ধর্ম পালন করা উচিত বুদ্ধিমত্তার সংমিশ্রণে।কারণ এই বুদ্ধিমত্তাই ধর্মকে সঠিকভাবে জানতে শেখাবে, ভুল থেকে বাচাবে।তবেই একজন প্রকৃত ধার্মিক হওয়া যাবে।আমাদের নবিজি (সা.) তার বড় উদাহারন।
আবাগের বশবর্তী হয়ে আমি কি করছি, কেন করছি, কি করা উচিত সেগুলো বুঝে ওঠা নিশ্চই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়!তাই নয় কি?
আর ধর্ম নিয়ে যুক্তি উপস্থাপন করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে যথাযথ জ্ঞানার্জন করুন।অযৌক্তিক কথাবার্তা গ্রহণযোগ্য?
যথাযথ জ্ঞানার্জন করাটাই শ্রেয় নয়?আর হ্যা, জ্ঞানার্জন করা তো ধর্মের কাজ।অযথা তর্ক করাকে কোনো ধর্ম সমর্থন করে বলে তো আমার মনে হয় না,এইটুকু বিশ্বাস আমার আছে,আপনার কি মনে হয়?
আমাদের শক্তি আছে ঠিকই, কিন্তু সেটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি না।যার দরুন পৃথিবীতে এত এত সমস্যা।
শুধু আবেগের বশবর্তি হয়ে অযৌক্তিক কর্মকান্ড করে নিজেকে কিংবা ধর্মকে বিতর্কিত করাটাকে আপনি কি সমর্থন করতে চান?
তবে তারপরেও কেন এসব অযৌক্তিক কর্মকান্ড থামছেই না?ধর্ম নিয়ে কেন এত বাড়াবাড়ি? নিজ নিজ ধর্মই পালন করুন না, সঠিকভাবেই পালন করুন।আবাগের বশবর্তী হয়ে অযৌক্তিক কিছু তখনই সংঘটিত হতে দেখা যাবে, যখন সেখানে বুদ্ধিমত্তার বিসর্জন ঘটবে।অন্তত আপনি তো বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মানুষ!
(লেখাটি প্রথম লিখা হয়েছিলো ২০২৩ এ, অগোছালো)
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।