Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের জবাব

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
27 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,556 পয়েন্ট)   02 ডিসেম্বর 2025 "সাধারণ" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
জাকির নায়েক সম্পর্কে ভ্রান্ত অভিযোগের জবাব 

 আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

 প্রথমে বলে রাখি বর্তমানে আমি জাকির নায়েক এর বড় ভক্ত না এবং আমি বিভিন্ন পোস্ট এতে তার অনেক বিষয় এর বিরোধীতা করি। তবে হ্যা আল্লাহর জন্য একজন দাঈ হিসাবে তাকে ভালোবাসি....  

 এখন আসি মূল পয়েন্ট এতে। 

 একজনকে দেখলাম জাকির নায়েক বিজ্ঞান বনাম ভ্রান্তি নিয়ে একটা পোস্ট করেছে। আগ পিছ করে সে নিজের মন মতো কিছু বলে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে ফেলেছে....

 তাই ভাবলাম একটু হালকার উপর ঝাপসা পানি ছিটাই...

তার প্রথম পয়েন্ট -

প্রথমেই লেখক পয়েন্ট ওয়ান এর নাম দিয়েছে " বড় ব্যাঙ তত্ত্ব " নিজের গ্রুপকে প্রমোট করার জন্য বিগ ব্যাং কে করে

 ফেলেছে বড় ব্যাঙ... যেটা অনেক হাস্যকর ব্যাপার...। 

তার পর জাকির নায়েক সম্পর্কে একটা মিথ্যাচার করে আর তা হলো " তিনি বলেছেন ১৪০০ বছর আগে থেকেই আমরা big bang সম্পর্কে জানি..." একানে লেখক মিস্টেক করেছে। কথাটা হবে এরকম " ১৪০০ বছর আগে আল কোরআন এর আম্বিয়া এতে big bang সম্পর্কে বলা হয়েছে.. " আমরা জানি এরকমটা কেও বলে না.....। তারপর লেখক বলেছে যে " এই তত্ত্ব অনুযায়ি আকাশ ও জমিন এক সাথে ছিল এবং big bang এর মাধ্যমে তা আলাদা হয়ে গেলো... " তো এই লেখাটা লেখে লেখক মন্তব্য করে " এটা নাকি একটা গুজব..." আমি তো অবাক! এরা দেখি big bang কে বানিয়ে দিয়েছে পুরো গুজব! । তারপর লেখক বলেন " 

 বাই দা ওয়ে " আকাশ আর জমিন আলাদা হয়েছে মহা বিস্ফোরণ এর মাধ্যমে আলাদা হয়েছে..." এতটুকুতে যদি তিনি ডাউট ফিল করে তাহলে বলব যে তিনি যে কনসেপ্ট দাড় করিয়েছে এবং তার উপর বেস করে জাকির নায়েক এর মতকে বাতিল করতে চাইছে " সে কনসেপ্ট টা ভুল " যেমনটা তিনি বুঝিয়েছেন। এখানে কথা হচ্ছে ইসলাম ( কোরআন) ও বিজ্ঞান দিয়ে। তাই আগে বুঝতে হবে কোরআন আকাশ দ্বারা কি উদ্দেশ্য করেছে , অক্সফোর্ড ডিকশনারি কি বলেছে তা দেখার বিষয় না। কোরআনে সামা বলতে ওই জিনিসকে বুঝানো হয় যেটা উপরে... অর্থাৎ জামিন এর উপরে যা আছে তাই সামা । আর উপরে যে বায়ু মন্ডল দেখি তাও সামা  

 এখন বুঝতে হবে যে " আকাশ আর জামিন একত্র ছিল এবং তা আলাদা করা হলো " এটা কি করে মহা বিস্ফোরণ এর দলীল হলো " 

 যারা এটার বিরোধীতা করে তাদের যুক্তি হলো মহা বিস্ফোরণ এর সময় তো বর্তমানে মতো আকাশ আর মাটি ছিল না তাহলে আলাদা হলো কি করে এই দুটো জিনিস যখন তার সে সময় অস্তিত্ব ই ছিল না?" 

 আল জওয়াব-

 বর্তমানের মতো যে সে সময় জমিন আর আসমান থাকতে এরকমটা একদমই নয়। যে সিঙ্গুলারিটি থেকে বিস্ফোরণ হয়ে বর্তমান জগৎ এসেছে, এই জগৎটাই তখন ইলেক্ট্রন পজিটন বা নেগেটিভ পজেটিভ ফর্মে ছিল... " যেমন করে একটা বিরাট গাছ তার বিজ এর মধ্যে ছিল....  

 অর্থাৎ বর্তমানের মতো জমিন বা আসমান থাকতে হবে সে সময় এবং তা আলাদা করতে হবে তা একদমই নয়..... যেমনটা লেখক বুঝিয়েছেন।  

প্রথম পয়েন্ট সামারি ডিবাংক End...

 দ্বিতীয় পয়েন্ট -

লেখক আবারও মূর্খামিপূর্ণ কথা বলেছে আর তা হলো " আমরা নাকি ১৪০০ বছর আগে থেকেই জানি চাঁদের নিজস্ব আলো নেই .." 

 কিন্তু জিনিসটা হবে এরকম কোরআনে আছে চাঁদের 

নিজস্ব আলো নেই...

  তারপর লেখক বলেছেন যে " মানুষ নাকি আমাদের ( মুসলিমদের..) আগ থেকেই জানে যে চাঁদের আলো নেই..." 

তো তিনি তার কথার পক্ষে দুটো উদাহরণ পেশ করেন, তার প্রথম হলো থেলিস এর, যিনি বলেন "  

 যখন সূর্য আর চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে আর পৃথিবীর আলো চাঁদের উপর পরে.. " 

 তো এতটুকু থেকে তিনি দাবি করলেন যে " মানুষ নাকি জানত চাঁদের আলো নেই..." 

 তার দাবির সমীক্ষা পর্যালোচনা : 

 থেলিস এর উক্ত কথা থেকে প্রমাণ হয় না যে থেলিস এটা জানতো চাদের আলো নেই। লেখক উক্ত কথাতে নিজের একটা যুক্তি সংযোজন করেন আর তা হলো " চাঁদের নিজস্ব আলো নেই কারন চাঁদের আলো থাকলে তো তার উপর আলো ( ছায়া) আলাদা করে পড়ার প্রশ্নই আসে না..!" 

 আরে ভাই! একটাার ছায়া আরেকটার উপর পরার মানে এই না যে A এর সাপেক্ষে B এর অস্তিত্ব নেই। একটা লাইট এর উপর আরেকটা লাইট এর আলো ফেললে কি কেও বলেযে " যে লাইট টার উপর আলো ফেলা হয়েছে তার কোনো আলো নেই! " উত্তর হলো না বলে না, তাহলে এরকম একটা উদ্ভট যুক্তি লেখক কি ভাবে দিলো যে " চাঁদের উপর ছায়া পরাটা প্রমাণ করে যে চাঁদের আলো নেই... " 

 আর আনাক্সাগোরাসের কথাটাতেও যে জালিয়াতি করে অংশটুকু ঢুকানো হয়েছে তা তো বুঝতেই পাচ্ছেন...

লেখককে আমি এতটুকু বলব যে " কোরআন নাযিলের আগে এমন কোন ব্যক্তি আছে যে সুস্পষ্ট ভাবে বলেছে যে " চাঁদের কোনো আলো নেই"..... 

[ কোরআনে কি বলা হয়েছে চাঁদের আলো নেই? পড়ুন -

https://www.facebook.com/100084775611313/posts/800781916090988/?app=fbl

[ উলেখ্য যদি দেখাতেও পারে তাও কোরআনের শ্রেষ্ঠত্য ভুল প্রমাণ হয় না কারণ কোরআন হলো সম্পূর্ণ সত্য ও চিরন্তন বানীর সমাহার, এখানে যা যা বলা হয়েছে তা অবিকৃত এবং অপরিবর্তিত, আর মানুষ একেক সময় একেকটা বলে, সে সময় যদি কেও বলেও থাকত তাহলে তার কথা দুটো কারনে নাকচ 

১. প্রমাণ না থাকার কারনে দাবির পক্ষে 

২. অনেক বড় বড় বিজ্ঞানি এর যুক্তির বিরুদ্ধে ( যদিও সেটা কু যুক্তি) যাওয়ার কারনে.. ] 

 দ্বিতীয় ডিবাংক সামারি End... 

 দ্বিতীয় পয়েন্ট -

 জাকির নায়েক নাকি বলেছেন " পৃথিবীর সকল প্রাণ পানি থেকে তৈরি হয়েছে..." 

 লেখক পরে বলেন 

" পানি থেকে পান তৈরি হয় নি পানিতে প্রাণ তৈরি হয়েছে.."

 লেখক এখানে ভাষার ত্যানাবাজি করেছে। 

 বাই দা ওয়ে যদ তার কথাটাই ধরি তাহলেও কোরআন ভুল প্রমাণ হবে না.. কেননা কোরআনে বলা হয়েছে 

وَجَعَلْنَا

এবং আমরা বানিয়েছি

and We made

مِنَ

থেকে

from

ٱلْمَآءِ

পানি

[the] water

( আম্বিয়া-৩০) 

 

বঙ্গানুবাদ : এবং আমরা বানিয়েছে বা তেরি করেছি পানি হতে.."

 এখানে খালাক শব্দ না এনে وَجَعَلْنَا নেওয়া হয়েছে যার অর্থ তৈরি এবং ' মিন ' শব্দ মানে থেকে বা হতে

 যার মানে পানির মধ্যে প্রাণ তৈরি হয়েছে পানি থেকে না........

 অতএব কোরআন ইজ রাইট

তৃতীয় ডিবাংক সামারি End...

 চতুর্থ পয়েন্ট 

 কোরআনের মৌমাছির থেকে মূলত কোরআনের ব্যাকরণগত সৌন্দর্য্য উদ্দেশ্য । কোরআন এত নিখুঁত বাবে শব্দ চয়ন করেছে তা বলার বাহিরে.... আর জাকির নায়েক এটাই বুঝিয়েছে তার লেকচারে.... । 

 আর হ্যা এরিস্টটল থেকে ওই কথাটা সাবিত বা প্রমাণিত না, যে কিতাব থেকে দলীল দেওয়া হয়েছে কেননা এরিস্টটল এর সময় এর কোনো বই পাওয়া যায় নি যেটা তিনি লিখেছেন বলে প্রমাণিত... । ধরেও নিলাম কিতাবটা তার লেখা, তবুও এই গ্যারান্টি কে দিবে যে এটা অবিকৃত?? এক কথায় এরিস্টটল থেকে কোনো নির্ভরযোগ্যভাবে এটা প্রুফ কখনোই করা যাবে না যেমনটা লেখক কনফিডেন্স নিয়ে লেখেছে..... 

পঞ্চম পয়েন্ট, ষষ্ঠ পয়েন্ট -

 লেখক বলেছে " উট পাখির ডিমের মতো পৃথিবী কখনোই না যেমনটা জাকির নায়েক বলেছে..."

 আল জওয়াব-

  পৃথিবী যে সরাসরি উট পাখির ডিমের মতো না সেটা জাকির নায়েকও জানে আপনিও জানেন আমিও জানি...

 উট পাখির ডিমের মতো বলা হয়েছে, বলা হয় নি যে সরাসরি উট পাখির ডিমের মতো পৃথিবী....

 এখানে একটা সাধারণ তুলনা দেওয়া হয়েছে শুধু, আর এরকম তুলনা হর- হামেশা আমরাও দিয়ে থাকি...

 তাই একটা নরমাল তুলনা বা উদাহরণ কে বেস করে কোনো মন্তব্য করা উচিত না...

আর লেখক আবারও দাবি করেছে যে প্রাচীন সময়ের মানুষ বিশেস করে এরিস্টটল এবং সম সাময়িক লোকরা নাকি ভ্রুনের ধাপগুলো জানতেন...

 এখানে বুঝার বিষয় হলো তারা ভ্রুনতত্ত্ব নিয়ে নিখুঁত ততটা জানতো না যতটা কোরআন উল্লেখ করেছে, আর এরিস্টটল বা তার সম সাময়িক এর লিখিত কোনো প্রাচীন কিতাবেও এসবের উল্লেখ নেই। বর্তমানে কোনো আর্টিকেলে তাদের নামে কিছু বলে দিলেই তা বিশ্বাস করতে হবে তার কোনো মানে নেই....

সর্বশেষ পয়েন্ট -

 দেখুন ভাই জাকির নায়েক কে নিয়ে শেষে যে পয়েন্ট আছে তাতে আমিও আংশিক সার্পোট করি, জাকির নায়েক এখানে হয় তো শিশু সুলভ জ্ঞানের পরিচয় দিয়েছে তা আমিও মানি...

তাই এই পয়েন্ট নিয়ে আৃার এখন কোনো মন্তব্য বা পর্যালোচনা নেই...

 ধন্যবাদ....

[ উল্লেখ্য যে আমার লেখাটা অসম্পূর্ণ এবং অনেক ক্রুটি বিদ্যমান আছে হয় তো। লেখাটা লেখার জন্য পর্যাপ্ত টিসার্চ করি নি... বরং প্রাথমিক ধাপ হিসাবে লেখাটা লিখেছি আর লেখাটার মূল উদ্দেশ্য হলো জাকির নায়েক সম্পর্কে বা ইসলামের ধর্মগ্রন্থ কোরআন সম্পর্কে যা বলা হয়েছে তা যে সঠিক না সেটাই বুঝানো আমার উদ্দেশ্য...... ]

[ উল্লেখ্য যে আমার মোঃ মেহেদী হাসান আইডিতে করা #নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যামোঃ মেহেদী হাসানজ পর্ব-১৮১ থেকে এই লেখাটা নিয়ে আবার পোস্ট করলাম ..... ] 

 #প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস ধরে, এবং এ পর্যন্ত 374 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7556। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 1690
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#ইশ্বরের_বিরুদ্ধে_আনিত_১২_টা_যুক্তি_খন্ডন_পর্ব  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  [...] বিস্তারিত পড়ুন...
2 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব   সিরিজ পর্ব-৩৫২  কোরআনে কি স্ত্রী প্রহারের কথা বলা হয়েছে?  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   তার ছয়টা পয়েন্ট  ১. আমি মিথ্যা বলেছি ২. ( ইসলাম অনুসারে/ত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব সিরিজ পর্ব-৬৭ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ এই এক প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে মাথা গরম হয়ে গেছে, এই ছাগল নামক প্রতিবন্ধিরা গরু চুর গান্জা ডট কম থেকে আ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
55 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  সিরিজ পর্ব-৩১৪  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  নিমোক হারাম ( বে!জন্মা) এর দাবি মা আয়েশা নাকি নামায পড়তেন না। তো তিনি নামায পড়তেন নাকি পড়তেন না সেটা স[...] বিস্তারিত পড়ুন...
48 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি হাউযে কাওসারের নিকট তোমাদের আগেই উপস্থিত থাকব। তোমাদের থেকে কিছু ল�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
44 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    753 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    37 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...