#হিন্দু_শাস্ত্রে_বহু_বিবাহ_বা_বহু_পত্নি_রাখার_দলীল
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
আজকে আমি আপনাদের সামনে সনাতন শাস্ত্র কিতাব থেকে দলীল দিবো যে হিন্দু ধর্মেও একের অধিক বিবাহ সিদ্ধ । অর্থাৎ কতিপয় হিন্দু যে হিন্দু ধর্মে এক বিবাহ সিদ্ধ বহু বিবাহ না এবং ইসলামে বহু বিবাহ একটা বাতিল ও বর্বর আইন তা আজ রদ করব ইনশাআল্লাহ ।
হিন্দু ধর্মে যে একের অধিক পত্নি সিদ্ধ তা আমার তুলা ছবিতেই দেখতে পাচ্ছেন ।
রেফারেন্স -
মনুসংহিতা -৯/১৮৩ ও
মনুসংহিতা -৯/১৪৯
( মনুসংহিতা সুলভ সংস্করণ : বঙ্গানুবাদক- মানবেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়; বলরাম প্রকাশনী...)
[ বিশেষ খন্ডন :
কিছু ঘাড় ত্যাড়া হেদু মাল এসে দুটো দাবি এখন করতে পারে
১. মনুসংহিতা এর শ্লোক প্রক্ষিপ্ত
২. মনুসংহিতা কলি যুগে বাতিল
আল জওয়াব-
* মনুসংহিতা এর শ্লোক প্রক্ষিপ্ত না, কেননা মনুসংহিতা তে যেসব শ্লোক আছে এবং এরকম বিভিন্ন শাস্ত্রীও গ্রন্থে যে শ্লোক তা পরমেশ্বর এর শ্বাস হতে উৎপন্ন ( বৃহদারণ্যকোপনিষদ-২/৪/১০: উপনিষদসমগ্র ৩/১৬৪-১৬৫; স্বামী গম্ভীরানন্দ সম্পাদিত ; উদ্বোধন কার্যালয় কলকাতা ; ২৮ তম পুনর্মুদ্রণ....) আর ইশ্বর হতে যে শ্লোক এসেছে তা প্রক্ষিপ্ত বলে উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই, যদি তারা এই শ্লোক না মানেন তাহলে বলব যে বেদও যেন না মানে কারন এই একই ( ঐ-২/৪/১০) এতে বেদকও ইশ্বর হতে উৎপত্তি হয়েছে বলে মত দেওয়া হয়েছে....। তাই বেদের মন্ত্র মানবে কিন্তু এসব সংহিতার শ্লেক মানবে না তা হয় না কখনো.....
* মনুসংহিতা কলি যুগে বাতিল না বরং এটা চার যুগের যুগের অর্থাঞ কলি যুগের জন্যও..( উত্তর মীমাংসা: অধ্যায়-২/পাদ-১/ সূত্র -২..)
আশা করি কথা ক্লিয়ার ]
[ উল্লেখ্য আমার অনুমতি ব্যাতিত এই লেখার কোনো অংশ বা রেফারেন্স কপি করা বৈধ নয়.. আর এসব গবেষণাতে অনেক বই কিনতে হয় + শ্রম আর টাকা দুটোই লাগে। তাই কেও বিনা ক্রেডিট এতে এটা কপি করবেন না। কপির সময় অবশ্যই #প্রিন্স_ফ্রেরাসে হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করবেন আশা করি ]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।