৯৮% মুসলিম ও হিন্দুরা মনে করে যে নজরুল ছিল ইসলাম ধর্মের অনুসারী আর রবীন্দ্রনাথ ছিল একজন হিন্দু ধর্মের অনুসারী। বাস্তব কথা হলো নজরুল না মুসলিম ছিল আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর না হিন্দু ছিল। নজরুল ছিল দ্বীন ই ইলাহি ধর্মের একজন অনুসারী আর রবীন্দ্রনাথ ছিল ব্রাহ্ম সমাজ বা ধর্মের অনুসারী। দ্বীন ই ইলাহি আর ব্রাহৃম সমাজ হলো এমন দুটো দর্শনগত ধর্ম যেখানে ইসলাম ও হিন্দু ধর্মের কাটছাট করা হয়েচে, ধর্মকে আপডেট করার নামে অনেক কিছু বাদ দেওয়া হয়েছে। দুটো ধর্ম দর্শনি মূলত বিভিন্ন ধর্ম থেকে কিছু কিছু অংশ নিয়ে নিজের ধর্মকে সাজিয়েছে। দ্বীন ই এলাহি এর প্রবর্তক আকবর সেক্যুলার ধাছের শিয়া মুসলিম ছিল, আর সে বিভিন্ন ধর্ম পন্ডিতদের কাছ থেকে তাদের ধর্ম সম্পর্কে জেনে নিজের নতুন এলাহি ধর্ম প্রবর্তন করে। জনৃমগত ভাবে মুসলিম ছিল বলে আকবর ইসলামের থেকে বেশি অংশ নিয়েছে তাই এর কাঠামো দেখলে ইসলাম মনে হলোও দ্বীনে ইলাহি ছিল আকবের ইচ্ছে মতো বানানো একটা ধর্ম দর্শন। একই ভাবে রাজা রাম মোহন রায় তার ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠিত করেন বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে পড়ে সেসব ধর্মের বিভিন্ন দৃষ্টি ভঙ্গি কিছু কিছু নিয়ে। জনৃমগত ভাবে হিন্দু হওয়ার দরুন সে হিন্দুদের থেকে বিরাট একটা অংশ নিয়ে তার ব্রাহৃম ধর্ম প্রবর্তন করে যেটাকে আমরা বর্তমানে হিন্দুদের আপডেট বা আধুনিক ভার্সন বলি। আর এই ব্রাহৃম সমাজেরও অনুসারী ছিল এই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
কাজী নজরুল ইসলাম সর্বে ধর্ম বর্ণে মানবতার কথা বলতে গিয়ে তার আকিদা মানহাজ সব জগাখিচুরি বানিয়ে ফেলে এবং শিরক কুফরের মধ্যে পতিত হয়।
রবীন্দ্রনাথও ব্রিটিশ আধুনিকতার ছুয়া পেয়ে ব্রাহৃম সমাজে দীক্ষিত হয়
বাস্তবে এই দু- জনকে দেখলে কাঠামোগত মুসলিম হিন্দু মনে হলেও এরা মনস্তাত্ত্বিক ভাবে ছিল দুটো আলাদা ছিল....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।