আমি প্রধান চারটা ধর্মের ( ইসলাম, খ্রিষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ) ধর্মীওগ্রন্থগুলো পড়েছি আর আমি ইশ্বর সম্পর্কে এই ধারণা লাভ করেছি যে বৌদ্ধ ধর্ম অনুসারে ইশ্বর নিরাকার এবং ইসলাম,খ্রিষ্টান, হিন্দু ধর্ম অনুসারে ইশ্বর সাকার।
ইসলামের কোরআনে আল্লাহর হাত পা মুখমন্ডল এসবের কথা এসেছে, আবার হাদীসেও এই বিষয়ে বলা হয়েছে এবং আল্লাহর দীদার লাভের কথাও বলা হয়েছে যেটা জান্নাতে সবাই দীদার লাভ করব, তো এসব বিষয় গুলো সাবিত করে যে আল্লাহ নিরাকার নন...
তেমনি ভাবে খ্রিষ্টানদের বাইবেলের নতুন পুরাতন নিয়মের অনেক জায়গাতে ইশ্বরের হাত মুখ এসবের কথা এসেছে এবং ইশ্বরের দর্শন লাভের কথা এসেছে যা সাবিত করে যে বাইবেল অনুসারোও গড বা সদাপ্রভু নিরাকার নন সাকার...
তেমনি ভাবে সনাতন বেদ, উপনিষদ পুরাণ শাস্ত্র গুলোতেও ইশ্বরের হাত পা নাখ এবং তাদের অবয়বের বর্ণনা এসেছে যা প্রমাণ করে হিন্দু ধর্ম অনুসারে ভগবান নিরাকার নন সাকার...
আর বৌদ্ধ ধর্মের মহামুনি গৌতম বুদ্ধ বলেছেন ইশ্বর নিরাকার যেমনটা ত্রিপিটকে উল্লেখ আছে....
অর্থাৎ প্রধান চার ধর্মের বড় তিন ধর্ম বলে ইশ্বর নিরাকার নন আর বৌদ্ধ ধর্ম নিরাকারের পক্ষে মত দিয়েছে...
এই বিষয়ে আমি একটা রেফারেন্স ভিত্তিক লেখা লাগে খব ইনশাআল্লাহ যেখানে এসব ধর্মগুলোর শাস্ত্রীও কিতাবগুলো থেকে দলীলসহ এটা দেখবো যে ইশ্বর সাকার নাকি নিরাকার....
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।