নাস্তিক_ও_বিধর্মীদের_মিথ্যাচারের_জবাব
সিরিজ পর্ব-৪০২
অভিযোগ : কোরআনের এক জায়গাতে বলা হয়েছে যে " কোরআন একত্রে নাযিল হয়েছে ( কোরআন-৪৪/৩) আবার অন্য জায়গায় বলা হয়পছে কোরআনকে পর্যায়ক্রমে নাযিল হয়েছে ( কোরআন-৭৬/২৩) আর এই দুটো আয়াতে বৈপরীত্য পাওয়া যাচ্ছে, অতএব প্রমাণিত হলো কোরআন ভুল।
জবাব : شَہۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡہِ الۡقُرۡاٰنُ ہُدًی لِّلنَّاسِ وَ بَیِّنٰتٍ مِّنَ الۡہُدٰی وَ الۡفُرۡقَانِ ۚ فَمَنۡ شَہِدَ مِنۡکُمُ الشَّہۡرَ فَلۡیَصُمۡہُ ؕ وَ مَنۡ کَانَ مَرِیۡضًا اَوۡ عَلٰی سَفَرٍ فَعِدَّۃٌ مِّنۡ اَیَّامٍ اُخَرَ ؕ یُرِیۡدُ اللّٰہُ بِکُمُ الۡیُسۡرَ وَ لَا یُرِیۡدُ بِکُمُ الۡعُسۡرَ ۫ وَ لِتُکۡمِلُوا الۡعِدَّۃَ وَ لِتُکَبِّرُوا اللّٰہَ عَلٰی مَا ہَدٰىکُمۡ وَ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ ﴿۱۸۵﴾
বাকারা- ১৮৫ নং আয়াতের তাফসীর: রমাযান মাসের ফযীলত বর্ণনা করে আল্লাহ তা‘আলা বলেন: এ রমাযান মাসে কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে, এর অর্থ এই নয় যে, পূর্ণ কুরআন কোন এক রমাযান মাসে পৃথিবীতে নাযিল করা হয়েছে। বরং এর অর্থ হল রমাযান মাসের কদরের রাতে পূর্ণ কুরআন লাওহে মাহফুয হতে প্রথম আসমানে অবস্থিত ‘বাইতুল ইজ্জতে” অবতীর্ণ করা হয়। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (إِنَّآ أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ) আমি একে (কুরআনকে) কদরের রাতে অবতীর্ণ করেছি। (সূরা কদর ৯৭:১) অন্যত্র বলেন: (إِنَّآ أَنْزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ) আমি একে (কুরআনকে) বরকতপূর্ণ রাতে অর্থাৎ কদরের রাতে নাযিল করেছি। (সূরা দুখান ৪৪:৩) তারপর “বাইতুল ইজ্জত” থেকে ২৩ বছর নবুওয়াতী জীবনে প্রয়োজন অনুপাতে পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়। অতএব কুরআন কোন্ মাসে অবতীর্ণ হয়েছে, কোন্ রাতে অবতীর্ণ হয়েছে তা সুস্পট হয়ে গেল।
তাফসীরে ফাতহুল মাজিদ
তাফসীরে আহসানুল বয়ান
তাফসীরে ইবনে কাছীর
অর্থাৎ যে আয়াতে বলা হচ্ছে কোরআন এক রাতে নাযিল হয়েচে, সেখানে মূলত প্রতম আসমানে একত্রে নাযিল হওয়ার কথা বলা হয়েচে, আর সেখান থেকে অল্প অল্প করে রাসূল সাঃ এর উপর একত্রে নাযিল হয়েছে......। অর্থাৎ আয়াতে কোনো বৈপরীত্য নেই বরং নাস্তিকদের অজ্ঞতার কারণে বৈপরীত্য পেয়েছে.....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।