Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

পড়াশোনা : শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষার্থী (২য় পর্ব)

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
13 বার প্রদর্শিত
করেছেন (483 পয়েন্ট)   19 মার্চ "শিক্ষা" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!


পড়াশোনা : শিক্ষাঙ্গন  ও শিক্ষার্থী

 

পর্ব-২


দৃশ্যপট-২


পিরিয়ডটা ছিলো শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ের।৭ম শ্রেণিতে নির্ধারিত  বিষয় শিক্ষকের  অনুপস্থিতিতে আমি ক্লাস নিতে যায়।এ ক্লাসে আমার নির্দিষ্ট কোনো পিরিয়ড নেই।  শারীরিক শিক্ষার ক্লাসে শিক্ষার্থীরা  সাধারণত মাঠে যায়।কিন্তু সেদিন বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছিলো।শিক্ষার্থীরা বায়না করল,তারা ক্লাসে দল করে বসে বসে খেলবে।প্রথমে আমি কিছুতেই রাজি হচ্ছিলাম না।পরবর্তীতে তাদের বায়নার কাছে হার মানলাম।

এখন আমরা অভিভাবকরা চাইলে একটু আঁতকে উঠতে পারি।পড়াশোনা বাদ দিয়ে ক্লাস রুমে খেলাধূলা! শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছেলেদের একেবারে উচ্ছন্নে পাঠাচ্ছে।


আমি শিক্ষার্থীদের বললাম,’ দু'টো শর্তে তোমরা খেলতে পারবে।প্রথম শর্ত হলো-- এমনভাবে খেলবে যাতে পার্শ্ববর্তী  ক্লাসরুমে কোনো শব্দ না যায়।তাদের ক্লাসে যেন কোনো অসুবিধা না হয়।‘

তারা একবাক্যে রাজি হলো।

আমাদের ছেলেবেলায় বসে বসে কিছু খেলার প্রচলন ছিলো।ঘরে কিংবা ক্লাসে লুকিয়ে লুকিয়ে খেলতাম।যেহেতু তখন বেশির ভাগই যৌথ পরিবার  ছিলো- তাই ভাইবোনের সংখ্যা ও বেশি ছিলো।বড়দের ফাঁকি দিয়ে বইয়ের নিচে লুকিয়ে লুকিয়ে খেলার মতো কিছু জনপ্রিয় খেলার প্রচলন ছিলো।

এসব খেলার মধ্যে কয়েকটার কথা খুব মনে পড়ে।

একটা ছিলো' যদু,মধু, রাম, শ্যাম'।এ ধরণের আর একটি খেলা ছিলো, 'চোর-পুলিশ'। এ খেলায় প্রত্যেকের নির্দিষ্ট স্কোর থাকত। 

আমার মতো অন্য কোনো  অভিভাবকের , এ ধরনের অন্য কোনো খেলার কথা কী মনে পড়ে?

এখনকার শিক্ষার্থীরা এসব খেলার কথা জানেনা।তারা ফাঁক ফেলেই দু' টো খেলা খেলে।একটা হলো কলম ফাইট( কলমে কলনে টুকাটুকি)

দ্বিতীয়টি হলো- হাতে হাতে ক্রিকেট খেলা।প্রথমটি যা একটু নুঝা যায়, দ্বিতীয়টা সত্যিকার অর্থেই কী?এখনও বুঝে উঠতে পারিনি।


এবার আমার দ্বিতীয় শর্তের কথা বলি।

ক্লাসে জাহিদ নামে একজন স্পেশাল চাইল্ড আছে।সবসময় ক্লাসে পিছনের বেঞ্চে বসে থাকে।কেউ তার সাথে মিশে না। মুখ দিয়ে সবসময় লালা পড়ে। ভালোভাবে কথা বলতে পারেনা।হাঁটতে ও কিছুটা সমস্যা হয়। কোনো কিছু পড়তে দিলে পড়ে মোটামুটি  লিখে দিতে পারে।কিন্তু নিজে থেকে কিছু বুঝে লিখতে পারে না। ঠিক এ কারণেই সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হয়না।


আমার দ্বিতীয় শর্ত ছিল,  শিক্ষার্থীরা যখন খেলবে তখন তাদের সাথে জাহিদকে রাখতে হবে।শুধু তাই না তাকে খেলার সুযোগ দিতে হবে।পুরো ক্লাস আবারও রাজি হলো। জাহিদ প্রথমবারের মতো তার সহপাঠীদের সাথে খেলায় অংশগ্রহণ করল।


সেদিন জাহিদের   চোখে- মুখে যে স্বর্গীয় আনন্দ দেখেছি তা ভুলবার নয়।তার চোখ দু' টি জ্বলজ্বল করছিল।খেলার ফাঁকে  একটু পর পর আমার দিকে তাকাচ্ছিল।

পরবর্তীতে  কিছুদিন  আমাকে ৭ম শ্রেণিতে শ্রেণি শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হয়।জাহিদকে পিছনের বেঞ্চ থেকে সামনের বেঞ্চে বসার সুযোগ করে দিয়েছি।প্রায়ই তাকে বোর্ডে এনে এমন সব প্রশ্ন লিখতে দিতাম -যা সে খুব সহজেই উত্তর দিতে পারবে।অন্য শিক্ষার্থীদের বলতাম হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করতে। সে খুব খুশি হতো।আমাকে দেখামাত্র তার চোখে- মুখে যে অনাবিল আনন্দ ফুটে উঠত তা দেখে সত্যিকার অর্থেই আমি এক ধরনের মানসিক তৃপ্তি অনুভব  করতাম।অন্য শিক্ষার্থীদের মতো বড় কোনো জায়গায় যাওয়ার ভাগ্য হয়তো তার নেই।কিন্তু অন্যদের মতো সম অধিকার পাওয়ার সুযোগ তারও থাকা উচিত।

আগের বিষয়ে আবার ফিরে আসি।শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত দলে ভাগ হয়ে গেলো। প্রত্যেক দলে স্বয়ং ক্রিয়ভাবে একজন দলনেতা তৈরি হয়ে গেলো।

 তারা  হয়তো ভবিষ্যতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে নেতৃত্ব দেবে।নেতৃত্ব দানের ক্ষমতা  তাদের  সহপাঠীদের সাথে খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই শুরু হবে।


অন্যান্য শিক্ষার্থীরা দলনেতার নির্দেশ মেনে খেলবে।এতে তারা ভবিষ্যতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখবে।

জাহিদকে নিয়ে খেলা তাদের শেখাবে সহনাভুতিশীলতা ও  সহমর্মিতার মনোভাব।তাদের এটাও  শিখাবে  প্রত্যেক ব্যক্তি  সমান মর্যাদা পাওয়ার অধিকার রাখে।

image
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 3613
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


image
আর নয় বুলিং শামীমা আকতার দৃশ্যকল্প: ১ রিপন ৮ম শ্রেণিতে পড়ে। দেখতে স্থূলকায়। ক্লাসে ঢ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
11 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
রিকশা, আংটি ও আমি (২য় পর্ব) হাঁটতে হাঁটতে চিন্তা করলাম—এখানে কী আমার করার কিছু ছিল? আ÷[...] বিস্তারিত পড়ুন...
21 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
পড়াশোনা: শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষার্থী শামীমা আকতার পর্ব–১ আমরা যারা সবসময় সন্তানের ভ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মহাযাত্রার সন্ধিক্ষণে শামীমা আকতার বহু বহু দিন… বহু বহু কাল আগে, মরুদ্যানের সন্[...] বিস্তারিত পড়ুন...
25 বার প্রদর্শিত 1 প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
বিরহ বিলাস ভর দুপুর, হঠাৎ অঝোর বারিধারা— উপন্যাসটা মাত্র হাতে নিয়েছি, কিংবা জেগেছে ó[...] বিস্তারিত পড়ুন...
24 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...