Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

বিশ্বের প্রথম গ্রিন এনার্জির এয়ারক্রাফট সোলার ইমপালস ২!

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
190 বার প্রদর্শিত
করেছেন (310 পয়েন্ট)   22 মার্চ 2025 "প্রযুক্তি" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

image




সৌরশক্তি বা গ্রিন এনার্জি চালিত বিশ্বের প্রথম সফল এয়ারক্রাফট হচ্ছে সোলার ইমপালস ২ এয়ারক্রাফট। এটি মূলত একটি যুগান্তকারী সৌরশক্তিচালিত বেসামরিক বিমান। যা কিনা প্রচলিত জ্বালানির পরিবর্তে সম্পূর্ণরূপে পরিবেশ বান্ধব এবং টেকসই সূর্যের শক্তিতে চলে। এটি গত ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের দিকে কোনো জ্বালানি বা পরিবেশ দূষণ ছাড়াই বিশ্বজুড়ে উড্ডয়ন করে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। 




এই এয়ারক্রাফট প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বকে দেখানো যে, সৌরশক্তির মতো নবায়নযোগ্য উৎসের মাধ্যমে অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। এটি প্রমাণ করেছে যে, কোন রকম জ্বালানি ব্যতীত শুধু সোলার এনার্জি ব্যবহার করে প্রায় ৪৩ হাজার কিলোমিটারেরও অধিক দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করা সম্ভব। যা কিনা গ্রিন এনার্জির এভিয়েশন ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।




মাত্র একজন পাইলট দ্বারা চালিত সোলার ইমপালস ২-এর ডানার বিস্তার হচ্ছে ৭২ মিটার। যা একটি বোয়িং ৭৪৭ এয়ারক্রাফটের চেয়েও কিছুটা বড়। এই বিমানটিকে অত্যন্ত হালকা এবং শক্তিশালী কাঠামো দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। ২.৩ টন ওজনের এই বিমানের ডানায় মোট ১৭,২৪৮টি সোলার প্যানেল লাগানো রয়েছে এবং যা দিনের বেলায় সৌর শক্তির সাহায্যে আকাশে উড্ডয়ন করে এবং রাতে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত শক্তি দ্বারা চালিত হয়।




এই বিমানের মোট ওজন ২,৩০০ কেজি হলেও এর শুরু ব্যাটারির ওজন হচ্ছে ৬৩৩ কেজি। এর গড় গতি প্রতি ঘণ্টায় ৪৫-৯০ কিলোমিটার (২৮-৫৬ মাইল)। এটি দিনের বেলায় আকাশে সর্বোচ্চ ৮,৫০০ মিটার (২৮,০০০ ফুট) উচ্চতায় ওঠে এবং রাতে ১,৫০০ মিটার (৫,০০০ ফুট)-এ নেমে এসে শক্তি সাশ্রয় করে। তবে বিমানের ককপিটটি মাত্র একক আসনবিশিষ্ট করে ডিজাইন ও তৈরি করা হয়েছে। 




সোলার ইমপালস টু এয়ারক্রাফট অত্যন্ত সংকীর্ণ হলেও এতে চাপ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি ইনস্টল করা হয়েছে। উড্ডয়নকালে বিমানের পাইলট একটানা ২০-২৫ ঘণ্টা পর্যন্ত জেগে থাকেন। এর পাশাপাশি এই বিমানে একটি ছোট্ট আকারের টয়লেটের ব্যবস্থা ছিল একটি বিশেষ সিটে। যেন হলিউড সিনেমার এক কল্পকাহিনির মতো এক আকাশযান হচ্ছে এটি।




সোলার ইমপালস টু এয়ারক্রাফট গত ২০১৫ সালের ৯ মার্চ আবুধাবি থেকে আকাশ পথে যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই একই স্থানে শেষ করে। এই যাত্রায় বিমানটি মোট প্রায় ৪৩ হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। তাছাড়া গত ২০১৬ সালের জুনে নিউ ইয়র্ক থেকে উড্ডয়ন করে স্পেনে অবতরণ করে প্রথম সোলার এয়ারক্রাফট হিসেবে আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড গড়ে এটি।




এই বিমানের পাইলট ছিলেন বার্ট্রান্ড পিকার্ড। তিনি হচ্ছেন একজন সুইস মনোবিজ্ঞানী ও অভিযাত্রী, যিনি ১৯৯৯ সালে প্রথম নন-স্টপ বেলুনে বিশ্বভ্রমণ করেছিলেন। তার পাশাপাশি এই বিমানের কো-পাইলট ছিলেন আন্দ্রে বোর্শবার্গ। তিনি হচ্ছেন সুইস প্রকৌশলী ও ফাইটার পাইলট, যিনি এই বিমান ডিজাইন ও তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তবে এই বিমানে একাকী দীর্ঘ সময় উড্ডয়ন, ঘুমের অভাব, এবং শারীরিক চাপ মোকাবিলা করা পাইলটদের জন্য ছিল এক বিশাল চ্যালেঞ্জ ছিল।




তাছাড়া এই সোলার এয়ারক্রাফটের দীর্ঘতম একক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন কো-পাইলট আন্দ্রে বোর্শবার্গ। তিনি জাপান থেকে হাওয়াই পর্যন্ত ১১৮ ঘণ্টা (৪,০০০ মাইল) নিরবচ্ছিন্ন উড্ডয়ন করে বিমান ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেন। তবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় যাত্রাকালে এই এয়ারক্রাফটের ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ায় হাওয়াইতে ১০ মাস বিলম্ব হয়। 




এটি ব্যবহারের দিক দিয়ে জ্বালানিবিহীন হলেও বাস্তবে বিরূপ আবহাওয়া যেমন মেঘ, বৃষ্টি, এবং অস্থির বাতাসে এটিকে উড্ডয়ন করানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ ছিল। তবে এর কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকা স্বত্বেও সোলার ইমপালস ২ প্রমাণ করেছে যে, গ্রিন এনার্জির টেকসই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ এবং পরিবেশ দূষণ মোকাবেলা করা সম্ভব। তাছাড়া এই রোমাঞ্চকর অভিযান এখন শুধু আকাশেই নয়, পৃথিবীর প্রতিটি ক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহারে মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।




তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, সান পাওয়ার, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।




Sherazur Rahman

প্রথম প্রকাশিত সোর্স
Enolej ID(eID): 924
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
সারা বিশ্বের মধ্যে প্রথম কোন প্রোগ্রামেবল এন্ড ডিজিটালাইজড কম্পিউটার তৈরি করে আমেরিকা। যা মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে ১৯৪৫ সালের সামরিক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশে �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
268 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
সাম্প্রতিক সময়ে এভিয়েশন প্রযুক্তিতে ব্যাপক মাত্রায় অগ্রগতি ও আধুনিকায়ন পরিলক্&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
207 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
একবিংশ শতাব্দীর উচ্চ পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক ও জটিল গবেষণামূলক কাজে বর্তমানে সুপার কম্পিউটার প্রযুক্তি এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। বর্তমানে বিশ্বের উচ্চ প্রযুক্তি সম�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
420 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ববাসী যুদ্ধ ও অশান্তি থেকে অনেকটাই মুক্তি পাবে বলে আশ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
115 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

“What (কি) if (যদি) I (আমি) told (বলতাম) you (তোমাকে)… the (উক্ত/টি) smartest (সবচেয়ে বুদ্ধিমান) technology (প্রযুক্তি) ever (কখনো) created (তৈর&[...] বিস্তারিত পড়ুন...
8 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1687 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Monsoon Harmony

    333 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. রফিক আতা

    191 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...