#শর্ট_কাউন্টার_পোস্ট_by_muslim
সিরিজ পর্ব-৯৬
সূরা ফাতিহার পর আস্তে আমিন বলার প্রসঙ্গে কোনো জাল দলীলও কি নেই?
সমাজে কিছু জাহেল আছে, তারা কোনো সাধারণ জাহেল না বরং জাহেল প্রো মাক্স। এদের ব্রেন মাথাই তো থাকেই না বরং নিজের পুটকিতেও থাকে না! এরা মূলত শায়েখদের পিছন এর গু থেকে জাহেলগিরি করে থাকে। যাইহোক এই জাহেলের দাবি " আস্তে আমিন বলার পক্ষে নাকি সহীহ তো দূরে থাক, কোনো জাল হাদীসও নেই..."
আরে পাগলা, তর জাল দেখার দরকার নেই, বরং যঈফ হাদীসি দেখিয়ে দিচ্ছি -
হাদীস - ১
সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নীরবতা অবলম্বনের দুটি স্থান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কন্ঠস্থ করেছি। ইমরান ইবনুল হুসাইন তা অস্বীকার করেন (এবং বলেন, আমরা একটি স্থান জানি)। আমরা বিষয়টি মদিনাতে উবাই ইবনু কাব (রাঃ) কে লিখে জানালাম। তিনি লিখেন, সামুরা বিষয়টি স্মরণ রেখেছেন। অধস্তন রাবী সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমরা ক্বাতাদাহ (রাঃ) কে বললাম, সেই নীরবতা অবলম্বনের স্থান দুটি কী কী? তিনি বলেন, যখন তিনি তাঁর সালাতে প্রবেশ করতেন এবং যখন তিনি কিরাআত শেষ করতেন, অতঃপর তিনি বলেন, যখন তিনি গাইরিল মাগযূবি আলাইহিম ওয়ালায যআল্লীন পড়তেন। রাবী বলেন, কিরাআত পাঠ শেষ করে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য তিনি নীরবতা অবলম্বন করতেন, এটা লোকেদের ভালো লাগতো। ( ইবনে মাজাহ-৮৮৮/ হাদীস বিডি আলবানির তাহকীক নিয়ে যঈফ বলেছে)
হাদীস-২
মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রহঃ) ..... সামুরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সালাতে দুই স্থানে নীরবতার কথা স্মরণ রেখেছি। ইমরান ইবনু হুসায়ন রাদিয়াল্লাহু আনহু একথা প্রত্যাখান করে বললেন আমরা এক স্থানের নীরবতার কথা জানি। রাবী হাসান বলেন, আমরা এই বিষয়ে মদীনার উবাই ইবনু কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু কে লিখলে তিনি আমদের লিখে জানালেন যে, সামুরাই সঠিক স্মরণ রেখেছেন। রাবী সাঈদ বলেন আমরা কাতাদাকে বললাম এ নীরবতার স্থান দুইটি? তিনি বললেন একটি হল, সালাত শুরুর পর; আরেকটি হল, কিরাআতের পর। পরবর্তীতে তিনি বলেছিলেন, আরেকটি হল ولا الضالين পাঠের পর। শ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসার উদ্দেশ্যে কিরাআত শেষে কিছুক্ষন নীরব থাকা তিনি পছন্দ করতেন ( তিরমিজি-২৫১ : ইসলামিক ফাউন্ডেশন / আলবানির তাহকীকে যঈফ)
( আবু দাউদ -৭৭৭ যঈফ আলবানির তাহকীক অনুসারে)
....
তো দেখুন, আমাদের জাহেলের দাবি যে কোনো জাল হাদীসও নাকি নেই! ভাই জাল হাদীস থাকার দরকারও নেই, বরং গ্রহণযোগ্য যঈফ হাদীস আছে... যেগুলো জালের চেয়ে হাজারগুন ভালো! । আমি তাকে চ্যালেন্স দিচ্ছি, সে একটা হাদীস দেখাক যে আমিন আস্তে বলার রেওয়াত জাল বলেছে কোনো মুহাদ্দিস! ।
এখন আসি পয়েন্ট এতে, এখানে দ্বিচারিতা করা হয়েছে। উসূল মোতাবেক একে অপরের সমর্থনে হাদীস হাসান লি গাইরিহি হয়, আর এসব হাদীসও আমলের ক্ষেত্রে গ্রহণযোঘ্য! । আমি তিনটা হাদীস পেশ করেছি যেগুলো একে অপরের হাদীস কে শক্তিশালী করেছে। সো তাহকীক অনুসারে হাদীসগুলো কে হাসান মানে উন্নতি করা উচিত ছিল! । কিন্তু তাহকীকে হাসান সহীহ না বলে যঈফ বলে দিলো, এরা জালই বলে দিত কিন্তু হয় তো ইমানের ভয় থাকার কারনে জাল বলে নি, কেননা নবীর হাদীসকে জাল বললে তা চরম গুনাহ( বুখারী-১০৯) । যাইহোক উসূল মোতাবেক এগুলো না হলেও হাসান আহলে হাদীসের তাহকীক অনুসারে! । তো এখন একটা উদাহরণ দেখুন, হাদীস বিডীতে আলবানির তাহকীককে একটা রেওয়াত আনা হয়, যেটা পাবেন মিশকাত -৮০৮ এতে। তো হাূীসটা মুরসাল যঈফ, কিন্তু সেটাকে হাসান বলে চালিয়ে দিছে, কেননা সেটা আহলে হাদীসদের আমলের দলীল! আর মুরসাল হাদীসকে হাসান বলার কারন হলো শাহেদ আছে! । তো আমিও কিন্তু এখানে সমর্থন হাদীস দিয়েছি একে অপরের। তো আপনারাই বলুন একটা মুরসাল যঈফ হাদীসের সমর্থনের কারণে সেটা হাসান, আর আরেকটার সমর্থন থাকা সত্যেও তা কেন যঈফ?। এটা মূলত দলীয় ধর্মান্ধতার কারণে হয়েছে। এরকম অনেক নজির আছে, যার মধ্যে আমি একটা বললাম এখানে।
এক কথায় আহলে হাদীসদের পক্ষে গেলে ( আজগুবি) উসূলেও সেগুলো সহীহ, আর বিপক্ষে গেকে তা যঈফ....
[ বাঈ দা ওয়ে, সে ss এতে যা দিয়েছে সেখানে জালিয়াতি করা হয়েছে...]
#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।