"আমি বাবাকে চাই... আমি মাকে চাই।"
(এক ফিলিস্তিনি শিশুর বুক ফাটা আর্তনাদ)
বসে থেকে ফেইসবুক স্ক্রোলিং (scrolling) করছিলাম। পুরা ফেইসবুক যেন, সাংবাদিক মহিউদ্দিন খালেদ আর এনায়াতুল্লাহ আব্বাসী (হাফিঃ) ভিডিওতে ভরপুর। কী যে এক অবস্থা!
তাঁরা নিজেরাও ভাবতে পারেনি যে,এমনটা হবে টকশোতে।
তো, এরইমাঝে হঠাৎ একটা নোটিফিকেশন আসল ' Muslim Taimes' এর টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে। ওপেন করার সাথে সাথে যে লেখাটা আমার চোখে আটকালো—
"আমি বাবাকে চাই... আমি মাকে চাই।"আর সামনে এক শিশুর ভিডিও। যে শুয়ে আছে হাসপাতালের বেডে।
হঠাৎ এমন... দেখলে যে কেউ রীতিমতো আশ্চর্য না হয়ে পারবে না।
পুরা লেখাটা পড়লাম। লেখাটা ছিল,
“আমি বাবাকে চাই... আমি মাকে চাই।”
"হালা হাসান লেব্বাদ, একটি ছোট্ট মেয়ে যে গাজায় তাদের বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তার পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য।
নিজের ক্ষত এবং পোড়া সত্ত্বেও, হালা তার বাবা-মায়ের জন্য অনবরত কাঁদছে। তার এই আর্তনাদ গাজার সেইসব শিশুদের গভীর যন্ত্রণাকে ফুটিয়ে তোলে, যারা যুদ্ধের ভয়াবহতা ও স্বজন হারানোর বেদনায় আজ সম্পূর্ণ একা।"
এটা দেখে আমার আমি...!
একটা পরিবার। জীবন যাপন করছিল একসাথেই। যেখানে আনন্দ ছিল। ছিল একে অপরকে ভালোবাসা, স্নেহ করার মানুষ। হঠাৎ! হঠাৎ, খবিশ- হায়নাদের প্রযুক্তির আঁচড়ের শিকার হয়ে গেল একটা পরিবার। এ জবাব কে দেবে? নাই, জবাব দেওয়ার মতো মানুষ এই পৃথিবীতে এখনো জন্মেনি
আর কত মোহাম্মদ, মাহদী,হালা হাসানের পরিবার হারাতে হবে? বাবা-মাকে হারাতে হবে!?
এতো এতো জীবন চলে যাওয়া,এতো এতো শিশুর পরিবার বিনাশ হওয়াও কি আমাদের বিবেককে জাগ্রত করবে না?
হে যুবক! আর কত জীবন গেলে
বুঝবে তোমার মন?
হাজারো শিশু চিৎকার করে
ডাকছে প্রতিক্ষণ !
জাগ্রত হও তুমি,তোমার
ঈমানকে কর জাগ্রত।
দেখ,জীবন দিয়ে যাচ্ছে
শহীদ অবিরত!
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।