Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

লাইলাতুল কদর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
174 বার প্রদর্শিত
করেছেন (434 পয়েন্ট)   19 মে 2025 "ইসলাম" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

আরবি ভাষায় "লাইলাতুল" অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী, অন্যদিকে ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান।লাইলাতুল কদর (আরবি: لیلة القدر) এর অর্থ "অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত" বা "পবিত্র রজনী"।এছাড়া এর অন্য অর্থ হল ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা। قدر এর আরেকটি অর্থ: অনুমান ও ফায়সালা করা।এ রাতে পূর্ণ এক বছরের ফায়সালা করা হয়।এজন্য এ রাতকে ليلة الحكم বা ফায়সালার রাতও বলা হয়।যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর।মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হওয়ার কারণে অন্যসব মাসের চেয়ে রমজান মাস বেশি ফজিলত ও বরকতময় হয়েছে।আর রমজানের রাতগুলোর মধ্যে কোরআন নাযিলের রাত লাইলাতুল ক্বদর সবচেয়ে তাৎপর্যমণ্ডিত একটি রাত। 


এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আমি একে নাযিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জান ক্বদরের রাত কি? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।" (সূরা: কদর, আয়াত: ১-৩)।


৬১০ সালে লাইলাতুল কদরের রাতে মক্কার নূর পর্বতের হেরা গুহায় ধ্যানরত ইসলামের ধর্মের মহানবী, হযরত মুহাম্মদের নিকট সর্বপ্রথম কুরআন নাজিল হয়।সর্বপ্রথম তার নিকট প্রথম সূরা আলাক্বের প্রথম পাঁচটি আয়াত নাজিল হয়।এ রাতে ফেরেশতা জিবরাইল (আঃ) এর নিকট সম্পূর্ণ কুরআন অবতীর্ণ হয় যা পরবর্তিতে ২৩ বছর ধরে ইসলামের নবী মুহাম্মদের নিকট তার বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা এবং ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্দিষ্ট আয়াত আকারে নাজিল করা হয়।মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআনে সূরা ক্বদর নামে স্বতন্ত্র একটি পূর্ণ সূরা নাজিল হয়েছে।এই সূরায় শবে কদরের রাত্রিকে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।ইসলাম ধর্ম মতে, মুহাম্মদ এর পূর্ববর্তী নবী এবং তাদের উম্মতগণ দীর্ঘায়ু লাভ করার কারণে বহু বছর আল্লাহর ইবাদাত করার সুযোগ পেতেন।কুরআন ও হাদীসের বর্ণনায় জানা যায়, ইসলামের চার জন নবী যথা আইয়ুব (আঃ),জাকরিয়া (আঃ) হিযকীল ও ইউশা ইবনে নূন প্রত্যেকেই আশি বছর আল্লহর ইবাদত করেন এবং তারা তাদের জীবনে কোন প্রকার পাপ কাজ করেননি।কিন্তু মুহাম্মদ (সাঃ) থেকে শুরু করে তার পরবর্তী অনুসারীগণের আয়ু অনেক কম হওয়ায় তাদের পক্ষে আল্লহর ইবাদত করে পূর্ববর্তীতের সমকক্ষ হওয়া কিছুতেই সম্ভপর নয় বলে তাদের মাঝে আক্ষেপের সৃষ্টি হয়। তাদের এই আক্ষেপের প্রেক্ষিতে তাদের চিন্তা দুর করার জন্য সূরা ক্বদর নাজিল করা হয় বলে হাদিসের বর্ণনায় জানা যায়।


কদরের রাত নির্ণয়ে নাবী (সাঃ) বলেন : تَحَرُوا لَيْلَةَ


القَدْرِ فِي الوِتْرِ، مِنَ العَشْرِ الْأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ 

"তোমরা রমাদানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে

 কদরের রাত অন্বেষণ কর।"(সহীহ বুখারী হা. ২০১৭, সহীহ মুসলিম হা. ১১৬৯০)।যেমন ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ তারিখের রাত।তাই বিশেষ করে ২৭ তারিখের রাতকে কদরের রাত বলা বা সে রাতকে নির্ধারণ করে রাত্রি জাগরণ করা সঠিক নয়।রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সারা বছর অপেক্ষা রমযানের শেষ দশকে ইবাদতে বেশি গুরুত্ব দিতেন। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট যখন রমযানের শেষ দশক আগমন করত তখন তিনি সারা রাত জাগতেন, পরিবারকে জাগাতেন এবং কোমরের রশিকে মজবুত করে বাঁধতেন। (সহীহ বুখারী হা. ২০২৪, সহীহ মুসলিম হা. ১১৭৪)


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন : مَنْ قَامَ رَمَضَانَ


الإيمانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ


যে ব্যক্তি ইমানের সাথে নেকীর আশায় কদরের রাতে কিয়াম করবে তার পূর্বের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (সহীহ বুখারী হা. ২০১৪,সহীহ মুসলিম হা. ৭৬০)


হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- "হে আল্লাহর রাসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি বলে দিন, আমি যদি লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে তা জানতে পারি, তাতে আমি কী (দোয়া) পড়বো?রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে-


اللَّهُمَّ إِنَّكَ عُفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي


উচ্চারণ : 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।"


অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)


লাইলাতুল কদরের মর্যাদা এত বেশি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ রাতটি পাওয়ার জন্য শেষ দশকে আজীবন ইতেকাফ করেছেন।উম্মতে মুহাম্মদীর উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "আমি কদরের রাতের সন্ধানে (রমজানের) প্রথম ১০ দিন ইতিকাফ করলাম। এরপর ইতিকাফ করলাম মধ্যবর্তী ১০ দিন। তারপর আমার প্রতি ওহি নাযিল করে জানানো হলো যে, তা শেষ ১০ দিনে রয়েছে। সুতরাং তোমাদের যে ইতিকাফ পছন্দ করবে, সে যেন ইতিকাফ করে। তারপর মানুষ (সাহাবায়ে কেরাম) তাঁর সঙ্গে ইতেকাফে শরিক হয়।" (মুসলিম শরীফ)


📝Najat Mridha

image

আমি নাজাত মৃধা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 1 বছর 4 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 21 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 434। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া
Enolej ID(eID): 997
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব  সিরিজ পর্ব-৫৪১  প্রথম কথা - আমাদের দলীল শুধু কোরআন না বরং রাসূল সা. এর হাদীসও। ইসলামের বিধান কোরআন ও হাদীসের উপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। আর দুটোই দুটোর �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
7 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল্লাহর ইবাদত: আল্লাহর প্রয়োজন, নাকি মানুষের প্রয়োজন? ইসলামের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত একটি প্রশ্ন হলো, "যদি আল্লাহ সত্যিই সর্বশক্তিমান, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কারও মুখাপেক্ষী না হন, তাহলে তিন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
39 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বহু ধর্মের অস্তিত্ব কি ইসলামের সত্যতাকে দুর্বল করে? ইসলামের বিরুদ্ধে প্রায়ই একটি প্রশ্ন করা হয়, "যদি ইসলামই সত্য ধর্ম হয়, তাহলে পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম কেন? যদি আল্লাহ সত্যিই মানুষকে স�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
40 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আল্লাহর 'মোহর' কি মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা কেড়ে নেয়? ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে একটি বিশ্লেষণ ইসলামের বিরুদ্ধে একটি বহুল আলোচিত আপত্তি হলো, "কুরআনে বলা হয়েছে আল্লাহ অবিশ্বাসীদের হৃদয়ে মোহর মে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
43 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

দাসপ্রথা নিয়ে ইসলামের অবস্থান: ইতিহাস, শরিয়ত ও নৈতিক দর্শনের আলোকে একটি বিশ্লেষণ ইসলামের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত আপত্তিগুলোর একটি হলো, "যদি ইসলাম সত্যিই ন্যায়বিচার, মানবতা ও স্বাধীনতার ধ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
37 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1211 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    60 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. রফিক আতা

    310 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    15 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-আমিন (আলো)

    117 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    5 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    83 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...