Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

নবম গ্রহের সন্ধানে

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
254 বার প্রদর্শিত
করেছেন (270 পয়েন্ট)   13 অগাস্ট 2024 "মহাকাশবিজ্ঞান" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
info_outline
করেছেন 17 অগাস্ট 2024 সম্পাদিত

পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!
image

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ছোট্ট একটি অংশ জুড়ে আছে আমাদের সৌরজগৎ। সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র সূর্য। পাশাপাশি আরও আছে অনেক গ্রহ, উপগ্রহ, বামনগ্রহ, গ্রহাণুসহ অনেক বস্তু।

এ সৌরপরিবারে আছে মোট ৮টি গ্রহ। সূর্যের চারপাশে ঘুরতে থাকা এ গ্রহগুলো হচ্ছে বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন। মোটামুটি ১৮৪৬ সালের মধ্যে এ গ্রহগুলো আবিষ্কৃত হয়। একসময় এ তালিকায় ছিল প্লুটোও। ১৯৩০ সালের দিকে প্লুটোকে নবম গ্রহের মর্যাদা দেওয়া হয়। কিন্তু তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। ২০০৬ সালে আন্তজার্তিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন প্লুটোর গ্রহের মর্যাদা কেড়ে নেয়। বামন গ্রহ হিসেবে নতুনভাবে স্বীকৃতি পায় প্লুটো। এরপর থেকে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন, সৌরজগতে আরও একটি গ্রহ লুকিয়ে আছে। তবে অনেক জল্পনা-কল্পনা হলেও এখনো গ্রহটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞানীরা নতুনভাবে আবার আশার বাণী শুনাচ্ছেন আমাদের। জাপানের কিন্দাই (জিন্দাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিক সোফিয়া এবং জাপানের ন্যাশনাল আস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরির জ্যোতির্বিজ্ঞানী তাকাশি ইতো। এই দুই বিজ্ঞানী সম্প্রতি তাঁদের নবম গ্রহবিষয়ক গবেষণা প্রকাশ করেছে দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালে। তাঁদের মতে, পৃথিবীর মতো একটি নতুন গ্রহ থাকার সম্ভাবনা আছে সৌরজগতে। আর এ গ্রহের সম্ভাব্য অবস্থান কুইপার বেল্টে। নেপচুনের কক্ষপথের বাইরের বিস্তৃত অঞ্চলই কুইপার বেল্ট নামে পরিচিত। ডাচ্-আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী জেরার্ড কুইপারের সম্মানে এ অঞ্চলের নামকরণ। ১৯৫১ সালে তিনিই এই বেল্টের অস্তিত্বের কথা প্রথম জানিয়েছিলেন।

কুইপার বেল্টে আছে বরফে পরিপূর্ণ লাখ লাখ বস্তু। এগুলোকে সম্মিলিতভাবে কুইপার বেল্ট অবজেক্ট (KBOs) বা ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্ট (TNOs) বলে। কুইপার বেল্ট বেশ সম্ভাবনাময় একটি অঞ্চল। এখন পর্যন্ত অনেক বামন গ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু ও শিলাখণ্ড এ অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত তিনটি বামনগ্রহ প্লুটো, হাউমেয়া ও মাকেমাকে এ অঞ্চলে অবস্থিত। কুইপার বেল্টে আবিষ্কৃত প্রথম বস্তু ছিল প্লুটো। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, নেপচুনের টাইটন ও শনির উপগ্রহ ফোবের উৎপত্তি এ অঞ্চলেই অবস্থিত। এ জন্য এই অঞ্চলে নতুন গ্রহের হদিশ মেলার যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে।

ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্ট নিয়ে গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কুইপার বেল্টের কিছু কক্ষপথ অদ্ভুত আচরণ করে। এরকম অদ্ভুত আচরণের কারণ কী? হয়ত সাধারণ কোনো ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্ট থেকে বড় কোনো বস্তুর মহাকর্ষীয় বল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে ওই কক্ষপথগুলো। গবেষকেরা তাঁদের পর্যবেক্ষল করা কক্ষপথের আচরণ ব্যাখ্যা করতে বেশ কয়েকবার কম্পিউটার সিমুলেশন করেছেন।

সে সব সিমুলেশন থেকে একটি ব্যাখ্যায় পৌঁছানো যায়। কুইপার বেল্টে আছে একটি গ্রহ! তা না হলে কক্ষপথের এমন আচরণ করা উচিত নয়। আর সত্যিই যদি সেখানে একটি গ্রহ থাকে, তাহলে তার ভর পৃথিবীর ভরের ১ দশমিক ৫ থেকে ৩ গুণ বেশি। তবে তাপমাত্রা প্রচণ্ড ঠান্ডা হওয়ায় সেখানে প্রাণ থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

তবে এখন পর্যন্ত নবম গ্রহের সন্ধান পাওয়া যায়নি। কাগজে কলমে গ্রহটির অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তবে এখনো এর কোনো ভিত্তি নেই। তাই আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমরা পেয়ে যাবো সৌরজগতের নবম গ্রহ।

আর্থ ডট কম, উইকিপিডিয়া, নাসা

-
Mahmudul Hasan Mridul, Team 1
Id: #869
DesigningTeam 2
Powered by Enolej Innovators.
সংযুক্ত তথ্য
উল্লেখ্য ইতিপূর্বে লেখাটি লেখক কর্তৃক প্রথম বিজ্ঞান চিন্তায় প্রকাশিত: https://www.bigganchinta.com/space/cy0oo6ie57
Enolej ID(eID): 869
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

এই লেখকের অন্যান্য সিরিজ


বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


শান্তির সন্ধানে  আধাঁরের থেকে আলোর পথে বহু শতাব্দী আগে খানিকটা শান্তির খোঁজে  বহুদূর বহুপথ ছুটে গিয়েছি তোমার পিছে বহুকাল।  ধুলো উড়া আঁকাবাকা পথের বাঁয়ে, ঘরে ফেরা মাঝির নাঁইয়ে, ঢিলা,টিলায় �[...] বিস্তারিত পড়ুন...
81 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বলা হয়, “কথা যেন তলোয়ার, প্রয়োজনে পথ তৈরি করে, অপ্রয়োজনে রক্ত ঝরায়।” আমাদের প্রতিদিন[...] বিস্তারিত পড়ুন...
216 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আমরা সবাই জীবনে এগিয়ে যেতে চাই। চাই সফল হতে, কিছু করে দেখাতে। কিন্তু এই পথ চলার সময় আম&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
174 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

মানুষ যতটা না নিজের পরিশ্রমে এগোয়, তার চেয়েও বেশি প্রভাব পড়ে—সে কাদের সাথে সময় কাটাü[...] বিস্তারিত পড়ুন...
162 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আপনি কি কখনও ভেবেছেন, এই বিশাল মহাবিশ্বের মাঝে আপনি কোথায় অবস্থান করছেন? কখনো রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবেননি, এত অসংখ্য নক্ষত্র, গ্রহ, ছায়াপথ—এসবের মাঝে আমাদের ছোট্ট পৃথিবীটা কতটা ক্ষুদ্�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
177 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    143 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    7 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. শামীমা আকতার

    21 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. মুহাম্মদ সালমান

    1 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    0 টি আইডিয়া ব্লগ

...