Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পবিত্র ভালোবাসা ;পর্ব-২৯

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
162 বার প্রদর্শিত
করেছেন (6,132 পয়েন্ট)   31 ডিসেম্বর 2025 "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প         ৷   পবিত্র_ভালোবাসা❤️
          পর্ব_২৯

(দুঃখিত, ব্যাস্ততার কারনে এই পর্বটি পোস্ট করতে একটু দেরি হয়ে গেছে)

তুমি আমার একটি কাজ করবে  যখন মৃত্যু বরণ করবো আর আমাকে গোসল করার সময় যখন কবর দেওয়া হবে তখন কবরের উপর লিখে দিবে..

✍️"পার্থিব বা দৈনন্দিনের জীবনে কি কোনো কাজে আসতে পারে।নামাজ ব্যাতিত পৃথিবীর সফলতা আখিরাতের কোনো কাজে আসবে না। কারণ আল্লাহ তায়ালা ইহকাল এবং পরকালে পৃথিবীর সকল কাজের হিসাব নিবেন। যদি ভালো কর্ম করে থাকেন তাহলে ফল পাবেন।আর যদি খারাপ কর্ম করে থাকেন তাহলে খারাপ ফল পাবেন।"

আর এই কথা গুলো লিখে দেওয়ার পর ,পরপর তিনদিন আমার কবরের কাছে যাবে,,,,,

কিছুদিন পর ওই ঈমানদার ব্যাক্তির মৃত্যু হয়। ওনার মৃত্যুর পর ব্যাবসায়ী ভাই প্রতিদিন তার কবরের পাশে গেলেন। এবং সর্ব শেষ দিনে তিনি যখন তার ভাইয়ের কবরের কাছ থেকে চলে আসতে  লাগলেন,,,,,তখন জোড়ে একটু আওয়াজ শুনতে পেলেন, এবং সেই আওয়াজ শুনে তিনি ভয়ে আটকে যান আর সেইখান থেকে দৌড়ে চলে আসেন। ঘরে পৌঁছানোর পর তিনি যখন রাতে ঘুমিয়েছিলেন তখন তিনি স্বপ্নে দেখলেন যে, তখন তার ভাই বলছে আমি মানুষকে দান করতাম না তার কারণে আমি কবরে শাস্তি ভোগ করছি এই স্বপ্ন দেখার পর ওই ব্যাক্তি তার সমস্ত সম্পদ বিলিয়ে দিয়ে সব আরাম আয়েস ত্যাগ করে দিয়ে আল্লাহ তায়ালার ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত করলেন আর মুসাফিরদের সাথে চলতে লাগলেন। তিনি এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় সফর করে বেড়াতেন। আল্লাহ তায়ালার পথে ইবাদত করতে করতে যখন তিনি তার শেষ নিঃশ্বাস গুনছিলেন তখন তার ভাই কে খবর দেওয়া হলো , তার ভাই আসার পর সে তার ভাই কে শুধু বললো,আমার একটি শখ তুমি পূরণ করবে যখন আমি মৃত্যু বরণ করবো আর যখন আমাকে গোসল করিয়ে কবর দেওয়া হবে তখন আমার কবরের উপর এই কথা টুকু লিখে দিবে,,,

✍️প্রকৃতি পক্ষে আসল মানুষ তো সে যে চিন্তা করে যেকোনো সময় তার মৃত্যু হয়ে যেতে পারে যেকোনো সময় তার ক্ষণিকের বসবাসের স্থান এই পৃথিবীর মায়া ছেরে তার আখিরাতের যাত্রার সাথে তার কবরে শাহিত হতে হবে।

আর আমার মৃত্যুর তিনদিন পর্যন্ত তুমি আমার কবরে সাক্ষাৎ করতে যাবে,

ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার কথা মতো তার ঐ ভাই তিনদিন তার কবরে গেলো। এবং শেষদিন তার কবরে একটি শব্দ শুনতে পেলো। সেই শব্দ শোনার পর তিনি ভয়ে সেইখান থেকে চলে গেলেন।

যখন তিনি রাতে ঘুমালেন আর তখন স্বপ্ন দেখলেন তার ভাই তাকে বলছে,
এই পৃথিবীর মায়া বেশিদিন করো না ভাইয়ের এই কথা শুনে সে স্বপ্ন থেকে জেগে উঠলো, সে তার সন্তানদের সকল সম্পত্তি বণ্টন করে আল্লাহর কাছে নিজের জীবন সমর্থন করে দিয়ে তার ধ্যানে মশগুল হয়ে গেলেন।

এইভাবে কিছুদিন কেটে যাবার পর,,,,,
যখন তার জিবনে প্রদীব নিবে যাবার পথে  তখন তিনি তার ছেলেদের ডাকলেন,,,

তিনি তার ছেলেদের বললো,,,

আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি বর্তমানে আমার কাছে আর কিছুই নেই যা তোমাদের দিতে পারবো।বাবা হিসেবে আমার শেষ ইচ্ছা,তোমরা আমার কবরে লিখে দিবে ,,,

✍️ভয় হয় না কেনো সেইসব মানুষদের যারা বুঝতে চায় না কিছুদিন পরেই তার যৌবন বৃদ্ধে  পরিণীত হবে। শরীলের সকল সুন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে এবং চামড়া কস্কে যাবে। ✍️

বাবার কথা মতো ওরা ওদের বাবার কবরে এইটা লিখে দিলো।

এই গল্প দ্বারা বুঝানো হয়েছে, পৃথিবীতে তুমি তোমার কাজ কর্ম সেরে ফেলো ইবাদত করো দান করো কখন যে তোমার বা আমাদের সবার জীবন শেষ হয়ে যাবে আমরা বলতেও পারবো না। তাই নামাজ কুরআন আর অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি দান করা উত্তম।  কারণ আমরা হইতো ভালো আছি কিন্তু আমাদের আসে পাশে থাকা অনেক মানুষই আছে যে তারা ভালো নেই তাই ওদের সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব।

জান্নাত: ঠিক বলছিস ইসু পাখি।

মিশু: সত্যিই ইসরাত তোমাকে যদি দেখি ততো অবাক হই। আর ঠিক কথাই বলেছো শুধু নামাজ না সাথে আমাদের গরীব মানুষদের দান করা উচিত।

মিশু ও খুব সহজে ইসরাতের সাথে মিশে গেলো.....

রাতে....
মিশু তিয়াসকে ফোন দিল...

ওই শুনেন আপনি আমাদের বিয়ের কথা নিয়ে পাপার সাথে কথা বলবেন?

তিয়াস: আমি কি ভুল শুনছি নাকি স্বপ্ন দেখছি

মিশু: স্বপ্ন না সত্যি আর শুনেন আমি আর কথা বলবো না একদম বিয়ের পর কথা বলবো সো যত তাড়াতাড়ি পারেন কথা বলেন। আল্লাহ হাফেজ (বলেই ফোন কেটে দিলো)

কি মেয়েরে বাবা কথা শেষ না হতেই রেখে দিলো। কিন্তু আজ এত ভালো কিভাবে হলো। (ভাবতে লাগলো)

এইভাবে চলতে চলতে জান্নাতের বিয়ের তারিখ চলে আসলো আর এই মাঝে মেরির সাথে ঈশানের আর কোনো কথা হয় নি।

বিয়ের দিন.....

ঈশান: ওই তুমি আজ কি পড়বে?

ইসরাত: শাড়ি তো পড়বো আর আমরা মেয়েরা মিলে ঠিক করেছি কি কি করবো আজ।

ঈশান: তোমার জন্য এই শাড়িটা এনেছি আজ এইটা পড়বে।

ইসরাত: কিন্তু...

ঈশান: কোনো কিন্তু না।

ইসরাত শাড়িটা খুলে দেখলো কলা পাতা রঙের একটা শাড়ি আর কিছু কসমেটিক।

ইসরাত তাই শাড়ি পড়ে রেডি হয়ে চলে গেলো জান্নাতের সাথে....

মিশু: মাশাআল্লাহ ইসরাত খুব ভালো লাগছে তোমাকে বাই দা ওয়ে ঈশান দিয়েছে বুঝি(মুচকি হেসে).

ইসরাত: হুম।

জান্নাতের বিয়ের সব কাজ শেষ এখন বিদায়ের পালা...

জান্নাত আর ইসরাত তো কান্না করেই যাচ্ছে যাকে বলে কোনো সাগর বানিয়ে ফেলা।

ঈশান: ওই এইভাবে কান্নার কি আছে(নিজেকে কন্ট্রোল করে)

জান্নাত: ভাইয়া.... (কান্না শুরু করে দিল)

ঈশান আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলো না সেও কান্না করে দিলো,,,, নিজের একটা মাত্র বোন কলিজার টুকরো কত খুনসুটি কত ঝগড়া করেছে দুই ভাই বোন তো একে  ওপর কে ধরে কান্না করেই যাচ্ছে ঠিক এমন সময় কেউ বলে উঠলো....

বাহ ভালোই তো এখন  বোনকে জড়িয়ে কান্না করা হচ্ছে আর এইদিকে আমার এত বড় সর্বনাশ করে।

রুমের ভিতর ইসরাতের আব্বু আম্মু ঈশানের আম্মু আব্বু আর কিছু মহিলা আত্মীয় স্বজন ছিলো সবাই এই কথাটা শুনে পিছনে তাকিয়ে মেরি কে দেখতে পেলো।

ঈশান তো রীতিমত চমকে গেলো মেরিকে দেখে....

মেরির দৌড়ে এসে সবার সামনে ঈশান কে জড়িয়ে ধরলো.....

চলবে....

বানান ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

Next part coming soon. InshAllah

Ctp by:
#al_mamun_reja✍️
আমি আল-মামুন রেজা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 11 মাস 1 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 301 টি লেখা ও 28 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 6132। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
ধারাবাহিক গল্প,
Enolej ID(eID): 2556
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প-৩১    পবিত্র_ভালোবাসা ❣️   পর্ব_৩৩(শেষ পর্ব) ঈশান কে কবরের তিনটি প্রশ্ন করা হলো.... কিন্তু সে একটার ও উত্তর দিতে পারলো না।তখন তার শাস্তি শুরু হয়ে গেলো। অনেক বড় বড় সাপ এস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
221 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক  ধারাবাহিক গল্প    #পবিত্র_ভালোবাসা ❣️ পর্ব_৩২ এই কথা শুনে তো সবার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে ইসরাত তো প্রায় জ্ঞান হারানোর পথে.... ইসরাত: বাবা এখন ওনি কোথায় ওনি কি ঠিক আছে। বাবা আমি ওন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
167 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প            পবিত্র_ভালোবাসা ❣️         পর্ব_৩১ কি হয়েছে কি মেরি কি হয়েছে তোমার?নাঈম বললো... মেরি: প্লিজ আগে আমায় একটু পানি দেও(খুব ভয় পেয়ে) নাঈম  মেরি কে পানি দিলো আর মেরি এক [...] বিস্তারিত পড়ুন...
160 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসালামিক ধারাবাহিক গল্প    ❤️পবিত্র_ভালোবাসা        পর্ব_৩০ মেরি দৌরে এসে সবার সামনে ঈশান কে জড়িয়ে ধরলো..... ঈশান: কি করছো কি মেরি? সবাই আছে এইখানে ছাড়ো বলছি। মেরি: কেনো ছাড়বো আমি হুম। আর তুমি �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
166 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প    পবিত্র_ভালোবাসা ❣     পর্ব_২৭ (Romantic part) ওয়াশরুম থেকে বের হতেই দেখলো ঈশান গরম পানি নিয়ে বসে আছে ইসরাত: এইসব কি ঈশান: দেখতেই তো পাচ্ছো । শোনো বেশি কথা না বলে নিজের যত্ন নে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
166 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2244 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    111 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    904 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    45 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. Mayabi Ilmaz Megh

    828 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    41 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. রফিক আতা

    367 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    18 টি আইডিয়া ব্লগ

...