এর পিছনে তিনটা কারণ দায়ি -
১. আমার স্টাডি
২. নাস্তিকদের সাথে থেকে তাদের লেখাগুলো পড়া
৩. দীর্ঘ দিন ধরে তাদের বিভ্রান্ত এর নিরসনে নিজেই গবেষণা করা!
সর্বপ্রথম আমি পড়েছি!
২০২২ পযন্ত এবং ২০২৩ এর মাঝারি সময় পযন্ত আমি ওত লেখাও লেখতাম না যতটা এখন লেখতে পারি! আমি তখন ফেসবুক সহ বিভিন্ন মুসলিম ভাইদের লেখাগুলো ব্যাপক ভাবে পড়তাম। অনলাইন অফলাইনে নাস্তিকদের বিরুদ্ধে প্রায় সব ধরনের লেখাগুলো আমি পড়েছি আলহামদুলিল্লাহ । আমি সিনিয়ারদের লেখাগুলো পড়ে এটা বুঝার চেষ্টা করতাম যে তারা কি ভাবে জবাবগুলো দিয়ে থাকে। তাদের জবাব দেওয়ার কৌশল আয়ত্ত করার পর আমি একই সময়ে নাস্তিকদের অভিযোগগুলোর দিকেও খেয়াল করতাম যে তাদের লেখার এবং অভিযোগের ক্যাটাগরিগুলো কি রকম। প্রথম দিকে আমার আইডি কয়েক হাজার নাস্তিক ছিল। তাদের অনেকের পোস্ট এতে করা অভিযোগ গুলো আমি পড়তাম ধৈর্য্য নিয়ে। সেগুলো পড়ার পর আমি গুগলে শুরুর দিকে সার্চ করতাম আর অনেক জবাবও পেতাম। তারপর ধীরে ধীরে আমি তাদের অভিযোগ গুলো সরাসরি নিজেই যাছাই করা শুরু করি। আমার সামনে কোনো অভিযোগ আসলে সর্বপ্রথম আমি সেটার ক্যাটাগরি নোট করতাম, তারপর রেফারেন্স চেক করতাম। রেফারেন্স গুলো চেক করার পর আমি ৮০% উত্তর সহজেই পেয়ে যেতাম! মূলত নাস্তিকরা প্রধানত দু- ভাবে কাজ করে -
১. রেফারেন্স ভুল দেওয়া
২. রেফারেন্স ঠিক আছে কিন্তু কাটপিছ করা
তো বেশির রেফারেন্স চেক করে দেখতে পেতাম যে রেফারেন্স এতে বুঝিয়েছে একটা আর তারা কাটপিছ করে সত্য গোপন করে আমাদের বুঝায় আরেকটা। আমার অভিজ্ঞতা দ্বারা আমি এটা বুঝেছি যে অনলাইনে ৯৮% হলো জাহেল ও আধা জাহেলের পর্যায়ে। এরা একদমই পড়ে না বরং একজন আরেক জনেরটা কপি করে ছেড়ে দেয়। আর এদের পোস্ট এতে মিস ইনফরমেশন এর মাত্রা অনেক। তো এই ৯৮% এর জাহেলের মধ্যে ১০-১৫% কিছুটা শিক্ষিত আছে যারা অল্প হলেও পড়ে আর এদের যুক্তি কিছুটা উন্নত। তাদের পোস্ট এর জবাব দিতে গিয়ে কিছুটা বেশি সময় নিয়ে কাজ করতে হতো। আর বাকি % এদের অভিযোগ গুলো অনেকটা গভীর হতো! যেগুলোর জবাব দিতে গেলে মাথা বেশি ঘাটাতে হতো এবং অনেক বিষয় চেক করতে হতো। কয়েক বছর ধরে ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের বিরুদ্ধে কাজ করতে করতে এখন ওদের সকল ক্যাটাগরি আমার আয়ত্তে এসে পরেছে। আর ওদের অভিযোগ গুলো ঘুরে ফিরে একই রকম হয় শুধু মেথড ভিন্ন হয় কিছুটা...। দীর্ঘ সময় আমার স্টাডি + লেখালেখি করতে করতে করতে আমি এটা বুঝতে পেরে গিয়েছি যে আমার সামনে কোনো অভিযোগ আসলে আমার কি করতে হবে যদি জবাব না জানা থাকে আর কোথাও সেটার জবাব না দেওয়া থাকে তখন নিজেই কি করে জবাবটা লেখতে হবে...... ।
মানুষ মূলত লেখতে লেখতে বা কোনো কিছুতে ভুল করতে করতে একদিন সঠিকটা জানতে পারে
কেও কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করলে সে এক সময় তাতে দক্ষ হয়ে যায়!
আমি বর্তমানে এত তাড়াতাড়ি জবাব দেওয়ার পিছনের মূল কারণটা হলো দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে তৈরি করা।
যদি আমি প্রথম পদক্ষেপ না নিতাম বা শিখার ও লেখার আগ্রহ না রাখতাম তাহলে আমিও হয় তো সারাদিক টিকটক আর ফ্রি ফায়ার নিয়ে পরে থাকতাম......।
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।