Enolej Idea-তে লেখা প্রকাশের নিয়ম জানতে পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন...
ই-নলেজ আইডিয়া হলো এমন একটি চিন্তানির্ভর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মানুষ শুধু তথ্য নয়, চিন্তা শেয়ার করে। এখানে জ্ঞানীরা একত্র হন, নতুনরা পথ খুঁজে পান, এবং সবাই মিলে তৈরি হয় একটি জ্ঞানভিত্তিক উম্মাহ। এটি জ্ঞানচর্চাকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানানোর একটি প্রচেষ্টা, যেখানে লেখা, ভাবা ও শেখা—সবই হয় মুক্তভাবে।আজই যোগ দিন!নিবন্ধন করতে এখানে ক্লিক করুন...।

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

আপনার লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি এবং ফ্রী প্রমোশন, সব এক প্ল্যাটফর্মে!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার লেখার অভিজ্ঞতাই বদলে দিবে। (পড়ুন...)

যদি আপনি হন পাঠক, কিংবা লেখক হিসেবে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করেন:

যদি আপনার লেখাগুলোর কপিরাইট সুরক্ষা, সুশৃঙ্খলতা, আপনার ভেরিফাইড লেখক পোর্টফলিও এবং লেখক-পাঠকের কেন্দ্রীয় কমিউনিটিতে যুক্ত হতে চান, তাহলে নিবন্ধন করুন লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম “ই-নলেজ আইডিয়া” -এ!

এখানে অনেক প্রতিভাবান লেখক বিভিন্ন সিরিজে লিখছেন। আপনিও চাইলে আপনার লেখাগুলো সিরিজ আকারে সাজাতে পারবেন।

আপনার লেখক প্রোফাইল হবে একদম জীবন্ত পোর্টফলিও, এক ধরনের জীবন্ত বই। এখানে শুধু লেখক নয়, থাকবে পাঠকেরও সংস্পর্শ। ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি এবং কপিরাইট সুরক্ষা তো থাকছেই, লেখাগুলো স্ক্যান করলেই আপনার নাম ভেসে উঠবে।

এটি তাই লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক....

পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

অনলাইন ক্লাস নাকি অফলাইন ক্লাস? আপনার জন্য কোনটি ভালো হবে?

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
5 বার প্রদর্শিত
করেছেন (31 পয়েন্ট)   22 ঘন্টা পূর্বে "পড়াশোনা" বিভাগে লেখা প্রকাশিত
পোষ্ট আইডি(eID) কার্ড↓ - লেখনীর স্বত্ব ও গুণের পরিচয়!

১.

নাঈম, রাঈম আর সাঈম। মধ্যবিত্ত পরিবারের তিনজন সন্তান। ছোটবেলা থেকেই তিনজনের ভালো স্টুডেন্ট হিসেবে এলাকায় খ্যাতি ছিল। 

সাঈম ক্লাস ৬-৭ এ  থাকতে ফোন হাতে পায়। নাঈম আর রাঈম তখনো ফোন হাতে পায়নি। সাঈমের যখন অনলাইন দুনিয়া বিচরণ করা শেষ। নাঈম আর রাঈমের তখন অনলাইন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই।

এসএসসিতে আশানুরূপ একটা রেজাল্ট করার পর নাঈম আর রাঈম ফোন হাতে পায়। ফোন পাওয়ার পর হঠাৎ তাদের মাথায় উদয় হয় তারা বাইরে পড়ার বদলে অনলাইনেই নিজেদের পড়ালেখা চালিয়ে যাবে।

সাঈম ফোন থাকলেও বাইরেই পড়তো। সে যথারীতি অফলাইনে পড়ালেখা করতে থাকে। বিভিন্ন কোচিং-প্রাইভেট এবং কলেজ টিচারের কাছে পড়ে। 

নাঈম আর রাঈমও পড়ালেখা করতে থাকে। অনলাইনে বিভিন্ন প্রথিতযশা টিচারের কোর্স কিনে ক্লাস শুরু করে।

লং স্টোরি শর্ট, এডমিশন আসে। সাঈম একটা প্রথিতযশা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায়। নাঈম আর রাঈমের কোথাও চান্স হয় না। 

২.

চান্স পাওয়া বা না পাওয়ার পিছনে ভাগ্য-পরিশ্রমসহ বিভিন্ন ফ্যাক্টর আছে। আমি সেদিকে যাব না বরং একটু ভিন্ন দিকে আলোকপাত করবো। সাঈম যেহেতু ক্লাস ৬-৭ এ থাকতে ফোন হাতে পায়। সেসময় অনলাইন দুনিয়া নিজের মতো এক্সপ্লোর করার সুযোগ পেয়েছে। ভালো মন্দ বুঝতে শিখেছে। এবং সর্বোপরি ফোনকে সে আহামরি কিছু মনে করেনি।

উপরদিকে নাঈম আর রাঈম ফোন হাতে পায় এসএসসি পাস করার পর। তাদের হাতে ছোটবেলায় ফোন দেয়া হয়নি। তাই ফোন হাতে পাওয়ার পর তারা এটাকে অনেক বড় কিছু মনে করেছে। যেহেতু ছোটবেলায় ফোন হাতে পায়নি সেহেতু হাতে পাওয়ার পর তারা দেদারসে ব্যবহার করেছে। সবকিছু নিজের মতো এক্সপ্লোর করেছে। এই এক্সপ্লোর করার গ্যাড়াকলে তাদের অনেককিছু ক্ষোয়া গেসে। তাদের পড়াশোনার উদ্দেশ্য ফোন ব্যবহারের চেয়ে অন্যান্য উদ্দেশ্য ফোন ব্যবহার করতেই বেশি দেখা গেসে। পড়াশোনা যদি করেছে ২ ঘন্টা, সোশ্যাল মিডিয়াসহ অন্যান্য বিষয়ে সময় ব্যায় করেছে ৪ ঘন্টা। বড় ভাইয়েরা পরামর্শ দিয়েছে যে বেশি ফোন ব্যাবহার করা যাবে না। কে শুনে কার কথা। যে ছেলে তার বুঝ হওয়ার পর জীবনের ১০-১২ বছর ফোন ধরতে পারেনি সে ফোন হাতে পাওয়ার পর চালাবে না তো কে চালাবে?

৩.

অনেক বাবা মা মনে করেন যে ছোটবেলায় ফোন দেয়া হলে বাচ্চাকাচ্চা নষ্ট হয়ে যাবে। ব্যাপারটা ভুল। যে নষ্ট হওয়ার সে ছোটবেলায় ফোন পেলেও হবে  আবার না পেলেও হবে। বয়স  এবং ফোন এখানে ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে পারিবারিক শিক্ষা এবং তার বিবেকবোধ।

আমি এমন অনেককেই চিনি যারা ছোটবেলায় ফোন হাতে পেয়েছে। বর্তমানে ফোনকে তারা বিশেষ কিছু মনে করে না। আবার যাদের ছোটবেলায় ফোন চালানোর ক্রেভিং ছিল। কিন্তু ফোন হাতে পায়নি তাদের অনেকেকেই ফোনকে হাতিঘোড়া মনে করতে দেখেছি। ফলস্বরূপ এটাকে হাতে পাওয়ার পর তাদের লাগাম নিজেদের হাতে থাকেনি বরং ফোনের হাতে চলে গেসে। ফোনই তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করেছে।

৪.

আমি বাচ্চাদের ছোটবেলায় ফোন দেওয়ার পক্ষে এবং ছোটবেলায় ফোন যদি না পেয়ে থাকে তবে ইন্টারমিডিয়েট এর আগে বা এইচএসসির পরে ফোন দেওয়ার ঘোর বিপক্ষে।  বাচ্চাদের ৪-৫-৬-৭-৮-৯যেকোনো ক্লাসে ফোন দেয়া যেতে পারে। কিন্তু ফোন না পেয়ে থাকলে তাকে এইচএসসির পর এবং ইন্টারমিডিয়েটের আগে কোনোভাবেই দেয়া যাবে না।  একেবারে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পর দিলে ভালো।

৫.

মা-বাবাদের উপর আমার রাগ আছে। তারা সন্তানদের ভালো মনে করে ফোন দেয় ১০ম শ্রেণী বা এসএসসির পর। এইটাতে ভালোর বদলে খারাপ হয়। ফোনটা যদি ২-৩ বছর আগে দিত বা ২-৩ বছর পরে দিত তাহলে অনেক ঝুকি এড়ানো যেত।

৬.

অনলাইন ক্লাস করার ক্ষেত্রে আমার মতামত হইলো অনলাইন ক্লাস ভালো। বিভিন্ন ট্র্যডিশনাল টিচারের চেয়েও অনলাইনের টিচাররা ভালো পড়ায়। তবে অনলাইন ক্লাস করার ক্ষেত্রে একটা শর্ত আছে-

ব্যাবহারকারীকে অবশ্যই ক্লাস শুরু হওয়ার কমপক্ষে ২-৩ বছর আগে ফোন দিতে হবে। জীবনে সদ্য ফোন পেয়েছে এমন কারো দ্বারা অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব নয়। সে নিশ্চিত পথভ্রষ্ট হবে। তার আশাভঙ্গ হবে।

এই শর্ত পূরণ করতে না পারলে বাইরে অফলাইনে পড়তে হবে। 

সাঈমের মতো ছেলেরা চাইলে অফলাইন- অনলাইন দুই জায়গাতেই পড়তে পারে। আর নাঈম আর রাঈমের মতো যারা সদ্য ফোন হাতে পেয়েছে তাদের মাস্ট অফলাইনে পড়তে হবে। না হলে গতি নাই। 

আমি সাকিব আহসান শান্ত, ই-নলেজ এর একজন যাচাইকৃত লেখক। আমি এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছি প্রায় অল্পদিন ধরে, এবং এ পর্যন্ত 1 টি লেখা ও 0 টি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছি। আমার অর্জিত মোট পয়েন্ট 31। ই-নলেজ আমার চিন্তা, জ্ঞান ও কণ্ঠকে সবার মাঝে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেছে।
সংযুক্ত তথ্য
নিজস্ব আইডিয়া, ই-নলেজ আইডিয়া এ প্রথম প্রকাশিত
Enolej ID(eID): 5103
লেখাটি কপি করতে 'অনুলিপি' এ ক্লিক করুন।

বিজ্ঞাপন: Remembering...

Image

এই ব্লগটির প্রতিক্রিয়া দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

সংশ্লিষ্ট ব্লগগুচ্ছ


বর্তমান বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় MCQ পদ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
170 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

মুসলিম শিক্ষার্থীদের পড়ার ১০০ টা বইয়ের তালিকা  আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ  © প্রিন্স ফ্রেরাসে  আমি এখানে নিজের বাছাই করা ১০০ টা বইয়ের নাম উল্লেখ করছি যেগুলো মুসলিম ছাত্র- ছাত্রীদের জ�[...] বিস্তারিত পড়ুন...
183 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

বিশ্বের ১.৮ বিলিয়ন মানুষ Gmail ব্যবহার করেন, কিন্তু মাত্র ৩% জানেন এর আসল জাদু। এই ৮টি অদ[...] বিস্তারিত পড়ুন...
154 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

image
মানবজীবনের প্রতিটি পর্যায়ের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তবে কৈশোর বা টিনএজ (১৩–১৯ বছর) হল&#[...] বিস্তারিত পড়ুন...
268 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

❓
আপনি লিখলেন জ্ঞান-বিজ্ঞানের দারুণ একটি আর্টিকেল, গল্প বা চিন্তাশীল লেখা। কিন্তু [...] বিস্তারিত পড়ুন...
117 বার প্রদর্শিত 0 টি প্রতিক্রিয়া
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
📢 Notice Board
No active notices
ই-নলেজ আইডিয়া(Enolej Idea) হলো লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম যেখানে যেকোনো ধরনের লেখা—সাহিত্য, বিজ্ঞান, গবেষণা নোট, মতামত, প্রতিবাদী লেখা, ধর্মীয় চিন্তা, ব্যক্তিগত নোট বা দৈনন্দিন ভাবনা—নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এটি সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়িয়ে থাকা অগোছালো কনটেন্টকে একটি ভেরিফাইড, রেফারেন্সযোগ্য ডিজিটাল পোর্টফোলিওতে রূপান্তর করে, যা ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি ও দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং গড়ে তোলে। প্রতিটি লেখার জন্য ইউনিক ডিজিটাল আইডি (eID) ও কপিরাইট সুরক্ষা প্রদান করা হয়, ফলে লেখা চুরি হলেও আসল লেখক সহজে শনাক্তযোগ্য থাকে। ধারাবাহিক কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজানো, এক ক্লিকেই ই-বুক বা বইয়ের খসড়ায় রূপান্তর, ব্যক্তিগত খসড়া গোপন রাখা এবং একটি সক্রিয় কমিউনিটির মাধ্যমে পাঠকের সাথে সরাসরি সংযোগ—সব সুবিধাই এখানে একসাথে পাওয়া যায়। ই-নলেজ আইডিয়া মূলত ব্যক্তির চিন্তা ও জ্ঞানকে একটি স্থায়ী, সুরক্ষিত ও সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত ডিজিটাল লেখক ইকোসিস্টেমে রূপ দেয়। IDEA = Independent Digital Expression & Authorship.
  1. মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন

    2346 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    11 মন্তব্য

    116 টি আইডিয়া ব্লগ

  2. Mayabi Ilmaz Megh

    211 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    10 টি আইডিয়া ব্লগ

  3. প্রিন্স ফ্রেরাসে

    127 পয়েন্ট

    0 টি প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    6 টি আইডিয়া ব্লগ

  4. জামিনুল রেজা

    83 পয়েন্ট

    1 প্রতিক্রিয়া

    0 মন্তব্য

    4 টি আইডিয়া ব্লগ

...