শোনেন শোনেন জ্ঞানী-গুণী,শোনেন দিয়া মন
"আলোর-দিশারী"র কথা করি নিবেদন।
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন"আলোর-দিশারী"।
ইউনিয়নের দিকে দিকে গুনগান তারই।
মানুষের দুখে ,কেঁদে ওঠে,একদল তরুণের মন,
তাঁদের তরে হলো" আলোর-দিশারী"র জন্মক্ষণ।
২০ সালের, ৯ই এপ্রিল হইলো তার জন্ম,
"মানুষের তরে,পৃথিবীর কল্যাণে "কাজই তার ধর্ম।
সেবক সকল, স্বেচ্ছা-সেবায় করিল আত্মদান,
তারই তরে অধম আমি রচিলাম পুথিঁ গান।
সুখে-দুখে মানুষের পাশে "আলোর দিশারী",
কৃতজ্ঞতায় কতলোকে গুনগান গায় তারই।
কাজ করে স্বেচ্ছাসেবক, মানুষের তরে,
নিজের কাঁধে ত্রান নিয়ে পৌঁছায় ঘরে ঘরে।
ওমরদের প্রাণ জুড়ায় গরিবের পাশে বসি
গরিবের দুখে পাশে থেকে ফোটায় মুখে হাসি।
১৯ সালের শেষের দিকে হইলো মহামারী,
সেই দিনের কথা আমরা কেবা ভুলতে পারি!
হাজার-হাজার মানুষ মরলো করোনার তরে,
ঘর হইতে বেরোয় না কেউ করোনার ডরে।
তারই মধ্যে স্বেচ্ছা সেবক,অকুতোভয়-সৈনিক,
ত্রাণ নিয়ে ছুটে চলে দিন-দিন-দৈনিক।
চাঁদনী বাজার, চরে-বীরে সকল এলাকায়;
"আলোর-দিশারী"র ত্রাণ সবখানে পৌঁছে যায়।
স্বেচ্ছা-সেবক ত্রাণ বিলায় জীবনের ভয় ভুলে,
গরিবের হাসিতে তাঁদের প্রশান্তি মেলে।
গরিবের হাসি ভালোবাসি,প্রশান্তি তাদের বরে,
হাসি কিনে হাসি বিলায় গরিবের ঘরে ঘরে।
সেবকগণের খারাপ লাগে একথা ভাবায়,
এত্তো বড় এলাকা তবু পাঠাগার নাই হায়!
খুবই দরকার,একটা পাঠাগার এই এলাকায়,
ছেলে-মেয়েরা বাজেভাবে মোবাইলে আসক্ত হায়!
পাঠাগারমুখী ছেলেমেয়ে কভু যদি হয়,
ভবিষ্যৎ তাদের উজ্জ্বল হবে নিশ্চয়।
নিন্দুকেরা বিদ্রূপ করে বলে "সমাজ-সংস্কারক",
পাঠাগার হবে নাকি মাদকসেবীদের ধারক!
কত কথা!কানাকানি নিন্দকুদের মুখে
এসব শুনে ব্যথা লাগে স্বেচ্ছাসেবীদের বুকে।
কি আসে যায়,নিন্দুকের কথায়!ভাবেন সেবকগন
সৎ চিন্তা মাথায় নিয়ে, দিল তাঁরা কাজে মন।
গুণীর কদর গুণী করে সত্য একটা কথা,
তাইতো কেউ নিন্দা করে,কেউ সহযোগিতা।
অবশেষে গুণীদের নামে হলো পাঠাগার,
শ্রদ্ধাভরে স্মৃতিচারণ করি বারংবার।
নিন্দুকেরা চুপসে গেল,পড়ল মুখে কালি,
তারাও এখন ভালো বলে দেয় হাতে তালি।
পাঠকগনের পাঠাগারে নিত্য আগমন,
বইয়ের সনে সন্ধি করে বই তাদের আপন।
কত আয়োজন দেখ সবে পাঠাগারকে ঘিরে
আন্ধারীঝাড় এগিয়ে যাচ্ছে তারই হাত ধরে।
আরও কত!শত শত কাজ করে"আলোর দিশারী"
গরিব-দুখীদের করে দিল থাকার ঘর-বাড়ি।
শীতকালে সবে মিলে,করে বস্ত্র-বিতরণ
তাইতো তাঁরা সবসময় শত মুখের হাসির কারণ।
আরও দেখো,দেখো দেখো মানবতার দেয়াল
যে দেয়ালে উপকৃত গরিব-দুখী আজকাল।
শোনো সবে, বলি তবে, কৃতজ্ঞতার কথা
যারা অসময়ে পাশে থেকে করেছে সহযোগিতা।
নিন্দুকেরা তোমরা যারা তোমাদেরও ভালোবাসি,
চলো না সবে মিলে বাজাই বোধন-বাঁশি।
যে বাঁশির সুরে,কাছে দূরে ,জাগবে সবার বোধ,
সমাজটা সকলের তরে হবে নিরাপদ।
একটা সুন্দর সমাজ,গড়ি আজ,এক হয়ে সকলি,
"ভালো কাজে সাড়া দাও" এ কথা বলি।
সবাই থেকো পাশে,ভালোবেসে "আলোর দিশারী"
ভালো চিন্তা ভালো কাজে দিন কাটুক সবারই।
সবিশেষে বিদায়ী বেশে আমি অধম কবি,
ভালো থেকো, ভালো রেখো,এই সমাজের সবই।
রচনাকাল:১৪ই মার্চ,২০২৩ খ্রিস্টাব্দ।
বীর ধাউরার কুটি,আন্ধারীঝাড়
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।