#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_Muslim
সিরিজ পর্ব-২৭
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
কিছু লোক মনে করে ফজিলতের ক্ষেত্রে বুঝি যে কোনো যঈফ হাদীসি মানা যাবে কিন্তু এটা ভুল। আসুন তিনটা পয়েন্ট এতে বুঝি যেগুলোহাফেজ শাখাবি তার শায়েখ হাজার আসকানী থেকে জেনেছেন, সেগুলো হলো-
১.হাদীসটি যেন বেশি দুর্বল না হয়। আর এখানে আরেকটা বিষয় হলো মিথ্যুক এর হাদীস এবং অস্বাভাবিক ভুেকারী এর হাদীস এককভাবে গৃহীত হবে না এবং সেরুপ হাদীস এর উপর আমল করা যাবে না। অর্থাৎ ওই দুর্বল হাদীস এর উপর আমল একদমই করা যাবে না যেগুলোর সনদে মিথ্যুক + অস্বাভাবিক ভুলকারী থাকে এবং সেগুলোর সমর্থনে কোনো শাহেদও না থাকে, আর এরকম হাদীস যদি ফজিলতের ক্ষেত্রও হয় তবুও সেটা বাতিল ও প্রত্যাক্ষাত..
২. যে আমলটির ফযীলত এসেছে সেটার যেন সমর্থন থাকে মূল বিষয় এর । আর এরকম ক্ষেত্রে এমন কোনো ফযীলত এর আমল যার কোনো ভিত্তি নেই সে ক্ষেত্রে এর কোনো ফযীলতপূর্ণ দুর্বল হাদীস কাজে আসবে না, উদাহরণস্বরূপ ঈদে মিলাদুন নবী ভিত্তিহীন+ বেদআত, আর এই বেদআত এর অনেক ফযীলত হাদীসও আছে যা দুর্বল, এখন কেও ফযীলত এর হাদীস মানা যাবে দেখে যদি ঈদে মিলাদুন নবী পালন করে তাহলে তা বাতিল হিসাবেই গণ্য হবে...
৩.যঈফ ইয়াসির ( কম দুর্বল) হাদীস মানা যাবে তবে তা নবীজির সাথে বা শরীয়তের সাথে সম্পৃক্ত করা যাবে না একদমই যদি তা করা হয় তাহলে আমল বাতিল.....
[( তথ্যসূত্র: আল কওলুল বাদী ফী ফি ফাযলিস সালাতে আলাল হাবীবিশ শাফী সূত্রে: যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ - পৃষ্ঠা নং-১/৪৭)বিস্তারিত জানতে পড়ুন "যঈফ হাদীস কেন বর্জনীও " বইটি : ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরি ]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।