#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim
সিরিজ পর্ব-৮৩
দেবীপ্রসাদের উক্ত দাবি অতিরিক্ত বালখিল্যতা ও ভ্রান্তিকল্পনা বৈ কিছুই না। কারন তিনি বেদের সংস্কৃত ভাষা সম্পর্কে একজন অজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তার উক্ত বইতে এসব দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ দিয়েছে বেদের আদি ভাষ্যকার সায়ণের মূল সংস্কৃত ভাষ্যের নিকৃষ্ট অনুবাদক মূর্খ রমেশচন্দ্র দত্তের অনুবাদ থেকে । যখন সায়ণের মূল সংস্কৃত ভাষ্যের সাথে রমেশচন্দ্র দত্তের অনুবাদ সরাসরি বিরোধী। সায়ণ বেদের ভাষ্য করেছে যাজ্ঞিক নীতি অনুসরণ করে ও মাঝে মধ্যে তিনি আধ্যাত্মিক ও আধিদৈবিকেরও স্পর্শ দিয়েছে তখন রমেশচন্দ্র দত্তের অনুবাদ কোনো যাজ্ঞিক, অধ্যাত্মিক ও আধিদৈবিকের নাম-গন্ধ পর্যন্ত নেই। সায়ণ সেখানে আধিদৈবিক অনুযায়ী সরস্বতীর অর্থ করেছে বৃষ্টির জল তখন রমেশচন্দ্র দত্ত সায়ণের বিরুদ্ধে গিয়ে সায়ণাচার্যের অর্থ কে গ্রহন না করেই সে সরস্বতী কে সরস্বতীই রেখেছে৷
আর দেবীপ্রসাদের বেদের সংস্কৃত ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান তো ছিলোই না এমন কি সে বেদের ত্রিবিধ ভাষ্য সম্পর্কেও অজ্ঞ ছিলো আর বৈদিক ব্যাকরণ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা তো তার জন্য অনেক কঠিন বিষয়। তাই কোনো অজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের কোনো কথা কে প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করা ধৃষ্টতা। কারন অন্ধ চোখে দেখতে পারে না বলে দৃষ্টি শক্তি সম্পূর্ণ মানুষও যে দেখতে পারবে না এরূপ বলা যায় না.....
[ এটা অনিন্দিতার করা কমেন্ট
মূল লেখক: অনিন্দিতা গাঙ্গুলি ✍️]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।