Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

eID: #1816 এর সম্পাদনার ইতিহাস

মূল লেখায় ফিরে যান

বর্তমান ভার্সনসম্পাদনা 07 ডিসেম্বর 2025 করেছেন প্রিন্স ফ্রেরাসে

কোন আয়াতটা পড়লে বুঝতে পারব যে আল কোরআন সত্য? সিরিজ পর্ব-৪

কোন আয়াতটা পড়লে বুঝব যে আল- কোরআন সত্য?  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

পর্ব- ৪ 

প্রিয় বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন, আশা করি আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর অশেষ রহমতে সবাই অনেক অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও অনেক ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। 

ইতিপূর্বে আমি এই সিরিজের প্রথম তিন পর্ব ফেইসবুক ও ই- নলেজ আইডিয়াতে আম বিভিন্ন গ্রুপ এতে আপলোড করে দিয়েছি। 

আমি তো অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই আয়াতটা পড়ে, যেখানে সুন্দর সুস্পষ্ট আর সাবলীলভাবে বৈজ্ঞানিক দুই- দুইটা তথ্য দেওয়া আছে। 

তো চলুন আমরা এখন যেনে আসি আল কোরআনের আরও একটা সভ্যতার সত্যতার প্রমাণের কথা,।

চিন্তা করুন তো আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে, যখন এমন এক গ্রন্থ নাযিল হয় এবং যেইখানে নাযিল হয় আর যার উপর নাযিল হয় তারা কেও কি সমুদ্র সম্পর্কে জ্ঞান রাখ তো, গভীর বা বৈজ্ঞানিক  জ্ঞান রাখত?  উত্তর হবে অবশ্যই না❓❔। 

না। 

কারণ এই আল কোরআন নাযিল হয় মক্কা আর মদিনায়, যেটা সৌদি আরব এর অংশ আর সৌদি আরব মানে মরভূমি। এবং আমরা এই কথাও জানি যে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাঃ লেখা- পড়া জানতেন না। তাই সমুদ্র সম্পর্কে কোনো গভীর  তথ্য তার পক্ষে জানা সম্ভব না।  

এখন  এখন লক্ষ করুন নিচের আয়াতটা, আল্লাহ রব্বুল আলামিন পবিত্র আল কোরআনের সূরা নূর এর ৪০ নাম্বার আয়াতে বলছেন যে

" اَوۡ کَظُلُمٰتٍ فِیۡ بَحۡرٍ لُّجِّیٍّ یَّغۡشٰہُ مَوۡجٌ مِّنۡ فَوۡقِہٖ مَوۡجٌ مِّنۡ فَوۡقِہٖ سَحَابٌ ؕ ظُلُمٰتٌۢ بَعۡضُہَا فَوۡقَ بَعۡضٍ ؕ اِذَاۤ اَخۡرَجَ یَدَہٗ لَمۡ یَکَدۡ یَرٰىہَا ؕ وَ مَنۡ لَّمۡ یَجۡعَلِ اللّٰہُ لَہٗ نُوۡرًا فَمَا لَہٗ مِنۡ نُّوۡرٍ ﴿٪۴۰﴾

আও কাজুলুমা-তিন ফী বাহরিল লুজ্জিইয়িইঁ ইয়াগশা-হু মাওজুম মিন ফাওকিহী মাওজুম মিন ফাওকিহী ছাহা-বুন জু লুমা-তুম বা‘দুহা-ফাওকা বা‘দিন ইযাআখরাজা ইয়াদাহূলাম ইয়াকাদ ইয়ারা-হা- ওয়া মাল লাম ইয়াজ‘আলিল্লা-হু লাহূনূরান ফামালাহূমিননূর।

অথবা (কাফিরদের কাজ) প্রমত্ত সমুদ্রের বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার উপরে রয়েছে ঘন কালো মেঘ, একের উপর এক অন্ধকার। তার হাতকে বের করলে সে তা আদৌ দেখতে পায়না। আল্লাহ যাকে জ্যোতি দান করেননা তার জন্য কোন জ্যোতি নেই।

Or [the state of a disbeliever] is like the darkness in a vast deep sea, overwhelmed with a great wave topped by a great wave, topped by dark clouds, darkness, one above another, if a man stretches out his hand, he can hardly see it! And he for whom Allah has not appointed light, for him there is no light." 

সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ 

এই আয়াতে ভালো করে লক্ষ্য করুন, এখানে কাফেরদেরকে লক্ষ্য করে আল্লাহ রব্বুল আলামিন সমুদ্র বিজ্ঞান এর কথা বলছে 

* যেখানে *যেখানে বলা হচ্ছে যে সমুদ্রের ভিতরে বয়ে চলছে তরঙ্গের উপর দিয়ে তরঙ্গ বা ঢেউ এর উপর ঢেউ, অথ্যাৎ, সমুদ্রের গভীরের ঢেউ আছে, আমরা সাধারণ মানুষরা জানি যে সমুদ্রের উপরে ঢেউ এর সৃষ্টি হয়, কিন্তু সমুদ্রের গভীরে যে ঢেউ এর উৎপন্ন হয় এটা আজ থেকে ৮০ বছর আগে কেও জান তো না, সমুদ্রের নিছ বুকে যে ঢেউ এর সৃষ্টি হয় সেটা জানা যায় সাবমেরিন আবিষ্কার হওয়ার পর, আর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আবিষ্কার হয়, ১৯৫৪ সালে, তার পর এই তথ্যটা আমাদের সামনে আসে যে " সমুদ্রের গভীরেও ঢেউ আছে শুধু উপরে না। আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন কত সুন্দর ভাবে এই তথ্যটা আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে পবিত্র আল কোরআনে বলে দেয়।

 আমি উপরের লেখায় বলছি যে দুটো বিজ্ঞান আছে আয়াতে। এখানে আমি মোঃ মেহেদী হাসান শুধু একটার কথা বললাম, আর বাকিটা প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অবশ্যই একটু চিন্তা করে কমেন্ট বক্সে বলে যাবেন। আমার বিশ্বাস আমার ফ্রেন্ড লিস্টে সব ভাবুক আর চিন্তাশিল জ্ঞানীরা আছে। তাি একটু কষ্ট করলে পেয়ে যাবেন। 

না পারলে তো আমি আছি। 

এখন একটা ফ্যাক্ট বলি 

এই তথ্যটা আপনারা গ্রে মিলার এর Tha Amazing Quran এতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ ।  

এই বই এর pdf আছে, চায় লে ডাউনলোড করে পড়ে দেখতে পারেন।  

তো চলুন ঘটনাটা বলি কেমন।

 ঘটনাটা হলো একজন প্রাক্টিসিং মুসলিম তার এক বন্ধুকে কোরআন উপহার দেয়, যে কিনা অমুসলিম, 

সেই ব্যাক্তিটা ইসলাম সম্পর্কে কোনো জ্ঞান রাখ তো না। সে যখন পবিত্র আল কোরআন সম্পূর্ণ পড়া শেষ করল তকন তার মুসলিম বন্ধুকে বলল যে ' আচ্ছা বন্ধু তোমাদের ( আমাদের) প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ কি একজন বনিক ছিলেন। 

তাঁর মুসলিম বন্ধু বললেন না, তিনি বনিক ছিলেন না, সে ককনো সমুদ্র দেখে নায় তার নিজ চক্ষুতে। আর এই কথা শুনার পর সাথে সাথে ওই অমুসলিম লোকটা মুসলিম বন্ধুর কাছে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হয় সুবহানাল্লাহ, আল্লাহ আকবার।

এখন শুধু আমার মনে হচ্ছে যে দ্বিতীয় বৈজ্ঞানিক তথ্যটাও বলে দেয়, কিন্তু সেটা আর বলতে চাচ্ছি না, রেখে গেলাম আপনাদের জন্য।  

। 

এরকম শত শত তথ্য আছে পবিত্র আল কোরআন এতে।  

আসলে আমরা আরবি ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান রাখি না বলে আজ মুসলিম জাতির এই দশা। ছোট বেলা থেকে আমরা শুধু জেনে এসেছি যে ইসলাম সত্য, আর এই কথা আমরা বিধর্মীদের বলতামও সবাই। কিন্তু তাঁরা যখন প্রমাণ চাই তো তখন আমাদের মুখ দিয়ে আওয়াজ বাহির হ তো না।  

তাই বলতে চাই যে আরবি ভাষা শিখুন। 

আরবি ভাষা আপনার চিন্তা ভাবনার চেয়েও সহজ, আগের একটা পর্বে তা বলেছিলাম।  

আজকে আরেকটু তথ্য বলে দেয়, পবিত্র আল কোরআনে ১২৫ টা শব্দ আছে যা আল কোরআনের অর্ধেক, আমরা জানি৷ যে আল কোরআনের শব্দ সংখ্যা ৭০ হাজারের মতো, এখন এই ১২৫ টা শব্দ শিখলে আপনি ৪৫ হাজার শব্দের অর্থ জানবেন, তার মধ্যে আমি এখন কয়েকটা বলে দেয় 

১. লা অর্থ না পবিত্র কোরআনে এই শব্দটা এসেছে

১৭৩২ বার, সূরা বাকারার ২৫৫ নামৃবার আয়াতে যে ' লা' শব্দ আছে সে 'লা'

২.'লাম ' এর অর্থও ' না' শব্দ সংখ্যা এসেছে পবিত্র আল কোরআনে ৩৪৭ বার, সূরা আল ইমরানের তিন নাম্বার আয়াতে যে " লাম " ব্যবহার করা হয়েছে সে ' লাম ' এটা। 

এখন দুটো সংখ্যা যোগ করেন, দেখবেন দু- হাজারের উপরে হবে। এই দুটো শব্দের অর্থ জানার কারণে আমরা এখন আল কোরআনের ৭৪ হাজার শব্দের দু- হাজার শব্দের অর্থ জেনে গেলাম। 

এরকম ভাবে না হয় কিছু অর্থ প্রতিদিন বলব কেমন।  

তো আজকের মতো লেখাটা এখানেই শেষ।  

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

    কলমে : মোঃ মেহেদী হাসান মাহির ✒️✒️✒️

✍️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
লিখেছেন 07 ডিসেম্বর 2025 , লেখক: প্রিন্স ফ্রেরাসে

কোন আয়াতটা পড়লে বুঝতে পারব যে আল কোরআন সত্য? সিরিজ পর্ব-৪

কোন আয়াতটা পড়লে বুঝব যে আল- কোরআন সত্য?  

আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 

পর্ব- ৪ 

প্রিয় বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন, আশা করি আল্লাহ রব্বুল আলামিন এর অশেষ রহমতে সবাই অনেক অনেক ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও অনেক ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ। 

ইতিপূর্বে আমি এই সিরিজের প্রথম তিন পর্ব ফেইসবুক ও ই- নলেজ আইডিয়াতে আম ও বিভিন্ন গ্রুপ এতে আপলোড করে দিয়েছি। 

আমি তো অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই আয়াতটা পড়ে, যেখানে সুন্দর সুস্পষ্ট আর সাবলীলভাবে বৈজ্ঞানিক দুই- দুইটা তথ্য দেওয়া আছে। 

তো চলুন আমরা এখন যেনে আসি আল কোরআনের আরও একটা সভ্যতার প্রমাণের কথা,।

★ চিন্তা করুন তো আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে, যখন এমন এক গ্রন্থ নাযিল হয় এবং যেইখানে নাযিল হয় আর যার উপর নাযিল হয় তারা কেও কি সমুদ্র সম্পর্কে জ্ঞান রাখ তো, উত্তর হবে অবশ্যই না❓❔। 

কারণ এই আল কোরআন নাযিল হয় মক্কা আর মদিনায়, যেটা সৌদি আরব এর অংশ আর সৌদি আরব মানে মরভূমি। এবং আমরা এই কথাও জানি যে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাঃ লেখা- পড়া জানতেন না। তাই সমুদ্র সম্পর্কে কোনো তথ্য তার পক্ষে জানা সম্ভব না।  

★ এখন লক্ষ করুন নিচের আয়াতটা, আল্লাহ রব্বুল আলামিন পবিত্র আল কোরআনের সূরা নূর এর ৪০ নাম্বার আয়াতে বলছেন যে

" اَوۡ کَظُلُمٰتٍ فِیۡ بَحۡرٍ لُّجِّیٍّ یَّغۡشٰہُ مَوۡجٌ مِّنۡ فَوۡقِہٖ مَوۡجٌ مِّنۡ فَوۡقِہٖ سَحَابٌ ؕ ظُلُمٰتٌۢ بَعۡضُہَا فَوۡقَ بَعۡضٍ ؕ اِذَاۤ اَخۡرَجَ یَدَہٗ لَمۡ یَکَدۡ یَرٰىہَا ؕ وَ مَنۡ لَّمۡ یَجۡعَلِ اللّٰہُ لَہٗ نُوۡرًا فَمَا لَہٗ مِنۡ نُّوۡرٍ ﴿٪۴۰﴾

আও কাজুলুমা-তিন ফী বাহরিল লুজ্জিইয়িইঁ ইয়াগশা-হু মাওজুম মিন ফাওকিহী মাওজুম মিন ফাওকিহী ছাহা-বুন জু লুমা-তুম বা‘দুহা-ফাওকা বা‘দিন ইযাআখরাজা ইয়াদাহূলাম ইয়াকাদ ইয়ারা-হা- ওয়া মাল লাম ইয়াজ‘আলিল্লা-হু লাহূনূরান ফামালাহূমিননূর।

অথবা (কাফিরদের কাজ) প্রমত্ত সমুদ্রের বুকে গভীর অন্ধকারের ন্যায়, যাকে উদ্বেলিত করে তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার উপরে রয়েছে ঘন কালো মেঘ, একের উপর এক অন্ধকার। তার হাতকে বের করলে সে তা আদৌ দেখতে পায়না। আল্লাহ যাকে জ্যোতি দান করেননা তার জন্য কোন জ্যোতি নেই।

Or [the state of a disbeliever] is like the darkness in a vast deep sea, overwhelmed with a great wave topped by a great wave, topped by dark clouds, darkness, one above another, if a man stretches out his hand, he can hardly see it! And he for whom Allah has not appointed light, for him there is no light." 

সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ সুবহানাল্লাহ 

এই আয়াতে ভালো করে লক্ষ্য করুন, এখানে কাফেরদেরকে লক্ষ্য করে আল্লাহ রব্বুল আলামিন সমুদ্র বিজ্ঞান এর কথা বলছে 

* যেখানে বলা হচ্ছে যে সমুদ্রের ভিতরে বয়ে চলছে তরঙ্গের উপর দিয়ে তরঙ্গ বা ঢেউ এর উপর ঢেউ, অথ্যাৎ, সমুদ্রের গভীরের ঢেউ আছে, আমরা সাধারণ মানুষরা জানি যে সমুদ্রের উপরে ঢেউ এর সৃষ্টি হয়, কিন্তু সমুদ্রের গভীরে যে ঢেউ এর উৎপন্ন হয় এটা আজ থেকে ৮০ বছর আগে কেও জান তো না, সমুদ্রের নিছ বুকে যে ঢেউ এর সৃষ্টি হয় সেটা জানা যায় সাবমেরিন আবিষ্কার হওয়ার পর, আর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন আবিষ্কার হয়, ১৯৫৪ সালে, তার পর এই তথ্যটা আমাদের সামনে আসে যে " সমুদ্রের গভীরেও ঢেউ আছে শুধু উপরে না। আর আল্লাহ রব্বুল আলামিন কত সুন্দর ভাবে এই তথ্যটা আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে পবিত্র আল কোরআনে বলে দেয়।

 আমি উপরের লেখায় বলছি যে দুটো বিজ্ঞান আছে আয়াতে। এখানে আমি মোঃ মেহেদী হাসান শুধু একটার কথা বললাম, আর বাকিটা প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অবশ্যই একটু চিন্তা করে কমেন্ট বক্সে বলে যাবেন। আমার বিশ্বাস আমার ফ্রেন্ড লিস্টে সব ভাবুক আর চিন্তাশিল জ্ঞানীরা আছে। তাি একটু কষ্ট করলে পেয়ে যাবেন। 

না পারলে তো আমি আছি। 

এখন একটা ফ্যাক্ট বলি 

এই তথ্যটা আপনারা গ্রে মিলার এর Tha Amazing Quran এতে পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ ।  

এই বই এর pdf আছে, চায় লে ডাউনলোড করে পড়ে দেখতে পারেন।  

তো চলুন ঘটনাটা বলি কেমন।

 ঘটনাটা হলো একজন প্রাক্টিসিং মুসলিম তার এক বন্ধুকে কোরআন উপহার দেয়, যে কিনা অমুসলিম, 

সেই ব্যাক্তিটা ইসলাম সম্পর্কে কোনো জ্ঞান রাখ তো না। সে যখন পবিত্র আল কোরআন সম্পূর্ণ পড়া শেষ করল তকন তার মুসলিম বন্ধুকে বলল যে ' আচ্ছা বন্ধু তোমাদের ( আমাদের) প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ কি একজন বনিক ছিলেন। 

তাঁর মুসলিম বন্ধু বললেন না, তিনি বনিক ছিলেন না, সে ককনো সমুদ্র দেখে নায় তার নিজ চক্ষুতে। আর এই কথা শুনার পর সাথে সাথে ওই অমুসলিম লোকটা মুসলিম বন্ধুর কাছে কালেমা পাঠ করে মুসলিম হয় সুবহানাল্লাহ, আল্লাহ আকবার।

এখন শুধু আমার মনে হচ্ছে যে দ্বিতীয় বৈজ্ঞানিক তথ্যটাও বলে দেয়, কিন্তু সেটা আর বলতে চাচ্ছি না, রেখে গেলাম আপনাদের জন্য।  

এরকম শত শত তথ্য আছে পবিত্র আল কোরআন এতে।  

আসলে আমরা আরবি ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান রাখি না বলে আজ মুসলিম জাতির এই দশা। ছোট বেলা থেকে আমরা শুধু জেনে এসেছি যে ইসলাম সত্য, আর এই কথা আমরা বিধর্মীদের বলতামও সবাই। কিন্তু তাঁরা যখন প্রমাণ চাই তো তখন আমাদের মুখ দিয়ে আওয়াজ বাহির হ তো না।  

তাই বলতে চাই যে আরবি ভাষা শিখুন। 

আরবি ভাষা আপনার চিন্তা ভাবনার চেয়েও সহজ, আগের একটা পর্বে তা বলেছিলাম।  

আজকে আরেকটু তথ্য বলে দেয়, পবিত্র আল কোরআনে ১২৫ টা শব্দ আছে যা আল কোরআনের অর্ধেক, আমরা জানি৷ যে আল কোরআনের শব্দ সংখ্যা ৭০ হাজারের মতো, এখন এই ১২৫ টা শব্দ শিখলে আপনি ৪৫ হাজার শব্দের অর্থ জানবেন, তার মধ্যে আমি এখন কয়েকটা বলে দেয় 

১. লা অর্থ না পবিত্র কোরআনে এই শব্দটা এসেছে

১৭৩২ বার, সূরা বাকারার ২৫৫ নামৃবার আয়াতে যে ' লা' শব্দ আছে সে 'লা'

২.'লাম ' এর অর্থও ' না' শব্দ সংখ্যা এসেছে পবিত্র আল কোরআনে ৩৪৭ বার, সূরা আল ইমরানের তিন নাম্বার আয়াতে যে " লাম " ব্যবহার করা হয়েছে সে ' লাম ' এটা। 

এখন দুটো সংখ্যা যোগ করেন, দেখবেন দু- হাজারের উপরে হবে। এই দুটো শব্দের অর্থ জানার কারণে আমরা এখন আল কোরআনের ৭৪ হাজার শব্দের দু- হাজার শব্দের অর্থ জেনে গেলাম। 

এরকম ভাবে না হয় কিছু অর্থ প্রতিদিন বলব কেমন।  

তো আজকের মতো লেখাটা এখানেই শেষ।  

তো সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন 

    কলমে : মোঃ মেহেদী হাসান মাহির ✒️✒️✒️

আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
সেরা ১০ জন পরীক্ষক

  1. শামীমা আকতার

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  2. MdAUKhan

    3 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  3. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    1 টি পরীক্ষণ কার্যক্রম



  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    973 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    48 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. আল-মামুন রেজা

    84 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. Fatematuj Johora

    43 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    2 টি আইডিয়া ব্লগ

...