Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

"আমি "

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
57 বার প্রদর্শিত
করেছেন (4,276 পয়েন্ট)   10 ফেব্রুয়ারি "ছোটগল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

জীবন সত্যিই ভীষণ বৈচিত্র্যময়।

এই লেখাটা কোনো কল্পনার গল্প না, কোনো সাজানো অনুভূতিও না। এগুলো আমার বাস্তব জীবন—আমি সত্যিই এভাবেই বেঁচেছি, এভাবেই অনুভব করেছি, আর এই মানুষগুলোর ভেতরেই বড় হয়েছি।

পড়াশোনার তাগিদে কিছুদিন পর শহরে যেতে হবে। অথচ এখনই মনটা কেমন হাহাকার করে ওঠে। বাড়িতে ক’দিন ভালো করে ঘুরছি—এখানে সেখানে—আর অজান্তেই স্মৃতিগুলো চোখ ভিজিয়ে দেয়।

বাগানে বসে কত বিকেল ছাগলের বাচ্চার সাথে বকবক করেছি।

বিছানার পাশে জানালার গ্রিল ধরে বাচ্চাদের মতো ঝুলে থাকতাম—ঠাস করে বিছানায় পড়ে যেতাম, আবার উঠে দাঁড়াতাম, আবার বাইরে তাকিয়ে গাছগুলো দেখতাম। কখনো ভাবতাম, এই ছোট্ট বেল গাছে কি জিন আছে? নাহলে রাতে আমাকে বিড়ালের মতো “মিউ মিউ” করে কে ভয় দেখায়? তবু আমি ভয় পেতাম না—কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যেত।

আমার এলোমেলো টেবিলটা…

সে জানে আমি কতবার চুপচাপ তার সামনে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছি। কতবার নীরবে, কণ্ঠহীন চিৎকারে কেঁদেছি। বাড়িতে কতবার বকা খেয়েছি—“নোংরা করে রাখো কেন? বড় হচ্ছো, পরিষ্কার থাকতে শেখো না?”

দেখতে দেখতে বাবা বা মা একদিন গুছিয়ে দিতেন। বাবা অফিস করে এসে রাতে আমার টেবিল গোছাতে গোছাতে বলতেন, “তুমি বোঝো না।” আমি চুপ করে থাকতাম। তারপর হেসে বলতেন, “এইটা আমার পাগলি মা—এখনো বুদ্ধিশুদ্ধি হয়নি।”

জীবনে প্রথম মাছ কাটতে বসেছিলাম একবার। শেষমেশ মাছটাকে এমনভাবে ধরেছিলাম যে ছোট মাছটা মরেই গেল। তবু বাবা খুশি হয়ে বলেছিলেন, “যেমনই হোক, চেষ্টা তো করেছো।” সেই খুশিতে মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন।

মাকে বলতেন, “ওরা তো ছোট—বুঝিয়ে বলতে হয়।”

রাস্তার ধারের টগর গাছে পানি দিতাম। বকা দিয়ে বলতাম, “রোজ রোজ রাস্তার ময়লায় সৌন্দর্য নষ্ট করো কেন? শেষমেশ তো আমাকেই এসে বিকেলে তোমাদের গোসল করাতে হয়।”

ছাগলের বাচ্চাটাকে বলতাম, “তুমি তো আমার ছোট। আমার ছোটদের খুব ভালো লাগে। চলো, আমরা বন্ধু হই।” তারপর সত্যিই তাকে বন্ধু বানিয়ে গল্প করতাম।

একবার ১৩০০ টাকা জমিয়েছিলাম—ঈদের বোনাস জমিয়ে। ভাবতাম, একটা ছোট্ট বোন কিনে আনবো। তখন তো বুঝতাম না।

সবাই যখন ক্ষেপিয়ে বলত, “তুই তো আসলে ভূত—তোর বাড়ির সামনের বটগাছে আকাশ থেকে একটা ভূত হাত বাড়িয়ে গাছের কোটরে রেখে গিয়েছিল”—আমার সরল মন সেটাই সত্যি ভেবে নিত। লুকিয়ে গাছটার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। দুটো কাক উড়ে কোথায় যায়, আবার আসে—ভাবতাম, ইস! কেন আমাকে এখানে রেখে গেলে? তোমাদের কাছেই রাখতে পারতে। তখন একসাথে আকাশ দেখতাম।

একবার লুকোচুরি খেলতে গিয়ে পিঁপড়ে কামড় দিয়েছিল। কেঁদে কেঁদে বড় ভাইয়াকে খুঁজে বের করেছিলাম। আমার জন্যই সেদিন ভাইয়া ধরা পড়ে গিয়েছিল। তখন কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে আগে ভাইয়াদের কানে কানে বলতাম—“এখন কী করবো আমি?”

এক সময় ভাবতাম, মাইকিং হচ্ছে মানেই দুনিয়া বুঝি শেষ—কেয়ামত বুঝি কালই।

আল্লাহকে প্রশ্ন করতাম, “আমাদের মানুষ বানালে কেন? আল্লাহ বানিয়ে দিলে না? তাহলে তো অনন্তকাল একসাথে থাকতে পারতাম।”

কিছু বছর আগেও ভাবতাম মানুষ হয়তো ১০০ দিন বাঁচে।

এখন একটু বড় হয়েছি—তবু প্রিয় মানুষ আর প্রিয় জিনিসের সাথে বাচ্চাদের মতো স্বভাবগুলো যায়নি।

হঠাৎ আজ দেখি—শহরে যেতে হবে।

তারপর হয়তো ক’দিন বাড়ি আসবো, আবার চলে যাবো। কিছু বছর পর হয়তো বিয়ে হয়ে যাবে। যে বাবা আজ বলে, “ময়নাকে ছাড়া বাড়িটা ফাঁকা,” সেই বাবাই একদিন ফোন করে বলবে, “তোমরা সবাই মিলে বাড়িতে এসো।”

তখন বাড়িটা হবে আত্মীয়ের বাড়ির মতো। আমার জন্য বলবে, “এতদিন পর এসেছে”—কত রকম রান্না করবে, যেন আমি অতিথি।

আর হয়তো জানালার গ্রিল ধরে ঝুলে বিছানায় পড়ে একা হাসবো না।

ঘরের কোণে অদৃশ্য বন্ধু ভেবে কারও সাথে গল্প করবো না।

হেসে ফেলি… 🙂

কত কিছু ভেবে ফেলেছি, তাই না?

কিছুক্ষণের মধ্যেই কেমন সেই ছোট্ট মেয়েটা বড় হয়ে গেল। কতদূর চিন্তা করে ফেলল।

তবু আমি তো এখনো আমার বর্তমানেই আছি। এখনো ছোট—তবে এতটাও ছোট না, যতটা মাঝে মাঝে

 আমার স্বভাব করে তোলে। 🙂


আমি Mayabi Ilmaz Megh, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 8 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 206 টি লেখা ও 69 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 4276। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3400
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


শহরের ফাঁকা পথ ধরে আমরা একসাথে হাঁটব ভেবেছিলাম, হাতের ছোঁয়া, নীরব আলো, সবকিছু যেন আমাদের নিজের। কিন্তু আজ তুমি দূরে, আমি একা। চোখে জমে থাকা স্মৃতি নীরবতায় কথা বলছে। শহর ঠান্ডা, কিন্তু মন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
105 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
আমি কবিতায় কবিতায় লিখেছি তোমার কথা,। গানেরই সুরেতে বলেছি তোমার কথা, জীবনের শুরু থ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
87 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বৃষ্টি পড়ছে। জানালার কাঁচে টুপটাপ শব্দ _ একটা পুরোনো সুরের মতো।  নরম আলোয় ঘর ভিজে [...] বিস্তারিত পড়ুন...
129 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

জীবনের কিছু সময় আসে, যখন মানুষ ভেতর থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কষ্ট তখন শুধু পরিস্থিতি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
106 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

“তুমি কোথায় যাচ্ছ?” হঠাৎ কেউ জিজ্ঞেস করল। আমি কিছু বলিনি। শব্দগুলি আমার গলায় আটকে আছে, ভিতরে হাজার উত্তর, বাহিরে শুধু নীরবতা। “কেন চুপ করছ?” শব্দগুলো আসে, কিন্তু বাতাসে মিলিয়ে যায়। আম[...] বিস্তারিত পড়ুন...
72 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    83 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...