মূসা ইবনু ইসমাঈল (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি হাউযে কাওসারের নিকট তোমাদের আগেই উপস্থিত থাকব। তোমাদের থেকে কিছু লোককে আমার নিকট পেশ করা হবে। কিন্তু আমি যখন তাদের পান করাতে অগ্রসর হব, তখন তাদেরকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে। আমি বলবঃ হে রব! এরা তো আমার সাথী। তখন তিনি বলবেন, আপনার পর তারা নতুন কি ঘটিয়েছে তা আপনি জানেন না। ( বুখারী - ৬৫৭৩)
এই হাদীস সব বেশি সব বাতিল ফেরকা ব্যবহার করে এটা প্রমাণ করতে যে সাহাবীরা ও পরবর্তীতে মোনাফিক ছিল বা পথভষ্ট হয়ে ছিল...( নাউজুবিল্লাহ )
রাসূল সাঃ এর দাওয়াতি কাজ এবং তার নবুয়তকে প্রশ্নবৃদ্ধ করতে এই হাদীসটা ইসলাম বিদ্বেষী, আহলে কোরআন, শিয়া রাফেজিসহ বিভিন্ন খ্রিষ্টাম মিশনারিরা ব্যবহার করে থাকে। আর এই ছেলেটার পোস্টও সে দিকে ইঙ্গিত করছে যা তার পোস্ট এর ধরনেই বুঝা যায়।
হাদীসের ভাষ্য দেখলেই বুঝা যায় যে এখানে বাস্তবিক পক্ষে মূল ধারার সাহাবী এর কথা বলা হয় নি
প্রকৃত সাহাবী হতে তিনটা সত্যের প্রয়োজন
১. নবীকে দেখা
২. ইসলাম আনা ইমানের সহীত
৩. আর ইসলামের উপর মৃতু্যবরণবরণ করা ইমান নিয়ে
তো মূল ধারার যারা সাহাবী আছে যেমন মুহাজির আনসার প্রমুখ সাহাবীগণ তারা মৃত্যুর সময়েও ইসলামের উপর মৃত্যুবরণ করেছে। তাই এই রেওয়াতে তাদের কথা বলা হয় নি। বরং ওই সব মুনাফিক এর ব্যাপারে বলা হয়েছিল যারা জান হেফাজতের জন্য তখন ইসলাম কবুল করে মুখে, কিন্তু নবীজির মৃত্যুর পর তারা ফেতনা সৃষ্টি করে মুরতাদ হয়ে যায়। এরা বাস্তবে মুসলিমই হয় নি বরং এক একটা মুনাফিক ছিল। এই হাদীস দ্বারা একটা বিষয় সাবিত হয় আর তা হলো " নবীজি হাযির নাযির বা ইলমুল গায়েব জানেন না। যদি নবীজি ইলমুল গায়েব জানতেন তাহলে এটা বলতেন না যে " তাদেরকে আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হবে! আর আমি বলব তারা আমার সাথী! "। গায়েব জানলে সে আগে থেকেই জেনে যেত যে এরা মুরতাদ আর তাদেরকে হাউজে কাউসারের পানি পান করাতে চাইতেন না..."। তাই এটা সাবিত করে যে রাসূল সাঃ কোনো গায়েবের অধিকারী ছিলেন না, তবে হ্যা ততটুকু জানতেন যতটুকু বলা হয়েছে আর সেটা অতি সামান্যই বলা হয়েছে......। আর বাকি রইলো ওইসব কথিত সাহাবীর কথা যারা মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল, এদের ব্যাপারে শরাহগ্রন্থে পেয়ে যাবেন....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।