"বৃষ্টি বরণ" 🌧️
____ নাজাত মৃধা।
হে বৃষ্টি,
তুমি স্রষ্টার এক অনন্য সৃষ্টি,
নৃ তোমাতে দেয় মুগ্ধ দৃষ্টি।
তোমাকে নিয়ে যত ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ;
উপন্যাস, নাচ, গান , চিত্রশিল্পীর রং তুলি;
কোথায়ও বাদ যাওনি তুমি।
হে বৃষ্টি,
প্রকৃতিকে করো তুমি সজীব ও প্রাণবন্ত,
তোমাতে তনু সিক্ত করার জন্য,
বহু মানবের অপেক্ষার নেই অন্ত।
কেউ তোমাকে বরণ করে নেয় সানন্দে,
আবার কেউবা তব আগমনে ভীত।
সবার জন্য নও তুমি সুখকর।
কারো জন্য তুমি আশীর্বাদ,
আবার কারো জন্য তুমি অভিশাপ।
তোমার অভাবে খরা হয়, হয় দুর্ভিক্ষ;
চারদিকে শোনা যায় মানুষের হাহাকার।
কখনো তুমি অবনীতে ঝরো শিলাবৃষ্টি হয়ে,
ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফসল,তরু,ফল,
রাস্তাঘাট,গবাদিপশু ও ঘরবাড়ি;
তখন তুমি কেড়ে নাও কৃষকের হাসি,
দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে জ্বলে না আখা।
তবুও তুমি সুখে থাকা মানুষ হৃদয়ে,
সৃষ্টি করো আনন্দ উল্লাস,
যার নাম দেওয়া হয়েছে বৃষ্টিবিলাস।
হে বৃষ্টি,
তুমি যেমন পরিবেশের জঞ্জাল পরিস্কার করো,
তেমন মনুজের হিয়া থেকে,
সমগ্র কলুষতা দূর করো।
হে বৃষ্টি,
তুমি বিধির দেওয়া অসীম নিয়ামত ও রহমত,
চারদিকে বর্ষিত হয় তাই অফুরন্ত বরকত।
হে বৃষ্টি,
তুমি রবের পক্ষ থেকে আগত,
তাই মেদিনীতে তোমাকে জানাই স্বাগত।
[বি:দ্র: কবিতার তার সারমর্ম হচ্ছে বৃষ্টি বিলাস আনন্দদায়ক হলেও বৃষ্টি সবার জীবন আনন্দ বয়ে আনে না; কারো কারো জীবনে বৃষ্টি দুঃখও বয়ে আনে।]
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।