হৃদয়ে স্থান পাওয়া কোরআনের আয়াত
১। “পৃথিবীতে যত জীব রয়েছে, তাদের রিজিকের দায় আল্লাহর উপর।”📖 (সূরা হুদ ১১:৬)
রিজিক মানুষের হাতে নয়, আল্লাহর হাতে। চেষ্টা করুন, কিন্তু মনে রাখবেন — রিজিক নিশ্চিত যিনি করেন, তিনি আল্লাহ।
২। “নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।
”📖 (সূরা আল-বাকারা ২:১৫৩)
যখন একটার পর একটা রিজেকশন,ব্যার্থতা আসে, হতাশ হবেন না। প্রতিটি দেরি হয়তো আরও ভালো সুযোগের জন্য।
৩। “মানুষ যা প্রচেষ্টা করে, তারই ফল সে পাবে।” 📖 (সূরা আন-নাজম ৫৩:৩৯)
যত বেশি প্রস্তুতি, তত বেশি সুযোগ। আপনার প্রচেষ্টার প্রতিদান আল্লাহ অবশ্যই দিবেন — হয় এখন, নয়তো আরও ভালোভাবে পরে।
৪। “যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।” 📖 (সূরা আত-তালাক ৬৫:৩)
আপনি আবেদন করুন, ভরসা রাখুন একমাত্র আল্লাহর কাছে উবু — কিন্তু ফলাফলের চিন্তা আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিন। তিনিই সেরা প্ল্যানার।
৫। “আল্লাহর রহমত থেকে কেবল অবিশ্বাসীরাই হতাশ হয়।”📖 (সূরা ইউসুফ ১২:৮৭)
আজ যদি সুযোগ না আসে, কাল আসতে পারে। আশা হারানো মানে সুযোগ হারানো।
৬।আমার সফলতা একমাত্র আল্লাহর হাতে।
সূরা হূদ,আয়াত:৮৮
৭।"নিরাশ হয়ো না, দুঃখিত হয়ো না, তুমিই জয় লাভ করবে যদি তুমি বিশ্বাসী হও"
(সূরা আল ইমরান-১৩৯)
৮।"যাকে আল্লাহ পথ দেখাবেন সে পথপ্রাপ্ত হবে,যাকে পথভ্রষ্ট করবেন সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে"!
(সূরা আল-আরাফঃ১৭৮)
৯।হতাশ হওয়া চলবে না-"বিপদের চূড়ান্ত পর্যায়ে আল্লাহর সাহায্য আসে।”
[সূরা ইউসুফ:-১১০]
১০।তোমাদের জাতির পিতা ইব্রাহিম (আঃ)
তিনি (আল্লাহ) তোমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম।
(সুরা হাজ্জ ৭৮)
১১।আল্লাহ বলেন, আমিতো কাছেই আছি,যখন কেউ আমাকে ডাকে,আমি তার ডাকে সাড়া দেই।
-আল-বাকারা ১৮৬
১২।"আমি তো ইচ্ছে করলে মেঘ থেকে লবণাক্ত পানি বর্ষণ করতে পারি, তাহলে তোমরা কেনো শুকরিয়া আদায় করো না!
[সূরা-ওয়াক্কিয়া-৭০]
১৩।"হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আর সত্যবাদীদের অন্তর্ভুক্ত হও"
~ তওবা ১১৯ ~
১৪।তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত,তুমি তোমার রবের ইবাদত করো।
[সূরা হিজর: ৯৯]
১৫।"আল্লাহ যদি রিযিক বন্ধ করে দেন তবে কে আছে, যে তোমাদেরকে রিযিক দিবে।" (সূরা আল মুলক, ২৯)
১৬।হে আল্লাহ!আমাকে হেদায়েত প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
[সূরা আশ শুআরা-৭৮-৮৫]
১৭। যারা মন্দ কাজ করে, তারা কি মনে করে যে, তারা আমার হাত থেকে বেঁচে যাবে? তাদের ফয়সালা খুবই মন্দ।"
[সূরা আল আনকাবুত:২-৪]
১৮।"তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকে সহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?"
[সূরা আল-মুলক, আয়াত: ১৬]
১৯।নিশ্চয়ই আমার নামায,আমার ইবাদত, আমার জীবন ও আমার মরণ, বিশ্ব-জগতের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য।
(সূরা আল আনাম-১৬২)
২০।"আল্লাহ ব্যাতিত তোমাদের কোনো বন্ধু ও সাহায্য কারী নেই"।
[সূরা বাকারাহ--১০৭]
২১।"নিশ্চয়ই, কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি ।"
[সূরা ইনশিরাহ : আয়াত ৫]
২২।'দুনিয়ার অধিকাংশ মানুষ সত্যকে অপছন্দ করে'
[সূরা মুমিনুন: ৭০]
২৩।“প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রাখে,
যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপনীত হও!”
[সূরা তাকাছুর-১,২]
২৪।"নিশ্চয় আমি কুরআন নাযিল করেছি, আর আমিই 'আল্লাহ' তার হেফাযতকারী"
[সূরা আল-হিজরঃ ৯]
২৫।-মানুষ কি ধরে নিয়েছে, সে মরে গেলে আমি তার অস্থিসমূহ আর কখনো একত্রিত করতে পারব না?
(সূরা আল ক্বিয়ামাহ:৩)
২৬।তুমি ফিরে এসো তুমার রবের প্রতি সন্তুষ্টচিত্তে সন্তোষভাজন হয়ে।
[সূরা আল ফাজর :২৮]
২৭।হে ঈমানদারগণ! তোমাদের প্রতি রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকেদের প্রতি ফরয করা হয়েছি!
📖 সূরা আল বাকারা :-১৮৩
২৮।আল্লাহ ছাড়া তোমাদের জন্য না আছে কোনো অভিভাবক, না আছে কোনো সাহায্যকারী।
(সুরাঃআত তওবা- ১১৬)
২৯।আর শীঘ্রই আপনার রব আপনাকে এত বেশি দিবেন যে, আপনি খুশী হয়ে যাবেন।
[আদ দুহাঃ আয়াত নং ৫]
৩০।আমি তোমাদের সাথেই আছি-আমি সবকিছু শুনি ও দেখি।
(সূরা: ত্ব-হা,আয়াত-৪৬)
৩১।"আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, আমি নিশ্চয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"
সূরা-হিজর (আয়াত:৪৯)
৩২।সবর কর, যতক্ষণ না আল্লাহ ফয়সালা করেন! আর তিনিই উত্তম ফয়সালাকারী!’’
[সূরা ইউনূসঃ ১০৯]
৩৩।❝তোমরা তাদের মত হয়ো না,যারা আল্লাহকে ভুলে গেছে, ফলে আল্লাহ তাদেরকে আত্মবিস্মৃত করেছেন।তারাইতো ফাসিক।❞
~[সূরা-হাশর;১৯]
৩৪।"আর যারা সবর করে,আল্লাহ তাদেরকে ভালবাসেন।"
সূরা আল ইমরান আয়াত:১৪৬
৩৫।"যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, অতঃপর সৎ পথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।"
(সূরা:ত্বহা,আয়াত: ৮২)
৩৬।হে বৎস, নামায কায়েম কর, সৎকাজে আদেশ দাও, মন্দকাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবর কর। নিশ্চয় এটা সাহসিকতার কাজ।
(সূরা লোকমানঃ১৭)
৩৭।‘হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, হে আমাদের রব, আর আমার দো‘আ কবূল করুন’।
[সূরাঃইব্রাহীম-৪০]
৩৮।"হে আমাদের রব!! যেদিন চুড়ান্ত হিসাব কায়েম হবে,সেদিন আমাকে, আমার পিতামাতাকে এবং সকল মুমিনগনকে ক্ষমা করুন।"
( সুরা: ইব্রাহিম ~৪১)
৩৯।তবে কি তারা আল্লাহর দিকে ফিরে আসবে না? আর তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে না? আর আল্লাহ যে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(সূরা মায়িদাঃ ৭৪)
৪০।যারা আমাকে পাওয়ার জন্য আমার রাস্তা তালাশ করে,,, তারা আমার রাস্তা যদি খুঁজে নাও পায়, আমি আল্লাহ স্বয়ং তাকে রাস্তা দেখিয়ে দেই,,,
(সূরাঃ-আনকাবুত:-৬৯)
৪১।চিন্তিত হওয়ার কারন নেই!
‘‘অবশ্যই তুমি পাবে, যা তোমার থেকে চলে গেছে তাঁর চেয়ে উত্তম!
(সূরাঃ আনফাল - ৭০)
৪২।তোমাদের মধ্যে কেউ দুনিয়া চায় আর কেউ চায় আখিরাত।
[সুরা আলে-ইমরান আয়াত নং ১৫২ ]
৪৩।আল্লাহ যদি আপনার কল্যাণ চান, তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার মতো কেউ নেই।
[সূরা ইউনুস : ১০৭]
৪৪।ঐ সকল বিশ্বাসীগন সফল যারা তার নামাজে আল্লাহর ভয়ে ভীত হয়।
(সূরা মুমিনুনঃ-১-২)
৪৫।তোমার তো ভয় করার কথা ছিলো আল্লাহকে, অথচ তুমি ভয় করছো মানুষকে!
-(সুরা: আহযাব - ৩৭)
৪৬।আর নিশ্চয় তোমার রব মানুষের প্রতি অনুগ্রহশীল; কিন্তু তাদের বেশীর ভাগই শুকরিয়া আদায় করে না।
(সুরা নামল-৭৩)
৪৭।যারা আমার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে চেষ্টা সাধনা করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব।
(আনকাবুত~৬৯)
৪৮।তুমি যাকে ভালোবাসো তাকে হেদায়েত করতে পারবে না তাকে সৎ পথে আনতে পারবে না।তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা হেদায়েত দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎ পথে আনেন।।এবং কে সৎ পথে আসবে তা তিনিই ভালো জানেন।।
(সূরা আল কাসাস, ৫৬)
৪৯।পরিপূর্ণ মানসিক শান্তি একমাত্র আল্লাহ দিকেই রয়েছে।
[ সূরা আর রাদঃ২৮]
৫০।আর যারা ( ভাল কাজে উৎসাহ প্রদানের) এই কাজ--(লোভ লালসা ও সুনাম অর্জনের উদ্দেশ্য ব্যতীত) শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যই করে, তাহাদিগকে আমি অতি সত্বর বিরাট পুরস্কার দান করিব।"
( সূরা নিসা, আয়াতঃ ১১৪)
৫১।অবশ্যই তুমি পাবে,যা তোমার থেকে চলে গেছে তার চেয়েও উত্তম কিছু!!
[ সূরা,আনফালঃ-৭০]
৫২।‘হে আদাম সন্তান! আমি কি তোমাদেরকে নির্দেশ দেইনি যে, তোমরা শয়ত্বানের ‘ইবাদাত করো না, কারণ সে তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন? আর আমারই ‘ইবাদাত কর, এটাই সরল সঠিক পথ।(কিন্তু তোমাদেরকে সতর্ক করে দেয়া সত্ত্বেও) শয়ত্বান তোমাদের বহু দলকে বিভ্রান্ত করে দিয়েছে, তবুও কি তোমরা বুঝ না?'
(সূরা ইয়াসিনঃ ৬০-৬২)
৫৩।মানুষ বলে, যার বাড়ি-গাড়ি আছে সেই সফল!
কুরআন বলে,"যে নিজেকে শুধরে নিয়েছে সেই সফল।"
[সূরা আশ-শামসঃ ৯]
৫৪।কেউ মুখ ফিরিয়ে নিলে জোরপূর্বক তাদের সঠিক পথে আনা তোমার দায়িত্ব নয়, তোমার দায়িত্ব শুধু বাণী পৌঁছে দেওয়া।
(সূরা নাহল: ৮২)
৫৫। তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত যে আল্লাহকে অধিক ভয় করে।
(সুরা : হুজরাত, আয়াত : ১৩)।
**।হে আমার প্রভু! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করবে, নিশ্চয় আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৪)
৫৬।“যে মুমিন অবস্থায় নেক আমল করবে, পুরুষ হোক বা নারী হোক, আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব এবং যা করত তার তুলনায় অবশ্যই আমি তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দেব”।
[সুরা নাহলঃ ৯৭]
৫৭।"যারা আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়, তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক আযাব"
সূরা তাওবা আয়াত ৬১
৫৮।"অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে৷"
(আন-নিসা, ১৭)
৫৯।,হে আমার রব! আমি তো কখনো তোমাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি,,।
(মারইয়াম: ০৪)
৬০।যারা তাক্বওয়া অবলম্বন করে শায়ত্বনের স্পর্শে তাদের মনে কুমন্ত্রণা জাগলে তারা আল্লাহকে স্মরণ করে, তখন তাদের ঈমান-চক্ষু খুলে যায়।"
[আল আরাফ ৭ : আয়াত ২০১]
কোরআনের আয়াত

সংগ্রহ- আল-মামুন রেজা
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।