বাংলাদেশ সংবিধান একটা কুফরি সংবিধান এবং বাংলাদেশের ভিত্তি যে চারটা মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলোও কুফর।
আমি আমি এরকম কথা বলেছি তা এখন বলছি। আমাদের বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ আর্টিকেল -৮(১) এতে বলা হয়েছে যে -
" জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা- এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে "
এখানে চারটা নীতির কথা বলা হয়েছে এবং এই নীতিগুলো দিয়েই দেশ চলবে ( ৮/২) বলা হয়েছে। এখন এই চার নীতির মানেঠা আমি আপনাদের বলছি -
১. জাতীয়তাবাদ: বাঙালি জাতির ঐক্য ও সংহতি এবং ভাষার ভিত্তিতে স্বকীয়তা অর্জনকে বোঝায়।
২. সমাজতন্ত্র: শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্য রাখে।
৩.গণতন্ত্র: জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা, যেখানে কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
৪. ধর্মনিরপেক্ষতা: রাষ্ট্র কর্তৃক কোনো ধর্মকে বিশেষ মর্যাদা না দেওয়া এবং ধর্মীয় বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, যার অর্থ ধর্মহীনতা নয়।
এখন আপনিই বলুন আপনি এই নীতিগুলোতে বিশ্বাস রাখেন? কোনো মুসলিম কি এই নীতিগুলোকে সমর্থন করতে পারে?
মুসলিম জাতীয়তাবাদ ব্যাতিত দুনিয়াতে যত জাতীয়বাদ আছে সবই বাতিল এবং আমাদের দেশের কথিত বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদও বাতিল কেননা এই বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদে আছে হিন্দু , মুসলিম খ্রিষ্টানসহ আরও কুফরি দল-,মত। আর মুসলিম কখনো এসব বাতিল দলের সাথে ঐক্য করতে পারে না... ।
সমাজতন্ত্রে অর্থনীতির যে ধারণা তা হলো সুদ ভিত্তিক এবং তাূের সমাজ গঠনের যে ধার সেটাও পশ্চিমা বিশ্ব থেকে নেওয়া যেটাতে অশ্শীলতা বেহায়া বিদ্যমান। মুসলিম কখনো এই পশ্চিমা বিশ্বের আমদানি করা সমাজতন্ত্রকে কবুক করতে পারে না...
গণতন্ত্রকে নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই, এটা যে কুফর এতে আমাদের কারো সন্দেহ নেই, একমাত্র পচিমার দালাল নামধারী সেক্যুলারগুলোই এই গণতন্ত্রের সমর্থক।
বাকি রইলো ধর্মনিরপেক্ষতা, যেটাকে আমরা সেক্যুলারিজম হিসাবে চিনে থাকি। ধর্মনিরেক্ষতা বা সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসি সেক্যুলার যে পাক্কা মুসলিম হতে পারে না এটা আশা করছি আলাদা করে বলে বুঝাতে হবে না...... ।
আপনারা জাস্ট চিন্তা করুন, আমাদের ৯০% মুসলিমের দেশে ভারত থেকে পশ্চিমা বিশ্ব হতে আমদানি করা কুফর নীতি দিয়ে সংবিধান প্রণয়ন করা হয়েছে আবার এই কুফর মূলনীতিগুলো আমাদের মান্য করতেও বলা হচ্ছে...
আমরা মুসলিম, আমরা কোনে তন্ত্র- মন্ত্রে বিশ্বাসি না।
এক কোরআনের আইন ও শরীয়াহ ব্যাতিত কোনো আইন এতে আমরা সন্তুষ্ট না।
কোরআন ( সুন্নাহ) আমাদের সংবিধান এটাই আমাদের একমাত্র বিশ্বাস । এর বাহিরে যা আছে সব বাতিল ও প্রত্যাখ্যাত....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।