Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

মহাকাশ গবেষণায় এক ইতিহাস সৃষ্টিকারী ভয়েজার-১ স্পেস প্রোব মিশন!

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
217 বার প্রদর্শিত
করেছেন (310 পয়েন্ট)   14 এপ্রিল 2025 "মহাকাশবিজ্ঞান" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

image
বর্তমানে মহাকাশে পাঠানো মানব জাতির সবচেয়ে দূরবর্তী এবং নতুন ইতিহাস সৃষ্টিকারী কোন অবজেক্ট বা স্পেস-প্রোব হচ্ছে ভয়েজার-১ স্পেস-প্রোব। এটি আসলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ১৯৭৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর আমেরিকার কেপ কানাভেরাল (এলসি-৪১) রকেট লঞ্চ প্যাড থেকে হেভি টাইটান-৩ই (Titan IIIE) রকেট দ্বারা উৎক্ষেপণ করে।
আজ ২০২৫ সালের ১২ই এপ্রিল পর্যন্ত ভয়েজার-১ ইতোমধ্যেই প্রায় ৪৭ বছর ৭ মাস ৬ দিন যাবত অসীম মহাশূন্যে প্রতি ঘণ্টায় ৬১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ভ্রমণ করছে। এটি বর্তমানে পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫.০৪ বিলিয়ন কিলোমিটার কিংবা ১৬৬.২৮৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরত্বে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশে তারার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করছে।
এটি হচ্ছে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী স্থানে পাঠানো মানবসৃষ্ট কোন অবজেক্ট বা স্পেস প্রোব। যা কিনা গত ২০১২ সালে হেলিওপজ (আমাদের সৌরজগতের সীমানা) অতিক্রম করে এবং আন্তঃনাক্ষত্রিক চৌম্বক ক্ষেত্র এবং কণা সম্পর্কে অজানা তথ্য পাঠাতে থাকে। তাছাড়া এটি এখনো পর্যন্ত আমাদের সোলার সিস্টেম এবং আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাশূন্যের অজানা তথ্য উপাত্ত নাসার স্পেস কমান্ড সেন্টারে ডিপ স্পেস নেটওয়ার্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে পাঠিয়ে যাচ্ছে।
১৯৭৭ সালে যাত্রা শুরুর পর ভয়েজার-১ স্পেস প্রোব গত ১৯৭৯ সালের ৫ই মার্চ প্রায় ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে জুপিটার গ্রহকে ফ্লাই বাই করে চলে যায়। তাছাড়া তার পরের বছর ১৯৮০ সালের ১২ই নভেম্বর ১ লক্ষ ২৪ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে শনিগ্রহ এবং একই দিকে মাত্র ৬ হাজার ৪৯০ কিলোমিটার দূর থেকে শনির চাঁদ টাইটানকে ফ্লাই বাই করে চলে যায়। এ সময় অনেক মূল্যবান ছবি ও তথ্য পৃথিবীতে প্রেরণ করে এটি।
গত ২০২৩ সালে ১৪ই নভেম্বর ভয়েজার-১ হঠাৎ করেই কোন এক অজানা কারণে কিংবা কারিগরি ত্রুটি জনিত কারণে নাসার স্পেস সেন্টারে তথ্য প্রেরণ করা বন্ধ করে দেয়। খুব সম্ভবত স্পেস প্রোবের ফ্লাইট ডেটা সিস্টেমে ত্রুটির কারণে এটির সাথে একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফ্লাইট ডেটা সিস্টেমের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা স্পেস প্রোবের সকল বৈজ্ঞানিক ডিভাইস এবং সেন্সরের তথ্যাদি জানতে পারেন।
তবে আশার কথা হলো যে, নাসার বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত চেষ্টার পর গত ২০শে এপ্রিল ভয়েজার-১ আবারো নতুন করে তথ্য উপাত্ত পাঠাতে শুরু করে। যাকে নাসার বিজ্ঞানীরা এক মাইলফলক অর্জন হিসেবে বিবেচনা হয়। নাসার বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, মানব জাতির তৈরি ভয়েজার-১ স্পেস প্রোবের পাওয়ার ব্যাংক চলতি ২০২৫ সালের কোনও একসময় হয়ত চিরতরে কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে।
তবে ভয়েজার-১ এর সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলেও আসীম সময় ব্যাপী মহাশূন্যে এর যাত্রা অব্যাহত থাকবে। হয়ত কোন এক সময় আমাদের পার্শ্ববর্তী 'আলফা সেন্টরাই' সোলার সিস্টেম বা অন্য কোন নক্ষত্রের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে এটি। এই স্পেস প্রোবের বয়স প্রায় ৪৭ বছর অতিক্রম করলেও এটি কিন্তু প্রযুক্তিগতভাবে এখনো পর্যন্ত সচল রয়েছে এবং নাসার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে।
ইতিহাস সৃষ্টিকারী ভয়েজার-১ স্পেস প্রোব নাসা মহাকাশে প্রেরণ করলেও এটি মূলত ডিজাইন ও তৈরি করে আমেরিকার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরি। ৭২১.৯ কেজি ওজনের এই স্পেস প্রোব তৈরিতে মোট ২৫০ মিলিয়ন ডলার অর্থ ব্যয় করেছে নাসা। যা কিনা বর্তমানে প্রতি ঘণ্টায় ৬১,৫০০ কিলোমিটার গতিতে সোলার সিস্টেমের সীমানা অতিক্রম করে এক অজানা আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশে ভ্রমণ করছে।
দীর্ঘ সময় ব্যাপী শক্তি উৎপাদন এবং যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ভয়েজার-১ স্পেস-প্রোবে একটি শক্তিশালী প্লুটোনিয়াম রেডিও অ্যাক্টিভ আইসোটোপ পাওয়ার জেনারেশন সিস্টেম ইনস্টল করা হয়। যা কার্যত ৪৭০ ওয়াটের এনার্জি/পাওয়ার জেনারেট করে। তবে দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়ায় এর পাওয়ার জেনারেট সক্ষমতা এখন অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। তবে আশ্চর্যজনক হলেও বাস্তবে এটি কিন্তু আজও সচল রয়েছে।
ভয়েজার-১ স্পেস প্রোবে মানব জাতির ইতিহাস ও তথ্য সমৃদ্ধ একটি গোল্ডেন রেকর্ড স্থাপন করা হয়। যা কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ল সাগানের নেতৃত্বে একটি কমিটি নাসার জন্য গোল্ডেন রেকর্ডের বিষয়বস্তু নির্বাচন করেছে। আসলে ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ডস হল একটি ফোনোগ্রাফ রেকর্ড। যাতে পৃথিবীতে টিকে থাকা মানব জাতির জীবন এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে তুলে ধরতে নির্বাচিত কিছু শব্দ ও চিত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
বিজ্ঞানীরা আসলে ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ডকে উন্নত কোন এলিয়েন লাইফ কিংবা বুদ্ধিমান বহির্জাগতিক প্রাণের উদ্দেশ্যে করে তৈরি করেছিলেন। বিশেষ করে ভবিষ্যতে ভয়েজার-১ এর গোল্ডেন রেকর্ডস খুঁজে পেলে হয়ত উন্নত কোন সভ্যতা মানব জাতির অস্তিত্ব এবং পৃথিবী গ্রহ সম্পর্কে জানতে পারবে। এই ভয়েজার গোল্ডেন রেকর্ডস-কে আবার একটি টাইম ক্যাপসুল বলা হয়।
বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে, ভয়েজার-১ স্পেস প্রোব আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট সোলার সিস্টেমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে না। তবে এটি আজ থেকে আনুমানিক ৪০ হাজার বছরের মধ্যে হয়ত বর্তমানে ক্যামেলোপার্ডালিস নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত গ্লিস-৪৪৫ নক্ষত্র থেকে ১.৬ আলোক বর্ষ দূরত্ব পর্যন্ত অতিক্রম করবে। যাকে মানব জাতির মহাকাশ গবেষণায় একটি মাইলফলক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র : নাসা, উইকিপিডিয়া, স্পেস ডট কম, সায়েন্স।



সিরাজুর রহমান (Sherazur Rahman), শিক্ষক এবং লেখক, সিংড়া, নাটোর, বাংলাদেশ। [email protected]

সংযুক্ত তথ্য
তথ্যসূত্র : নাসা, উইকিপিডিয়া, স্পেস ডট কম, সায়েন্স।
Enolej ID(eID): 932
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

1 প্রতিক্রিয়া

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
খুব ভালো লিখেছেন।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
করেছেন (31 পয়েন্ট)   14 এপ্রিল 2025 প্রতিক্রিয়া প্রদান

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
(প্রথম পর্ব) বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী, আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথের আকার বা বিস্তৃতি হতে পারে প্রায় ১ লক্ষ আলোকবর্ষের সমান এবং পার্শ্ববর্তী অ্যান্ড্রোমিডা ছায়াপথের আকার হতে পারে কিন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
185 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য উন্মোচন করতে গত ২০২৩ সালের ১লা জুলাই মহাকাশে এক অতি উচ্চ প্রযুক্তির শক্তিশালী ‘ইউক্লিড স্পেস টেলিস্কোপ’ প্রেরণ করে ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)। মূলত মার্কিন যু[...] বিস্তারিত পড়ুন...
220 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পঞ্চমবারের মতো আকাশে উড়ল বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্টারশিপ। এবং এই উড্ডয়নের মাধ্যমেই এই নভোযান একটি রেকর্ড স্থাপন করে ফেলল। মানব ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রকেট নিরাপদে লঞ্চপ্যাডে &q[...] বিস্তারিত পড়ুন...
260 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মাসের পর মাস অদ্ভুত বার্তা পাঠানোর পর, সবচেয়ে দূরবর্তী মহাকাশযানটি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। NASA-র ভয়েজার ১, যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে দূরবর্তী মানবসৃষ্ট বস্তু, ২০২�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
267 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমাদের চিরচেনা আকাশগঙ্গা ছায়াপথের এক অতি সুন্দর এবং রহস্যময় স্থান হচ্ছে বার্নাড ৩৩ বা হর্স-হেড নেবুলা। ঘোড়ার মাথার আকৃতি সাদৃশ্য এই অন্ধকারাচ্ছন্ন নীহারিকাটি পৃথিবী থেকে আনুমানিক ১,৩৭৫ �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
250 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...