Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

লিহন প্রাইমের বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞান

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
2 বার প্রদর্শিত
করেছেন (12,518 পয়েন্ট)   9 ঘন্টা পূর্বে "বিজ্ঞান" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

লিহন প্রাইম এর লেখাগুলোতে কি পরিমাণ বিভ্রান্ত তথ্য ও বিকৃত তথ্য থাকতে পারে তার ছোট একটা প্রমাণ আজকে আমি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব। লিহন প্রাইমের বর্তমান ফেসবুক ফলোয়ার 139k। এখান থেকে বুঝা যাচ্ছে যে তার জনপ্রিয়তা নাস্তিক ও মুক্তমনাদের মধ্যে কতটুকু। এসব নাস্তিক ও কথিত ইন্টেলেকচুয়ালদের লেখা পড়ে যারা নিজেকে সুপার নোভা ম্যান ভাবেন তাদের জন্য আমি আমার এই লেখাটা উৎসর্গ করলাম।  



লিহন প্রাইমের "নারীর বহুগামিতার বিস্ময়কর বিজ্ঞান " লেখাটিতে কিছু সত্য তথ্যের সঙ্গে অনেকগুলো অতিরঞ্জিত, ভুল বা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত নয় এমন দাবি মিশে গেছে। বিশেষ করে শরীরের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে সরাসরি “নারীর বহুগামিতার সংকেত” বলা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠিক নয়।আমি দাবিগুলো একে একে যাচাই করেছি।



১. “নারী বায়োলজিক্যালি একগামী” ধারণাটি কি সত্য?


জবাব : মানুষের যৌন ও সামাজিক আচরণকে শুধু “পুরুষ বহুগামী, নারী একগামী” এই দ্বৈত কাঠামোতে ফেলা যায় না। মানবজাতির ইতিহাসে একগামিতা, বহুপত্নীত্ব, এবং অন্যান্য ধরনের সম্পর্কের প্রমাণ রয়েছে। তবে “মানুষের প্রাচীন পূর্বপুরুষ অবশ্যই বহুগামী ছিল” এমন সরাসরি সিদ্ধান্তও দেওয়া যায় না।প্রাইমেটদের বিবর্তনীয় ইতিহাস নিয়ে গবেষণায় বিভিন্ন ধরনের mating system দেখা যায় এবং মানুষের পূর্বপুরুষদের ক্ষেত্রে আচরণ সরাসরি fossil-এ সংরক্ষিত হয়নি। 


রায়: অতিসরলীকরণ।


২. “৫ মিলিয়ন বছর ধরে মানুষের শরীরে বহুগামিতার রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে”


এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বক্তব্য নয়।৫ মিলিয়ন বছর আগের কোনো মানবপূর্ব প্রজাতির যৌন আচরণ সম্পর্কে আমরা সরাসরি জানি না। হাড়, দাঁত, দেহের গঠন ইত্যাদি থেকে গবেষকরা সম্ভাব্য সামাজিক ব্যবস্থা সম্পর্কে অনুমান করেন, কিন্তু fossil থেকে “এই প্রজাতির নারী একাধিক পুরুষের সঙ্গে যৌনসম্পর্ক করত” এমন সরাসরি প্রমাণ পাওয়া যায় না।

একটি গবেষণা স্পষ্টভাবে বলছে, fossil-এর sexual dimorphism থেকে mating system নির্ধারণের ক্ষমতা সীমিত এবং বিভিন্ন ধরনের mating system-এর সম্ভাবনা থাকতে পারে।


রায়: প্রমাণিত নয়।


৩. “Ardipithecus ও Australopithecus বহুগামী ছিল”

এটিও নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।


এখানে মজার বিষয় হলো গবেষণাগুলো পরস্পরের সঙ্গে পুরোপুরি একমতও নয়।একটি গবেষণায় Ardipithecus ramidus-এর কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্য polygynous প্রজাতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে অনুমান করা হয়েছিল। কিন্তু একই গবেষণায় Australopithecus afarensis-এর বৈশিষ্ট্য monogamous প্রজাতির সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ পাওয়া যায়। গবেষকেরাই এটিকে speculative বা অনুমাননির্ভর বলেছেন। 

অন্য গবেষণাতেও বলা হয়েছে, Australopithecus-এর mating system নিয়ে গবেষকদের মধ্যে monogamy থেকে polygyny পর্যন্ত বিভিন্ন মত রয়েছে। 


রায়: “তারা বহুগামী ছিল” বলা অতিরিক্ত নিশ্চিত বক্তব্য।

ভালো ভাষা হবে:“কিছু শারীরিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে গবেষকেরা তাদের সামাজিক ও mating system সম্পর্কে বিভিন্ন অনুমান করেছেন, কিন্তু নিশ্চিতভাবে জানা যায় না।”


৪. “মানব নারীর বড় স্তন বহুগামিতার প্রমাণ”

ভুল।


মানব নারীর স্থায়ীভাবে বড় স্তন সত্যিই অন্যান্য অধিকাংশ প্রাইমেটের তুলনায় একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। কিন্তু কেন এটি বিবর্তিত হয়েছে, তা নিয়ে একাধিক hypothesis রয়েছে।

গবেষণায় sexual selection, nursing, thermoregulation এবং অন্যান্য ব্যাখ্যা আলোচিত হয়েছে। ২০২১ সালের একটি critical review-ও বলছে, এই বৈশিষ্ট্যের evolutionary origin এখনো unresolved। 


তাই: বড় স্তন → বেশি যৌনসম্পর্ক → বহুগামিতা

এই causal chain-এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।


আর “বহুগামী হওয়ার জন্য শরীর অতিরিক্ত fat reserve করে” কথাটিও প্রমাণিত নয়।


রায়: ভুল/অপ্রমাণিত।


৫. “মানব নারী সারাজীবন যৌনতার জন্য প্রস্তুত”

এটাও ভুলভাবে বলা হয়েছে।


মানব নারীর reproductive physiology অন্যান্য অনেক স্তন্যপায়ীর থেকে আলাদা। মানুষের sexual receptivity শুধু estrus বা নির্দিষ্ট mating season-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে:“সে সারাক্ষণ যৌনতার জন্য প্রস্তুত, তাই সে বহুগামী।”এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

রায়: ⚠️ একটি বাস্তব biological বৈশিষ্ট্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। লিহন প্রাইমকে শুধু এতটুকু বলব যে - ' নারীর শরীল যদি সব সময় যৌনতার জন্য প্রস্তুত থাকে তাহলে নারীর যখন মাসিক হয় তখনও কী তার শরীর সেক্স করতে চায়?  


রায়: সরলীকরণ দাবি।  


৬. “0.7 waist-to-hip ratio প্রমাণ করে নারী একাধিক পুরুষ আকর্ষণ করতে পারে”


এটি ভুল।


0.7 WHR নিয়ে evolutionary psychology-তে attractiveness এবং reproductive characteristics নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে। কিন্তু 0.7 কোনো “বহুগামিতার biological marker” নয়।বরং সাম্প্রতিক একটি বড় systematic review-তে নারীর WHR এবং সরাসরি fertility-এর সম্পর্কের প্রমাণকে দুর্বল ও অসঙ্গত বলা হয়েছে। ১৯টি গবেষণা এবং মোট 125,062 জনের তথ্য পর্যালোচনা করেও গবেষকেরা নারীর morphological traits এবং reproductive potential-এর মধ্যে শক্তিশালী প্রমাণ পাননি। 


আরও গুরুত্বপূর্ণ:WHR ≠ estrogen level ≠ promiscuity/polygamy.


রায়: ভুল।


৭. “বেশি estrogen → বেশি genetic variation তৈরি করার ক্ষমতা”


এটিও বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল।একজন নারীর estrogen level বেশি হওয়ার কারণে তার নিজের genome-এ “বেশি genetic variation” তৈরি হয় না।একাধিক পুরুষের সঙ্গে সন্তান হলে বিভিন্ন সন্তানের paternal genetic contribution আলাদা হতে পারে, কিন্তু সেটাকে মায়ের নিজের genetic variation বৃদ্ধি বলা যাবে না।


রায়: ভুল।


৮. “ছোট ও সূক্ষ্ম পায়ে বেশি sensory receptor থাকে এবং তা sexual organ-এর সঙ্গে সরাসরি connected”


এর কোনো গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

পায়ের তলায় sensory receptors অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু:

ছোট পা → বেশি sensory receptor → যৌনাঙ্গের সঙ্গে connection → বেশি পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক

এমন কোনো প্রতিষ্ঠিত biological pathway নেই।

আর নারীর পায়ের আকারকে estrogen level বা একাধিক sexual partner-এর সঙ্গে যুক্ত করার নির্ভরযোগ্য প্রমাণও নেই।


রায়: সম্পূর্ণ অপ্রমাণিত।


৯. “নারীর চুল বহুগামিতার সংকেত”


এটিও ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

চুল attractiveness, health, age বা femininity-এর কিছু perception-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। কিছু গবেষণায় লম্বা ও ভালো মানের চুলকে বেশি attractive হিসেবে মূল্যায়ন করার প্রবণতা পাওয়া গেছে। 


এমনকি সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দীর্ঘ ও ভালো মানের চুল এবং বিবাহিত দম্পতিদের sexual frequency-এর মধ্যে association পাওয়া গেছে। কিন্তু এটি বহুগামিতার প্রমাণ নয়। 

অর্থাৎ: চুল → attractiveness-এর সম্ভাব্য signal

কিন্তু - চুল → বহুগামিতার biological signal

এটা বলা যায় না।


রায়: “বহুগামিতার সংকেত” দাবি ভুল।


১০. “গোলাপি ঠোঁট বেশি estrogen-এর সংকেত এবং বেশি সন্তান/জেনেটিক variation-এর প্রমাণ”


প্রমাণিত নয়।


নারীর মুখের কিছু বৈশিষ্ট্য attractiveness-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। কিন্তু ঠোঁটের গোলাপি রং দেখে estrogen level, fertility, সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা বা বহুগামিতা নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণ করা যায় না।

সাম্প্রতিক systematic review-ও বলছে নারীর feminine morphological traits এবং actual fertility-এর সম্পর্কের প্রমাণ সীমিত ও inconsistent। 


রায়: অপ্রমাণিত।


১১. “চোখের সাদা অংশ বেশি দেখা গেলে নারী বেশি পুরুষ আকর্ষণ করতে পারে”


এখানেও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ যথেষ্ট নয়।মানুষের চোখে দৃশ্যমান sclera বা সাদা অংশ মানুষের social communication-এ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। চোখের দিক বা gaze অন্য মানুষের attention ও social interaction-এ ভূমিকা রাখে।

কিন্তু:বেশি sclera → বেশি পুরুষ আকর্ষণ → বেশি fertility → বহুগামিতা এমন evolutionary chain প্রতিষ্ঠিত নয়।


রায়: অপ্রমাণিত।


১২. “চোখাচোখি করতে পারা উর্বরতার প্রতীক”


এটাও প্রতিষ্ঠিত নয়। চোখাচোখি attraction বা social communication-এর অংশ হতে পারে। কিন্তু এটিকে নারীর fertility বা বহুগামিতার evolutionary signal হিসেবে উপস্থাপন করার মতো শক্ত প্রমাণ নেই।


রায়: অতিরঞ্জিত।


১৩. “প্রাগৈতিহাসিক Alpha male নারীর বহুগামিতা control করত”


এটি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণ করা যায় না।

“Alpha male” ধারণাটি মানুষের প্রাগৈতিহাসিক সমাজে সরাসরি প্রয়োগ করা খুবই সমস্যাজনক। কোনো fossil থেকে আমরা বলতে পারি না: “এই সমাজের alpha male নারীদের sexual behavior নিয়ন্ত্রণ করত।”মানব সমাজের mating system অত্যন্ত জটিল ছিল এবং বিভিন্ন সময় ও সমাজে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাঠামো ছিল।


রায়: প্রমাণহীন দাবি।


১৪. “Alpha male-রা নারীকে একগামী করার জন্য ধর্ম ও সামাজিক নিয়ম তৈরি করেছিল”


এটি একটি বড় historical claim, কিন্তু এর পক্ষে প্রমাণ নেই।

ধর্ম, বিবাহ, যৌননৈতিকতা এবং সামাজিক নিয়ম বহু সভ্যতায় বিভিন্নভাবে বিকশিত হয়েছে। এগুলোর উৎপত্তিকে শুধু “পুরুষ নারীর যৌনতা নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিল” বলে ব্যাখ্যা করা অত্যন্ত reductionist।কিছু সমাজে অবশ্যই নারীর যৌনতা নিয়ন্ত্রণের সামাজিক ব্যবস্থা ছিল এবং আছে। কিন্তু সেখান থেকে সব ধর্মের উৎপত্তি alpha male-এর নারী নিয়ন্ত্রণ থেকে হয়েছে বলা যায় না।


রায়: অতিরঞ্জিত ও প্রমাণহীন।


১৫. “Virginity একটি biological সত্য নয়”


এখানে তার লেখার মূল বক্তব্যের একটি অংশ সঠিক, তবে বাক্যটি ঠিকভাবে লেখা দরকার।


WHO-এর মতে “virginity”-এর কোনো নির্ভরযোগ্য medical বা scientific definition নেই এবং virginity একটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় construct হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কোনো শারীরিক examination দিয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে একজন নারী আগে vaginal intercourse করেছে কি না। 


বিশেষ করে hymen দেখে virginity নির্ধারণ করা যায় না। Hymen-এর স্বাভাবিক গঠন ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন এবং intercourse-এর সঙ্গে এর অবস্থা সরাসরি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পর্কিত নয়। 


তাই:“একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক করলে নারীর শরীর দেখে তার virginity নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায়”

ভুল। তবে “virginity ধারণাটি সম্পূর্ণভাবে একটি নির্দিষ্ট সময়ে alpha male-রা বানিয়েছে” এই historical claim-টিও প্রমাণিত নয়।


রায়: প্রথম অংশ , পরের historical explanation ।


এই হলো মোটাদাগে লিহন প্রাইমের সামান্য একটা আর্টিকেলের প্রথম প্যারার মারাত্মক কতগুলো ভুল ও বিকৃত তথ্যের উপস্থাপন ।  


[ মূল লেখাটাকে এআই দ্বারা সম্পদনা করা হয়েছে এবং বানানসহ অন্যন্য ক্রুটি সংশোধন করা হয়েছেimage । তারপর চূড়ান্ত লেখা হিসাবে এই আর্টিকেল উপস্থাপন করা হয়েছে ] 


ফ্যাক্ট চেকার : প্রিন্স ফ্রেরাসে 


#প্রিন্স_ফ্রেরাসে

আমি প্রিন্স ফ্রেরাসে, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় 10 মাস 3 সপ্তাহ ধরে, এবং এ পর্যন্ত 620 টি লেখা ও 10 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 12518। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 4929
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


যারা সব কিছু বিজ্ঞান দিয়ে বিচার করতে চাই তারা আসলে নিজেরাই বিজ্ঞান সঠিকভাবে জানে না। বিজ্ঞান দিয়ে অনেক কিছু জানা সম্ভব কিন্তু সবকিছু জানা সম্ভব না। বিজ্ঞানের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে এটা আমাদে�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
130 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বিজ্ঞানের আলোকে তাকদির প্রমাণ  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  তাকদির বা আমাদ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
169 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

আজকে একটি গবেষণা পড়লাম। সেটির নাম হলো: "Sperm storage causes sperm senescence in human and non-human animals" (মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে শুক্রাণু জমা রাখার ফলে শুক্রাণুর বার্ধক্য বা গুণগত মান হ্রাস পায়)। এটা একটা অত্যন্ত গুরুত[...] বিস্তারিত পড়ুন...
135 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
যখন যখন হাই স্কুলে ভর্তি হয় তখন আমার মুখে অনেক ব্রণ হয়, শুধু আমার না সাথে আরও অনেক বন্ধ&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
143 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

#পিয়ার_রিভিউ_জার্নাল_কি_সব_সময়_গ্রহণযোগ্য??? আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  মেহেদী হাসান ✍️ নাস্তিকরা আমাদের বলে থাকে ধর্মান্ধ কারণ আমরা নাকি গ্রন্থে যা আছে তা যাছাই করা ছাড়া বিনা প্রশ্নে[...] বিস্তারিত পড়ুন...
129 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    183 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    3 মন্তব্য

    9 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    122 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. ফাহিম আহমাদ

    61 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    3 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. শামীমা আকতার

    41 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...