বুক রিভিউ দিতে চেয়েও দেওয়া হলো না।ছুটির মধ্যে। তাই আজকেই দেওয়ার মনস্থ করলাম।
যদিও লেখা হয়েছে পড়ার পরপরই।
তাই, তখন যেভাবে লেখেছিলাম, সেভাবেই দিলাম।
পড়ছি রৌদ্রময়ী টীমের 'শেষ বিকেলের রোদ্দুর' বইটি। বইটি লেখা হয়েছে ইসলামিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। যেগুলোর সম্মুখীন হতে হয় প্রতিনিয়তই।
নিজে না পড়ে আপনি বুঝবেন না যে, কতটা গুরুত্বপূর্ণ বইটি। আমি বেশি কিছু লেখলাম না। শুধু কিছু গল্পের হেডলাইন উল্লেখ করলাম। আর শেষে একটি গল্পের ব্যাপারে...
কিছু হেডলাইন:
★হারাম!হারাম! হারাম!
★আনমনে শ্রাবনে।স্বপ্নের উল্টোপিঠ
★শাশুড়িরাও মানুষ
★ভাঙা চশমা দুনিয়া
★ক্বলবুন সালিম
★গুরাবা।
★জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব।
★বিয়েবারি নাকি বাড়াবাড়ি।
★ভ্রান্তি।
★হৃদয় নামের আঁধার।
★কুররাতা আ'ইউন।
★তাহাজ্জুদের তীর
★সময় ব্যবস্থাপনার আদ্যোপান্ত।
★সাক্ষী।
★পুতুল।
★আইলাইনার
★আজ আমার বিয়ে।
★বই পড়া।
★অবশেষে।
একটা বিষয়ে মন্তব্য করা যাক,
বইটি পড়া প্রায় শেষের দিকে। এই মূহুর্তে এসে একটা বিষয় আমার খুব খুব পছন্দ হয়েছে।তা হলো— 'বই পড়া'(শুরু করার কলাকৌশল)। লেখিকা নামও দিয়েছে 'বই পড়া'। চমৎকার।
একজন প্রথমিক পাঠক কীভাবে বই পড়া শুরু করবে,কীভাবে বইয়ের প্রতি মনোযোগ বাড়াবে,বইয়ের প্রতি আমাদের মনোযোগ নাই কেন?
পড়তে পড়তে বিরক্তি আসে কেন, সবগুলোর উত্তর দিয়েছেন। প্লাস এসময় আমাদের কী করা উচিত, তার ব্যাপারে দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন।
তিনি শিখিয়েছেন কীভাবে নতুন নতুন বইয়ের সন্ধান পাবে একজন নব-পাঠক।
কোনো বইপ্রেমী যদি অন্য কাউকে বই পড়াতে চান, তাহলে তাঁকে কেমন বই দিবে,কোন ধরনের বই দিলে সে বিরক্তিহীন ভাবেই পড়তে পারবে।বইয়ের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হবে— সব উল্লেখ করেছেন।বলতে গেলে একের ভেতর সব।
আমার কাছে বইটি খুব ইম্পর্ট্যান্ট মনে হয়েছে। আর প্রয়োজনীয় তো বটেই।
গল্পের শেষে একটি সুন্দর লাইন উল্লেখ করেছেন যে,
পড়ার অভ্যাস করার আগে, সুন্দর করে বই ধরতে এবং পৃষ্ঠা উল্টাতে শেখা প্রয়োজন। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা লাইন। যারা বই কিনে,পড়ে তাঁরা এটা ভালো বুঝবে।আর যারা নিজের বই অন্যকে দেয়, তারা আরও ভালো করে বুঝবে।
আমি মনে করি সবার পড়া উচিত বইটি।বিশেষ করে মা-বোনদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয়।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।