Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বর্তমান মুসলিমদের পূর্ব পুরুষরা কি হিন্দু নমশূদ্র থেকে মুসলিম হয়েছে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
151 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,521 পয়েন্ট)   19 ডিসেম্বর 2025 "প্রতিবেদন" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
ঐতিহাসিকতার বিচারে এই ভারতের হিন্দুরা হলো প্রজা সম্প্রদায় এবং এই হিন্দু জাতি হলো বৌদ্ধ আর মুসলিমদের দাস। এই ভারত উপমহাদেশে দুটো জাতি ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে 

১. বৌদ্ধ সম্প্রদায়

২. মুসলিম জাতি 

বৌদ্ধ সম্রাট অশোক তার সময়ে সমগ্র ভারতকে নিজের শাসনের মধ্যে নিয়ে আসেন, এবং দীর্ঘ সময় ভারতে শাসন করেন, এমনকি আমাদের বৃহত্তর প্রাচীন ভূ- খন্ডেও বৌদ্ধরা শাসন করে যার মধ্যে পালন শাসন করে ৪০০ বছর ধরে। বৌদ্ধদের পরে পুরো ভারতে প্রভাব বিস্তার করে মুসলিম শাসকরা। সম্রাট অশোকের মতো বিরাট সাম্রাজ্য তৈরি করেন মহান সম্রাটে সালতানাতে হিন্দ সুলতানুল আকবার আওরঙ্গজেব । সুদীর্ঘ ৫০ বছর তিনি এই ভারত শাসন করেন।  

আমরা যদি হিন্দুদের ধর্মীও সম্প্রদায় হিসাবে বিবেচনা করি তাহলে এই হিন্দু ধর্মে নিজেরাই বহিরাগত, কিন্তু এই বহিরাগত ধর্মের অনুসারীরা আমাদের বলে আমরা নাকি বহিরাগত যা হাস্যকর! 

এই ভারতে তিনটা বৃহৎ ধর্মীও সম্প্রদায় আছে

বৌদ্ধ 

হিন্দু  

মুসলিম 

এর মধ্যে বৌদ্ধ ধর্ম এবং এই ধর্মের অনুসারীরা হলো এই ভারতের মূল আদিবাসী। ভারতীয় ধর্ম বলতে এই বৌদ্ধদের আমরা বুঝে থাকি। আর যে সনাতন হিন্দুদের আমরা দেখি এদের সনাতন ধর্ম হলো একটা বহিরাগত যা আর্য সম্প্রদায়রা এই ভারত ভূ- খন্ডে নিয়ে আসে আর এই ভূ- খন্ডের সাধারণ মানুষদের উপর তা চাপিয়ে দেয়। বর্তমানে যে হিন্দু ধর্ম দেখি এবং এর যত শাখা প্রশাখা আছে সব ওই বহিরাগত আর্যদের মূলের সাথে মিশে আছে। হিন্দু শব্দটা যেমন বহিরাগত এবং হিন্দুদের এই মূল নিবাস ধর্মটাও বহিরাগত। ইতিহাস সাক্ষ্য দেই যে হিন্দুরা কখনো ভারতে একক ভাবে ক্সমতা দখল করতে পারে নি। একমাত্র বৌদ্ধ বর আমরাই মুসলিম জাতিরা ভারতে ক্ষমতা নিয়েছি। হিন্দু সম্প্রদায় সব সময় বৌদ্ধ আর মুসলিমদের প্রজা হিসাবেই থেকে গেছে। এখানে আরেকটা বিষয় বলতে চাই আর তা হলো, এক সময় এই ভারতে সবচেয়ে বেশি বৌদ্ধরা ছিল, কিন্তু বৌদ্ধ শাসন দুর্বল হওয়ার সাথে সাথে উগ্র কিছু হিন্দু সম্প্রদায় তাদের নিধন করতে থাকে, আর হিন্দুরা এই বাংলা ভূ- খন্ডের বৌদ্ধদেরও নিধন করা শুরু করে। পরবর্তীতে যখন মুসলিমরা এই ভারতে অভিযান চালাতে থাকে একেের পর এক তখন ব্যাপক হারে বৌদ্ধরা মুসলিম হতে থাকে, সাথে হিন্দুদের নিচু সম্প্রদায়গুলোও মুসলিম হয়।  

আমাদের বাংলা ভূ- খন্ডে খিলজি রহিমাহুল্লাহ যখন দখল করে তখন এই বৌদ্ধরা ব্যাপক হারে মুসলিম হয়। হিন্দু নিচু জাতি থেকে কমই মুসলিম হয়। হিন্দুদের একটা কমন হলো হলো আমাদের পূর্বপুরুষরা নাকি নিচু জাতের হিন্দু থেকে মুসলিম হয়, তাদের এই কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমরা যদি পরিসংখ্যান আকারে বিচার করি তাহলে বুঝতে পারব। আমরা জানি হিন্দুদের মধ্যে চারটা বর্ণ

ব্রাহ্মণ,

ক্ষত্রিয় 

বৈশ্য

শুদ্র

এর মধ্যে শূদ্র হলো একটা নিচু জাত, আর ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিও হলো উচু জাত, আর বৈশ্যরা হলো মধ্যম জাত। হিন্দু মোট সম্প্রদায় এর মাত্র ৩% ব্রাহ্মণ আর ৭% ক্ষত্রিয় এবং ১২% ভাগ বৈশ্য, আর বাকি ৭৮% হলো শূদ্র । অর্থাৎ হিন্দুদের মোট জনগোষ্ঠীর ৮০ ভাগ হলো শূদ্র বা নিচু জাতি, আর বর্তমান ভারত এতে যে হিন্দু দেখি তারও ৮০% এর উপরে হলো শূদ্র। এখন কথা হলো যদি হিন্দু শূদ্র বা নিচু জাত থেকেই বেশি মুসলিম হয়ে থাকে তাহলে এত নমশূদ্র কয় থেকে আসলো? শূদ্রের সংখ্যা তো অর্ধেকেরও কম হয়ে যাওয়ার কথা তাই না?। আমাদের বৃহত্তর মুসলিম এসেছে উঁচু মার্গ এর অনুসারী বৌদ্ধদের থেকে। যে বৌদ্ধরা জ্ঞান বিজ্ঞান ও দর্শন শাস্ত্রে আধিপত্য এবং উঁচু আধ্যাত্মিক মার্গ এর অনুসারী ছিল আমরা হলাম সেসব বৌদ্ধদের ধর্মান্তর উত্তরসূরী । হিন্দুদের থেকেও মুসলিম হয়েছে তবে তা ১০% হবে নাকি আমার সন্দেহ , কেননা ব্রাহ্মনদের কঠোর নিয়ম ও হিংস্রতার জন্য সে সময় নিচু জাতিরা চাইলেও অন্য ধর্ম গ্রহণ করতে পারত না, হিন্দু থাকা অবস্থায় পরিবাররা গোলামি করে এক বেলা আহার পেলেও অন্য ধর্ম গ্রহণ করলে অত্যাচারে না খেয়ে মরতে হতো তাদের। যে অল্প সংখ্যক হিন্দু নিচু জাতিরা মুসলিম হয়েছিল তারাও অন্য জায়গায় প্রাণ বাঁচাতে যেতে হতো..... । তো আমার মূল কথা হিন্দুরা যে ভাবে প্রচার করে বলে যে আজকের ভারতের মুসলিমরা হিন্দু নিচু জাতের কনভার্টেড মুসলিম তা একদমই পুরোপুরি সত্য নয়। আজকের আমরা যে মুসলিম ভারতে বাস করি তার ৮০% মুসলিমদের রক্তে মিশে বৌদ্ধদের রক্ত ও পরবর্তীতে আসা পাঠান, মোগল, তর্কি এসব মুসলিমদের রক্ত । আমরা কোনো নিচু জাত থেকে কনভার্টেড নয় বরং আমরা সভ্য এবং আভিজাত্য ধর্মান্তর পূর্বসূরীদের উত্তরসূরী। এখানে একটা কথা বলে রাখি যে বৌদ্ধ থেকে যেমন মুসলিম হয়েছে, তেমন হিন্দুদের অত্যাচারের সময় তারা হিন্দুও হয়েছে, কিন্তু তারা হিন্দু হয়ে যাওয়ার পর নিচু জাতি হয়ে গিয়েছে আর মুসলিম হওয়ার পর তারা উঁচু জাতি হিসাবে স্থান পেয়েছে কেননা ইসলাম উঁচু নিচু ভেদাভেদ নেই সবাই সমান এবং নায্য অধিকার পেয়ে থাকে, আর বৌদ্ধরাও মুসলিম হওয়ার পর সেই সেই নায্য অধিকার ও সম্মান পেয়েছিল.......।  

আমি আপনাদের আবারও বলছি যে একমাত্র বৌদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী হলো এই ভারত ভূ- খন্ডের মূল ধর্ম ও ধর্মের অনুসারী, বৌদ্ধ ধর্মের মূল এই ভারতে, কিন্তু হিন্দু ধর্মের মূল এই ভারতে নয়। আর মুসলিমরা আসার আগ পযন্ত বৌদ্ধরাই ভারতে শাসন করেচে একক ভাবে। তবে হিন্দু কিচু শাসনও ছিল তবে তা বিক্ষিপ্ত কিছু শাসন যা পুরো ভারতে একক ভাবে কখনোই ছিল না। ইতিহাসের পাতা আমাদের এটাই বলে যে বৌদ্ধ এবং মুসলিমরাই ব্যাপক ভাবে এই ভারত শাসন করে। বৌদ্ধ শাসকরা যেমন ভারতে সভ্যতার কল্যান করে তেমনি মুসলিম শাসকরা এই ভারত দেশে সভ্যতার উন্নয়ন শুরু করে। বৌদ্ধদের মানসিকতা ও সৌন্দয্য যেমন উচু ছিল এবং তাদের রুচিতে যেরকম আভিজাত্যের ছাপ ছিল তেমনি আমাদের মুসলিম মোগল, ঘুরী, এসব মুসলিমদের মধ্যে আভিজাত্যের ছাপ ছিল এবং তা পুরো বারতের সভ্যতাতে এখনও আছে। বৌদ্ধরা ভারতের মানুষকে যেমন উঁচু মার্গ প্রদর্শন করেছিল তেমন করে মুসলিম শাসকরা এই ভারতে সভ্য ও উচু আভিজাত্য এর বিস্তার করে। এই ভারতে বেশি আধিপত্য বিস্তার করে দু- জন সম্রাট, এক সম্রাট অশোক, দুই সম্রাট আওরঙ্গজেব। আর এদেরকে কেন্দ্র করেই ভারতের আভিজাত্য ও সভ্যতার উঁচু মার্গ প্রদর্শিত হয়। মুসলিম ১২ শতাব্দী থেকে ভারতে প্রভাব বিস্তারের পর ভারত যেমন মুসলিম শাসকদের করায়ত্ত হয় তেমনি আমাদের আগে বৌদ্ধরাও করায়ত্ত করে সমগ্র ভারতে। এই বৌদ্ধ আর মুসলিমদের পূজাই ছিল বর্তমান হিন্দু সম্প্রদায় যাদের না ছিল শক্তিশালী কোনো শাসন আর সাম্রাজ্যে আর না হতে পেরেছে সভ্য জাতি। দুঃখের বিষয় হলো তারা মুসলিমদের সাম্রাজ্য এর সাথে পাল্লা দেওয়ার জন্য এখন মারাঠা সাম্রাজ্যেকে দাড় করায় কিন্তু বাস্তবে মারাঠা ছিল ডাকাত আর অসভ্য যাযাবর লুটেরা সম্প্রদায়। এই মারাঠারা আমাদের বাংলাতেও ডাকাতি করে। আর এই ডাকাত মারাঠাদের দাড় করায় মুসমিল সাম্রাজ্যেের বিরীপতে। যে মুসলিম সাম্রাজ্যের সম্রাটরা ছিল বীর পুরুষ এবং যে মুসলিম সাম্রাজ্যের সময় বিশেষ করে আওরঙ্গজেব এর সময় সামরিক ও আর্থিক ও আভিজাত্য ভাবে ভারত ছিল সমগ্র পৃথিবীতে সর্বশ্রেষ্ঠ, সে মুসলিম শাসকদের বিপরূতে একটা ডাকাত, জঙ! ঙ্গি যাযাবর জাতির একটা সাম্রাজ্যে দাড় করানো হাস্যকর ছাড়া কিছুই না.......। ভারতে সভ্যতার উথান করেছে প্রতমে বৌদ্ধরা তারপর এসে করেছে মুসলিমরা। মুসলিমরা না আসলে ভারতের মানুষ হয় তো এখনও ভারতের বদলে গোবর খেয়ে জীবন যাপন করত.... । আর সবচেয়ে বড় কথা হলো মুসলিমদের জন্য আজ ভারতে শূদ্ররাও পূজা পাঠ করতে পারে এবং তাদের অধিকার কিছুটা হলেও পেয়ে থাকে। একমাত্র মুসলিম শাসকদের সময় হিন্দু নিচু জাতিরা তাদের অধিকার ভোগ করেছিল যা নাগরিক হিসাবে পাওয়া প্রয়োজন। মুসলিমদের আগে নিচু হেদুদের তো মানুষই মনে করা হতো না একটা দেশের নাগরিক হওয়া তো দূর কি বাদ! 

তো এই হলো ইতিহাসের আলোকে সংক্ষিপ্ত একটা পর্যালোচনা যা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে এই হিন্দুরা আসলে প্রজা ছিল আমাদের.....

লেখনী: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️ 

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 620 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12521। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 2097
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


নাস্তিক অমুসলিম থেকে মুসলিম হয়েছেন যারা -  পর্ব-৩  Laurence Brown ছিলেন একজন আমেরিকান চক্ষু বিশেষজ্ঞ (Ophthalmologist) ডাক্তার। তিনি আগে নাস্তিক ছিলেন।   ড. লরেন্স ব্রাউন ছোটবেলা থেকে খ্রিস্টান পরিবারে বড় হন। [...] বিস্তারিত পড়ুন...
53 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নাস্তিক অমুসলিম থেকে মুসলিম হয়েছেন যারা  পর্ব-২  ইনি হলেন প্রফেসর জেফরি ল্যাং ( জন্মঃ ৩০ জানুয়ারী, ১৯৫৪) একজন আমেরিকান গণিতবিদ এবং মুসলিম লেখক। তাঁর লেখা বই এবং ভিডিও লেকচারগুলো মুসলিম ও অম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
110 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নাস্তিক অমুসলিম থেকে মুসলিম হয়েছেন যারা  পর্ব-১  যুক্তরাজ্যের এক অধ্যাপক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, কারণটি আপনাকে হতবাক করবে। যুক্তরাজ্যের অধ্যাপক আর্থার অ্যালিসন তাঁর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের [...] বিস্তারিত পড়ুন...
111 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

   আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   পবিত্র কোরআন নিয়ে অনেকগুলো অভিযোগ করা হয়, এর মধ্যে বেশি করা হয় আকাশ সম্পর্কিত। তাই আমি ছোট একটা সংজ্ঞা + উসূল নিয়ে আলোচনা করব একটা বিশেষ শব্দকে কেন্দ্র কর[...] বিস্তারিত পড়ুন...
153 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা  #গাজওয়াতুল_হিন্দ_সম্পর্কে_সংক্ষিপ্ত_একটা_পর্যালোচনা  গাজওয়াতুল হিন্দ কি হয়ে গিয়েছে নাকি হবে? © প্রিন্স ফ্রেরাসে  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  অত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
143 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    755 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    7 মন্তব্য

    37 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    125 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    82 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...