মুসলিম কখনো বাউল হতে পারে না, কেননা বাউল সম্প্রদায় এর উৎপত্তি হয়েছে হিন্দু বৈষ্ণব গুরু এর হাত ধরে। কৃষ্ণের অবতারখ্যাত শ্রী চৈতন্য এর সাথে একজন ( গোমরাহ ও জাহেল) মুসলিম নামধারী আব্দুল্লাহ গিয়েছিল বাহাস করতে, তখন সে চতুর হিন্দু পন্ডিত চৈতন্য এর কাছে পরাজয় হয়। তখন সেই গোমরাহ মুসলমান চৈতন্য এর শিষ্য হয় এবং চৈতন্য প্রভু তার নতুন নাম দেয় " যবন হরিদাস "। আর এই মূর্খ গোমরাহ যবন হরিদাস অজ্ঞ কিছু মুসলিমদের বিভ্রান্ত করে তাদেরকেও নিজের দলে টেনে আনে..... । আর ওই যবন হরিদাসের দল নিয়ে যে আলাদা একটা হিন্দু মুসলিম মিশ্র যৌনতা দার্শনিক শাখা ধর্মীও গোত্র গড়ে উঠে তারাই হলো বাউল ফকির সম্প্রদায়। এদের উৎপত্তি হয়েছে ভারতের নদীয়া জেলার শান্তিপুরে এই যবন হরিদাস মূর্খের হাত ধরে বৈষ্ণব পন্ডিত চৈতন্য এর দিক নির্দেশনাতে....... ( সাধু সাবধান- আবু তাহের বর্ধমানী) । এই বাউল ফকির সম্প্রদায় হলো একটা নিকৃষ্ট মানব শাখা। যৌনতা এদের মূর্খ এবং প্রধান সাধন করে। এই বাউলদের মধ্যে অনেক ভাগ আছে, তার মধ্যে আমাদের বঙ্গ গ্রাম অঞ্চলে যেসব বাউল শাখা দেখা যায় তারা হলো - সাঁই, ন্যাড়্যা, কর্তভজা, সহজিয়া, দরবেশ ইত্যাদি বাউল সম্প্রদায় শাখা। এরা হয় তো কয়েকটা শাখা প্রশাখাটাতে বিভক্ত কিন্তু এদের সকলের সাধনার বস্তু হলো যৌনতা। নারী সাধন বা দেহ তত্ত্বকে কেন্দ্র করে এই বিকৃত মস্তিষ্কের সকল কর্যকলাপ গড়ে উঠেছে। বাউলরা সহজে সরাসরি তাদের বিকৃত যৌন দর্শন প্রচার করে না বরং তা গানের ভাষায় রুপক ভাবে প্রকাশ করে ( ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায় - অক্ষয় কুমার দত্ত) । লালন সাইজির বিখ্যাত একট গান হলো -
" চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে
আমরা ভেবে করব কি
ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম
তোমরা তারে বল কি "
এই গানটা হলো যৌনতার গান। এখানে চাঁদ বলতে পুরুষের শিশ্ন ( লিঙ্গ) এবং নারীর যৌনাঙ্গকে বুঝান হয়েছে। নারী পুরুষ যখন মিলন করে তখন পুরুষ লিঙ্গ নারীর যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে আর এটাকেই গানের মাধ্যমে লালন তার প্রথম দু- চরণে তুলে ধরেছে.....।
এরকম করে রুপক ভাবে বিভিন্ন বাউল শব্দ দ্বারা তারা তাদের দর্শন কথাগুলোকে বলে থাকে । সকল বাউল ফকির সম্প্রদায়ের মধ্যে যেটা কমন পাবেন সেটা হলো কোনো না কোনো ভাবে বিকৃত যৌনচার এর সাধনা করবে৷ এসব বাউল ফকিররা নিজের স্ত্রীকে অন্য জনের সাথেও সাধনার নামে মিলন করতে দেয় এবং নিজেরাও পরকিয়া করে । নারীদের মাসিক নিয়েও এরা সাধন ভোজন করে । নিজেদের দেহের শুক্রাণুকে এরা সবচেয়ে পবিত্র ভাবে। বাউলদের মধ্যে দুটো সাধনার কথা ব্যাপক -
১. রতি সাধনা
২. দম সাধনা
এই দুই সাধনা হলো কাম সাধনার অংশ, আবার এই কাম সাধনা হলো দেহতত্ত্ব বিদ্যার অংশ।বাউল ফকিরদের মধ্যে রতি সাধনা সবচেয়ে কমন। আর যারা কিছুটা প্রবীণ তারা দম সাধনা করে থাকে। দম সাধনার মানে হলো নিজের নিশ্বাস প্রশ্বাসের উপর নিয়ন্ত্রণ আনা। তারা এক মিনিটে ১৫-২০ বা নিশ্বাস বা দম নেওয়ার চেষ্টা করে। বাউল ফকিরদের মতে " মানুষ যত বেশি দম নিবে তাদের আয়ু তত কম হবে। দম এর গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে নাকি অনেক কিছু করা সম্ভব, যেমন, রোগ নির্ণয় করতে পারা, আগাম ভবিষ্যৎ আচ করা, নিজের আয়ু বাড়ান, যৌন শক্তি বাড়ান ইত্যাদি করে। আর রতি সাধনা মাবনে ওই যৌনতা সাধনায়....।
এক কথায় বলতে গেলে এই দলের পয়দা হয়েছে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে এক হিন্দু পন্ডিতের হাত ধরে.....
অতএব আমি অন্তত মনে করি না যে কোনো মুসলিম নিজেকে বাউল ফকির এসব বলে পরিচয় দিতে পারে....... ।
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।