Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বেদ কি ইশ্বর প্রদত্ত নাকি মানব রচিত?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
82 বার প্রদর্শিত
করেছেন (7,660 পয়েন্ট)   30 নভেম্বর 2025 "হিন্দু" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা 

#বেদ_মানব_ঋষিদের_দ্বারা_রচিত_ও_বিকৃত_হওয়ার_প্রমাণ  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

এক নজরে পয়েন্ট -

* বেদ থেকে প্রমাণ বেদ ঋষিদের থেকে তৈরি  

* বেদের ব্যাপারে ঋষি ও দর্শনের মত 

*বেদের বৈপরীত্যেের মাধ্যমে প্রমাণ বেদ মানব রচিত ও বিকৃত  

*বেদের বৈজ্ঞানিক ভুল দ্বারা প্রমাণ বেদ মানব রচিত 

* বেদ কি সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ?? 

* বেদ ইশ্বরের বাণী না হলে কার বানী?? 

* বেদ কী অবিকৃত??  

তো চলুন প্রশ্নগুলোর উত্তর তাদের শাস্ত্রের আলোকে যেনে নেওয়া যাক। 

পয়েন্ট -১ 

আমি সরাসরি বেদ মন্ত্র দ্বারা প্রথমে সাবিত করছি যে বেদ ঋষি দ্বারা রচিত।  

রেফারেন্স - 

১.মন্ত্র : সুতৃণবিশিষ্ট ধেনুর ন্যায় তোমাকে দোহন করিতে ইচ্ছা করিয়া, বসিষ্ঠ স্তোত্র সৃজন করিতেছেন। সমস্ত লোকে তোমাকেই গাভীগণের পতি বল; ইন্দ্ৰ, আমাদের সুস্তুতির নিকট আগমন করুন।( ঋগ্বেদ -৭/১৮/৪) 

২.মন্ত্র: হে ইন্দ্র! তুমি সকলের আদি; হে সুনেত্র বলবান ইন্দ্র! তুমি রথে অশ্ব যোজনা কর; গৌতম ঋষির পুত্র নোযা আমাদের নিমিত্ত তোমার এ নুতন স্তোত্র রচনা করেছেন। অতএব যিনি কর্ম দ্বারা ধন প্রাপ্ত হয়েছেন, সে ইন্দ্র প্রাতঃকালে শীঘ্র আগমন করুন। ( ঋগ্বেদ-১/৬২/১৩ )  

মন্ত্র -৩: যে সকল প্ৰাচীন ঋষি ছিলেন ও যে সকল নূতন ঋষি আছেন, সকলে তোমার স্তোত্র উৎপাদন করিতেছেন। আমাদের প্রতি তোমার সখ্য মঙ্গলকর হউক। তোমরা আমাদিগকে সৰ্ব্বদা স্বস্তিদ্বারা পালন কর (.ঋগ্বেদ -৭/২২/৯)  

মন্ত্র -৪: হে কশ্যপ ঋষি মন্ত্রের রচয়িতা স্ততি করো। ঋগ্বেদ- ৯/১১৪/২) উল্লেখ্য যে এখানে সংস্কৃত মন্ত্রে ' কৃতাং ' শব্দ এসেছে। ঋষি যাস্ক তার নিরুক্তে " কৃতাং" শব্দের অর্থ করেছে "সৃষ্টি করা "( নিরুক্ত- ৬/৩২/৩)  

মন্ত্র-৫ : ( সংস্কৃত) মিমীহি শ্লোকমাস্যে পর্জন্য ইব ততনঃ। গায় গায়ত্রমুকথ্যম্  

বাংলা: মুখে শ্লোক রচনা কর, পর্জ্যন্যের ন্যায় তা বিস্তার কর, বিশিষ্ট গায়ত্রীচ্ছন্দে রচিত ( সূক্ত) পাঠ কর ( ঋগ্বেদ -১/ ৩৮/১৪)  

এই পাঁচ মন্ত্র এর আলোকে আমরা সরাসরি বুঝতে পাচ্ছি যে বেদ মানব অর্থাৎ ঋষিদের দ্বারা বানানো। আপনারা যদি ঋগ্বেদ ১/১/১-৯ পড়েন তাহলেও বুঝতে পারবেন যে বেদ ইশ্বরের বাণী না, যদি ইশ্বরের বাণী হতো তাহলে বেদে ইশ্বর নিজেই নিজেকে সম্বোধন করে বাক্য বলত না আর নিজের গুনগান ( স্তুতি) নিজেই করত না.... ।  

পয়েন্ট -২ 

এখন আমরা ২ জন ঋষি এবং দর্শন এর এর বক্তব্য দেখব বেদের ব্যাপারে -  

বেদ যে মানুষের স্বার্থের জন্য লেখা এই কথাটা স্বয়ং 

ঋষি জাবালও বলেছে রামকে উদ্দেশ্য করে ( বাল্মীকি রামায়ন - অযোধ্যাকান্ড, ১০৮-১০৯ স্বর্গ - পঞ্চানন তর্করত্ন)  

এমনকি হিন্দুদের সাহিত্য সম্রাটখ্যাত সনাতন পন্ডিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ও বেদ যে মানব ঋষিদের রচিত তা স্বীকার করেছেন। তার বক্তব্য নিম্নরুপ - 

বেদ যে মানুষের প্রণীত, তাহা বেদের আর কিছু পরিচয় পাইলেই, বোধ হয় পাঠকেরা আপনারাই সিদ্ধান্ত নিতে পারিবেন। আমরা কেবল ইহাই বলিতে চাই যে বেদেই অনেক স্থলে স্পষ্ট বলা আছে যে বেদের মন্ত্র সকল ঋষি দ্বারা রচিত ও প্রণীত,ইহা ইশ্বরের বানী না। ( বঙ্কিম রচনাবলী, খণ্ড- ২, ভাগ, ৩, অধ্যায়- ৪, পৃষ্ঠা নং- ৭৭৯ ও ৭৮২ / সংগৃহীত রেফারেন্স )  

এছাড়াও বেদান্তও একই কথা বলে ( বেদান্ত : অধ্যায় :৪ পৃষ্ঠা ১৬ এবং ১৭)  

পয়েন্ট -৩ 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন - 

" কোরআন যদি আল্লাহ ব্যাতিত অন্য অন্য কারো পক্ষ থেকে আসত তাহলে এতে অনেক বৈপরীত্য থাকত "( নিসা-৮২) 

 কোরআনের এই আয়াত থেকে আমরা উসূল পেলাম যে ইশ্বরের বা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা ধর্মগ্রন্থে কোনো বৈপরীত্যে থাকবে না। এখন আমরা এি উসূল বেদে এপ্লাই করব। ৷ বেদের মধ্যে বিভিন্ন বৈপরীত্যে আছে। যেমন - 

বেদের ইশ্বর এক জায়গাতে বলেছে ' তিনি শরীল রহিত রহিত, স্নায়ু রহিত ( যজুর্বেদ -৪০/৮) আবার আরেক জায়গাতে বলেছে " ইশ্বরের বহু মস্তক, চোখ রয়েছে ( যজুর্বেদ -৩১/১) আমরা দেখতে পাচ্ছি যে (যজুর্বেদ -৪০/৮) দ্বারা ইশ্বরকে নিরাকার প্রমাণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে আবার ( যজুর্বেদ -৩১/১) দ্বারা তাকে সাকার প্রমাণ করা হচ্ছে, আর এখানে এসেই বেদের ইশ্বর সাকার নাকি নিরাকার কনসেপ্ট এতে বৈপরীত্যে পাওয়া যাচ্ছে । এছাড়াও ইশ্বরকে দেখতে পাওয়া যায় নাকি যায় না এই ব্যাপারেও বেদ দু- রকম বক্তব্য প্রদান করে। যজুর্বেদ -৪০/৪ এতে বলা হয়েছে " ইশ্বরকে দেখা যায় না "। আবার যজুর্বেদ -৩৪/৪৪ এতে বলা হচ্ছে যে " যোগিরা নাকি ইশ্বরকে দেখতে পারে.... " । এছাড়াও বেদের মধ্যে একবার বলা হচ্ছে যে " ইন্দ্র তার মা থেকে জন্মেছে ( ঋগ্বেদ -১০/৭৩/১) আবার অন্য জায়গাতে বলা হয়েছে " ইন্দ্রের দেহ থেকে তার মা ও পিতার জন্ম ( ঋগ্বেদ -১০/৫৪/৩) । এখন প্রশ্ন হলে কে কার থেকে জন্মেছে? । এরকম নানান বৈপরীত্য বেদে আছে, যা প্রমাণ করে যে বেদ মানব রচিত ও বিকৃত তা কোনে ইশ্বর থেকে প্রদত্ত হয় নি......৷ 

[ উল্লেখ্য যে আমি ৫০ টার মতো দলীল দিতে পারব বেদের বৈপরীত্যেের ব্যাপারে.... ] 

পয়েন্ট -৪ 

পবিত্র আল কোরআনে আল্লাহ বলেন -

বিজ্ঞানময় ( প্রজ্ঞাময়) কোরআন "( ইয়াসিন -২)  

 এই আয়াত থেকে আমরা বুঝতে পাচ্ছি যে আল্লাহর নাযিল হওয়া বা ইশ্বর প্রদত্ত ধর্মগ্রন্থ হবে বিজ্ঞানময়, সেখানে কোনো অবৈজ্ঞানিক কথা থাকতে পারবে না, বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক কোনো কথা থাকার কোনো চান্স নেই। যদি অবৈজ্ঞানিক কথা পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে যে সেটা ইশ্বর প্রদত্ত নয় আর এক সময় ইশ্বর প্রদত্ত হলেও পরে তা বিকৃত হয়ে গিয়েছে....... । এখন আমরা এই উসূলের আলোকেও বেদকে যাছাই করব।  

আমরা যদি যজুর্বেদের ৩২/৬ নং মন্ত্র দেখি তাহলে সেখানে দেখতে পাব যে " পৃথিবীকে স্থির " বলা হয়েছে। সংস্কৃত মন্ত্রে " দৃড়া " শব্দ ব্যবহার হয়েছে যার অর্থ " স্থির " হয় ( নিরুক্ত -১০/৬/১-২/ অষ্টাধায়ী - ৭/২/২০) । আর এই মন্ত্রে যে পৃথিবী স্থির বলা হয়েছে তা তুলশি রাম শর্মা ( বিখ্যাত ইংরেজি অনুবাদক) ও স্বামী সত্যপ্রকাশ সরস্বতী ( বাংলা আর্য অনুবাদক) স্বীকার করেছে। এরকম আরও বৈজ্ঞানিক ভুল তথ্য বেদে দেওয়া আছে, আর এসব ব্যাপারে আপনারা হয় তো জেনে থাকবেন তাই আমি বাকিগুলো উল্লেখ করলাম না..... ।  

পয়েন্ট -৫ 

 - বেদ কি সবচেয়ে প্রাচীন??  

- উত্তর না, একদমই না 

" হে জ্ঞানী মানুষ, প্রাচীন হতে শিক্ষা নাও , যারা অতিথিপরায়ণ, রথারোহী ন্যায়, যারা নিজ অশ্বদের সংযুক্ত করে, যারা দক্ষদের দ্বারা সুনিয়ন্ত্রিত, এবং যারা নিজেদের ন্যায়ের আসনে বসিয়েছে" ( " যজুর্বেদ-১৩/৩৭)  

এখানে প্রাচীন ঋষিদের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে বলা হয়েছে, আর রথের কথা উল্লেখ আছে, রথ চলার জন্য চাকার প্রয়োজন, আর আমরা ইতিহাস থেকে জানি যে চাকা আবিষ্কার হয়েছে কয়েক হাজার বছর আগে, মানে মানব সভ্যতার বহু পরে, তাই বুঝা যাচ্ছে যে বেদ প্রাচীন না। আরেকটা কথা না বললেই নয় সেটা হলো বেদ দীর্ঘ সময় ধরে ঋষিদের মাধ্যমে রচিত হয়েছে। আপনারা যদি ঋগ্বেদ - ১/১/২ এবং ঋগ্বেদ -৭/২২/৯ মন্ত্রগুলো দেখেন তাহলে সেখানে দেখতে পাবেন যে নতুন ও পুরাতন ঋষি ছিল বলে উল্লেখ করা আছে। আর এখান থেকেই বুঝতে পারি যে বেদ নতুন এবং পুরাতন ঋষিদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এমনকি প্রত্যেক সুক্তে তো আপনারা সে সুক্তের ঋষির নামও পেয়ে থাকি যিনি তা রচনা করেছেন.....।  

  পয়েন্ট -৬ 

সর্বশেষ প্রশ্ন:- বেদ কি অবিকৃত??  

উত্তর হলো না, একদমই না 

আমরা যদি নিরুক্তের খন্ড ৩ এর ৭ নাম্বার অধ্যায়ের, পরিচ্ছেদ ৫ এতে ( পৃষ্ঠা ৮৪৭) সংশোধন এর কথা পাওয়া যায় 

* এছাড়াও বেদ মূসা ম্লেচ্ছ এর সময় বেদ নষ্ট হয়েছিল

রেফারেন্স 

ভবিষ্যৎ পুরাণ : প্রতিসর্গ পর্ব: অধ্যায় ৫, শ্লোক ৩০ এবং ৩১ 

  [ যেটা নষ্ট হয় তা আবার অবিকৃত থাকে কি করে ]

আর এতটুকুইতেই আমরা বুঝতে পারি যে - 

১. বেদ মানব ( কথিত ঋষিদের তৈরি) রচিত 

২. বেদে বিকৃত সংগঠিত হয়েছে.... 

এরকম নানান পর্যালোচনা এর মাধ্যমে বুঝা যাবে যে বেদ একটা ভূয়া ধর্মগ্রন্থ, আর এটা প্রমাণ করতে হিন্দু শাস্ত্রই যথেষ্ট । আমি এখানে যেসব পয়েন্ট নিয়েছি তা সবই হিন্দু কিতাবের আলোকে । তাই এটা বলার কোনো চান্স নেই যে আমি নিজের মতো করে উল্টাপাল্টা পয়েন্ট টেনেছি. …......।  

যাইহোক, তো সবাই ভালল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

কলমে : মোঃ মেহেদী হাসান ✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 6 মাস 2 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 379 টি লেখা ও 6 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 7660। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
Enolej ID(eID): 1634
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


#হিন্দু_ধর্মে_বর্ণপ্রথা_জন্মগত_নাকি_কর্মগত_একটি_সংক্ষিপ্ত_পর্যালোচনা  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ   আজকাল দেখবেন যে কিছু উঠতি বয়সি হিন্দুরা বলে যে বর্ণাশ্রম প্রথা নাকি কর্মগত। অর্থা�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
80 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শ্রী কৃষ্ণ কি সত্যিই ইশ্বর❓❔ আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  আজকে খন্ডন করব বৈষ্ণব সম্প্রদায়দের একটা মিথ্যাদাবী। সাথে এটাও প্রমাণ করব যে ইসকন যে বলে থাকে যীশু যে ইশ্বরের কথা বলেছেন সেই ন�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
71 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

শাস্ত্র অনুসারে হিন্দুরা বাংলাদেশে বাস করতে পারবে না -  মনুসংহিতা ৪/৬০ এতে বলা হয়েছে যে -  " যে গ্রামে বহুসংখ্যক অধার্মিক লোকের বসতি, সেখানে বাস করবে না "  আবার এর পরবর্তীতে শ্লোক এতেও বলা হচ্ছ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
93 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#একটি_নিরপেক্ষ_ও_যুক্তিসঙ্গত_আলোচনা  #গাজওয়াতুল_হিন্দ_সম্পর্কে_সংক্ষিপ্ত_একটা_পর্যালোচনা  গাজওয়াতুল হিন্দ কি হয়ে গিয়েছে নাকি হবে? © প্রিন্স ফ্রেরাসে  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  অত�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
72 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#তুমি অনিবার্য Part - 1 শৈশবের বন্ধুতা কী? সে কি নিছকই দুটি মানব-মানবীর মধ্যে সময়ের সেতু? নাকি আরও গভীর কোনো দার্শনিক সত্য? কৃষ্ণনগর শহরের একটি পুরোনো বাড়ির ছাদে ঈশান দাঁড়িয়ে আছে। বিকেল গড়িয়ে এসে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
121 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    83 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    16 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

...