আমি ছোট বেলা থেকে এই বাউল গান আসরে শুনেছি। ১০ বছর আমি বাউল গান শুনেছি। বাংলাদেশের বর্তমান যত বর বড় শিল্পি আছে, যেমন মেজো আবুল সরকার, ছোট আবুল সরকার, লতিফ সরকার, জালাল সরকার, শরূয়ত সরকার মানেক দেওয়ান, খালেক দেওয়ান, বুবলি সরকার, বাতেন সরকার, মুক্তা সরকার, আলামিন সরকার, হানিফ সরকার আলেয়া বেগম সহ এদেশের ছোট বড় প্রায় জনপ্রিয় বাউল শিল্পিদের গান আমার শোনা হয়েছে। এবং আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে এই বাউল সম্প্রদায়ের ব্যাপারে কিছু লেখব...
বাউল গানের বিভিন্ন ভাগ আছে, তবে আমাদের বাংলাদেশে যেটা বেশি প্রচলিত সেটা হলো পালা গান, এটাকে বিচার গানও বলে৷ দু- জন শিল্পি আসরে উপস্থিত হোন, তারপর দু- শিল্পিকে বিপরীত দুটো বিষয় দেওয়া হয় , এবং দু- জন শিল্পি দু- জনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন পুরো আসর জুড়ে যা এক রজনীর মতো....৷ আমাদের দেশে যেসব পালা আসর হয় তা হলো" শরিয়ত - মারেফত, বেলায়েত - নবুয়ত, জীব ও পরম, হাশর- কিয়ামত, আদম- শয়তান, গুরু- শিষ্য, নারী- পুরুষ, মালজোড়া, হিন্দু- মুসলমান, মিরাজ ও ২৭( রজনী), কামতত্ত্ব- প্রেমতত্ত্ব সহ আরও অনেক বিচার গান.....।
এখন এই আসরগুলো কি করে গানের শুরু করে তা বলছি।
মূলত শীতের সিজনে এক রজনী দুই রজনী বা তার চেয়েও বেশি রজনী গান করা হয়। একেক রজনিতে দু- জন করে শিল্পি আসে। ধরুন একজন পীরসাব বাড়িতে এক রজনীর জন্য দু- জন শিল্পি এনেছে । এখন এই শিল্পীরা রাত ৯ টার সময় গান গাওয়ার জন্য আসরে আসে। দু- জন শিল্পী প্রথমে বন্ধনা গান গায়, বন্ধনা মানে প্রসংশা। এই বন্ধনা গানে দু- জন শিল্পি প্রথমে ভক্তি বা প্রেম মূলগ গান দিয়ে শুরু করে তারপর বিভিন্ন অলি আউলিয়ার নাম এবং নিজের ঠিকানা বা পরিচয় বলে শেষ করে। বন্ধনা শেষ হওয়ার পর পালা বন্ঠন করা হয়। উপরে কতগুলো পালা গানের নাম বললাম। ধরুন এক শিল্পিকে বেলায়েতের ভাগ দেওয়া হলো এবং আরেক শিল্পিকে নবুয়তের ভাগ। এখন একজন শিল্পি উঠে দাড়াবে এবং নিজের ভাগের সাথে সম্পর্কিত একটা গান করবে, তারপর প্রতিপক্ষ শিল্পিকে একটা প্রশ্ন করবে। জিনিসটা এই রকম -
আবুল সরকার নবুয়তের ভাগ পেয়েছেন,
আর লতিফ সরকার বেলায়েতের ভাগ
এখন আবুল সরকার নবুয়ত নিয়ে একটা গান করবে তারপর লতিফ সরকারকে তার ভাগ বেলায়েত নিয়ে প্রশ্ন করবে৷, প্রশ্নটা হতে পারে " বেলায়েত কত প্রকার, বেলায়েত বড় নাকি নবুয়ত বড়, বেলায়েতের অধিকারী কারা? ইত্যাদি প্রশ্ন। তো প্রশ্ন করার পর আরেকটা গান গেয়ে প্রথম শিল্পি বসে পরবে। তারপর দ্বিতীয় শিল্পি উঠে আসরে প্রতম গান করবেন এবং প্রতিপক্ষের প্রশ্বের জবাব দিয়ে তাকে পাল্টা প্রশ্ন করবে এবং আরেকটা গান গেয়ে বসে যাবে। এরকম করে একজন শিল্পি দুটো করে গান গাইবে, আর দু- জন শিল্পির দুই দুই করে যখন গান করে বসবে তখন এক পালা শেষ হবে, আর এরকম করে সারা রাত ( প্রায় ফজর পযন্ত) চলতে থাকবে। তবে শেষ রাতে গিয়ে তারা মালত বিচ্ছেদ গান দিয়ে সেই রজনীর আসর সমাপ্ত করে। বিচ্ছেদ মূলত দুঃখের গান।
তো ছোট করে এই বিচার পালা গানের প্রসেসটা বললাম, আশা করি একটা আইডিয়া এসেছে।
এখন আসি মূল পয়েন্ট এতে যে এদের মাঝে আসলে সমস্যা কি ।
এই বাউল গায়কগুলো আজও মুসলিম নাকি তা নিয়ে আমার সন্দেহ । এদের গানগুলে এবং সওয়াব জওয়াবগুলো শুনলে কোনো মোমিনের ইমান চলে যেতে পারে৷ দুনিয়ার যত শিরক কুফর কথা- বার্তা এবং কর্ম আছে তা বৈধ করার একটা ফর্মুলা হলো এই বাউল গানগুলো। আসরে একজন নারী আর পুরষ এমন ভাবে ( অঙ্গভঙ্গি করে) গান গেয়ে থাকে যে মাতালও তাদের চেয়ে কম মাতলামি করে ( সবার কথা বলছি না) । ইসলামে বেগানা নারী পুরুষের মেলা- মেশা হারাম, কিন্তু এই বাউল পালা গানে তা এসে যেন বৈধ হয়ে যায়, একটা আসরে একজন নারী গায়ক বেগানা পুরুষদের সামনে গান গায় এবং কিছু পালাতে ( যেমন- নারী- পুরুষ, প্রেমতত্ত্ব - কামতত্ত্ব...) মনে হয় নিজের ভাতারের সাথে আসর কাঁপাচ্ছে ( যা ভাবছেন ওইটাই...) এক কথায় বললে ইসলামের একটা বিধান যেন এই পালা আসরে এসে ভেঙ্গে যায়।
আর প্রত্যেক বাউল পালা আসরে ফকির নামক গান্জাখুরদের গান্জা খাওয়ার আসর বসে। এসব কথিত পীর ভক্ত ফকিরগুলো যেদিন যেখানে গান হবে সেখানে গিয়ে তাবু বসাবে এবং গাজা বিক্রি করা শুরু করবে......। দশ- বারো বছরের পোলাপানদের কাছেও গাঁজা বিক্রি করতে দেখেছি। গাঁজা এদের কাছে কমন একটা মাদক যা তাদের ( কথিত) সাধনার অংশ। অনেকে তো সিগারেট এতে গাজা ভরে সেগুলো পালা আসরের ভিতরে বসে সারা রাত টানতে থাকে.... । মূল কথা হলো মাদক দ্রব্যের মতো কাটবারি বেড়ে যায় এবং বছরে যারা মাদক সেবন করা থেকে দূরে থাকে তারাও গান্জা সেবন করা শুরু করে বন্ধুদের সাথে ( সাধনার নামে...)।
আর এসব বাউল আসরে যেসব গানগুলো হয় এবং নানান কেচ্ছা বলা হয় সেগুলো পিওর জাল হাদীস। এসব আসরে শিল্পী গুলো বিভিন্ন বিষয় এবং সাহাবাদের কটাক্ষ করে। আমি যখন ক্লাস সিক্স এতে পড়ি তখন পীরসাব বাড়ি গিয়ে ছিলাম বিচার গান শুনতে। সেদিন বাতেন সরকার এসেছিল। ওই জাহেল উমর এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহুদের নিয়ে বাজে কথা বলেছিল, তারা নাকি বোন ফাতেমাকে হত্যা করে, মোয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু নাকি আলিকে হত্যা করে ইত্যাদি করে এরকম নানার জাল কেচ্ছা আসরে তারা কাণ্না করার ভঙ্গিতে বলে থাকে এবং মহান সাহাবাদের নিয়ে বাজে শব্দ চয়ন করে কথা বলে... ।
বাউলদের মধয়ে এক ভাগ ( কথিত) রতি সাধনাতে বিশ্বাসি এবং এই সাধনার কথা গানেই বলে। রতি মানে কাম বা যৌনতা। এদের মতে যৌনতা সব, যৌনতা পরম জ্ঞান । সেক্স এদের সাধনা। আমি যখন ক্লাস এইট এতে পড়তাম তখন একজন ৩০ বছর বয়সীর মতো প* তিতা নারীর সাথে পরিচিত হয় যে তার গুরুর সাথে কামলীলা ( অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি সেক্স) করত। আমি তাকে এসব বিষয়ে অনেক প্রন করে ছিলাম যেগুলোর উত্তর সে দিত...... । তো অনেক বাউল গানে দেখবেন যে বাউলরা সেক্স নিয়ে আজগুবি কথা বলা শুরু করেছে...... যা বিজ্ঞান এবং ইসলাম কোনোটাই সমর্থন করে না .... ।
এসব বাউলদের প্রশ্ন উত্তর গুলোও আজব হয়। আমি একজন ভাইরাল গায়ককে জানি, যে আর তার ( কথিত) শিষ্য একে অপরকে উল্টা- পাল্টা প্রশ্ন করে। যেমন - কবে আর কখন থেকে মেয়েদের মাসিক হয়, মেয়েদের নিপল কেন কালো হয়, পুরুষের কেন দুটো বিচি ( টেস্টিকোল ) ইত্যাদি করে । তো এসব প্রশ্নের জবাবে আবার নানান পৌরাণিক কেচ্চাও বলা হয় । একটার জবাব দিচ্ছি। নারীদের কেন মাসিক হয় এটার জবাব দওতে গিয়ে এক শিল্পি বলে " মা হাওয়া নিষিদ্ধ গন্ধম ফল খাওয়ার পর তার যন্ত্রণা হয় এবং সে যন্ত্রণা স্বরুপ তার শরীল দিয়ে রক্ত বাহির হয় যৌনাঙ্গ দিয়ে, আর সে দিন থেকে নারীদেরও একটা মাসের নিদিষ্ট সময়ে রক্ত বাহির হয় যা মাসিক নামে পরিচিত..... "। এরকম নানান আজগুবি গাঁজাখুরি প্রশ্ন এবং তার জবাব দেওয়া হয়।
একটা মজার ব্যাপার হলো এই বাউল গানে দুনিয়ার সব ধর্মের কাহিনীকে দলীল হিসাবে নিয়ে আসা হয়। বিশেষ করে হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীগুলোকে। আসরে এরা হিন্দু পৌরাণিক কাহিনীও প্রচুর বলে থাকে। আবার হিন্দুয়ানি তত্ত্ব কাহিনীও প্রচার করে থাকে......।
এখন সংক্ষিপ্ত আকারে এদের আকিদার ব্যাপারে বলি -
১. এরা আল্লাহকে নিরাকার বলে, যা হিন্দুয়ানী আকিদা
২. এরা নিজের মোর্শেদকে পরম গুরু মান্য করে, তাদের মতে জগতে মোর্শিদই সব,মোর্শিদই রাসূল, মোর্শিদই আল্লাহ ( নাউজুবিল্লাহ )
৩. কোনো কামেল মোর্শেদের হাতে বাইয়াত ছাড়া নাকি মুসলিম হওয়া যায় না...
৪. নবী নূরের তৈরি এবং সে হাজির নাজির
৫. এরা দশ লতিফাতে বিশ্বাসি। লতিফা মানে স্তর। মানব দেহে দশটা স্তর বা লতিফা আছে, সেগুলো হলো " কলব ( কলব এর কথা হাদীসে আছে) রুহ, ( এর কথাও আছে) সির, খফি, আখফা, নফস ( নফসের কথা হাদীসে আছে) বাকি চারটা হলো আগুন, পানি, অগ্নি বায়ু । এসব লতিফার মানবদেহের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে, যেমন নফস হলো কপালের মাঝখানে, কলব হলে ডান দুধের দু- আঙ্গুল নিচে ইত্যাদি । আবার এসব লতিফার একজন করে নবীও আছে যাদেরকে সে লতিফা স্তরের মালিকও বলা হয়। আবার এসব এসব লতিফার রংও আছে। তো দেহতত্ত্ব নামক বিদ্যাতে এই লতিফা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়...... ( এই তথ্যগুলো বাউল গান + " রুহের রহস্য ও মারেফের গোপন কথা " নামক একটা বই থেকে বললাম, যেটা আমার কাছে আছে...) ।
৬. মোর্শেদ যা বলবে তাই চূড়ান্ত , হেক তা শরীয়তবিরোধী বা শরীয়তের পক্ষে । শরীয়তের বিপক্ষে বললে বুঝতে হবে এখানে হাকিকত আছে যা আমরা জানি না, শুধু পীর বা মোর্শেদ জানেন....
৭. ফানাফিল্লাহ বাকাবিল্লাহ নামক দুটো আধ্যাক্তিক স্তরের কথা এসব বাউলরা বলে থাকে। ফানাফিল্লাহ বাকাবিল্লাহ এর মানে হলো স্রষ্টার সাথে বিলীন হয়ে যাওয়া। যখন সাধক মারেফতের সকল স্তর ভেদ করেন তখন সে এই স্ত্ররে আসে, আর এই স্ত্ররে কেও আসলে সে নিজেই খোদার বাহন বা খোদায়াত্ত প্রাপ্ত হয়ে যায় ( নাউজুবিল্লাহ )
৮. আল্লাহকে সর্ব্ত্র বিরজমান মনে করে আর কতক্ষণ আগেই বললাম এরা নিজের পীরকেও খোদা মান্য করে..( নাউজুবিল্লাহ )
৯. অনেক বাউল গানে বলা হয় যে স্রষ্টা হলেন পুরুষ আর আমরা সবাই ( জগৎ ও প্রকৃতি সব কিছু) হলাম নারী। স্রষ্টা হলো জগৎ স্বামী এবং আমরা তার স্ত্রী ..... ( হাস্যকর কথাবার্তা)
১০.এদের মতে প্রত্যেক পীরের সিনাতে আলাদা কোরআন আছে, আর সে কোরআনে ৬০ টা পাড়া আছে, যেগুলো নুসখায়ে কোরআনে নেই......। তারা ওই সিনানে কোরআনকে বড় মনে করে এবং সে ( কথিত) কোরআনের বিধান মান্য করে...
এরকম নানান আজগুবি আকিদা তারা লালন করে
এদেশের যত বাউল আছে ( মানে আধুনিক বাউল যারা) তাদের অধিকাংশ গুরুর গুরু মহাগুরু হলেন প্রধানত দু- জন
১. বাউল সম্রাট ( বড়) আবুল সরকার
২. রশীদ সরকার
আপনি এখন যেসব বড় বাউল দেখবেন তাদের গুরু এই দু- জনের থেকে কেও হবে। বর্তমান বাংলাদেশে জনপ্রিয় বাউল লতিফ সরকারের গুরু হলো বড় আবু সরকার ( বাংলাদেশে তিনজন আবুল সরকার আছে, আবুল সরকারের বাড়ি মানিকগঞ্জ) জালাল সরকারের গুরু হলো " রশীদ সরকার... ।
আর এ সকল বাউলদের মহাগুরু হলো " লালন সাইজি, হাসন রাজা সহ আরও কতজন ( হিন্দুও আছে এদের মধ্যে)
এসব বাউলদের আবার নিদিষ্ট ঘরোনার বইও আছে। রশীদ সরকার তার গানে আবুল সরকারকে বলেছিল যে " বেহুশু চৈতন্য দান ( এটা হেদু বই), বিষাদ সিন্ধু ( কারবালার যত আজগুবি কিচ্ছা আছে সব এই বই পড়েই বর্ণনা করে বাউলরা..) এসব বই পড়বেন..... । এছাড়াও ৯০ তালিমে আত্মদর্শন সহ আরও নানান বই আছে তাদের যেগুলো তাদের কাছে হাদীসের কিতাবের মতো..... । আবার যারা একটু শিক্ষিত তারা এদেশের একজন বড় পীর সুরেশ্বরী এর বইগুলো পড়ে থাকে ( আমার কাছে এই ইমাম আল সুরেশ্বরীর ১০+ বই আছে যা আমি ২০২৩ এতে লাইব্রেরি থেকে কিনে ছিলাম...)
সম্রাট আকবর যেমন দ্বীনে ইলসহি নামে একটা জগাখিচুরি দর্মের প্রবর্তন করে তেমন করে বর্তমান বাউলগুলো তেমন করে হিন্দু মুসলিম খ্রিষ্টান সব এক করে একটা আলাদা জগাখিচুরি ধর্মমত বাহির করে ফেলেছে।
ওহহ আরেকটা কথা, কতক্ষণ আগে বলকাম যে " এরা পীরকে গুরু, রাসূল এবং ইশ্বর মান্য করে " এটা কিন্তু হিন্দুদের ত্রিদেব আর ক্রিষ্টানদের ত্রিটিনি এর সাথে জড়িত, মানে যিনিই মোর্শেদ, তিনিই খোদা তিনিই রাসূল.... ।
আরেকটা কথা না ন বললেই নয় তা হলো এই বউল গায়কগুলো নারী কেলেংকারীতে জড়িত। লতিফস সরকার তার এক ছাত্রী এর সাথে কেলেংকারীর অভিযোগ করে উঠে যেটা লতিফের ছাত্রী নিজেই বলে.. ( পরে আবার বলে যে সে যা বলছে তা নাকি মিথ্যা বলেছে তার গুরু লতিফের নামে...। এছাড়াও আরেক যুবক বাউল ( মোটামুটি জনপ্রিয় ) এর লিংক ভাইরাল হয় ( সম্ভবত তার স্ত্রী তা ভিডিও করে এবং নিজেদের ভিডিও নিজেই ছাড়ে...) আর এটা সে বাউল গায়ক নিজে স্বীকার করে যে ভাইরাল ভিডিওটা তার.....।
এসব বাউলদের মধ্যে আরও নানা সমস্যা আছে। এরা গানের আসরে সাদনার নামে খুব মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে কিন্তু ভাই বিশ্বাস করেন বাস্তব জীবনে তারা নিজেরাই এসবের ধার ধারে না.... ।
তো এই হলো সংক্ষিপ্ত আকারে বাউল গায়কদের ব্যাপারে আমার কিছু কথা যা আমি সরাসরি নিজ অভিজ্ঞতা ( + স্টাডি) থেকে বললাম।
এই বাউলদের ব্যাপারে লেখতে গেলে অনেক বিষয় লেখা যাবে, কিন্তু এত বড় লেখা আপনারা পড়বেন না বলে এতটুকুইতেই সমাপ্ত করে দিচ্ছি....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।