Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #3871 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 1 ঘন্টা পূর্বে করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইশ্বরের বিরুদ্ধে আনিত ১২ টা অভিযোগের খন্ডন


#ইশ্বরের_বিরুদ্ধে_আনিত_১২_টা_যুক্তি_খন্ডন_পর্ব 







আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 






 একটা পোস্ট দেখলাম, যার শিরোনাম হলো " ইশ্বরের বিরুদ্ধে ১২টি যুক্তি" এই পোস্টে বৈজ্ঞানিক কিছু থিওরি পেশ করে লিহন প্রাইম নামক একজন ব্যক্তি প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন যে স্রষ্টা বলতে কেও নেই। আসলে তিনি অনেক চালাকি করেছে আর ত্যানাপ্যাচানো কথা বলেছেন। তার প্রত্যেকটা যুক্তি এখন ধরে ধরে খন্ডন করব ইনশাআল্লাহ 






তো চলুন শুরু করা যাক। 






তার প্রথম যুক্তি হলো 






যুক্তি -১ 


_________________________ 






১) প্রিন্সিপাল অব কজালিটি: এ ধারণা অনুসারে মহাবিশ্বের সবকিছুর কারণ আছে। অতএব মহাবিশ্বেরও কারণ আছে। কিছু কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের হয়তো নিজস্ব কারণ আছে অথবা এটি মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক নিয়মে তৈরি হয়েছে। এছাড়া সকল কারণের আদি কারণ যদি ঈশ্বর হয় তবে ঈশ্বরেরও কারণ থাকা উচিত। শন ক্যারল বলেন, কার্য- কারণ এন্ট্রপির সাথে সম্পর্কযুক্ত। এটি ফিজিক্সের আভ্যন্তরীণ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়।
_______________________ 

খন্ডন 

******* 



_______________________ 






খন্ডন 


******* 


এই প্রিন্সিপাল অফ কজালিটি ওইসব বস্তুর উপর প্রযোজ্য যার একটা শুরু আছে। এই প্রিন্সিপাল অফ কজালিটি কখনো আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর উপর প্রযোজ্য না , কারণ তার কোনো শুরু নেই অতএব এই যুক্তি দিয়ে স্রষ্টার বিরুদ্ধে কখনো প্রমাণ হতে পারে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি -২






________________________


২) প্রাকৃতিক নিয়মের উপস্থিতি: মহাবিশ্ব সুসঙ্গত প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে যেমন: গ্র‍্যাভেটি ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম। পদার্থবিদ্যার আইন যেমন থার্মোডায়নামিক্স এবং গ্র‍্যাভেটি স্ট্যার ও গ্যালাক্সির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারে, ঈশ্বরের দরকার হয় না। 
______________________

খন্ডন



______________________






খন্ডন


*****


প্রাকৃতিক নিয়ম এর উপস্থিতি কখনো স্রষ্টার বিরুদ্ধে নাকচ করার প্রমাণ হতে পারে না, বরং, এটা স্রষ্টার পক্ষে প্রমাণ হিসাবে কাজ করে। আমরা যখন একটা কম্পিউটার ব্যবহার করি তখন কম্পিউটার এর প্রোগ্রামগুলেই প্রমাণ করে যে একজন কারিগর আছে, ঠিক তেমনই প্রাকৃতিক এর নিয়মগুলল নিয়মগুলো স্রষ্টার পক্ষে কাজ করে। ইউনিভার্স এর এত সুন্দর ডিজাইন এত পারফেক্ট ডিজাইন একজন স্রস্টাকে নির্দেশ করে। এই যুক্তি তখনই স্রস্টার বিরুদ্ধে কাজ করত যখন এটা প্রমাণ হতো যে এই ইউনিভার্স এর কনসিয়াসনেস আছে, যেহেতু সেটা নেই তাই এই যুক্তি স্রষ্টার বিরুদ্ধে কখনো কাজ করে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি -৩ 
_________________________



_________________________


প্রিন্সিপ্যাল অব অ্যানালজি: ন্যচারাল ওয়ার্ল্ড ও ইউনিভার্সের ভেতরকার যে সামগ্রিক সাদৃশ্যতা তা আমাদের বলছে যে একই প্রসেস যা গ্রহকে তৈরি করেছে সেটি আমাদের ইউনিভার্সকেও তৈরি করেছে। 


____________________
খন্ডন

*******



খন্ডন


*******


আমি হাসবো নাকি কান্না করব সেটা ঠিক বুঝছি না। আচ্ছস আচ্ছা এই ইউনিভার্স এর সৃষ্টির ব্যাপারে সবচেয়ে সহজ উত্তর দিয়েছে ইসলাম ধর্ম। সূরা বাকারার ১১৭ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে যে " কুন বললেই সব হয়ে যায়" 


কুন =কমান্ড=সাউন্ড=এনার্জি =ম্যাটার=ইউনিভার্স 






আমার মনে হয় না যে বিজ্ঞান এত সহজ ব্যাখ্যা দিতে পারবে। অন্য ধর্মগুলোর কথা জানি না, তবে ইসলাম সৃষ্টি সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছে সেটা অতি সোজা। আর বিজ্ঞান সৃষ্টির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আ্যবসুলিউটলি কোনো ব্যাখ্যা করতে পারে না। আর এই দিক দিয়ে দেখলে তিন নাম্বার যুক্তিটাও স্রষ্টার বিরুদ্ধে যায় না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি-৪ 
______________________



______________________


হিগস বোসন: হিগস বোসনের আবিষ্কার আমাদের নিশ্চিত করেছে যে, মহাবিশ্ব তৈরিতে হিগস ফিল্ড কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। ঈশ্বর নয়। 
______________________

খন্ডন

******* 



______________________


খন্ডন


******* 


হিগস- বোসন পার্টিকেল নিজে নিজে অস্তিত্বে আসে নি। যদি নিজে নিজে অস্তিত্বে আসতো তাহলে বলা যে তো যে হিগস বোসন পার্টিকেল তত্ত্ব অনুসারে ইউনিভার্স একা একা সৃষ্টি হতে পারে, স্রষ্টার কোনো ভূমিকা নেই। তাই এই যুক্তিও কখনো প্রমাণ করে না যে স্রষ্টা নেই। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি -৫ 


_________________________ কসমিক মাইক্রোওয়েব ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন : সিএমবি, যেটি মহাবিস্ফোরণের সাপেক্ষে একটি প্রমাণ। এ তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব উত্তপ্ত ও ঘন একটি দশা থেকে তৈরি হয়েছে ও সময়ের সাথে সম্প্রসারিত হয়েছে। 


_________________
খন্ডন 

******* 







খন্ডন 


******* 






আমি ঠিক বুঝলাম না এই তত্ত্ব দ্বারা স্রষ্টাকে নাকচ করা হলো কি করে❔❓। করে? আন্ড্রোস লিহন এর এই বিষয়টা আরেকটু ক্লিয়ার করা উচিত ছিল। আর এই " ঘনদশার ঘন দশার বিষয়টা পবিত্র আল কোরআনের সূরা আম্বিয়ার ৩০ নাম্বার আয়াতে আগেই বলা হয়েছে। জ্ঞানীদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। তাই কিছু লেখলাম না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি -৬ 
______________________



______________________






ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির আবিষ্কার: ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি আমাদের মহাবিশ্বের বেশিরভাগ গঠন করেছে, এগুলো ন্যাচারাল ঘটনা, সুপারন্যাচারাল কিছু না
_______________________

খন্ডন 

******** 



_______________________


খন্ডন 


******** 


হুমম এটা অলৌকিক কিছুই না। তো তাতে কি হয়েছে। ঘটনা বা ইফেক্ট লৌকিক হোক আর অলৌকিক সেটা দিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কখনো কাজ করে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার।






যুক্তি-৭ 
_______________________



_______________________






ফাইন টিউন: ফাইন টিউনিং মহাবিশ্বের ধারণা থেকে আমরা জানতে পারি, ইউনিভার্স জীবনের জন্য ফাইন টিউন, এ বিষয়টি আমরা অ্যানথ্রেইপিক প্রিন্সিপলের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে পারি। ঈশ্বরের দরকার হয় না। 
_____________________ 

খন্ডন

*******



_____________________ 


খন্ডন


*******


প্রথম কথা হলো স্রষ্টা এই ইউনিভার্স এর অংশ না। যদি স্রষ্টা এই ইউনিভার্স এর অংশ হতো তাহলে এই কথাটা স্রষ্টার বিরুদ্ধে কাজ করত কারণ এই তত্ত্ব শুধু এই ইউনিভার্স এর অংশের ভিতরে কাজ করে। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 






যুক্তি -৮ 
________________________ 



________________________ 


মাল্টিভার্স থিওরি: মাল্টিপল ইউনিভার্সের অস্তিত্ব আমাদের নির্দেশ করছে যে, মহাবিশ্ব অসংখ্যের মধ্যে একটি, অন্যান্য মহাবিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও আইন রয়েছে। 
________________________ 

খন্ডন 

******** 



________________________ 






খন্ডন 


******** 






পাল্টিভার্স এটা জাস্ট একটা পিডিকশন, এটা কোনো হাইপোথিসিস ও না। স্টিং থেউরি, থিওরি, শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল পরিক্ষা, গ্রান্ড ফাদার পারাডক্স এর কিছু ব্যাখ্যার জন্য এই তত্ত্ব কে বিকল্প হিসাবে ধরা হয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। আর হাস্যকর ব্যাপার হলো, যেখানে আমরা নিজেদের বিশ্ব সম্পর্কে কিছু জানি না, সেখানে তত্ত্ব দিয়ে দিলাম মাল্টিভার্স এর। তাই এই অপ্রমাণ একটা বিসয় কখনো স্রস্টার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার।

বিষয় কখনো স্রস্টার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার।






যুক্তি -৯ 
_______________________



_______________________


সায়েন্টিফিক মিডট: বিজ্ঞান প্রমাণ ও পুনরুৎপাদনযোগ্যতার ওপর নির্ভর করে। আর অনেক প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, ঈশ্বরের অস্তিত্বের সাপেক্ষে কোনো সায়েন্টিফিক সাপোর্ট নেই।
________________________ 

খন্ডন 



________________________ 


খন্ডন 


******  


এখানে আন্ড্রোস লিহন লজিক্যাল ফ্যালাসির ব্যবহার করেছে। তার কথার শুরুর সাথে শেষের কোনল কোনো যোগসূত্র নেই। জিনিসটা এই রকম " আম গাছে যেহেতু বিভিন্ন প্রকারের আম ধরে তাই কাঠাল গাছেও বিভিন্ন আকারের কাঠাল আছে অতএব জাম গাছ এর কোনল অস্তিত্ব নেই । জ্ঞানীদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। আশা করি কথা ক্লিয়ার।  






যুক্তি-১১ 
_____________________ 



_____________________ 


র‍্যান্ডমনেস ও প্রবাবিলিটি: মহাবিশ্ব বিশৃঙ্খলা ও সম্ভাবনা দ্বারা পরিচালিত, যে প্রক্রিয়ায় কমপ্লেক্স স্ট্র‍্যাকচার তৈরি হয়ে পারে যেমন: গ্যালাক্সি ও লাইফ।


______________________ 
খন্ডন 



খন্ডন 


****** 


গ্রলাক্সি কিভাবে তৈরি সেটা দিয়ে স্রষ্টার সৃষ্টির উপরও তো কোনো প্রশ্ন করা যাবে না, তাহলে স্রষ্টা নেই সেই বিষয় কিভাবে প্রমাণ করে। আর হ্যা এটা শুধু জড় বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন : বিমান, রকেট ইত্যাদি ইত্যাদি। আশা করি কথা ক্লিয়ার।
 



 


শেষ যুক্তি -১২
_______________________ 



_______________________ 


 বিবর্তন: ডারউইনের বিবর্তন এ গ্রহে জীবনের বৈচিত্র‍্যতা ব্যাখ্যা করতে পারে কোনো প্রকার ঈশ্বরের সাহায্য ছাড়াই।


____________________ 






তো এটা আর খন্ডন করলাম না। কেন এই বিষয়ে কিছু লেখলাম না সেটা হয় তো বুঝে গেছেন ।






তো এই ছিল তাঁর ভ্রান্ত যুক্তির..... 






তো লেখাটা এখানেই শেষ করছি। 






সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 






    কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️






আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ






#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
লিখেছেন 1 ঘন্টা পূর্বে , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

ইশ্বরের বিরুদ্ধে আনিত ১২ টা অভিযোগের খন্ডন

#ইশ্বরের_বিরুদ্ধে_আনিত_১২_টা_যুক্তি_খন্ডন_পর্ব 

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

 একটা পোস্ট দেখলাম, যার শিরোনাম হলো " ইশ্বরের বিরুদ্ধে ১২টি যুক্তি" এই পোস্টে বৈজ্ঞানিক কিছু থিওরি পেশ করে লিহন প্রাইম নামক একজন ব্যক্তি প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন যে স্রষ্টা বলতে কেও নেই। আসলে তিনি অনেক চালাকি করেছে আর ত্যানাপ্যাচানো কথা বলেছেন। তার প্রত্যেকটা যুক্তি এখন ধরে ধরে খন্ডন করব ইনশাআল্লাহ 

তো চলুন শুরু করা যাক। 

তার প্রথম যুক্তি হলো 

যুক্তি -১ 

_________________________ 

১) প্রিন্সিপাল অব কজালিটি: এ ধারণা অনুসারে মহাবিশ্বের সবকিছুর কারণ আছে। অতএব মহাবিশ্বেরও কারণ আছে। কিছু কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের হয়তো নিজস্ব কারণ আছে অথবা এটি মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক নিয়মে তৈরি হয়েছে। এছাড়া সকল কারণের আদি কারণ যদি ঈশ্বর হয় তবে ঈশ্বরেরও কারণ থাকা উচিত। শন ক্যারল বলেন, কার্য- কারণ এন্ট্রপির সাথে সম্পর্কযুক্ত। এটি ফিজিক্সের আভ্যন্তরীণ কোনো বৈশিষ্ট্য নয়।

_______________________ 

খন্ডন 

******* 

এই প্রিন্সিপাল অফ কজালিটি ওইসব বস্তুর উপর প্রযোজ্য যার একটা শুরু আছে। এই প্রিন্সিপাল অফ কজালিটি কখনো আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর উপর প্রযোজ্য না , কারণ তার কোনো শুরু নেই অতএব এই যুক্তি দিয়ে স্রষ্টার বিরুদ্ধে কখনো প্রমাণ হতে পারে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি -২

________________________

২) প্রাকৃতিক নিয়মের উপস্থিতি: মহাবিশ্ব সুসঙ্গত প্রাকৃতিক নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে যেমন: গ্র‍্যাভেটি ও ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিজম। পদার্থবিদ্যার আইন যেমন থার্মোডায়নামিক্স এবং গ্র‍্যাভেটি স্ট্যার ও গ্যালাক্সির গঠন ব্যাখ্যা করতে পারে, ঈশ্বরের দরকার হয় না। 

______________________

খন্ডন

*****

প্রাকৃতিক নিয়ম এর উপস্থিতি কখনো স্রষ্টার বিরুদ্ধে নাকচ করার প্রমাণ হতে পারে না, বরং, এটা স্রষ্টার পক্ষে প্রমাণ হিসাবে কাজ করে। আমরা যখন একটা কম্পিউটার ব্যবহার করি তখন কম্পিউটার এর প্রোগ্রামগুলেই প্রমাণ করে যে একজন কারিগর আছে, ঠিক তেমনই প্রাকৃতিক এর নিয়মগুলল স্রষ্টার পক্ষে কাজ করে। ইউনিভার্স এর এত সুন্দর ডিজাইন এত পারফেক্ট ডিজাইন একজন স্রস্টাকে নির্দেশ করে। এই যুক্তি তখনই স্রস্টার বিরুদ্ধে কাজ করত যখন এটা প্রমাণ হতো যে এই ইউনিভার্স এর কনসিয়াসনেস আছে, যেহেতু সেটা নেই তাই এই যুক্তি স্রষ্টার বিরুদ্ধে কখনো কাজ করে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি -৩ 

_________________________

প্রিন্সিপ্যাল অব অ্যানালজি: ন্যচারাল ওয়ার্ল্ড ও ইউনিভার্সের ভেতরকার যে সামগ্রিক সাদৃশ্যতা তা আমাদের বলছে যে একই প্রসেস যা গ্রহকে তৈরি করেছে সেটি আমাদের ইউনিভার্সকেও তৈরি করেছে। 

____________________

খন্ডন

*******

আমি হাসবো নাকি কান্না করব সেটা ঠিক বুঝছি না। আচ্ছস এই ইউনিভার্স এর সৃষ্টির ব্যাপারে সবচেয়ে সহজ উত্তর দিয়েছে ইসলাম ধর্ম। সূরা বাকারার ১১৭ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে যে " কুন বললেই সব হয়ে যায়" 

কুন =কমান্ড=সাউন্ড=এনার্জি =ম্যাটার=ইউনিভার্স 

আমার মনে হয় না যে বিজ্ঞান এত সহজ ব্যাখ্যা দিতে পারবে। অন্য ধর্মগুলোর কথা জানি না, তবে ইসলাম সৃষ্টি সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছে সেটা অতি সোজা। আর বিজ্ঞান সৃষ্টির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আ্যবসুলিউটলি কোনো ব্যাখ্যা করতে পারে না। আর এই দিক দিয়ে দেখলে তিন নাম্বার যুক্তিটাও স্রষ্টার বিরুদ্ধে যায় না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি-৪ 

______________________

হিগস বোসন: হিগস বোসনের আবিষ্কার আমাদের নিশ্চিত করেছে যে, মহাবিশ্ব তৈরিতে হিগস ফিল্ড কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। ঈশ্বর নয়। 

______________________

খন্ডন

******* 

হিগস- বোসন পার্টিকেল নিজে নিজে অস্তিত্বে আসে নি। যদি নিজে নিজে অস্তিত্বে আসতো তাহলে বলা যে তো যে হিগস বোসন পার্টিকেল তত্ত্ব অনুসারে ইউনিভার্স একা একা সৃষ্টি হতে পারে, স্রষ্টার কোনো ভূমিকা নেই। তাই এই যুক্তিও কখনো প্রমাণ করে না যে স্রষ্টা নেই। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি -৫ 

_________________________ কসমিক মাইক্রোওয়েব ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশন : সিএমবি, যেটি মহাবিস্ফোরণের সাপেক্ষে একটি প্রমাণ। এ তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব উত্তপ্ত ও ঘন একটি দশা থেকে তৈরি হয়েছে ও সময়ের সাথে সম্প্রসারিত হয়েছে। 

_________________

খন্ডন 

******* 

আমি ঠিক বুঝলাম না এই তত্ত্ব দ্বারা স্রষ্টাকে নাকচ করা হলো কি করে❔❓। আন্ড্রোস লিহন এর এই বিষয়টা আরেকটু ক্লিয়ার করা উচিত ছিল। আর এই " ঘনদশার বিষয়টা পবিত্র আল কোরআনের সূরা আম্বিয়ার ৩০ নাম্বার আয়াতে আগেই বলা হয়েছে। জ্ঞানীদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। তাই কিছু লেখলাম না। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি -৬ 

______________________

ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির আবিষ্কার: ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি আমাদের মহাবিশ্বের বেশিরভাগ গঠন করেছে, এগুলো ন্যাচারাল ঘটনা, সুপারন্যাচারাল কিছু না

_______________________

খন্ডন 

******** 

হুমম এটা অলৌকিক কিছুই না। তো তাতে কি হয়েছে। ঘটনা বা ইফেক্ট লৌকিক হোক আর অলৌকিক সেটা দিয়ে স্রষ্টার অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কখনো কাজ করে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার।

যুক্তি-৭ 

_______________________

ফাইন টিউন: ফাইন টিউনিং মহাবিশ্বের ধারণা থেকে আমরা জানতে পারি, ইউনিভার্স জীবনের জন্য ফাইন টিউন, এ বিষয়টি আমরা অ্যানথ্রেইপিক প্রিন্সিপলের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে পারি। ঈশ্বরের দরকার হয় না। 

_____________________ 

খন্ডন

*******

প্রথম কথা হলো স্রষ্টা এই ইউনিভার্স এর অংশ না। যদি স্রষ্টা এই ইউনিভার্স এর অংশ হতো তাহলে এই কথাটা স্রষ্টার বিরুদ্ধে কাজ করত কারণ এই তত্ত্ব শুধু এই ইউনিভার্স এর অংশের ভিতরে কাজ করে। আশা করি কথা ক্লিয়ার। 

যুক্তি -৮ 

________________________ 

মাল্টিভার্স থিওরি: মাল্টিপল ইউনিভার্সের অস্তিত্ব আমাদের নির্দেশ করছে যে, মহাবিশ্ব অসংখ্যের মধ্যে একটি, অন্যান্য মহাবিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও আইন রয়েছে। 

________________________ 

খন্ডন 

******** 

পাল্টিভার্স এটা জাস্ট একটা পিডিকশন, এটা কোনো হাইপোথিসিস ও না। স্টিং থেউরি, শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল পরিক্ষা, গ্রান্ড ফাদার পারাডক্স এর কিছু ব্যাখ্যার জন্য এই তত্ত্ব কে বিকল্প হিসাবে ধরা হয়। এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। আর হাস্যকর ব্যাপার হলো, যেখানে আমরা নিজেদের বিশ্ব সম্পর্কে কিছু জানি না, সেখানে তত্ত্ব দিয়ে দিলাম মাল্টিভার্স এর। তাই এই অপ্রমাণ একটা বিসয় কখনো স্রস্টার বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে না। আশা করি কথা ক্লিয়ার।

যুক্তি -৯ 

_______________________

সায়েন্টিফিক মিডট: বিজ্ঞান প্রমাণ ও পুনরুৎপাদনযোগ্যতার ওপর নির্ভর করে। আর অনেক প্রাকৃতিক ঘটনা ব্যাখ্যা করার জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, ঈশ্বরের অস্তিত্বের সাপেক্ষে কোনো সায়েন্টিফিক সাপোর্ট নেই।

________________________ 

খন্ডন 

******  

এখানে আন্ড্রোস লিহন লজিক্যাল ফ্যালাসির ব্যবহার করেছে। তার কথার শুরুর সাথে শেষের কোনল যোগসূত্র নেই। জিনিসটা এই রকম " আম গাছে যেহেতু বিভিন্ন প্রকারের আম ধরে তাই কাঠাল গাছেও বিভিন্ন আকারের কাঠাল আছে অতএব জাম গাছ এর কোনল অস্তিত্ব নেই । জ্ঞানীদের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। আশা করি কথা ক্লিয়ার।  

যুক্তি-১১ 

_____________________ 

র‍্যান্ডমনেস ও প্রবাবিলিটি: মহাবিশ্ব বিশৃঙ্খলা ও সম্ভাবনা দ্বারা পরিচালিত, যে প্রক্রিয়ায় কমপ্লেক্স স্ট্র‍্যাকচার তৈরি হয়ে পারে যেমন: গ্যালাক্সি ও লাইফ।

______________________ 

খন্ডন 

****** 

গ্রলাক্সি কিভাবে তৈরি সেটা দিয়ে স্রষ্টার সৃষ্টির উপরও তো কোনো প্রশ্ন করা যাবে না, তাহলে স্রষ্টা নেই সেই বিষয় কিভাবে প্রমাণ করে। আর হ্যা এটা শুধু জড় বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন : বিমান, রকেট ইত্যাদি ইত্যাদি। আশা করি কথা ক্লিয়ার।

 

শেষ যুক্তি -১২

_______________________ 

 বিবর্তন: ডারউইনের বিবর্তন এ গ্রহে জীবনের বৈচিত্র‍্যতা ব্যাখ্যা করতে পারে কোনো প্রকার ঈশ্বরের সাহায্য ছাড়াই।

____________________ 

তো এটা আর খন্ডন করলাম না। কেন এই বিষয়ে কিছু লেখলাম না সেটা হয় তো বুঝে গেছেন ।

তো এই ছিল তাঁর ভ্রান্ত যুক্তির..... 

তো লেখাটা এখানেই শেষ করছি। 

সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

    কলমে: মোঃ মেহেদী হাসান ✍️✍️✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ

#প্রিন্স_ফ্রেরাসে
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. MdAUKhan

    10 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. তামান্না আক্তার

    6 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. আল-মামুন রেজা

    2 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  4. শামীমা আকতার

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  5. রফিক আতা

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  6. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  7. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    753 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    37 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. মাহাতাব হোসেন অপল

    170 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    8 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    42 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...