Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

রবীন্দ্রনাথের অজানা রহস্য

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
86 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,269 পয়েন্ট)   26 মার্চ "প্রতিবেদন" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#এক_অজানা_অধ্যায়ের_পাঠ_যা_আমাদের_থেকে_লুকানো_হয়  

এক অন্য রকম রবীন্দ্রনাথ  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

সত্যি কথা বলতে আমাদের বাংলাদেশ এমন এক দেশ যেখানে ৯০% মুসলিম হওয়া সত্যেও এদেশের যুব সমাজ থেকে মুসলিমদের নাম - নিশান ও সংস্কৃতি ধ্বংস করার ধান্দা চলছে। আমাদের প্রাইমারি, স্কুল হাই স্কুল এতে কিছু কু_লা_ঙ্গারকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন তারা কত মহান ছিল। আজকে এমন একজনকে নিয়ে কথা বলব যে ছিল বাহিরে সাদা আর ভিতরে কালা। এমন কোনো লোক নেই যাকে এই বাংলার কেও না চিনে। সেই কুখ্যাত ব্যাক্তির নাম হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বলা হয়ে থাকে যে বংশের রক্তের মধ্য দিয়ে মানুষের প্রকাশ গঠে। আপনি যদি এমন বংশের মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন যেখানে আপনার বাপ দাদার কুকীর্তির রেকর্ড আছে তাহলে আপনার চরিত্র যে কেমন ফুলের মতো পবিত্র হবে তা আর বলা লাগবে না আশা করি। রবীন্দ্রনাথ এর পরিবার পশ্চিম বঙ্গের মূলত মূল নিবাসি না। রবীন্দ্রনাথ এর দাদা দ্বারকানাথ প্রথমে ব্রিটিশ এর চাকর ছিল। পরবতীতে বাংলাতে এসে অনেক সময় পর পতিতার ব্যবস্যা শুরু করে। কলকাতার মধ্যে সবচেয়ে সফল পতিতার ব্যবস্যা ছিল রবীন্দ্রনাথ এর দাদা দ্বারকানাথ এর। কলকাতাতে ৪৩ টা পতিতালয় ছিল দ্বারকানাথের। হিন্দুরা নাকি নারীকে দেবীর সম্মান দিয়ে থাকে তাহলে দ্বারকানাথ সেই দেবীদের দিয়ে কিভাবে..... । দ্বারকানাথ এর অ্যান্য সফল ব্যবস্যার মদ্যে পতিতালয়ের ব্যবস্যা ছিল চরম সফলতার ব্যবস্যা। শুধু কি পতিতার ব্যবস্যা! মদ এবং আফিম এর ব্যবস্যাতেও একনায়ক ছিল এই কু_লা_ঙ্গার দ্বারকানাথ ( এই পযন্ত যেসব কথা বললাম সেগুলোর তথ্যসূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা ২৮ শে কার্তিক ১৪০৬ এবং গোলাম আহমদ মুর্তজা এর " এ এক অন্য ইতিহাস " বই এর ১৪৩ পৃষ্ঠা " অসাধারণ দ্বারকানাথ " অধ্যায় দ্রষ্টাব্য)  

এই তো গেল রবীন্দ্রনাথ এর দাদার কথা একন আসি রবীন্দ্রনাথ এর বাপের কথাতে৷ রবীন্দ্রনাথ এর বাপ দেবেন্দ্রনাথ ছিলেন পুরাই দ্বারকানাথ এর কার্বন কপি। তিনিও বাপের মান রেখেছেন। এই বাটপার বড়িটিশদের পা চাটা অন্য রকম গোলাম। বৃটিশ আমলে ভারতবর্ষে একটা ভূয়া ধর্মের প্রতিষ্ঠা করা হয় যার নাম ব্রাহ্ম ধর্ম । দেবন্দ্রনাথ ছিল এই ধর্মের মহান প্রচারক ; এক কথায় ব্রাহ্ম ধর্মের দর্শনেইশ্বর। ব্রাহ্ম ধর্মে যারা যুক্ত হতো তারা বৃটিশদের কাছ থেকে মোটা অঙ্গের টাকা পেতো । এছাড়াও অনেক সুযোগ সুবিধা তো আছেই। সমাজের প্রভাবশাী ব্যাক্তিরা ব্রাহ্মন ধর্মে যুক্ত হতো। আর এরাই সাধারণ মানুষের উপর নিপিড়ন চালাতো। তবে এই দেবেন্দ্রনাথ একটু আলাদা বাটপার। গাছের আগাও খেতো আবার গোড়াতেও..... । সে ব্রাহ্ম সমাজ এতে থেকেও হিন্দু ধর্মেরও রীতি নীতি পালন করত। পরিনারকে দূর্গা পূজার ব্যবস্থাও করে দিতো। দুটোতেই এই দেবেন্দ্রনাথ ...... । তাহলে বুঝুন কত বড় বাটপার। দুই ধর্ম থেকেই সুবিধা নিতো । এছাড়াও ব্রাহ্ম ধর্মে জাতিভেদ নিষিদ্ধ ছিল ; এই কথা জানা সত্যেও দেবেন্দ্রনাথ " রাজনারায়ণ বসু " নামে একজন শূদ্রকে অপমানিত করে বাহির করে দেই [ উল্লেখ্য হিন্দু ধর্মে চারটা জাত আছে যেগুলো জন্মগত ( গীতা-৭/৩২-৩৩) তো এগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণ হলো সবার উপরে ( যারা পন্ডিত লোক তারাই ব্রাহ্মণ) আর সবার নিছে হলো শূদ্র । এই শূদ্রদের কোনো অধিকারই হিন্দু ধর্মে দেওয়া হয় নি। কুকুর আর শূদ্রদের মাঝে তেমন কোনো পার্থক্য নেই ( ধর্মগ্রন্থ পড়লেই বুঝা যাবে) এই শূদ্রের কাজ হলো তার উপররের তিন জাত ( ব্রাহ্মণ,ক্ষত্রিয়, বৈশ্য) এদের পা চাটা গোলামি করা ] আর এখান থেকেই বুঝা যায় যে দেবেন্দ্রনাথ এর চরিত্র পুলের মতো পবিত্র ( এই বিষয়ে যেগুলো বললাম তার রেফারেন্স : বসন্ত কুমার চট্রপাধ্যায় এর লেখা " জ্যোতিন্দ্রনাথ এর জীবনস্মৃতি ১৯২০ " পৃষ্ঠা -৩৬ এছাড়াও " এ এক অন্য ইতিহাস - গোলাম আহমদ মোর্তাজা " বিশেষ করে শূদ্রকে অপমান করার ঘটনা অংশের দলীল - রাজনারায়ণ বসুর " আত্মাচরিত " পৃষ্ঠা নং - ১৯৯) । এখন আসি মহান কবি উরফে Dj কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে নিয়ে। বাপের ব্রাহ্ম ধর্মের লোক হয়েও হেদু ধর্মের ঠাকুর পদবি যে কেন ব্যবহার করল সেটা আমার মাথাই ঢুকল না। আপনারা যদি কমেন্টে কারণটা বলতেন উপকার হতো। রবীন্দ্রনাথ এর বউদির কাদ.. সাথে একটু আলাদা...... । ব্রাহ্ম ধর্মের লোক বললেও গোড়া হিন্দু ছিল ( আমাদের ভাষায় কট্ররহিন্দু বলি যাকে ) এই কথাটা বলার কারণ হলো " সতীদাহ প্রথার পক্ষে ( সতীদাহ প্রথার ব্যাপারে ভারতীয় পশ্চিম বাংলার চ্যানেলগুলোতে দেখে থাকবেন ; যেখানে " স্বামী মারা গেলো তার স্ত্রীকেও জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হতো তাকেই সতীদাহ প্রথা বলে ") সার্পোট দিতো অন্য হেদু ব্রাহ্মণ পন্ডিতদের মতো , যেটা তাঁর একটা কবিতার মাধ্যমেই প্রমাণিত। কবিতাটা হলো

" জ্বল জ্বল চিতা! দ্বিগুন দ্বিগুন পরাণ সপিবে বিধবা বালা, জ্বলুক জ্বলুক চিতার আগুন জুড়াইবে এখনই প্রাণের জ্বালা, শোনরে যবন, শোনরে তরা যে জ্বালা হৃদয়ে জ্বালালি সবে সাক্ষী রলেন জীবনে তাঁর , এর প্রতিফলন ভূগিতে হবে " ( উক্ত কবিতাটা পাবেন - জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা " জ্যোতিন্দ্রনাথের নাট্য সংগ্রহ 'কলকাতা : বিশ্ব ভারতীয় -১৯৬৯; পৃষ্ঠা -২২৫) আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও যে পতিতা রসে আসক্ত সেটাও তার কবিতা পড়লে বুঝা যায় । তার একটা কথা " বাংলার বধু বুকে তার মধু " ( এই কথাটা শুনবেন হয় তো) এই একটা কথাতেই বুঝা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নজর ছিল ফুলের মতো পবিত্র । আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা গোপন রোগ ছিল যার নাম সিফিলিস ( সিফিলিস একটা যোন রোগ। যেটা হয় একের অধিক নারীর সাথে সেক্স করার কারণে অথবা একের অধিক পুরুষের সাথে.... মানে নারী পুরুষ দু- জনের হয়। যারা এরকম একের অধিক নারী/ পুরুষ এতে আসক্ত তাদের আমরা বলি বহুগামী । তো আপনারা বুঝতেই পাচ্ছেন যে সিফিলিস রবীন্দ্রনাথ এর কেন হয়েছিল) এই সিফিলিস এর সেই সময় তেমন কোনো চিকিৎসা প্রতিরোধ ছিল না। ভয়ংকর একটা রোগ। আপনারা আন্দাজ করতে পাচ্ছেন যে রবীন্দ্রনাথ এর চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র । ( সিফিলিস হয়েছিল তার রেফারেন্স : " নারী নির্যাতনের রকমফের " বই -৩৪১ পৃষ্ঠা / লেখক- সরকার সাহাবুদ্দিন আহমদ) । আর এ ই কথাটা তো সবাই অবগত আছেন যে " ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় হওয়ার সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর বিরোধীতা করেছিল। মজার ব্যাপার হলো নাক কাটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আবার ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় পরিদর্শনেতও এসেছিল। জিনিসটা হলো এরকম " যার মুখে লাথি মারলাম তাকেই আবার সালাম করলাম। এছাড়াও বর্তমানে হিন্দুরা যে বলে " ভারতের সকল মুসলমান হিন্দু ছিল " এই কথার প্রথম বলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( অতিত দিনের ইতিহাস- ১৫০ নং পৃষ্ঠা / আবুল কালাম শামসুদ্দিন) । এই ছাগল হয় তো জানে না ওদের হেদু ধর্মের লোকরাও এক সময় ইতর জাতি ছিল। তাই বাপ দাদার ইতিহাস টানা ঠিক না। এছাড়াও আমরা বর্তমানে যে মুসলমান আছি " আমাদের পূর্ব পুরুষরা ৫০০ বছরেরও( নূন্যতম এটা , যারা কয়েক পুরুষ ধরে জন্ম সূত্রে মুসলিম) আগে ইসলামের ছায়াতলে আসে । তাই ওগুলোর কথা বলাটা মূর্খামি। আলহামদুলিল্লাহ আমি মুসলিম। আর রবীন্দ্রনাথ যে সাম্প্রদায়িক চিলেন সেটা বুঝা যায় তার " হিন্দি ভাষাকে রাষ্টভাষা করার দাবিতে ( দৈনিক সমকাল ২০০৪ এর ২ মার্চ এবং " এ এক অন্য ইতিহাস ) চিন্তা করুন একবার ভারতে কতগুলে প্রদেশ। এগুলোর একেক জায়গায় একেক ভাষা। সে ডাইরেক্ট বলে দিল হিন্দি করা হোক রাষ্ট্রভাষা। আর সে মুসলিমদের তেমন দেখতে পারতো না, যার কারনে সে বলেছিল " মুসলিমদের সাহিত্য ইতিহাস নিজেরাই যেন তেরি করে নেই " ( এ এক অন্য ইতিহাস-১৫৭) ওই রাম ছাগল হয় তো জানে না ভারতের কোণায় কোণায় মুসলিমদের অবদান সাহিত্য ইতিহাস আছে । আর যারা সাহিত্যের মধয়েও হিন্দু মুসলিম মানে জাতি বর্ণ ঢুকিয়ে দেয় তারা যে কত অসাম্প্রদায়িক তা হয় তো আপনার আর আলাদা করে বলতে হবে না। তো এরকম করে লেখলে অনেক কথায় লেখা যাবে। তবে আশা করি রবীন্দ্রনাথ এর ফুলের মতো চরিত্র ও মন - মানসিকতাটা জানার জন্য এতটুকু লেখাই যথেষ্ট । এছাড়াও রবীন্দ্রনাথ এর বিরোধী করেছিল তার সম সাময়িক এক কবে। আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পেয়েছিল খ্রিষ্টানদের বাইবেল এর বাণীগুলো দিয়ে গীতাঞ্জলি....... । গীতাঞ্জলির চেয়ে মাইকেল মধুসূদন দত্ত আর শরৎচন্দ্র চট্রপাধ্যায় বেশি যোগ্য ছিল নোবেল পাওয়ার। সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্রপাধ্যায় এর কোনো তুলনাই হয় না। কথিত আছে যে নজরুল এর নোবেল না পাওয়ার পিছনে রবীন্দ্রনাথ এর হাত আছে। আরেকটা কথা জানলে অবাক হবেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার গানের দুই শতাধিক সুর চুরি করেছিল ( সূত্র বিবিসি নিউস) আর আমাদের লালন সাইজির একটা পান্ডুলিপি ও তার কাছে বিদ্যমান আছে। যোটা তার ভক্তরা ফিরত চাইছে। একবার চিন্তা করুন যার গানের সুর গুলোও দেশি বিদেশি অন্য গায়ক থেকে.... সে কি বিশ্ব কবি হওয়ার যোগ্য???? । আর একে নিয়ে আমাদের দেশে কত নাছানাচি । এখন আপনারাই বিচার করুন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর..... 

লেখাটা এখানেই সমাপ্ত করছি। জ্ঞানীদের জন্য ইশারায় যথেষ্ট  

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

[ কালকে ডাইনি তেরেসা থুক্কু মাডার থুক্কু মাদার তেরেসাকে নিয়ে লেখবো ইনশাআল্লাহ । ] 

 কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 608 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12269। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3660
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


পুরোনো ঘড়ির রহস্য শহরের এক পুরোনো বাড়িতে থাকত দুই বন্ধু, আদিল ও মাহির। তারা ছোটবেলা থেকেই একসঙ্গে বড় হয়েছে। তাদের বন্ধুত্বের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল, তারা একে অপরকে শুধু আনন্দের সময�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
12 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

নারী ও নারীবাদী: ধারণাগত পার্থক্য - আমরা যখন নারীবাদীদের বিরুদ্ধে কথা বলি তখন এক শ্রেণির ব্রেইনলেস লোক মনে করে যে আমরা আমাদের মা- বোন নারী গোষ্ঠী এর বিরুদ্ধে কথা বলছি। সমাজের প্রায়ই “নারী” ও [...] বিস্তারিত পড়ুন...
82 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

লুবাবার বিয়েকে কেন্দ্র করে শাহবাগী পাড়াতে যে পিছনে আগুন জ্বলা শুরু করেছে সেই আগুন নিভানোর জন্য একটু হালকার উপর ঝাপসা করে পানি ছিটাবো।  Prince Frerase  লুবাবা এর বয়স ১৫, আর সে এই বয়সে বিয়ে করে, আমার মত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
89 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বাংলাদেশ সংবিধান একটা কুফরি সংবিধান এবং বাংলাদেশের ভিত্তি যে চারটা মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলোও কুফর।   আমি আমি এরকম কথা বলেছি তা এখন বলছি। আমাদের বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ আর�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
116 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ঐতিহাসিকতার বিচারে এই ভারতের হিন্দুরা হলো প্রজা সম্প্রদায় এবং এই হিন্দু জাতি হলো বৌদ্ধ আর মুসলিমদের দাস। এই ভারত উপমহাদেশে দুটো জাতি ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করে  ১. বৌদ্ধ সম্প্রদ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
126 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1577 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    78 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    742 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    37 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

...