কৃত ভাষা দিয়ে অনুবাদ করে যা চরম ভুল।
বৈদিক সংষ্কৃত এর বিদ্যা দিয়ে বেদ গীতা বুঝতে হবে
এখানে অনুবাদগুলোর মধ্যে
*আদিত্যা
* নক্ষত্রাণামহং শশী
নিয়ে গন্ডগোল করে
আপনি যদি জ্যোতিষ শাস্ত্র পরেন( ৬ বেদাঙ্গের ১ বেদাঙ্গ) তাহলে দেখতে পারবেন যে" নক্ষত্র বলতে বুঝায় চন্দ্র মাস এর ২৮( মতান্তরে ২৭) ভাগকে
যেমন করে সূর্যের পরিক্রমাকে ১২ ভাগে ভাগ করে ১২ টি রাশিতে ( মেষ, বৃষ, মিথুন ইত্যাদি ইত্যাদি) নাম দেওয়া হয়েছে ঠিক তেমনই চন্দ্র এর পরিক্রমাকে ২৮ ভাগে ( অশ্ননী, ভভরণী, রোহীণী ইত্যাদি ইত্যাদি ) ভাগ করা হয়েছে, আর এর এক এক ভাগকে নক্ষত্র বলা হয়েছে বেদাঙ্গের জ্যোতিষ শাখাই তাই এখানে এটা বলা যাবে না যে " চন্দ্র নক্ষত্র না তাই এটা বৈজ্ঞানিক ভুল "
কারণ এখানে নক্ষত্র বলতে চন্দ্রকে না বরং চন্দ্রের ২৮ টা অবস্থান এর কথা বলা হয়েছে...
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।