- মেয়েরা যদি জানত দ্বীনদার স্বামীরা কেমন হয়.!
তাহলে দ্বীনদার স্বামী পাওয়ার লোভেই তারা দ্বীনদার হয়ে যেত।
কিন্তু আফসোস বর্তমানে আমরা কেউ দ্বীনদার ছেলে মেয়েদের কোনো পাওা দেই না
আমরা এখন বিসিএস ক্যাডার ছেলে মেয়ে খুজি।
হাদীসে বলা হয়েছে যে একটা নারীর চারটা গুণ দেখে তাকে বিয়ে করা উচিত,, আর সেই গুন গুলো হলো, সুন্দর হওয়া, বংশ, ধনাঢ্য, এবং তাক্বওয়াবান হওয়া। এর মাঝে যদি নারীর কাছে বাকি তিনটা গুন বাদে শুধু তাকও্বয়া থাকে তাহলে সেই নারীকেই বিয়ে করা উচিত।
- রাসূল (সাঃ) বলেছেন,
গোটা দুনিয়াই সম্পদে পরিপূর্ণ। এর মধ্যে সবচেয়ে উওম ও
কল্যানকর সম্পদ হলো পুণ্যবতী স্ত্রী। (সহীহ মুসলিমঃ-৩৫০৭)
- আল্লাহ্ বলেছেন
আমি যাকে ধন সম্পদ দিয়েছি সে বেশি ভাগ্যবান নয়,
ভাগ্যবান সেই ব্যক্তি যাকে আমি একজন ধার্মিক জীবন সঙ্গী
দিয়েছি।
- যখন কোন স্ত্রী তার স্বামীর দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসে,
তখন আল্লাহ্ তায়ালা তাদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি
হাসেন। সুবহানআল্লাহ্
- পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হচ্ছে সে,
যে একজন নেককার স্ত্রী পেয়েছে।
- হযরত আলী (রাঃ) তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে,
যে তার স্ত্রীর নিকট উওম। (মুসলিম)
- সে স্বামী কখনো পথভ্রষ্ট হবে না,
যার ঘরে একজন দ্বীনদার নামাজী স্ত্রী আছে। একজন
নেককার স্ত্রী হলো স্বামীরর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
- নেককার স্ত্রী ছাড়া যেমন কোন পুরুষ সুখী হতে পারেনা,
তেমনি নেককার স্বামী ছাড়াও কোন মেয়ে সুখী হতে পারে না।
একটি সুখী পরিবারের জন্য উভয়ের দ্বীনদার হওয়া প্রয়োজন।
- বিয়ে করুন জান্নাতের পথে চলার উদ্দেশ্যে।
জীবন সঙ্গী এমন হওয়া উচিৎ, যে একে অপরকে জান্নাতে
যেতে সহযোগিতা করবে
আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে নেক হায়াত ও নেক হেদায়েত এবং নেক আমল করার তৌফিক দান করুক আমিন
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।