#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim
সিরিজ পর্ব- ৫৮
নরাশংসা নিয়ে মিথ্যাচার ও তার জবাব। কে এই নরাশংসা,কি তার পরিচয়। এ নরাশংসা কি মুসলমানদের নবী মুহাম্মাদ সাঃ নাকি বৈদিক ঈশ্বর, এ সম্পর্কে শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত কি। নরাশংসা দুইটি শব্দ নিয়ে গঠিত যথাঃ
১. নর, ২. শংস (নরা অস্মিন্নাযীনা শংসন্তি — নিরুক্তঃ ৮.৬.৩)
যাস্ক আমাদের জানিয়েছে যে নরাশংস হলো স্বয়ং বৈদিক ঈশ্বর অগ্নি (নিঘণ্টুঃ ৫.২)।
আবার শাকপূণি বলেছে বৈদিক ঈশ্বর অগ্নিই নরাশংস
☞ ( অগ্নিরিতি শাকপূণি নরৈ প্রশস্যো ভবতি — নিরুক্তঃ ৮.৬.৪)
মহর্ষি শৌনক বলেন অগ্নির পাঁচটি প্রভাবশালী নাম আছে (অগ্নেস্তু য়ানি সূক্তানি পচ্ছ নামানি কারব — বৃ০ দে০ ২.২২)। আর অগ্নির পাঁচ টি নামের মধ্যে একটি হলো " নরাশংসা " (স্তুবন্ত্যাপ্রীষু তেনেমম্ নরাশংসম্ তু কারব — বৃ০ দে০ ২.২৮)
বেদ আমাদের জানিয়েছে যে
☞ ( দেবো নরাশংস — তৈ০ ব্রা০ ৩.৫.৯.১৯)
আর বৈদিক ঈশ্বর অগ্নিই হলো সে দেবতা
☞ ( অগ্নির্বৈ সর্ব্বা দেবতা — শ০ ব্রা০ ১.৬.২.৮)
আবার দেখুন
☞ সোমো দেবো নরাশংস (শ০ ব্রা০ ১.৮.২.১৬)
☞ ক্ষত্রং বৈ সোম (শ০ ব্রা০ ৩.৪.১.১০)
☞ ক্ষত্রং বৈ বৈশ্বানর (শ০ ব্রা০ ৬.৬.১.৭)
☞ অগ্নির্বৈশ্বানরো (বৃ০ উ০ ৫.৯.১)
আবার বলা হয়েছে
☞ প্রজা বৈ নরো বাক শংস
অর্থাৎ প্রজা বা মানুষেরা বাক বা বেদ বানীর মাধ্যমে যার স্তুতি করে তিনিই সে নরাশংস বা ঈশ্বর (গো০ ব্রা০ উ০ ৬.৮)।
আর অথর্ববেদঃ ২০.১২৭.১-৩ এর মধ্যে ঈশ্বরের গুনগান করা হয়েছে দেখুন
☞ ইদং জনা উপ শ্রুত নরাশংস স্তুবিষ্যতে
পদার্থঃ (জনাঃ) হে মনুষ্য (শ্রুত) শ্রবণ করো (ইদম্) এই (নরাশংসঃ) ঈশ্বরের [নরাশংস: পদনাম পঠিতম্ - নিঘণ্টুঃ ৫.২] (উপ,স্তুবিয়্যতে) উৎকৃষ্ট প্রশংসা।
ভাষ্যকর ও সিদ্ধান্ত প্রদানকারী: শ্রীমতি অনিন্দিতা গাঙ্গুলী
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।