সময়ের পালাবদলে জাতির পরিচয় পরবর্তন করে দেয় পশ্চিমাবিশ্ব। যার প্রমাণ হচ্ছে আফগানিস্তান।
২০০১সালের পূর্বে আফগানিস্থান ছিল freedom fighter (স্বাধীনতা সংগ্রামী)।
২০০১সালের পরবর্তী সময়ে হয়ে গেছে terrorist (সন্ত্রাসী)।
হলিউডের সিনেমাগুলোতে দেখতে পাবেন,মুসলিম চরিত্রগুলো সন্ত্রাসী বা পিছিয়ে পড়া এক জাতি।
ফিলিস্তিনের ভিডিও দেখিয়ে তারা মুসলিমদেরকে
terrorist দাবি করে।অথচ,অন্যদিকে দেখলে বুঝতে পারবেন— বিধর্মী জনগোষ্ঠীকে বানিয়ে তুলা হয় এক শুভ্রময় চরিত্রে।
একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখতে পাবেন।একই সময়,একই এলাকায় একই কেইসের আসামি— একজন নোন মুসলিম হওয়ার করণে জামিন পেয়ে যাচ্ছে। অপরজন মুসলিম হওয়ার কারণে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলছে।
ফিলিস্তিনের প্রেক্ষাপট নিয়ে আন্দোলন করলে, 'ট্যারোরিস্ট' ট্যাগ আসে বা ট্যারোরিস্ট সমর্থক ট্যাগ আসে।
অথচ,সেদিকে বিনা অপরাধে হাজারো শিশুকে না খাইয়ে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেওয়া তাদের কাছে মানবিক কর্মকাণ্ড। মানব দরদী কাজ। দেখানো হয় Self defence( আত্মরক্ষা) হিশেবে।
বিবেকে যখন কুকুর পায়খানা করে, তখনই একটা মানুষ এমন চিন্তা করতে পারে!
Dr. Jack G. Shaheen— তিনি গবেষণায় ১০০০টিরও বেশি সিনেমা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে, তার মধ্যে প্রায় ৯৫% এর বেশি সিনেমাতেই আরবদের নেতিবাচক বা ভিলেন হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তারা উঠেপড়ে লেগেছে ইসলামকে দাবানোর জন্য।
তাদের সভ্যতাকে জয়ী করার জন্য। নিজেদের দাসত্বকে বিস্তার করার জন্য।
অথচ,আমরা আজ বিবেকহীন অন্ধত্ব বরণ করে বসে আছি। আমাদের বিবেক কবে হবে জাগরূক?
হে যুবক! তুমি কেন আজ ঘুমন্ত?জেগে ওঠো। প্রস্তুত হও।লড়াই তোমার চৌকাঠে। তোমার দরজায় করাঘাত করছে।
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।