📶বিবাহ বাস্তবতা বনাম ফ্যান্টাসি📶
🔰অনেক ছেলে বিয়ে করার জন্য পাগল, দিনরাত স্বপ্ন দেখে বিয়ের, জেগে-ঘুমিয়ে বিয়ের কথা ভাবে, লুম্যান্টিক লুম্যান্টিক কথা কল্পনা করে, আবেগের সমুদ্রে ডুব দেয় কিন্তু বাস্তবতাকে ভুলে যায়। বাস্তবতা কি আসুন দেখে আসি। ⬇️
✡️বিয়ের করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ♂️পুরুষ হতে হবে আর পুরুষ হতে কি লাগে?
1️⃣ শারীরিক সক্ষমতা
2️⃣ আর্থিক সামর্থ্য ( টাকা ইনকাম করার যোগ্যতা)
🔷 শারীরিক সক্ষমতা : স্ত্রীর জৈবিক/শারীরিক চাহিদা পূরণ করার মতো সক্ষমতা।
🔶আর্থিক সামর্থ্য : স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া + স্ত্রীকে মোহরানা দেওয়ার মত আর্থিক সামর্থ্য।
✅যাদের বিয়ের সামর্থ্য নাই তাদের জন্য রোযা
◽এখন আপনি আপনার বুকে হাত দিয়ে বলেন আপনার বোনের/নিজের মেয়ের বি
য়ে কি এমন ছেলের সাথে বিয়ে দিতে পারবেন যে বেকার, অলস?
🔻না, বেশিরভাগ উত্তর হবে এটা।
🗨️কাজেই আপনি কাজকর্ম কিছুই করবেন না আবার বাপ-মার দোষ দিবেন কেন বিয়ে দেয় না এটা হবে না। আপনি টাকা উপার্জন করেন আপনার বাবা আপনাকে সকাল-সন্ধ্যা ২ বেলা সালাম দিবে এবং নিজেই বিয়ের জন্য আপনাকে বলবে। আবেগ দিয়ে দুনিয়া চলে না।
🔼 আপনি বলতে পারেন আমার পড়াশোনা শেষ হয়নি আগে চাকরি হোক তারপর
*️⃣ ভাই চাকরি করা ছাড়া কি টাকা ইনকাম করা যায় না ? আপনাকে কেন চাকরিই করতে হবে কেন অন্য মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে চান না ? আপনি এখন অন্য উপায়ে উপার্জন করেন আর যখন চাকরির সুযোগ পাবেন তখন কেন চাকরি করবেন না আগেই কেন চাকরির উপর ভরসা করে বসে আছেন? আসলে বেশিরভাগ মানুষ চায় শর্টকাট কিন্তু তারা ভুলে যায় সফলতার কোনো শর্টকাট হয় না। আর ছোটখাটো কাজ বা ব্যবসা করার সময় আমাদের কিছু মানুষের ইগোতে লাগে আবার কিছু মানুষ সাহস করে কাজ করে কিন্তু সমাজের কিছু মানুষ তার পিছু লাগে কি বলে যানেন? তুমি শিক্ষিত হয়ে এসব করছো কেন? পড়াশোনা করছো কি এগুলো করার জন্য? এত কম বেতনের চাকরি কেন কর? এত কম বেতনের চাকরি করার থেকে না করাই ভালো। এছাড়া আর অনেক অপমান আছে অনেকে বহু হালাল বৈধ কাজকে নিচু মানের মনে করে আর এটা তারা শুধু তাদের চিন্তার ভিতর সীমাবদ্ধ থাকে না আপনাকেও কথা শুনিয়ে মজা পায়।
✔️শেষে একটা প্রশ্নই থেকে যায় আপনি কোন সমাজের লোকদের ভয় পাচ্ছেন যারা হারাম কাজে লিপ্ত হয়েও সেটাকে সম্মানজনক পেশা মনে করে, যারা বৈধ কাজকে ছোট মনে করে, আপনি ১ বেলা না খেয়ে থাকলে আপনাকে ১ বেলার খাবার পযন্ত দিবে না, যারা কখনো পরিপূর্ণ ইসলামিক শিক্ষা পায় নি বা গ্রহণ করে নি যদি সে পেত তাহলে সকল হালাল পেশাকে সে সম্মান করতে জানতো।
💬প্রশ্ন থেকেই যায় আপনি কাকে ভয় পাচ্ছেন, কাদের পিছনের কথাকে অপমান মনে করছেন?
আপনি যদি হালাল উপায়ে কাজ করতে চান তার কিছু তালিকা
১. ফ্রিল্যান্সিং: যুবকরা ফ্রিল্যান্সিং সেবা প্রদান করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন।
২.প্রোগ্রামিং : যেমন ডেটা এন্ট্রি, ডেটা প্রসেসিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গেম ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি। তারাও প্রোগ্রামিং শেখার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার উন্নত করতে পারে।
৩. ই-কমার্স ব্যবসা: যুবকরা ই-কমার্স ব্যবসা করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারেন।
৪. ছোটখাটো হাঁস/মুরগীর ফার্ম দিতে পারেন প্রথমে বাড়ির আঙিনায় তারপর সফলতা পেলে বড় জায়গায় বড় পরিসরে করতে পারেন। ছোট বাচ্চা কিনে বড় করে বিক্রি করে, ডিম বিক্রি করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
৫. মুদিখানার দোকান দিতে পারেন।
৬. ছোটখাটো ব্যবসা করতে পারেন।
৭. ফুডপান্ডা/ডারাজ এর ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করতে পারেন।
৮. দোকানে কাজ করতে পারেন তবে সেটা অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আর অভিজ্ঞতা অর্জন এর পর নিজে দোকান দেওয়ার চেষ্টা করবেন ঐ কর্মচারীর চিন্তাতেই পড়ে থাকলে জীবনে আগাতে পারবেন না।
৯. ইলেকট্রিক এর কাজের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং এটা শিখে কাজ করতে পারেন।
১০. পাইপ ফিটিং এর কাজ শিখে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
১১. কার/মাইক্রোবাস ড্রাইভিং শিখে গাড়ি চালিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
১২. চা এর দোকান দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বিঃদ্রঃ বি*ড়ি,সি*গারেট বিক্রি করা হারাম কিন্তু এগুলো ছাড়া চায়ের দোকান দেওয়া যায়।
১৩. জেএসসি/এসএসসি পাশে ছোট খাটো চাকরি করতে পারেন বেতন খুব কম হলেও।
এছাড়াও আরও বহু কাজ আছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন। যদি বিয়ে করার মত সামর্থ্য অর্জন নাও করেন তবুও নিজের খরচটা অন্তত নিজে চালাতে পারবেন এবং ফ্যামিলিকে সাপোর্ট করতে পারবেন। আর বেকার থাকার ফলে মাথায় হাজার অনর্থক চিন্তা ভর করে।
➡️নিশ্চয়ই ধৈর্য্যধারণ করা দুনিয়ায় অন্যতম কঠিন কাজ আর এসব কাজে ধৈর্য্য প্রয়োজন।
(ভাই আপনি কি কাজ করেন? আমি ছাত্র কিছুদিন পর কম্পিউটার শিখে অনলাইন এর মাধ্যমে প্রোগ্রামিং শিখে বা ফ্রিল্যান্সিং শিখে কাজ করার ইচ্ছা আছে ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ কবুল করুক। আমিন)
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।