জুলাই এর সাথে আ্যলুমিনাতি এবং ফ্রিমেসন এর সম্পর্ক আছে। আমাদের বাংলাদেশে কথিত যে গন ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল তার পিছনে এসব গুপ্ত সংগঠনের হাত আছে। শেখ হাসিনা সরকার কিছু ক্ষেত্রে ফ্রিমেসনদের বিরোধীতা করেছিল,যার কারণে মাত্র সল্প কিছু দিনের মধ্যে ১৫+ বছর রাজত্ব করা একটা শক্তিশালী দলের পতন করিয়ে ফেলেছে। আমরা মনে করি যে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হয়েছে ছাত্র জনতার আন্দোলনের জন্য! কিন্তু এই কথাটা আংশিক সত্য। মূল মাস্টার মাইন্ড ছিল ফ্রিমেসন এর মতো সংগঠন গুলো। ফ্রিমেসনদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য কথিত নারী জাগরণ আর সমকামিতা এর প্রচার সর্ব প্রথম গুরুত্ব এর চোখে দেখা হয়। আওয়ামীলীগ এর সময়ে দুর্নীতিসহ অন্যান্য অপরাধ হলেও ব্যাপক হারে কথিত মডান নারী জাগরণ আর সমকামিতার ব্যাপক প্রচার করা হয় নি । তাই ফ্রিমেসনরা চেয়ে ছিল যে এই আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হোক। আর তারা কৌশলে একটা ইস্যু ছাত্রদের মাধ্যমে দাড় করিয়ে সেই আন্দোলনকে সরকার পতনের আন্দোলনে নিয়ে যাওয়া হয়। এসব মূলত ফ্রিমেসন এর মতো গুপ্ত সংগঠনের পরিকল্পনা। তো এই তো গেলো আওয়ামীলীগ সরকার পতনের কাহিনী। এখন আসি বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। আওয়ামিলীগ সরকার পতনের পর তাদের এমন একজনকে এই দেশের প্রধান মাথা বানাতে হবে যাকে অধিকাংশ লোক মান্য করবে, আর এই লোক হতে হবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের একজন পুরুষ ব্যক্তি এবং সে সমকামি সার্পোট করবে আর নারী জাগরণের পক্ষে স্লোগান দিবে । আর আমরা সবাই জানি যে জীবিতের মধ্যে ইউনুস হলো আন্তর্জাতিক মানের বুদ্ধিজীবি, আর সে সমকামি সার্পোটার!, এই কথা অনেকে বিশ্বাস নাও করতে পারেন। তো যারা বিশ্বাস করবেন না তাদের বলব যে ইউনুসের ব্যাপারে একটু ঘাটাঘাটি করে আসুন, তাহলেই জানতে পারবেন যে সে একজন সমকামী সার্পোটার। এমনকি তার মেয়েও এলজিবিটি এর সাথে যুক্ত আছে। ইউনুস একজন টপ লেভেলের এলজিবিটি সার্পোটার! । আর ইউনুস কথিত নারী জাগরণে বিশ্বাসি। আর এখানেই যেহেতু ২+২=৪ হয়ে গিয়েছে তাই গুপ্ত সংগঠন গুলো তাকেই বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বানিয়ে দিয়েছে। আপনাদের মনে আছে যে " এই মাস খানেক আগে নারীদের সম্পর্কে !" ব্যক্তি স্বাধীনতা " নামে এমন কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল যে, যেটা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক , প্রথমে ইউনুস সরকার এরকম একটা বিষয় এর অনুমোদন দিতে চেয়েছিল কিন্তু তাওহীদি জনতার কারণে তা আর বাস্তবায়ন করা হয় নি। ইউনুসকে দিয়ে এসব X সংগঠনগুলো চাই ব্যাপক হারে নারী জাগরণের নামে পুরো সমাজকে অশ্শীলতা এর মধ্যে নিয়ে যাওয়া+ সমকামিতা এর প্রচার ঘটানো, আর ঠিক এই কারণেই ইউনুসকে ক্ষমতার মসনদে বসানো হয়েছে। এই X সংগঠনগুলো যখন দেখবে ইউনুসকে দিয়ে কাজ হচ্ছে না তখন তারা ইউনুসকেও ছুড়ে ফেলে দিবে.... । বর্তমানে বাংলাদেশে এক নিরব সংস্কার চালানো হচ্ছে যেটা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক । ধীরে ধীরে অনেক বিষয় নরমালাইজ করা হচ্ছে আমাদের কাছে, আর আমরা এসবে প্রভাবিতও হচ্ছি।
বাংলাদেশ ফ্রিমেসন এর মতো সংগঠন গুলোর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ । এর পিছনে অনেক কারণ আছে। মোটা দাগে তিনটা কারণ হলো-
বাংলাদেশ এর ভৌগলিক অবস্থান
বাংলাদেশ এর প্রাকৃতিক সম্পদ
বাংলাদেশ এর বিপুল জনগণ
আমি পরবর্তীতে এই পয়েন্টে আলোকপাত করব ইনশাআল্লাহ । যাইহোক, যেটা বল ছিলাম যে জুলাই আন্দোলন এর পিছনে ছিল X সংগঠনগুলোর হাত, আর ছাত্র জনতা এখানে শুদু মাত্র দাবার গুটি। আপনি কি মনে করেন সামান্য একটা ছোট আন্দোলন এবং একে কেন্দ্র করে কিছু ছাত্র মৃত্যুতে একটা শক্তিশালী দল এর পতন হয়ে যেতে পারে অল্প কিছু দিনে? তাও আবার অনাকাঙ্খিত ভাবে?। ভাই! জুলাই আন্দোলনে যে ক্সতি এবং প্রাণহানী হয়েছে, তার চয়ে মারাত্মক ক্ষতি এবং আহত নিহত হয়েছিল ২০১৩ এর শাপলা চত্বরে। সেই দিনটা যে কতটা ভয়ংকর ছিল, তার সাথে এই কথিত ছাত্র আন্দোলন এর মুভমেন্ট আসলে কিছুই না। তো সেই ভয়াবহ ঘটনার পরও সরকার পতন হলো না আর ২৪ এর কিছু ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতন হয়ে যাবে এটা ভাবাটাও বোকামি। আমি শুধু আপনাদের এটা বুঝাতে চাচ্ছি যে এই সবই হলো ফ্রিমেসন এর মতো সংগঠনের পূর্ব পরিকল্পনা । তারা বাংলাদেশের জনগণ ( বিশেষ করে মুসলিম) নিয়ে গেম খেলছে। হঠাৎ করেই আমাদের না বুঝে না জেনে কোনো ট্রেন্ড বা মুভমেন্ট এতে ঘা ভাসানো একদমই উচিত নয়! ।
আচ্ছা আপনাদের মনে কি একটা প্রশ্ন জাগে না, যেখানে জুলাই মাস হলো ৩১ দিনের, সেখানে হঠাৎ করে একটা জেনারেশন কেন ৩৬ জুলাই এর গুনগান করছে? কি আছে এই ৩৬ এবং জুলাই এর পিছনে?। আমি জাস্ট একটা ছোট হিট দিচ্ছি আপনাদের! ৩ -৬- ৯ এই তিনটা জানেন তো কিসের নাম্বার? 369 হলো ইউনিভার্সাল নাম্বার, যেটা X এর মতো সংগঠন গুলো নিজের পাওয়ার এবং নিজেদের জানান দেওয়ার জন্য ব্যবহার করে থাকে। ৩৬ জুলাই থেকে 3,6 নেওয়া, আর এই দুটো সংখ্যার যোগফল থেকে 369 ডিজিটগুলো নেওয়া। এই কথিত ৩৬ জুলাই দ্বারা মূলত X এর মতো সংগঠন গুলো নিজেদের পাওয়ারকে রিপ্রেজেন্ট করছে আর আমাদের এই বার্তা দিচ্ছে যে " যে বা যারা তাদের বিরোধীতা করবে তাদের পতন হয়ে যাবে....."। এরকম করে তারা অনেক সাইন - সিম্বল এর মাধ্যমে তাদের জানান দিয়ে যাচ্ছে আমাদের কাছে। কিন্তু আমাদের দেশের সল্প জ্ঞানী মানুষরা তো.......... ।
এখন হয় তো আপনারা আমাকে পাগল ভাবতে পারেন, যে মেহেদী পাগল হয়ে গিয়েছে আর ইউনুস এর বিরোধীতা করছে, সত্যি বলতে আমি পাগল হয় নি, বরং আমি আমার এই সল্প বয়সে যতটুকু পড়েছি আর বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেছি তার আলোকে এই লেখার মাধ্যমে তা প্রকাশ করেছি। আমি বলছি না যে আমি যা বলছি তা বিনা প্রশ্নে আপনারা মেনে নিন। আমি শুধু এতটুকু বলব যে আপনারা বেশি বেশি করে ফ্রিমেসন সহ গুপ্ত সংগঠন সম্পর্কে পড়ুন এবং তাদের মুভমেন্ট সম্পর্কে স্টাডি করুন, তাহলে আপনিও আমাদের যা দেখানো হয়, সেই দেখানো পর্দার পিছনের কালো দৃশ্যটা দেখতে পারবেন.......।
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।