সামনেই আসতেছে..
বিজয়ের ক্ষণ।।
যাদের কাছে ঋণী
আমরা সারাটা জীবন।।
আগামীকাল ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে ৯ মাস মহান রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের ফলে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করি। আমদের সম্মান ও শ্রদ্ধার সহিত মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণ করা উচিত।তাদের আত্নত্যাগের ফলে আমাদের দেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এখন আমরা স্বাধীনভাবে মতামত প্রদর্শন করতে পারি।এর জন্য অসংখ্যা ভাই ও বোনেরা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করে দিয়েছে।তাই আমাদেরকে গর্বের সাথে তাদের স্মরণ করা উচিত।
তবে শহীদ ভাইয়েরা যে জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করছে।সেটার মূখ্যপাত্র বিষয় ছিল দেশের জনগণ যাতে স্বধীনভাবে বসবাস করতে পারে।কিন্তু এরপরও কিছু শাসকগোষ্ঠী জনগণের স্বাধীনতাকে হস্তক্ষেপ করতেছে।এতে স্বাধীনতাকামী শহীদের মূল লক্ষের বিরুদ্ধে কাজ করানো হচ্ছে।শাসক গোষ্ঠী যুদ্ধকে ইন্ধন বানিয়ে আসল মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করছে।যারা প্রান দিয়েছে তারা নিজের স্বার্থকে হাসিল করার উদ্দেশ্যে প্রান দেয় নি।তারা জীবন উৎসর্গ করেছে যাতে দেশে সকল স্তরের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে,স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে আর যেখানে থাকবে না কোনো বৈষম্য। এমন একটা বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তারা বাতিলের কাছে মাথা নত করে নাই।
কিন্তু এরপরেও দেখা যাচ্ছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের স্বাধীনতাকে হস্তক্ষেপ করেছে,নাগরিক তার যৌক্তিক অধিকার ফিরে পায় নাই এবং বিনা কারণে নাগরিকদের নানান রকম হস্তক্ষেপের স্বীকার ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।এতে একটা দেশের বৈষম্য সৃষ্টি করা ছাড়া আর কিছু হতে পারে না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের মূলত কেনো বিজয় দিবস পালন করা হয় বা উচিত ও এর থেকে কী শিক্ষা নেওয়া উচিত?
এ প্রশ্নের উত্তর জানা প্রতিটা নাগরিকের খুবেই প্রয়োজন।বিজয় দিবস মূলত পালন করা হয় শহীদের স্মরণ করতে। কী পরিমাণ দেশকে ভালোবাসলে একজন নাগরিক দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে পারে তা আমাদের ধারণার বাহিরে।আমাদের শহীদদের এজন্য স্মরণ করা উচিত যে তারা যদি দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারে তাহলে আমরা কেনো দুঃসময়ে দেশের জনগণের পাশে থাকব না।এটি আমাদের উদ্দীপনা তৈরিতে অধিক অবদান রাখে।যার ফলে আমরা দেশপ্রেমিক হয়ে উঠি।
এ দিবস থেকে শিক্ষা হলো দেশের যেকেনে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সদাসর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।এ দেশ আমাদের ও এ দেশের জনগণ
সবাই আমরা একে অপরের ভাই-বোন।
তাই আপনার মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করুন।শোকাহত শহীদ পরিবারকে শান্তা দিয়ে পাশে থাকুন।দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সচেষ্ট থাকুন।তাহলেই শহীদদের আত্না শান্তি পাবে।আমাদের সকলেরই শহীদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করা উচিত।
Daily Inspirations
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।