Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
165 বার প্রদর্শিত
করেছেন (4,276 পয়েন্ট)   13 ডিসেম্বর 2025 "শিক্ষা" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
আপনার সন্তানকে কখনোই দেখার সাথে সাথেই জিজ্ঞেস করবেন না," তোমার পড়াশোনা কেমন চলছে? পরিক্ষার কি খবর?"আমরা প্রায়ই খাবার টেবিলে কিংবা সন্তানের সাথে দেখা হওয়ার সাথে সাথেই এই প্রশ্ন গুলো করি৷ আমাদের কাছে এটি স্বাভাবিক মনে হতে পারে৷ কিন্তু একটা সময় আসে,যখন সন্তান আপনাকে ভয় পেতে শুরু করবে,আপনাকে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে৷ 

আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলি৷ ছোটবেলায় আমি যেকোনো কথাই বাবা মার সাথে ভাগ করতাম৷ বাবা বাসায় এলে উৎফুল্ল হয়ে দৌড়ে যেতাম৷ কিন্তু এখন এমন হয়েছে যে ১০টাকা লাগলেও বাবা বা পরিবারের কাছে সহজে চাই না৷ যদিও আমি জানি দশ টাকা চাইলে বাবা হয়তো পঞ্চাশ টাকা দিবে৷ কিন্তু বাবাকে দেখলেই নিজেকে লুকিয়ে রাখি৷ কেন? কারণ আমাদের ছোট বেলায় বাবা মা যেমন বকা দিয়েছে,তার প্রভাব এখনো রয়েছে৷ 

উদাহরণসরূপ : খাওয়ার সময় ও যদি বাবা মা বলেন–

"তুমি তো কিছু খাওয়াও শিখো নাই৷ দেখোতো ওমুকের মেয়েটা কত সুন্দর সব কিছু খায়৷ আসলে তোমরা পাও তো তাই গায়ে লাগে না৷ ওমুকের মেয়েটা কিছু বাছে না সব খায়৷ আর তোমার এটা খাওয়ার সিস্টেম হলো?"

এই ধরনের কথা সন্তানের মনে কষ্ট দেয়৷ খাওয়া হলো শান্তির মুহূর্ত৷ সেই সময়ও যদি সন্তানকে অপমান,তুলনা করা হয়,তা তার উপর গভীর প্রভাব ফেলে৷ খাওয়ার সময় শুধু একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করা যায়,কিন্তু এর মানে এই নয় যে–সেই সময় সন্তানকে খাওয়া,পড়াশোনা, গোসল,পরিক্ষা ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন করা হবে৷ 

আপনি যদি নিজে বিশ্বাস করতে না পারেন,আপানার সন্তান ও বিশ্বাস শিখবে না৷ অনেক বাবা মা চায় সন্তান পরিক্ষায় অনেক এবং সবথেকে ভালো করুক৷ কিন্তু এর মানে এই নয় যে সন্তান সবসময় ভালো করবে৷ ছোট বেলায় পরিক্ষা হলে যখন বাবা মা জানতে চান কেমন হয়েছে পরিক্ষা?ভালো হলে ভালো বলতাম আবার খারাপ হলেও সাহস নিয়ে সত্য বলতাম যে খারাপ হয়েছে৷ বাবা মা তখনই শুরু করতো প্রশ্ন :

কেন খারাপ হলো? তোমার বান্ধবী সব পেয়েছে তুমি কেন পেলে না? পড়ো নাই? এগুলো কোনো কথা সহজ উত্তর পারো নাই? ইত্যাদি৷ 

এই ধরনের প্রশ্ন শিশুর মনোবল ভেঙে দেয়৷ ফলে শিশু শেখে সত্য বললে বকা খেতে হয় সুতরাং মিথ্যা বলাই নিরাপদ৷ 

এইভাবেই সন্তান বড় হয়ে জীবনের যেকোনো সমস্যার কথা আপানাকে আর বলবে না৷ বললেও বলে ' কোনো কিছু হয় নি,আমার সব ঠিক আছে৷ এর জন্য তার দোষ নেই কারণ আপানার সন্তান কে আপনি সত্য বলা শিখালেও আপনারই ব্যবহার এ সে সত্য ভয়ে পেয়ে মিথ্যা বলে নিজেকে রক্ষা করতে  শিখেছে৷

আমাদের বাবা মা আমাদের জন্য অনেক ত্যাগ করেন,এটি সত্য৷ কিন্তু শুধু টাকা,সময়,বা সারাক্ষণ বকা-শাসন করলেই সন্তান ভালো হয় না৷ সন্তানের নিজের অনুভূতি, স্বাধীনতা এবং বিশ্বাস বজায় রাখাও খুব জরুরি৷ 

আপনি চাইলে সন্তানের সঙ্গে খেলাধুলার কথা বলুন,তাদের সঙ্গে সম্পর্কটা ধীরে ধীরে গড়ে তুলুন৷ খাওয়ার সময়, পড়াশোনার সময় বা যেকোনো মুহুর্তে চাপ দেওয়ার বদলে উৎসাহ দিন,বিশ্বাস দিন৷ শিশুর মনে নিরাপত্তা তৈরি করুন৷ তখনই তারা সত্য বলবে,ভুল করলেও বলবে বুঝবে,আপনাকে বিশ্বাস করবে৷ 

ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে বুঝাই _

আমার ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে৷ যখন বলতাম আজকে স্যার প্রাইভেট বন্ধ দিয়েছে৷ বাবা বলতো' দেখি নিপুকে কল দেই,আসলেই বন্ধ দিয়েছে কিনা?'''তুৃমি তো ছোট কি বুঝছো না বুঝেছো!"

ঠিক এই ধরনের আচরণ এই বাচ্চার সাহস কেটে যায়৷ ফলে এখন আমি আর কিছু বলি না,কোনো কথা ভাগ করিনা৷ যদিও কেউ কিছু বলবে না কিন্তু সাহস টা চলে গেছে৷ 

আপনি সন্তানকে সত্য বলা শিখাচ্ছেন কিন্তু যদি নিজের আচরণ এ সন্তান কে মিথ্যা শেখান,তা তার উপর গভীর প্রভাব ফেলে৷ সত্য বলার মাধ্যমে শিশু নিজেকে নিরাপদ মনে করে,কিন্তু সত্য বললেই বকা বা সন্দেহ প্রকাশ করলে সে মিথ্যা বলতে বাধ্য হয়৷ 

আমাদের সন্তানকে ভালেবাসা,সম্মান ও স্বাধীনতা দেওয়া প্রয়োজন৷ শুধু ধন,সময়,আর কঠোর নিয়ম দিয়ে তারা ভালে হবে না৷ তাদের মনের শান্তি, বিশ্বাস এবং নিরাপত্তা বজায় রাখাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা৷ 

নাহলে আপনার সন্তানও সত্য কে ভয় পেয়ে মিথ্যার আশ্রয়ই নিরাপদ  মনে করে বাঁচতে শিখবে৷ 
আমি Mayabi Ilmaz Megh, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 9 মাস 4 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 206 টি লেখা ও 69 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 4276। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া
Enolej ID(eID): 1933
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


জীবনসঙ্গী—শুধু একজন মানুষ নয়, বরং একজন সহযাত্রী, যার সঙ্গে কাটবে ভবিষ্যতের প্রতিটি[...] বিস্তারিত পড়ুন...
261 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

কখনো লক্ষ্য করেছেন, বাচ্চা কিছু বলতে গেলে আমরা কত তাড়াতাড়ি তার হয়ে কথা বলে ফেলি? অথবা কোনো কাজ করতে একটু দেরি হলেই আমরা নিজেই হাত বাড়িয়ে দিই। আমাদের মনে হয়—এটাই যত্ন, এটাই ভালোবাসা। কিন্তু এ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
132 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

চোখের সামনেই এসব ঘটে যেতে দেখি আমরা। কেউ বড়লোক ছিল, দিন দিন সে আরও বড়লোক হয়ে যায়, আর কে&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
139 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সন্তানকে ভালোবাসা মানে তাকে সবকিছু দেওয়া নয়। আসল ভালোবাসা হলো তাকে শেখানো কিভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হয়, নিজের পরিশ্রমকে মূল্য দিতে হয় এবং নিজের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রাখতে হয়। তাকে বোঝাও জী[...] বিস্তারিত পড়ুন...
119 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে কত নারী যে প্রাণ হারায়,তার হিসেব নেই। তবুও কি কখনও শুনেছেন কú[...] বিস্তারিত পড়ুন...
121 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    66 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  3. Adiba jannat

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    1 আইডিয়া ব্লগ

  4. রাকিব মুসাব্বির

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...