আমার নূন্যতম ইচ্ছে করে না এসব জাহেলগুলোর সাথে তর্ক করতে। যে বিষয়ে এসব জাহেলদের জ্ঞান নেই সে বিষয় নিয়ে চলে আসে তর্ক করতে। এই মূর্খ আমার কাছে দলীল চেয়েছে, আমি এখন ওকে তো দিব ওর বাপদেরও দলীল দিব।
দলীল -
রাসূল সাঃ বলেন, দ্বীনের প্রথম ভাগ নবুয়তও যা রহমত, তারপর আসবে খেলাফত যা রহমত, তারপর আসবে রাজতন্ত্র যা রহমত ( সিলসিলাহ আস সহীহা / ত্বারারানী - ৯০৯৭৫ / আলবানি সহীহ বলেন) ( আবার দারিমীতেও হাদীস আছে তআে সেটার দ্বঈফ, কিন্তু দ্বইফ ফজীলতে গ্রহণীও)
এছাড়াও ইবনে আব্বাস বলেন - এই দ্বীনেনের প্রথম অংশ নবুয়ত যা রহমত। তারপর খেলাফত রহমত, তারপর বাদশাহী ( রাজতন্ত্র ) রহমত। তারপর আমিরী শাসনও রহমত... "। হয়সামী বলেন সনদের রাবীরা নির্ভরযোগ্য ( তাতহীরুল জিনান, পৃষ্ঠা -৩১) আলবানি রহিমাহুল্লাহ সহীহাহ-২/৮০-২-৩ এতেও পেশ করেছেন ( তাহকীক: সহীহ)
তো এসব দলীলের আলোকে বুঝতে পারলাম যে খেলাফতের মতো রাজতন্ত্রও রহমত হিসাবে হাদীসে ও আছারে এসেছে, এর মাধ্যমে এর বৈধতাও হয়ে যায় যেমনটা যুগে যুগে আলেমগন স্বীকার করেছে।
এখন আমি ছোট করে ফতোয়া পেশ করে লেখাটা সমাপ্ত করব -
রাজা যদি আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে স্বীকার করেন এবং ইসলামী শরী‘আত অনুযায়ী রাজ্যশাসন করেন, তাহ’লে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি তার অনুকূলে। উক্ত নীতির অনুসরণ করলে বংশপরম্পরায় রাজা হওয়ায় কোন আপত্তি নেই। তার পরিবার থেকে রাজা হ’তে পারবে না, এরূপ কোন নিষেধাজ্ঞা শরী‘আতে নেই। অন্যদিকে পশ্চিমা গণতন্ত্রে মৌলিক ভিত্তিই হ’ল ধর্মহীনতা। যা মৌলিকভাবেই আল্লাহর সার্বভৌমত্ব এবং আল্লাহর বিধানসমূহকে অস্বীকার করে। ইসলামী রাষ্ট্রনীতিতে যার অনুমোদন নেই (মায়েদাহ ৫/৪৪)। সাথে সাথে সমাজের প্রত্যেককে ক্ষমতার প্রতি লালায়িত করে তোলে। অথচ ক্ষমতা চেয়ে নেওয়া শরী‘আতে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৩৬৮০, ৩৬৮৩)।
( মাসিক আত তাহরীক, জুলাই ২০১৩)
[ এখন থেকে জাহেল তর্ক করতে আসলে ব্লক মেরে দিব। কুকুরের সাথে ঘেউ ঘেউ করার নীতি আগেই বর্জন করেছি.... ]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।