প্রধান ধর্মগুলোতে খৎনার বিধান -
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
প্রথমে আমাদের ইসলামে দেখব এই ব্যাপারে কি বলে। রাসূল সাঃ বলেন -
“ফিতরার পাঁচটি বিষয় হলো - খৎনা, লোম পরিষ্কার করা, গোঁফ ছোট করা, নখ কাটা ও বগলের লোম তুলে ফেলা।”
( সহীহ বুখারী: ৫৮৮৯)
এই হাদীস থেকে আমরা খৎনা করার ওদলীল পেয়ে যাচ্ছি। খৎনাকে বলা হয় সুন্নতে ইব্রাহিম কারণ তিনি প্রথম খৎনা করেন ( মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ২৬৪৬৭)
সুরা বাকারা, আয়াত - ১২৪ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা ইবনে কাসির (রহ.) ইমাম আবদুর রাজ্জাক (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, ইবরাহিম (আ.)-এর পরীক্ষাগুলোর মধ্য থেকে একটি শারীরিক পরীক্ষা হলো খতনা করা। (তাফসিরে ইবনে কাসির : ১/৪০৬)
এখন দেখি ইহুদি ধর্মে কি বলে
তওরাতে বলা হয়েছে -
“এই হলো আমার তোমাদের সঙ্গে চুক্তি, তোমরা প্রত্যেক পুরুষ সন্তানকে খৎনা করবে।তোমাদের প্রত্যেক পুরুষ সন্তান জন্মের অষ্টম দিনে খৎনা করবে।” ( আদিপুস্তক - 17:10–12)
খ্রিস্টধর্মে খৎনা ছিল প্রথম যুগে প্রচলিত, কারণ যিশু (আঃ)-ও খৎনা করেছিলেন।
বাইবেলে বলা আছে -
“যখন আট দিন পূর্ণ হলো, তখন শিশুর খৎনা করা হলো এবং তার নাম রাখা হলো যীশু।”( লূক - 2:21)
তবে পরে সেন্ট পল (Paul) বলেন যে, খৎনা শারীরিক নয়, হৃদয়ের বিষয়।অর্থাৎ খ্রিস্টানদের জন্য এটি বাধ্যতামূলক নয়।
“যে খৎনা বাহিরে নয়, বরং হৃদয়ে আত্মার দ্বারা — সেই আসল খৎনা। ( রোমীয় 2:29)
তো আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আব্রাহামিক তিন ধর্মে খৎনার বিধান আছে...
বাকি ধর্ম ( বৌদ্ধ, হিন্দু ..) এসবে খৎনার বিধান নেই....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।