Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পবিত্র ভালোবাসা ;পর্ব-২৪

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
19 বার প্রদর্শিত
করেছেন (5,796 পয়েন্ট)   31 ডিসেম্বর 2025 "ইসলামিক গল্প" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প
        পবিত্র_ভালোবাসা ❣️
        পর্ব_২৪

ঈশান: বলছিনা দূরে যাও(ধমক দিয়ে)

ইসরাত ভয়ে দূরে চলে গেলো....

ঈশান: ভালো ভালো কথা বলছি বলে ভেবে না আমার মেরি কে নিয়ে কিছু বললে কিছু বলবো না। তুমি জাস্ট আমার ফ্রেন্ড।

ইসরাত মাথায় নাড়িয়ে বললো ...

আমার ভূল হয়ে গেছে।

ঈশান: ইটস ওকে (এই সময় ঈশানের ফোন বেজে উঠলো ফোনের দিকে তাকিয়ে দেখলো মেরির নাম ভেসে আসছে তাই সে ফোন টা হাতে নিয়ে রিসিভ করলো) হেলো মেরি ডার্লিং আমার দুনিয়া আমার ভালোবাসা কেমন আছো?

ইসরাত এইসব শুনে রুম থেকে বের হয়ে জান্নাতের রুমে চলে গেলো....

ঈশান: আসলে বুঝতেই তো পারছো ছয় মাসের আগে ডিভোর্স হবে না তাই যতদিন ওর সাথে আছি ততদিন একটু ভালো ব্যাবহার করি আর মেয়েটা কিন্তু অনেক ভালো।

ফোনের ওপাশ থেকে একটা ঝাঁঝালো কণ্ঠ ভেসে আসলো....

ইউ আর মেড ঈশান। তুমি ওই মেয়েটাকে ভালো বলছো। আমি কি ঠিক শুনছি। ওই মেয়ের জন্য আমরা এখন আলাদা আর তুমি কিনা ওই মেয়েকে ভালো বলছো। ওই মেয়ে যদি এতটাই ভালো হয় তাহলে আমার সাথে রিলেশন করতে চাচ্ছো কেনো?

ঈশান: ওকে যাও তুমি যা বলবে তাই হবে তাও জানু রাগ করো না

হুম,,শোনো...

ঈশান: বলো....

আমার কিছু টাকা লাগবে ওই যে বলছিলাম না তানু বেবির জন্মদিন ওকে গিফট দিতে হবে আর আমি চাই সবচেয়ে বড় আর দামী গিফট আমিই দিবো আমার উপরে কেউ থাকবে না।

ঈশান: ওকে বেবি তুমি যা চাও তাই হবে

উম্মাহ ডার্লিং

অন্যদিকে....

ইসরাত: কিরে মন খারাপ করে বসে আছিস কেন?

জান্নাত: তো কি করবো?

ইসরাত: তুই কি এই বিয়েতে রাজি না (ও আপনাদের তো বলা হয় নি জান্নাত ওইদিন ওর বাবা কে বলেছে যে ওনারা যা চায় তাই করুক ওনাদের মতামতই ওর মতামত)

জান্নাত: বিয়েতে রাজি কিন্তু কার সাথে বিয়ে হচ্ছে তাও তো জানতে পারলাম না (মুখ ফুলিয়ে)

ইসরাত: আমি শুনেছি ছেলেটি আমাদের আত্মীয়র ভিতরেই

জান্নাত: নাম কি?

ইসরাত: আমি তো জানি না।

জান্নাত: দূর ছাই কিছুই ভালো লাগছে না।

ইসরাত: আরেহ বোকা মেয়ে মন খারাপ না করে আল্লাহ তায়ালা কে বল যেনো যা হয় ভালোর জন্যই হয়।

জান্নাত: হুম।।।। এই আশায় তো বেছে আছি।

ইসরাত ঈশান ও জান্নাত দুইদিন ইসরাতের বাবার বাসায় থাকলো এর মাঝে বেশি কোনো সমস্যা হয় নাই কেননা ঈশান এখন ইসরাত কে ভালো একজন বন্ধুই ভাবে।

ঈশানের বাসায়.....

ঈশান: অফফ বাঁচলাম নিজের বাসার মতো শান্তি অন্য বাসায় নেই। বাই দা ওয়ে ইসরাত,,,,তোমার আম্মুর রান্না কিন্তু সেই আমি তো ভাবছিলাম আসার সময় কিছু নিয়ে আসি।

ঈশানের কথা শুনে ইসরাত হেসে দিলো আর তার দুই বাঁকা দাঁত বের হয়ে আসলো দেখতে একদম পিচ্ছি পিচ্ছি লাগছে ঈশান ইসরাতের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে.......

ঈশান একটা ঘোরে চলে গেলো আর এক পা এক পা করে ইসরাতের দিকে এগুতে লাগলো....

ইসরাত এতক্ষণ ধরে খেয়াল করলো ঈশান ওর খুব কাছে চলে এসেছে তাই সে পিছনে যেতেই ঈশান ওর কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো....

ইসরাত: কি করছেন কি আপনি ছাড়েন বলছি

ঈশান: এত সুন্দর একটা মানুষ কিভাবে হয় (ঘোরে বলতে লাগলো)

ইসরাত ভালো মতই বুঝতে পারলো ঈশান এখন নিজের মধ্য নেই তাই সে নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো যতই ওর স্বামী হোক ঈশান ওকে এখনও মন থেকে মেনে নেই নি আর এখন যে ঈশান নিজের মধ্যে নেই সে খুব ভালই বুঝতে পারলো আর ঈশান যে এখন ড্রিঙ্কস করেছে তা ঈশানের মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে আর বিশ্রী একটা গন্ধ আসছে ইসরাতের তো এখন খুব খারাপ একটা অবস্থা ও পারছে না এইখানেই বমি করতে.....

ঈশান ইসরাতের মুখের কাছে মুখ আনতেই.....

ওয়াক্ থু থু ওয়াক্ক্কক্ক্ক(বমি করে দিলো ঈশানের গায়ে)

ইয়াক ছিঃ ছিঃ এই কি করেছো তুমি(বলে ও বমি করে দিলো যেহেতু ড্রিঙ্কস করেছে)

দুজনের একটা যাচ্ছে তাই অবস্থা......

ঈশানের দাদী যেনো কি একটা কাজে ওদের রুমে আসতেই দেখে ওদের এই নাজেহাল অবস্থা তাই সে মুখে কাপড় দিয়ে জোরে জোরে কাজের মেয়ে কে ডাকতে লাগলো.....

আর ইসরাত দৌড়ে বাথরুমে চলে গেলো....

ইসরাত ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে জান্নাত ঈশান কে লেবুর রস খাওয়াচ্ছে

দাদিমা: আরেহ তোদের দুইটার এই অবস্থা কেনো? ঈশানের তাতো বুঝতে পারছি যে মদ খাইছে কিন্তু তুই কেনো বমি করলি(মুচকি মুচকি হেসে)

ইসরাত: আমি তো ওনার মুখের গন্ধ পেয়ে বমি করে দিছি ওয়াক থু কি একটা বাজে গন্ধ....

জান্নাত: মুখের গন্ধ তোর মুখে কেনো আসবে?

ইসরাত: আরেহ ওনি তখন আমার কাছে এসে ওনার মুখ আমার মুখের কাছে আনতেই(ইসরাতের এতক্ষণে মনে পড়লো ও কি বলেছে তাই লজ্জায় মুখ নিচু করে ফেললো)

জান্নাত আর দাদী তো হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে ইসরাতের মুখ দেখে...

দাদিমা: আরেহ লজ্জা পেতে হবে না। ঈশান ঠিক ওর দাদার মতো হয়েছে যাকে বলে একদম রোমান্টিক....

জান্নাত আর ইসরাত ছোটো ছোটো চোখে ওদের দাদীর দিকে তাকালো.....

দাদিমা: তোদের দাদাও এমন করতো সারাদিন অফিস বাদ দিয়ে আমার কাছে বসে থাকতো আর বলতো ফুলবানু তুমি সত্যিও গো ফুলের মতো দেখতে তাই মন চায় না অফিসে গিয়ে কাজ করি মন চায় সারাদিন তোমারে দেখি(ওনি বলছে আর লজ্জায় মুখ নিচু করছে)

জান্নাত: হায় হায় দাদা তো দেখি আমার ক্রাশ আমানের মতো হয়ে গেছে।

দাদিমা: আমান কে?

জান্নাত: আরেহ বুঝো না ওই যে হিন্দি নাটক ইয়আহ্ জাদু হায় জীন কা নাটকের আমান। ওই তো আমার ফাস্ট ক্রাশ...

ইসরাত: যাকে তুই ক্রাশ বলছিস ইসলামে তাকে চোখের যিনা বলে।

জান্নাত: হুম তাই তো  এতে তো আমার চোখের পর্দা নষ্ট হচ্ছে আর করবো না এমন।

ওরা অনেক কথা বার্তা বলে যে যার রুমে চলে গেলো....

বিকালে.......

ডেড ডেড (চিল্লিয়ে)

ঈশানের বাবা: কি হলো এইভাবে চিল্লাচ্ছো কেনো?

ঈশান: তুমি জান্নাতের বিয়ে ঠিক করেছো ভালো কথা আমায় কিছু বলো নাই কেনো? আমার কি ওর বিয়ের খবর টা জানার অধিকার নাই। আমি তো ওর ভাই....

ঈশানের বাবা: তুমি কি ওর ভাই হবার যোগ্য রেখেছো? তুমি কি একদিনও খুঁজ নেও তোমার বোন কেমন আছে বা কি করছে...

ঈশান: খুঁজ নেই না বলেই তো আজ কার সাথে বিয়ে তার নাম জানতে গিয়েছিলাম......

চলবে.....

Next part coming soon

Ctp by:
#al_mamun_reja
আমি আল-মামুন রেজা, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 285 টি লেখা ও 28 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 5796। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
ধারাবাহিক গল্প,
Enolej ID(eID): 2551
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প-৩১    পবিত্র_ভালোবাসা ❣️   পর্ব_৩৩(শেষ পর্ব) ঈশান কে কবরের তিনটি প্রশ্ন করা হলো.... কিন্তু সে একটার ও উত্তর দিতে পারলো না।তখন তার শাস্তি শুরু হয়ে গেলো। অনেক বড় বড় সাপ এস[...] বিস্তারিত পড়ুন...
38 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক  ধারাবাহিক গল্প    #পবিত্র_ভালোবাসা ❣️ পর্ব_৩২ এই কথা শুনে তো সবার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে ইসরাত তো প্রায় জ্ঞান হারানোর পথে.... ইসরাত: বাবা এখন ওনি কোথায় ওনি কি ঠিক আছে। বাবা আমি ওন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প            পবিত্র_ভালোবাসা ❣️         পর্ব_৩১ কি হয়েছে কি মেরি কি হয়েছে তোমার?নাঈম বললো... মেরি: প্লিজ আগে আমায় একটু পানি দেও(খুব ভয় পেয়ে) নাঈম  মেরি কে পানি দিলো আর মেরি এক [...] বিস্তারিত পড়ুন...
27 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসালামিক ধারাবাহিক গল্প    ❤️পবিত্র_ভালোবাসা        পর্ব_৩০ মেরি দৌরে এসে সবার সামনে ঈশান কে জড়িয়ে ধরলো..... ঈশান: কি করছো কি মেরি? সবাই আছে এইখানে ছাড়ো বলছি। মেরি: কেনো ছাড়বো আমি হুম। আর তুমি �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
18 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

ইসলামিক ধারাবাহিক গল্প        ৷   পবিত্র_ভালোবাসা❤️           পর্ব_২৯ (দুঃখিত, ব্যাস্ততার কারনে এই পর্বটি পোস্ট করতে একটু দেরি হয়ে গেছে) তুমি আমার একটি কাজ করবে  যখন মৃত্যু বরণ করবো আর আমাকে গোসল ক�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
19 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    932 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    46 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...